20/05/2026
আরেকটা ঘটনা বোধহয় ঠাকুর ২০৪ নম্বরে থাকার সময় ঘটেছিল। সে-বার ঠাকুর হাওড়ায় থাকার সময় রাজাসাহেবও কলকাতায় ছিলেন।
বিকালে রাজাসাহেব ঠাকুরকে বেড়াতে নিয়ে যাবার জন্য রোজই মোটর পাঠাতেন। কোন দিন আমরা, কখনও দাদামশাই বা আর কেউ সঙ্গী হতেন ঠাকুরের। রাজাসাহেব নিজে আসতেন ঠাকুরকে নিতে—এমনও হত। তখন কেবল তিনিই হয়তো যেতেন তাঁর সঙ্গে। দাদামশাইয়ের কাছে শুনেছি, ঠাকুর যেরকম কলকাতার প্রত্যেকটি রাস্তা চিনতেন, আজীবন কলকাতার কাছে থেকেও তিনি নিজে নাকি কলকাতার গলি-ঘুঁজি সেরকম চিনতেন না।
এই সময় রাজাসাহেবের গুরুচরণ নামে এক হিন্দুস্তানি ড্রাইভার ছিল। তার মত সরল গোবেচারা মানুষ খুব কমই দেখা যায়। রাজাসাহেব ওকে সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন যে, গুরুচরণের হাতে গাড়ি থাকলে অ্যাক্সিডেন্টের ভয় নেই। তা ঠিকই। কারণ রাস্তায় মহিষের গাড়ি (সে সময় কলকাতায় গরুর চেয়ে মহিষটানা গাড়িই বেশি ছিল) সামনে পড়লেও গুরুচরণ কখনও তার পাশ কাটাতে চাইত না। কেবলই হর্ন টিপত আর বলত, “আরে, বাড়হাও! আগে বাড়হাও!” কী জানি, পাশ কাটাতে গিয়ে যদি দুর্ঘটনা হয়! গুরুচরণ সবসময়ই সবার পিছনে ধীরে ধীরে গাড়ি চালাতে ভালবাসত। কাজ কী মেলা ঝামেলায়—এই তার ভাব। তার অসীম ধৈর্যে আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটত অনেক সময়, গুরুচরণ নির্বিকার।
আর এক মজা—কলকাতার কোন রাস্তাই সে চিনত না এবং চেনার জন্য ব্যগ্রও ছিল না। ঠাকুর তাকে যে রাস্তা দিয়েই যেতে বলুন না কেন, সব সময়ই “মুঝে তো মালুম নেহি, গুরুজী”—এই ছিল তার বিনীত উত্তর। গঙ্গার ধারে রেড রোড বা স্ট্র্যান্ড রোডে পড়লে তখন সে সানন্দে বলত, “এইবার আমি ঠিক যেতে পারব”—অর্থাৎ ওইখান থেকে হাওড়া ব্রিজ হয়ে পঞ্চাননতলা রোড পর্যন্ত সে ভালই চেনে। আর চেনে রেড রোড হয়ে ল্যান্সডাউন রোডে রাজাসাহেবের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা। তার বাইরে যাই-ই বল না কেন—“মালুম নেহি”।
মজা দেখার জন্য একেকদিন ঠাকুর তাকে এমন ঘুরিয়ে রেড রোড বা স্ট্র্যান্ড রোডে এনে ফেলতেন যে, অত চেনা রাস্তাও গুরুচরণ প্রথমটা চিনে উঠতে পারত না। অচেনা রাস্তায় ঘুরে এমনই হকচকিয়ে যেত সে যে ধাঁধা লেগে যেত বেচারীর। এই নিয়ে হাসাহাসি করতাম আমরা। যেতে যেতে শেষে হাওড়া ব্রিজ চোখে পড়লে তবে তার মালুম হত কোন জায়গায় এসে পড়েছে। তখন সবিস্ময়ে আকর্ণবিস্তৃত অপ্রস্তুত হাস্যে গুরুচরণ বলত, “আরে, এ তো রেড রোড ধরেই চলেছি!” অথবা, “স্ট্র্যান্ড রোডই তো বটে, আমি চিনতে পারিনি!” স্মিতমুখে ঠাকুর বলতেন, “তাই তো, চিনে ফেলেছ এবার?”
