Romantic And Horror Story

Romantic And Horror Story >>ALL IN THIS PAGE
.
.

26/07/2015

গ্রামের ভৌতিক কাহিনী ।। একজন জঙ্গল
মোহনপুর গ্রামের পুবদিক জুড়ে জেলেপাড়া। জেলেপাড়ার
ভেতর থেকে বিলাপ করে কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছে।
ভাসান আলীর পাঁচ বছর বয়সী ছেলে জঙ্গল পানিতে ডুবে
মারা গেছে। কখন কিভাবে নদীর পানিতে পড়ে গিয়েছিল
তা কেউ বলতে পারে না। সে প্রায় একা একা আপনমনে
নদীরপাড় ঘেঁষে সাদা কাশফুলের বনে ছুটাছুটি করে খেলা
করতো। জন্মের পর থেকেই ছেলেটা কেমন যেন একটু চুপচাপ
আর চাপা স্বভাবের। আশপাশের সমবয়সী কারও সাথে
মিশতে পারতো না। কথাও তেমন একটা বলতে শোনা যেত
না। ভাসান আর আম্বিয়ার ঘরে দশ বছর পরে জঙ্গল আসে।
অনেক তাবিজ তুমা, ওঝা কবিরাজের ঝাড় ফুক আরও কতকিছুর
পর তাদের আধার ঘরে চাঁদের বাতি। এক কবিরাজের
কথামতো আম্বিয়াকে অমাবস্যার রাতে তিন রাস্তার
মোড়ে তিন নদীর মেশানো পানিতে গোসল করতে
হয়েছিল। তাবিজ আর কবজে গলা মাজা সব ভরে গিয়েছিল।
এক দরবেশ ছেলেপুলে হলে মানুষের নামে নাম না রাখার
পরামর্শ দিয়েছিল। তাই ওরা দরবেশের কথামতো ছেলের
নাম জঙ্গল রেখেছিল।
সকালে ভাসান আলি জাল আর নাও নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার
পর বাবার পিছু পিছু সেও বেরিয়ে যায়। তার মা আম্বিয়া
দুই বাড়ি পরে মাঠে মাছ শুকাতে যায়। দুপুরে একবার জঙ্গল
ঘরে আসে পান্তা খেতে। তাই আম্বিয়াও দুপুর নাগাদ
বাড়ি ফিরে আসে জঙ্গলকে খাবার দিতে। আম্বিয়া অনেক
করে জঙ্গলকে তার সাথে সাথে রাখতে চায়। কিন্তু
ছেলেটা তার কারও সাথে মিশে খেলতে চায় না। বাপের
সাথে মাঝে মাঝে নৌকায় মাছ ধরতে নিয়ে গেলে চুপচাপ
মনমরা হয়ে বসে থাকে। তাই ভাসানও বেশি একটা তাকে
সাথে নেয় না।
জঙ্গল জন্মানোর পর তার গলা আর কোমরেও তাবিজে আর
কবজে ভরে যায়। কিন্তু সে বেড়ে ওঠার সাথে সাথে নিজে
নিজেই সুযোগ পেলে তাবিজ কবজগুলো ছিঁড়ে নদীতে
ফেলে দিতো। গ্রামের লোকেরা জঙ্গলকে নিয়ে আদি
ভৌতিক সব গল্প বানাতো। গ্রামের ঊনআশি বছর বয়সের
কুঁজোবুড়ী সময় সুযোগ পেলেই জঙ্গলের গতিবিধি অনুসরণ
করে মুখরোচক গল্প বানিয়ে এ পাড়া ও পাড়া বলে
বেড়াতো। ‘বউয়েরা জঙ্গলের কাহিনী কিছু শুনছো?’ সবাই
সমস্বরে বলে উঠতো, ‘কী কাহিনী গো নানী?’
‘পোলাডারে দেখলাম ভরদুপুরে নদীরপাড়ে কাশবনে বইয়া
কাঁচামাছ চিবাইয়া খাইতেছে। আমারে দেইহা কইলো, “ও
বড় মা খাইয়া দেখবানি একটা মাছ?” বইলা একটা জেতা
