Daily Mayabazaar

Daily Mayabazaar Please visit-to-the page & just One Like.....Please

13/06/2018
আজ দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-কদরমায়াবাজার ডেস্ক ॥ আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-কদর। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে এ রাত ...
11/06/2018

আজ দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-কদর
মায়াবাজার ডেস্ক ॥
আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র শব-ই-কদর। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে এ রাত হাজার রাতের চেয়ে পুণ্যময়। মহান আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হাজার রাতের চেয়েও উত্তম’ পবিত্র শব-ই-কদর সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যময় রজনী। পবিত্র শব-ই-কদর বা লাইলাতুল কদরের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগী করবেন। পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে মহাপবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আজ সারারাত এবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকবেন। এ রাতে মুসলমানগণ নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত করবেন। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। লাইলাতুল কদর উপলক্ষে বাংলাদেশ ও সারাবিশে^র মুসলিম জাহানের উন্নতি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে আগামীকাল সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ ঃশতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জনের পথে রংপুর জেলা  স্বপন মিঞাজী ॥  ঘরে-ঘরে বিদ্যুতায়ন...
11/06/2018

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ ঃ
শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জনের পথে রংপুর জেলা
স্বপন মিঞাজী ॥
ঘরে-ঘরে বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে শতভাগ প্রাপ্তি অর্জনের পথে রংপুর জেলা। প্রতিদিনই চলছে নতুন-নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান। ফলে প্রতিদিনই বিদ্যুতের আলোয় ঝলমল করে উঠছে কোন না কোন গ্রাম। তিস্তা নদী বিধৌত গঙ্গাচড়া ও পীরগাছা উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলেও পৌঁছে গেছে বিদ্যুতের আলো।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার বিদ্যুৎ সেক্টরে বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করায় এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্ট মহলের।
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ ঘরে-ঘরে বিদ্যুৎ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে রংপুর জেলার মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ২০০৯ সালের পূর্বে ৪৭ শতাংশ মানুষ এ সুবিধার আওতায় ছিল। অর্থনীতি ছিল পর্যুদস্ত শিল্প, বাণিজ্য ছিল স্থবির এবং জনজীবনে লোডশেডিং ছিল অসহনীয়। বর্তমানে পাল্টে গেছে সেই চিত্র।
আগামী ২০২১ সালের মধ্যে জেলার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ইতিমধ্যে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রংপুর সদর, মিঠাপুকুর ও তারাগঞ্জ উপজেলাতেও শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই এই উপজেলাগুলোকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যেই জেলার বাকী চার উপজেলাকেও শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনার সার্বিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর এসিটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার (অর্থ) রেজাউল করিম জানান, পীরগঞ্জ উপজেলার ৩০৮ গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলার ৩১০টি গ্রামের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে সংযোগ প্রদান সম্ভব হবে। পীরগাছা উপজেলার ১৭২ গ্রামের ১২১ টি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। বাকি গ্রামগুলো ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার মো. সোহরাব হোসেন জানান, রংপুর সদর উপজেলা এর ৩৬৮টি গ্রাম এবং তারাগঞ্জ উপজেলা ৪৪টি গ্রামের সবকটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান সম্ভব হয়েছে। বাকি বদরগঞ্জ, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ১০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হবে। চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে এই সমিতির অধীনে গড়ে ৬৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এখানে কোন লোডশেডিং নেই।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) রংপুর অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহাদত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী, সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের ফলে বিদ্যুৎ খাতে ৯ বছরে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ খাতে সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য যৌক্তিক মূল্যে মানসম্মত নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে বিদ্যুৎ বিভাগও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মো. নুরুল হক বলেন, ২০০৯ সালের আগে উত্তর জনপদে বিদ্যুতের জন্য ছিল হাহাকার। বিশেষ করে গ্রামীণ সমাজের মেরুদন্ড হিসেবে বিবেচিত সেচ পাম্পগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়ে ছিল। বিদ্যুতের অভাবে সে সময় চাষাবাদে বিঘœ সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের কল্যাণে গ্রামীণ জনপদের মানুষ ফ্রিজ, টেলিভিশন, আয়রণসহ নানা রকম শৌখিন ইলেকট্রিক পণ্য ব্যবহার করছেন। বিপ্লব সাধিত হয়েছে এ অঞ্চলের কৃষি খাতে। স্বল্পব্যয়ে বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প ব্যবহার করে চাষাবাদ করায় কৃষি খরচ কমে গেছে অনেকাংশে। বেড়েছে উৎপাদন। ফলে কৃষিকে আরও লাভজনক করতে উৎসাহি হয়ে উঠছেন রংপুরের কৃষকরা। মিঠাপুকুর উপজেলার ঈদগারপুর গ্রামের কৃষক মনোয়ার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগের ফলে বিএমডিএ’র প্রি-পেইড কার্ড ব্যবহার করে প্রায় দুই একর জমি গভীর নলকুপের মাধ্যমে সেচের পানি ব্যবহার করে বোরো ধান উৎপাদন করেছি।
উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের সাতভেন্টি গ্রামের রতন বলেন, আমাদের গ্রামে আগে বিদ্যুৎ ছিল না। এখন বিদ্যুৎ এসেছে। বিদ্যুৎ আসার পর আমাদের সন্তানদের পড়ালেখায় অনেক সুবিধা হয়েছে। এলাকার মানুষ এখন টেলিভশন ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে উন্নত জীবন-যাপন করছে।
চিথলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের শিক্ষক নাজমুল জানান, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে এখন আর হয়রানি হতে হয় না। ৩ দিন থেকে ১ সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায় এবং লোডশেডিং না থাকায় মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিতে আছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণকালে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। কিন্তু এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এর উৎপাদন বৃদ্ধিসহ এ খাতের সার্বিক উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেয়। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে কুইক রেন্টাল পদ্ধতির পথ বেছে নেয়া হয়। একই সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, কয়লাসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পারমানবিক শক্তি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মতো গরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব পদক্ষেপের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। আর ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
বিদ্যুৎ খাতে সরকারের সফলতা এবং মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জনসাধারণের আস্থা অনেক বেড়ে গেছে। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা ধরে রাখাসহ বিদ্যুতের সিস্টেম লস ঠেকিয়ে এর সঠিক ব্যবহার করা হলে বাংলাদেশ দ্রুতই বিদ্যুৎ খাতে সাবলম্বী হবে বলে আশা করছেন অভিজ্ঞ মহল।