কোন কোন দিন বিশেষ কারও বাড়িতে যাবার কথা থাকলে আমরা যেতাম না। হয়তো দাদামশাই একাই সঙ্গী হতেন তাঁর—এমনও ঘটেছে। তিনি যে ঘটনাটা বলেছিলেন তা এই রকম একদিন মোটরে বেড়াতে যাবার সময়ই ঘটেছিল। সে এই সময় না অন্য কোনও বার, তা আজ আর কেউই বলতে পারব না। সেদিন ঠাকুরের সঙ্গে শুধু ফণীবাবুই ছিলেন।
মোটরে বেশ খানিকটা ঘুরে এসে প্রিন্সেপ ঘাটে বসেছেন ঠাকুর—একেবারে গঙ্গার কোলে এক সিঁড়িতে। সূর্য অস্ত যায়-যায়। কয়েক ধাপ উপরে এক সিঁড়িতে ফণীবাবুও বসে আছেন। হঠাৎ কানে এল মাতাল দুটো গোরার চিৎকার। চেয়ে দেখেন, রেড রোডের ওপারে ময়দানের উপর দিয়ে দুটো মাতাল সেলর অকথ্য গালিগালাজ করে সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই তেড়ে গিয়ে ঘুষি মারছে আর পায়ে পায়ে এগিয়ে আসছে গঙ্গার দিকে।
উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে দাঁড়ান দাদামশাই। খুব বেশি দূরে নয় গোরা দুটো। এই ঘাটে এসে পড়া বিচিত্র নয় কিছু। “ঠাকুর!” সভয়ে ডাক দেন তিনি, “উঠে আসুন গাড়িতে। দুটো গোরা মাতাল হয়ে মারপিট আরম্ভ করেছে রাস্তার উপর।”
কোন সাড়া নেই। মান-অভিমান, রাগ-রঙ্গ যতই করুন, গুরুকে আন্তরিক শ্রদ্ধা করতেন ফণীবাবু। সাড়া না পেয়ে কাজেই একটু কুণ্ঠিত হলেন। অন্তরে বুঝলেন, আপন ভাবে বিভোর হয়ে রয়েছেন তাঁর ঠাকুর। ব্যাঘাত করব তাঁর ধ্যানানন্দে? কয়েক সেকেন্ড ইতস্তত করেন। কিন্তু উপায় নেই। চেঁচামেচি, গালিগালাজ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে, এই ঘাটের দিকেই ওদের লক্ষ্য যেন।
“ঠাকুর, শুনছেন?” জোরে এবার ডাক দিলেন একটা।
“কী?” গম্ভীর প্রত্যুত্তর এল।
আবার সঙ্কোচ বোধ করেন ফণীবাবু। উত্তরের ধরনেই বুঝেছেন, মানুষটির মন এখানে নেই। সম্মুখবর্তী কলপ্রবাহিণী ভাগীরথীর ধারা ধরে কোন সাগরসঙ্গমে উধাও হয়ে গেছেন বুঝি! কাছে এগিয়ে এসে বিনীত অনুনয়ে বললেন, “ঠাকুর, দুটো মাতাল গোরা মারপিট করতে করতে এদিকে আসছে।”
কথায় বাধা পড়ল—তাঁর বক্তব্য শেষ না হতেই ঠাকুর বলে উঠলেন, “আসুক, আমার কী?” স্বর ঈষৎ রুক্ষ যেন।
দাদামশাই আমাদের কাছে বলতেন, “শুনে হাড় জ্বলে গেল। নাও ঠেলা! তোমার কী? তা তো বটেই। বেশ জান, আগে ফণীকে মেরে লাশ বানিয়ে তবে তোমায় ছুঁতে পারবে। তাই বলে বসলে ‘আমার কী?’ ওদিকে আমার যে প্রাণসংশয়! আমি একা ওই দুটো যণ্ডামার্কাকে ঠেকাতে পারব? রাগ করে বলি, ‘উঠে আসুন গাড়িতে। কী হচ্ছে! একি ছেলেখেলা নাকি? মাতাল আপনাকে সাধু ভেবে ছেড়ে দেবে ভেবেছেন? আমিই বা একা ওদের দু’জনকে আটকাব কী করে?’”