চাপিলা আমার দিকে ছুঁইড়া দিলো। ওই পোলার ঘাড়ে
মেছো ভূত আছে। তোমগো পোলাপানগোরে আলগাইয়া
রাইখো।’
গ্রামের নশু পাগলাও ফাঁক ফোকর-মতো গল্প বানাতে
ওস্তাদ। ‘জঙ্গলের খবর কিছু জানো মিয়ারা? পোলাডারে
দেইখা আইলাম নদীরপাড়ে কার লগে জানি বিড়বিড় কইরা
কথা কয়। আশপাশ চাইয়া দেহি কেউ নাই। আর কথার
ভাষাও কিছু বুঝবার পারলাম না। মনে লয় জ্বিন-পরীর আছর
হইছে।’ গ্রামের মেয়ে-পুরুষরাও ভাসান আর আম্বিয়াকে
এসব গুজব নিয়া খুব ত্যক্ত করে। জঙ্গলকে এসব নিয়ে কিছু
জিজ্ঞাস করলে সব সময় না সূচক মাথা নাড়ে। ভাসান
অন্যদের পরামর্শ মতে ওঝা কবিরাজ করেছে।
একবার এক ওঝা জঙ্গলকে উঠোনের পিঁড়িতে বসিয়ে গ্রাম
সুদ্ধ মানুষের সামনে খালি গায়ে সারা গায়ে ঝাঁটার
বাড়ি মেরে ভূত নামিয়েছে। জঙ্গলের সাড়া গা কেটে
ফুলে রক্তারক্তি হয়ে জ্বর উঠে গেছে। গ্রামের মসজিদের
ইমাম সাহেব ভাসান আম্বিয়া আর গ্রামের সবাইকে
আপ্রাণ বুঝিয়েছে ভূত-প্রেত বলে কিছু নাই। এগুলো সব
বানানো আর আজগুবি কথা। ছেলেটা একটু চুপচাপ আর চাপা
স্বভাবের এই যা। কিন্তু কে শোনে কার কথা! গত রাতেও
পড়শীদের বানানো গুজবে কান দিয়ে বাবা মা দুজনে
মিলে জঙ্গলকে খুব মারধর করেছে। আর যেন নদীরপাড়ে
যেতে না পারে সেজন্য সারাদিন ঘরে শিকল তুলে আটকে
রেখেছে। বিকালে আম্বিয়া মাছ শুকানোর কাজ শেষে
বাড়ি ফিরে এসে শিকল নামিয়ে দরজা খুলে দেয়। তারপর
হেঁসেলে গিয়ে জঙ্গল আর তার বাবার জন্য ভাত চড়িয়ে
দেয়। আশেপাশে পোলাডারে দেখতে না পেয়ে ভাবে
হয়তো কাছে পিঠে কোথাও আছে। তার রান্না সেরে
গোসল করতে করতে বেলা গড়িয়ে যায়। সন্ধ্যার আগে আগে
ভাসান ফিরে এলে আম্বিয়া সব খুলে বলে।
তাড়াতাড়ি দুজনে নদীর ঘাটের দিকে রওনা হয়। খবর পেয়ে
গ্রামের সব মানুষ নদীর পাড়ে জড়ো হয়। কেউ কেউ নৌকা
আর জাল নিয়ে নেমে পড়ে। রাতে চাঁদের আলোয় মাঝ
নদীতে জেলেরা জঙ্গলের লাশ খুঁজে পায়। লাশ দেখে
গ্রামবাসিরা থমকে যায়। ইমাম সাহেব এগিয়ে এসে
দাওয়া থেকে জঙ্গলের লাশ কোলে তুলে নেয়। তারপর
গোসল করিয়ে জানাজার জন্য মসজিদে নিয়ে যায়।
কুঁজোবুড়ী আর নশু পাগলা দাওয়ার এক কোণে জড়োসড়ো হয়ে
বসে থাকে।
জানাজা শেষে ভাসান তার সন্তানের লাশ তুলে নেয়।
কবরে নেমে সন্তানের ভারী লাশ পরম যত্নে শুইয়ে দেয়।
জগত সংসারে বেঁচে থাকার আগ্রহ হারিয়ে সবকিছু তার
কাছে অর্থহীন মনে হয়। সন্তান হারানোর বেদনা তাকে
বাকিটা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