11/06/2018

সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন হয় না-প্রধানমন্ত্রী
মায়াবাজার ডেস্ক ॥
সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন হয় না উল্লেখ করে কানাডায় প্রবাসীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী ও খুনিদের মদদদাতারা ক্ষমতায় ফিরলে বাংলাদেশ ‘রসাতলে’ যাবে। টরন্টোর ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্যে দেশের উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকার গুরুত্বের বিষয়টিও প্রবাসীদের কাছে তুলে ধরেন তিনি।
কানাডার কেবেকে জি সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর রোববার টরন্টোয় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মেট্রো কনভেনশন সেন্টারে কানাডা আওয়ামী লীগের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন। শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে উন্নয়ন হয় না। ওই স্বাধীনতা বিরোধী, ওই খুনিদের মদদদানকারী ক্ষমতায় আসলে আবার দেশ রসাতলে যাবে। আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে বলেই জি সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে বাংলাদেশকে দাওয়াত করেছে। এই উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের আবারও ক্ষমতায় থাকার গুরুত্ব প্রবাসীদের বোঝান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারাটা আজকে শুরু হয়েছে। সর্বক্ষেত্রে যে উন্নয়ন হচ্ছে, গ্রাম পর্যন্ত যে উন্নয়ন হচ্ছে, এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতিবাচক কর্মকা-ের কথাও প্রবাসীদের সামনে তুলে ধরেন তিনি। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছি। আন্দোলন-সংগ্রাম করে নির্বাচনের সুষ্ঠু ধারা প্রতিষ্ঠিত করেছি।
এই বছরের শেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি যেন অব্যাহত থাকে, সবাইকে সে বিষয়টা দেখতে হবে। ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ প্রায় স্থানীয় সরকার পর্যায়ে প্রায় ছয় হাজার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি তুলে দরে তিনি বলেন, বিভিন্ন নির্বাচনে তাদের (বিএনপি) প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। আমরা তো জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে যাইনি। খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়া যে সরকারের নয়, আদালতের বিষয়, তা প্রবাসীদের বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, অপরাধীদের একদিন না একদিন সাজা পেতে হয়। আর এতিমের টাকা মেরে খাওয়া আল্লাহও পছন্দ করেন না। আমি তো গ্রেফতার করিনি। আদালত সাজা দিয়েছে। বিএনপির এত বড় বড় আইনজীবী, তারা তো প্রমাণ করতে পারেনি যে খালেদা জিয়া নির্দোষ। ২০১৫ সালের প্রথম দিকে বিএনপির লাগাতার কর্মসূচিতে নাশকতায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি যদি রাজনৈতিক ভাবে গ্রেফতার করতাম, তবে যখন সন্ত্রাস করেছে, মানুষ খুন করেছে, তখনই গ্রেফতার করতে পারতাম। খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় ঢুকতে বাধা পাওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি চাইলে ওই দিন বাইরে থেকে আরও দুটো তালা মেরে পুলিশ পাহারা বসিয়ে আসতে পারতাম। কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ মাহমুদ মিয়ার সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফও বক্তব্য রাখেন।
ট্রুডোর সঙ্গে হাসিনার বৈঠকে নূর চৌধুরীকে ফেরতের আলোচনা ঃ-কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে জাতির জনকের খুনি নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে: ফের অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকা-ে মৃত্যুদ-ে দ-িত নূর চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় পালিয়ে আছেন। ফাঁসি হবে বলে তাকে ফেরত দিচ্ছে না কানাডা সরকার। কানাডার সঙ্গে যে কোনো পর্যায়ের আলোচনায় নূর চৌধুরীকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। গত রোববার দেশটির প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকেও একই অনুরোধ আবার জানান শেখ হাসিনা। জি সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর। কেবেকের হোটেল শ্যাতো ফঁতেনেক-এ রয়েছেন তিনি। ওই হোটেলেই ট্রুডোর সঙ্গে তার বৈঠক হয়। বৈঠকের বিষয়ে পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, জাতির জনকের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরী কানাডায় অবস্থান করছে। সে বাংলাদেশের আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে’। এসময় ট্রুডো বলেছেন, ‘আমি আপনাদের কষ্টটা বুঝি। নূর চৌধুরী কানাডার নাগরিক না এবং তার এখানে কোনো স্ট্যাটাস নেই’। প্রস সচিব বলেন, কানাডার আইনে মৃত্যুদ- না থাকার কথা বলার পরও ট্রুডো এই বিষয়টি নিয়ে তার কর্মকর্তারা আলোচনা করছে বলে জানিয়েছেন।বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে কানাডার সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকায় ট্রুডোকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। শনিবার বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চার দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কেবেক থেকে টরন্টোর উদ্দেশে রওনা হন। টরন্টোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার দুপুরে কেবেকে পৌঁছান শেখ হাসিনা। টরন্টো থেকে দেশের পথে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করে মঙ্গলবার রাতে তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

10/06/2018

Address

Maya Printin Prees, Berobi Saroni Rangpur
Rangpur
5400

Telephone

+8801871990045

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Mayabazaar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Daily Mayabazaar:

Share