কোন উত্তর নেই। যেন কে কাকে বলছে! যেমন বসেছিলেন তেমনি বসে রইলেন।
তারপর দাদামশাই বলতেন, “চোখে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না, দিদিমণি! গোরা দুটো ততক্ষণে রাস্তা পার হয়ে এদিকে এসে পড়েছে। সামনেই পড়ল একটা বিহারি—হয়তো কুলি-কামিনের কাজ ধরার জন্য জেটিতে এসেছিল—দিল তার পেটে ধাঁই করে এক ঘুষি বসিয়ে। ‘আরে রাম!’ বলে ঠিকরে একদিকে গিয়ে পড়ল লোকটা।
কী চেহারা মাতাল দুটোর! কাছে এসে পড়েছে, আমি কাঠ হয়ে চেয়ে দেখছি—দশটা বাঘে খেয়ে কুলাতে পারবে না যেন, এমনি তাগড়াই জোয়ান। ঘাড় তো নয়, ঠিক বৃষস্কন্ধ যাকে বলে। ইয়া হাতের কবজি! দেখছ তো আমাকে, দশজন বাঙালির মধ্যে দাঁড়ালে লোকে ফিরে তাকিয়ে বলে—‘মশাইয়ের স্বাস্থ্যখানা দেখার মত।’ কিন্তু আমি তাদের কাছে একটা পোকাছানা। তার উপর স্কচ হুইস্কি খেয়েছে নির্জলা—রক্ত ফেটে বেরোচ্ছে চোখে-মুখে, একটা মানুষ যেন পাঁচটা হয়েছে ফুলে। গাঁ-গাঁ করে তেড়ে আসছে আমাদের ঘাটের দিকেই।
সেলর তো, বড় কঠোর, বড় শুষ্ক জীবন ওদের। ডাঙায় নামলেই তাই পণ্ড হয়ে যায় ওরা। দাপাদাপি না করে পারে না। তোমায় বলব কী ভাই, বুকের রক্ত আমার জল হয়ে গেল। ঠাকুরকে ডেকে তোলার আর সময় নেই। বেটারা দেখেছে দুটো নেটিভ আছে গঙ্গার ধারে, মেরে হাতের সুখ করে নেবে। বুনো মোষের মত গোঁ-ভরে সোজা এই দিকেই আসছে আর সে কী যাচ্ছেতাই খিস্তি করছে।”
নিরুপায়ে চারদিক অন্ধকার দেখেন ফণীবাবু। ঠাকুরের জন্য মার খেতে তাঁর আপত্তি ছিল না। কিন্তু তবুও বাঁচাতে পারবেন না তাঁকে—এই আফসোস। গুরুচরণ বোধহয় গাড়ি নিয়ে পালাবে, কখনই নেমে আসবে না সাহায্য করতে—যা লোক ও!
এল! এল!