26/07/2015

এইটা আমাদের নতুন পেইজ। আপনারা এইটাতে লাইক দিন....... www.facebook.com/horrorstory204

26/07/2015

মেয়েটা কখনোই ভালবাসেনি
ছেলেটাকে। অবশ্য না
বাসাটাই ঠিক, কি যোগ্যতা আছে।
বছরের পর বছর ধরে
ছেলেটা একলাই ভালবেসে গেছে
মেয়েটাকে। নাহ্
পাওয়ার জন্য না। মেয়েটাকে
ভালবাসতেই কেন যেন
ভাল লাগে ছেলেটার...
মেয়েটার চারপাশেই বিচরণ ছিল
ছেলেটার কিন্তু
কথনোই মেয়েটা জানতে পারেনি।
একটা ভালবাসার
কাঙ্গাল অবিরত ভালবেসে গেছে
তাকে...
আগামীকাল মেয়েটার বিয়ে, ছেলেটা
জানে তার
বিশ্বাসটা আজ ভাঙ্গতে চলেছে। ৯ টা
বছর ধরে একলা
ভালবেসে যাওয়া মেয়েটা আজকের পর
আর কখনোই তার
হবে না। না দুনিয়াতে আর না
পরকালে...
ফুপিয়ে কাঁদছে ছেলেটা, নিজের
ভালবাসাকে কখনোই
প্রমান করতে না পারার কষ্টটা আজ
সবচেয়ে বেশি
পুড়াচ্ছে তাকে...
ঝাপসা চোখে আজ স্মৃতি গুলো ভেসে
ভেসে উঠছে
ছেলেটার সামনে। প্রথম যেদিন
মেয়েটাকে ভালবাসার
কথা বলেছিল , মেয়েটা অঝোরে
কান্না করেছিল।
তারপর যতবার মেয়েটার সামনে
গিয়েছে ততবারই
অযোগ্যতার দোহাই দিয়েছে...
খুব ইচ্ছে করছে ছেলেটার মরণ ঘুম
ঘুমাতে। একাকিত্বের
কষ্টটা আর সহ্য হচ্ছে না। কেউ নেই
পৃথিবীতে তার, খুব
কষ্ট।
নাহ্ ছেলেটা কিচ্ছু করেনি।
ভালবাসলে পেতে হবে এমন
তো কথা নেই। ভালবাসাতো তাই যা
রক্তপাতহীন,
নির্লোভ, ত্যাগের মহিমায় উজ্বল।....
বছর খানেক পর হঠাৎ ফোনটা বেজে
উঠল ছেলেটা।
আননৌন নাম্বার! পরিচিতদের বাইরে
কেউই তো
জানেনা নাম্বারটা। অনেকটা অবাক
হয়ে রিসিভ করল
ছেলেটা।
- হ্যালো, আসসালামুআলাইকুম ।
- হ্যালো..
- কে বলছেন?
- নীরা...
ছেলেটার কন্ঠটা রুদ্ধ হয়ে গেছে,
ভাঙ্গা ভাঙ্গা শব্দে
শুধু এই প্রশ্নটা নীরাকে করল..
- ভাল আছো তো, কোন সমস্যা নেই তো?
- আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই।
- কোন সমস্যা?
- না, দেখা করব এখন।
ছেলেটা কোন আশা নিয়ে যায়নি
মেয়েটার কাছে
কিন্তু মেয়েটা আজ অনেক আশা নিয়ে
এসেছে,
ছেলেটাকে সারা জীবনের জন্য আপন
করে পাবে বলে...
- জানেন অনেক কষ্ট করে আপনার
নাম্বারটা যোগার
করেছি...
- অহ্
- আপনি ফেসবুকে আসেননা কেন?
- না, এমনি
- আপনি কি আমার সাথে ভাল করে কথা
বলবেন না?
- তোমার সংসার কেমন চলছে?
- জানিনা, তবে এখন সংসারটা ঠিক
গুছিয়ে নেব।
- মানে??
- লাস্ট মেসেজটা দেয়ার পর আর
আসেননি ফেসবুকে,
জানেন কত খুজেছি আপনাকে। দেখেন
কত মেসেজ
দিয়েছি আপনাকে। একটাও সিন
করেননি...
- কেন? তোমার বিয়ে হয়ে গেল, কি
হতো বলো?
- আমার বিয়ে হয়নি...
- মানে?
- মানে নাই, ছেলেটার কিছু চরিত্রগত
সমস্যা ছিল তাই?
আব্বু বিয়েটা ভেঙ্গে দিয়েছে। আর
তার আগেই আপনার
মেসেজটা দেখেছি। তারপর আইডিতে
ঢুকে প্রতিটা
স্ট্যটাস দেখেছি। বুঝতে বাকী রইল
না এই পাগলটা
আপনি ছাড়া আর কেউ না। কার খেয়ে
দেয়ে কাজ পড়ছে
শুধু আমাকে নিয়েই স্ট্যটাস দিবে।
বুঝতে পারলাম
আপনি ছাড়া এতটা ভাল কেউ কখনোই
বাসবেনা
আমাকে। কখনোই নামাজ পড়তাম না, ঐ
রাতে সারারাত
কান্না করেছি,, নামাজ পড়েছি আর
আল্লাহকে বলেছি
আপনাকে যেন পাই। এখন আমি সব সময়
নামাজ পড়ি, আর
এখন থেকে আল্লাহর কাছে চাইব যেন
একটা জান্নাতে
আমি আর আপনি থাকতে পারি।
কথা বলেই যাচ্ছে মেয়েটা। আজ
ছেলেটার থেকেও
বেশি ভালবাসে মেয়েটা।
অনেক বছর হাসেনা ছেলেটা, আজ
মুচকি একটা হাসি
হাসল। তারপর বোকার মত বলল " আমি
যোগ্যতার মাপে
অনেক বেশি অযোগ্য"।
মেয়েটা ছেলেটার হাতটাকে শক্ত
করে ধরে বলল " আমি
যোগ্য মানুষ চাইনা, যোগ্য ভালবাসা
চাই। যা শুধু তুমিই
দিতে পার।"
ছেলেটা উঠে গিয়ে মেয়েটার পাশে
বসল আর মেয়েটা
সত্যিকারের ভালবাসা পাওয়ার সুখে
ছেলেটার বুকে
মাথা রেখে ফুপিয়ে কাঁদছে।
ছেলেটার চোখেও নোনা জল চিকচিক
করছে। শক্ত করে
মেয়েটাকে জড়িয়ে ধরে ছেলেটা
ভাবছে আল্লাহ
অবশ্যই ধৈর্যশীল দের সাথে থাকে।
একটি পূর্ণতার গল্প
লিখাঃ তুমি হীন আমি