আস্তিন গুটিয়ে, ছাতি ফুলিয়ে ফণীবাবুও রুখে দাঁড়িয়েছেন। তারই মধ্যে দেখছেন, ঘাটের শেষ সিঁড়িতে নিশ্চল হয়ে বসে আছেন একজন—যেন পাথরেরই ঠাকুর। রাগ, বিরক্তি যত হচ্ছে, সেই সঙ্গে একটা সশ্রদ্ধ বিস্ময়। লোকটা কি? দাদামশাই বলতেন, “ভাবলাম humbug না সত্যিই যোগী—বুঝতে পারলাম না বাবা! বেশি ভাবার সময়ও ছিল না। ওরা দুটো তখন ঘাটের সিঁড়িতে পা দিয়েছে। ত্বরিতে ভেবে নিচ্ছি, একবার কি মিষ্টি কথায় নিরস্ত করতে যাব, না প্রথমেই হাতাহাতি করব? হাতাহাতিতে যে পারব না সেটা দিনের আলোর মত দেখতে পাচ্ছি।”
এমন সময় ওদের সেই বুটের শব্দ আর মত্ত কণ্ঠের প্রলাপেই বোধহয় সম্বিৎ ফিরল অন্যজনের।
যৌবনে অভিনয়ের সখ ছিল দাদামশাইয়ের। গঙ্গার ঘাটের সেই একাঙ্ক নাটকটা তিনি একাই চমৎকার অভিনয় করে দেখাতেন আমাদের। মাতাল দুটো ঠিক ফণীবাবুর এক সিঁড়ি উপরে তখন। চকিতে ঘাড় ফিরিয়ে একবার তাকালেন ঠাকুর।
দাদামশাই বলতেন, “সেই ঝুঁটিবাঁধা চুল আর দাড়ি-গোঁফে ঢাকা মুখ, তার উপর নির্বিকার অতি প্রশান্ত গম্ভীর একটা ভাব। ঘাড় ফিরিয়ে যে তাকালেন, যেন খোঁচা খেয়ে মাথা তুলে চাইল বনের ঘুমন্ত সিংহ। দুনিয়ার কাউকে পরোয়া করে না—এমনই ভঙ্গি।
বলব কী দিদিমণি—একটার হাতে একটা খালি বোতল, অন্যটার হাতে আধাভর্তি বোতল একটা; ওই বোতল মাথায় ভাঙবে আমাদের—সেই মতলবে ঝড়ের মত আসছে। ঠাকুর ফিরে চাওয়ামাত্র প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়ে সচল ইঞ্জিন থেমে যাবার মত ঠিক যেন ধাক্কা খেয়ে থেমে গেল দুজনে—একেবারে dead stop!”
এখনও চোখে ভাসে দাদামশাইয়ের বর্ণনা। মাতাল দুই গোরা বিস্ফারিত চোখে একটু ঘাড় ঝুঁকিয়ে দেখছে ঠাকুরকে। তিনি কিন্তু একবার চেয়েই আবার যেমন ছিলেন তেমনি বসে আছেন গঙ্গার দিকে মুখ করে।
ঠাকুর ফিরে চাওয়া মাত্র একজন বলে উঠেছিল, “Oh!” তারপর বিড়বিড় করে কী বলাবলি করল দুটোতে ফণীবাবু বুঝতে পারলেন না। খুব আশ্চর্য কিছু দেখে ভয় পেলে মানুষ যেমন উৎকণ্ঠ হয়ে তাকিয়ে থাকে, কয়েক সেকেন্ড তেমনি হতচকিত ভাবে দাঁড়িয়ে থেকে পরক্ষণে পিছন ফিরে সিঁড়ি ভাঙতে লাগল মাতাল দুটো। ঘাটের উপরে উঠেই আবার আগের মত গালিগালাজ করতে করতে আর একদিকে ধাওয়া করল তারা। ফণীবাবু স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন।
এ প্রসঙ্গে যোগেশ্বরদার (গাঙ্গুলী) লেখা একটা ঘটনাও উল্লেখযোগ্য। সেও কলকাতাতেই ঘটেছিল। গড়ের মাঠে সেদিন প্রসিদ্ধ দুটি দলের খেলা। ঠাকুরকে নিয়ে কোনও এক গুরুভাই (রাজাসাহেব, ফণীবাবু না আর কেউ—যোগেশ্বরদা নাম দেননি) গঙ্গার ধারে বেড়াতে এসেছিলেন। কী খেয়াল হল, মোটর থামিয়ে ঠাকুরও মাঠের এক পাশে নেমে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে লাগলেন।
এমন সময় অত্যধিক ভিড়ের চাপ হওয়ায় ঘোড়সওয়ার দুই সার্জেন্ট মাঠের এদিকে বিশৃঙ্খলা ঘটবার ভয়ে ঘোড়া থেকে নেমে ব্যাটন হাতে এলোপাথাড়ি পিটাতে আরম্ভ করল। সেই সঙ্গে কিল, চড়, ঘুষিও যে না চালাচ্ছে তা নয়। যে যেদিকে পারছে পালাচ্ছে।
ভিড়ের জন্য ঠাকুরের সঙ্গী যিনি, তিনি প্রথমটা সার্জেন্টের উপস্থিতি দেখতে পাননি। সামনের মানুষগুলি হঠাৎ ছিটকে সরে যেতে ব্যাটন হাতে দুই লালমুখোকে তিনি দেখতে পেলেন। তখন আর সরে যাওয়ার সময় নেই—এত কাছে এসে পড়েছে দু’জন!
এদিকে দু’হাতে কিল-চড়-চাবুক চালাতে চালাতে ঠাকুরের সামনাসামনি এসে পড়েই সার্জেন্ট দুটি থমকে দাঁড়িয়ে গেল। একে অপরকে বলল, “He is a gentleman!” অন্যজন সায় দিল, “Oh, yes!”
তারপর দু’জনেই ঘুরে অন্যদিকে চলে গেল। ভদ্রলোক (“gentleman!”) যেমন খেলা দেখছিলেন, তেমনি দেখতেই লাগলেন!
দাদামশাই বলেছিলেন, “একদিন হাওড়া কোর্টের বার-লাইব্রেরিতে উকিলদের মধ্যে তর্ক উঠেছিল—প্রকৃত সাধু চেনা যায় কী করে? নানা জনে নানা কথা বলছে, আমি চুপ করে আছি। শেষে হেম ঘোষ (হেমচন্দ্র ঘোষ, গুরুভ্রাতা) বলে, ‘কিহে, তুমি চুপচাপ কেন? বল কিছু।’
তখন আমি বলেছিলাম, ‘দেখ, সাধু পরখ করতে চাও যদি, তো একটা খোলা জায়গায়—এই ধর কোনও মাঠে কি সমুদ্রের ধারে—সার সার সাধুদের বসিয়ে একটা বাঘ ছেড়ে দাও। ওর মধ্যে যে উঠে পালাবে না, জানবে সে-ই ঠিক সাধু। সময় না হলে বাঘেও ছোঁয় না—এই জ্ঞান বা ভগবদ্বিশ্বাস তার পাকা হয়ে গেছে জানবে। মৃত্যুভয় জয় করেছে যে, তাকে বলি সাধু।’
হইহই করে উঠল সবাই, বললে, ‘এ কি হয়?’
আমি দম্ভ করে বলেছিলাম, ‘হয়—আমি চোখে দেখেছি।’ তারপর বললাম বস্তার স্টেটে যাওয়ার পথে ইন্দ্রাবতী নদীর ধারে সেই অভিজ্ঞতা আর এই প্রিন্সেপ ঘাটের ব্যাপারটা। সবাই হাঁ হয়ে গেল শুনে, বললে, ‘তোর গুরুকে একদিন দেখা ফণী!’
আমি বললাম, ‘সখ থাকে নিজে দেখ গিয়ে। আমার বয়ে গেছে।’”
— নীলাচলে ঠাকুর নিগমানন্দ
✍️ নারায়ণী দেবী (লীলা)
#জয়গুরু #শ্রীশ্রীঠাকুর