10/07/2015

এইটা আমাদের নতুন পেইজ। আপনারা এইটাতে লাইক দিন....... www.facebook.com/realstory204

ভালোবাসার গল্প

29/06/2015

******* ****** তৃণা wants to be
your friend.
রাতের বেলা ফেবুতে ঢুকেই
তৃণা নামের
মেয়েটির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট
পায় ফাহাদ।
রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করে তার
প্রোফাইল
ঘুরে আসলো। কিন্তু দেখার মত
কিছুই
পেলো না। স্ট্রং প্রাইভেসি
মারা।
কয়েকটা নোট লিখা দেখলো
বাট সেখানেও
তালা মারা। এমন প্রাইভেসি
মারা মেয়ে কেন
ওকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিলো
কে জানে!
তো ওকে অবাক করে একটা
মেসেজ
দিলো সেই তৃণা মেয়েটি,
তৃণা- হাই...
ফাহাদ- জ্বী বলুন তালাকুমারী !
- what that means?
- ইয়ে মানে! আপনার সব কিছুতেই
তো দেখি তালা মারা, কিছু
দেখাও যায়
না পড়াও যায় না, তাই আর কি!
- ও হাহাহা। ভাল বলেছেন!
- তা আমাকে ফ্রেন্ড রিকু
দিলেন যে!
- ভাব নেন নাকি? আপনাকে কি
এড
করা যাবেনা?
- না তা না! এমন তালাকুমারী
দের সাধারনত
ফ্রেন্ডলিস্ট খুব ছোট থাকে আর
ওরা অপরিচিত কাউকে ফ্রেন্ড
রিকু দেয় না।
- হয়েছে! বুঝছি! আপনার ভাব
বেড়ে গেছে।
এতই যখন প্রবলেম তাহলে দিলাম
আনফ্রেন্ড করে...
- এই দাঁড়ান দাঁড়ান...একটু মজাও
করতে দিবেন না নাকি?
- আমি কারো মজার পাত্রী হতে
চাইনা।
- আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে! মজা
বন্ধ!
-
- আপনার প্রোফাইল পিকেও
দেখি তালা মেরে রেখেছেন।
টাচ করা যায় না।
তবে ছবিতে যে মেয়েটাকে
দেখছি তাকে দেখে আমার
শুধু মধ্যরাতের উজ্জ্বল চাঁদের
কথা মনে পরে যাচ্ছে!!
- কি বলেন এসব! পাম দিচ্ছেন
নাকি?
- না সত্যিই! চাঁদের কলংক
আছে বলে সে লজ্জায় ওই দুর
আকাশে থাকে,
তাকে টাচ করা যায়না এজন্য!
আপনার
পিকটাও...
-who the hell are you?
নিজেকে কি মনে করেন?
এভাবে আমাকে অপমান করার
মানে কি? যান
দিলাম ব্লক করে। :@ :@ :@
অতঃপর সবুজ নামখানা
ফাহাদের চোখের
সামনে কালো হয়ে গেলো! নাহ
মেয়েটার
সাথে একটু বেশিই ফান করা হয়ে
গেছিল।
ফাহাদ বুঝে পায়না মেয়েদের
এত ইগো কেন
হয়! যাই হোক ফেবু বন্ধ করে লাইট
অফ
করে সে ঘুমাতে গেলো।
দুইদিন পর ফাহাদ ফেবুতে ঢুকে
আবার অবাক
হয়ে যায়। কারন নোটিফিকেশন
বারে দেখা যাচ্ছিল,
"******* ****** তৃণা wants to be
your friend."
**
এক বছর পর...
ফাহাদ আজ ঢাকা এসেছে।
উদ্দেশ্য তৃণার
সাথে দেখা করা। এই এক বছরে
অনেক কিছু
হয়ে গেছে ওদের ভেতর। ফাহাদ
ফান
করতে ভালোবাসে আর তৃণা মুড
দেখাতে।
ফাহাদ কে যে কতবার ব্লক
মেরেছে আর
আনব্লক করেছে তা হয়তো তৃণা
নিজেও
জানেনা। তবে তৃণার একটা গুন
হলো ও খুব
সুন্দর কবিতা লিখে। যা পড়ে
ফাহাদ রীতিমত
টাশকি খায়। ও বুঝেনা এমন
হেভিওয়েট
টাইপের মেয়ে এত সুন্দর করে
শব্দের বিন্যাস
কিভাবে ঘটায়! সে বুঝে যায়
তৃণার মনের
কোথাও নিশ্চিত একটা নরম, সুন্দর,
সাজানো যায়গা আছে যে
যায়গাটার খোঁজ
যে পাবে সে নিতান্তই
ভাগ্যবান!
ফাহাদ এই এক বছরে সেই অংশটা
আবিষ্কার
করার লক্ষ্যে ছিল।
হয়তো সে পেরেছে বা হয়তো
পারেনি।
তা আজকেই বুঝা যাবে।
তো বেশ খানিকক্ষণ পর
মেমসাহেবের
আগমন। তৃণা কে দেখে ফাহাদ
আরও একবার
অবাক হয়। এ যে একটা পরী
টাইপের মেয়ে...
তৃণা- হাই! তুমিই তো ফাহাদ!
দেখেই
চিনছি...আর যায়গা পাইলা না
এই
আনরোমান্টিক যায়গায় আমায়
আসতে বললা!
ফাহাদ- আনরোমান্টিক
যায়গাকেও
রোমান্টিক বানিয়ে ফেলার গুন
ফাহাদের
আছে মিস তালাকুমারী!
- দেখো আজকের দিনটা তে
অন্তত
আমাকে আর ক্ষেপিয়ো না!
- এই তুমি একটু পিছনে ঘুরবা
প্লিজ?
- মানে কি?
- আহা ঘুরোই না, তোমার
পেছনটা দেখবো!
- আজিব তো! কি বলছো এসব?
মাথা ঠিক
আছে?
- হ্যা হইছে দেখলাম। আসলে তুমি
আসলেই
পরী নাকি মানুষ তা শিওর হলাম।
তোমার
পেছনে কোন ডানা নাই দেখে
খুশি হলাম!
- ওরে ফাজিল! আমায় আবার পাম
দেয়া হচ্ছে তাইনা?
- তুমি জানোই তো এই কাজ আমি
খুব ভাল
পারি!
- নাহ! তুমি কেমন জানি! একবারও
সিরিয়াসলি আমার প্রশংসা
করলা না!
খালি পাম দাও আর আমায়
ক্ষেপাও!
- আরে বাবা তুমি চাকা না আর
আমি পাম্পারও নই যে তোমায়
পাম দিবো,
আচ্ছা যাও সিরিয়াসলি এবার
তোমাকে একটা কথা বলি। তুমি
ঠিক সুর্য্যের
মত। যাকে ধরা যায়না, খালি
চোখে যার
দিকে তাকিয়ে থাকাও যায়না
কিন্তু যার
অস্তিত্ব অনুভব করা যায় রোদে!
এখানেও
প্রাইভেসি!
- কিসের সাথে যে আমার তুলনা
করো!
আমি আমিই...আমার
সাথে কারো তুলনা করবা না।
- হুম আসলেই! তোমার মত
তালাকুমারী এই
পৃথিবীতে আর নাই!
- আবার ওই পঁচা কথাটা বললা?
থাকো তুমি এখানে বসে।
গেলাম!
- এই এই তালাকুমারী... থুক্কু
তালারাণী ওহ
সরি....তৃণা বেগম...ধুরর....এই প্লিজ
শোন...যেও না....
কিন্তু কিসের কি! মুডি তৃণা
একবার যখন
হাঁটা দিছে তখন আর তাকে
ফেরত
আনা যাবেনা। কল দিয়ে লাভ
নাই তাই ফাহাদ
ফেবুতে ঢুকলো মেসেজ দেয়ার
জন্য।
কিন্তু যে দুশ্চিন্তা করেছিল
সেটাই হলো।
তৃণা তাকে ব্লক মারছে। মনে
একরাশ
হতাশা নিয়ে ফিরে আসলো
সে।
এবার তিনদিন পর ফাহাদ দেখতে
পেলো সেই
নোটিফিকেশন,
"******* ****** তৃণা wants to be
your friend."
**
নয় বছর পর,
ফাহাদ আর তৃণা বাসর ঘরের
বিছানায়
শুয়ে আছে,
দুজনের হাতে দুটি মোবাইল।
একজন
আরেকজনকে ফেবুতেই মেসেজ
দিচ্ছে,
তৃণা- এই আমাকে তো বললা না
লাল
শাড়িতে কেমন লাগছে!
ফাহাদ- আসলে এই
অন্ধকারে তুমি কি শাড়ি পরে
আছো সেটা বুঝাই
বড় দায় আর সেখানে তোমার
বর্ননা দেই
কেমনে?
- কেন? দিনের বেলা আমায়
দেখো নি?
- ইয়ে মানে আসলে তোমার
যেখানে বসে থাকার কথা
সেখানে এত্ত
গুলা সুন্দরী ললনারা বসে ছিল
যে আমি ঠিক
বুঝিনি কার সাথে আমার বিয়ে
হচ্ছিল। তাই
মাথা নিচু করে ছিলাম।
- কিহ? আবার ইয়ার্কি? তাও ভাল
কারো দিকে তাকিয়ে
থাকোনি!
তাকিয়ে থাকলে তোমার
চোখের পাতায় টেপ
মেরে দিতাম।
- হেহেহে...আমি ভদ্র ছেলে।
যুবতী মেয়েদের
দিকে তাকাই না।
- এহ! আসছেন আমার ভদ্র বাবুটা!
আজ
কিন্তু আর কোন রাগারাগি নয়
আজ তোমার
রোমান্টিকতা দেখবো।
- তাই? তালাকুমারীর
প্রাইভেসি তাহলে আজ
খুলবে?
- যাহ ফাজিল! আজ আমি রাগবো
না যতই
আমায় ওই পঁচা নামে ডাকো...
- আচ্ছা আমি কেমন রোমান্টিক
আজ
তা তোমায় দেখাবো! কাছে
আসো!
- কাছে আসলে কি হবে?
- কাছে আসলে....
- হুম????
- তোমার চুল আঁচড়িয়ে দিবো....
আর
তোমার মাথার উকুন বেছে
দিবো!!
- কিহ? ফাজিল, নচ্ছার, ছাগল,
আনরোমান্টিক,
তেলাপোকা!......
বলে কিনা আমার মাথার
সিল্কি চুলে উকুন!
এক্ষুনি বিছানা থেকে নেমে
যাও! যাও
না হলে চিমটি দিয়ে
নামাবো!
"দোহাই লাগে তোমার ওই
দৈত্যাকার
হাতের নখ দিয়ে আমায় চিমটি
মাইরো না।
আমার বউ টারে বিধবা
বানাইয়ো না" এই
মেসেজ টা সেন্ড করতে গিয়া
দেখে মেসেজ
যায় না। তৃণার নাম কালো হয়ে
গেছে।
অতঃপর বাসর রাতে আবার ব্লক
খেলো ফাহাদ।
অবশ্য দুই দিন পর রাতে ফাহাদ
ফেবুতে ঢুকেই
আবার সেই নোটিফিকেশন
পেলো,
"******* ****** তৃণা wants to be
your friend."
**
প্রায় এগারো মাস পর,
তৃণা মাথা নিচু করে ফাহাদ কে
বললো,
- একটু ফেবুতে ঢুকো তো...
- কেন?
- একটা কথা বলার ছিল!
- মুখেই বলো তাহলে!
- না লজ্জা লাগে...
-
ওরে বাবা মুডি মেয়েটা দেখি
ইদানীং লজ্জা পেতেও
শিখেছে! তা লজ্জাটা
কিসের...বলো!
- না ফেবুতে ঢুকো!
- আবার ব্লক মারছো নাকি?...
- ব্লক মারলে তোমায় যেচে
দেখতে বলতাম
না ছাগল!
-
ফাহাদ ফেবুতে ঢুকে একটা
নোটিফিকেশন
পায়। নোটিফিকেশন টার মর্ম
বুঝতে কিছুক্ষন সময় লাগে ওর!
বুঝার
সাথে সাথে তৃণার মুখের দিকে
তাকায়।
তৃণা সাথে সাথে লজ্জায় মুখ
ঢেকে ফেলে!
ফাহাদ ইয়াহুউউউ
বলে তৃণা কে জড়িয়ে
ধরে....পাশে পরে থাকে
মোবাইলটা।
সেটার স্ক্রিনে উঠে থাকে
ফেসবুকের এক
নোটিফিকেশন,
"তালাকুমারীর হবু বাবুটা wants to
be
your friend"

(উৎসর্গঃ কোন এক প্রিয় জনকে)

28/06/2015

পৃথিবীর সবচেয়ে দামী
এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য হলোঃ
'
ﻵ ﺍِﻟَﻪَ ﺍِﻟّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﺭَﺳُﻮُ ﺍﻟﻠّﻪِ
'
লা-ইলাহা ইলল্লাহু মুহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ।

17/05/2015

বাংলা সিনেমার নায়কদের
ইতিহাস----- *** জসিম একমাত্র নায়ক
যে সবচেয়ে বেশি লটারী জিতছে৷
***ওমর সানী সবচেয়ে বেশি চাবুকের
বাড়ি খাইছে৷ *** নায়ক ইলিয়াস
কাঞ্চনকে সবচেয়ে বেশি ভুল বুঝছে
তার নায়িকা ও পরিবার৷ তার চোখ
দিয়ে সবচেয়ে বেশি অশ্রু পড়েছে৷ ***
নায়ক মান্না নায়ক হয়েও সবচেয়ে
বেশি গুন্ডার অভিনয় করছে৷ সবচেয়ে
বেশি পুলিশের অভিনয়টাও তার দখলে৷
*** বাংলা সিনেমায় সবচেয়ে
বেশি
বিয়ে করছে রিয়াজ৷ *** গরীব থেকে
ধনী হয়েছে সবচেয়ে বেশি নায়
আলমগীর ৷ রক্ত বেচার রেকর্ডও তার
দখলে৷ *** বাংলা সিনেমায় সবচেয়ে
বেশী ইংলিশ বলার রেকর্ড আছে
নায়ক জলিলের৷ কিন্তু তার সব ইংলিশ
ডায়ালগ ই ব্রিটিশ কাউন্সিল রিজেক্ট
করে দিয়েছে... *** সবচেয়ে বেশি
লিপস্টিক দিয়েছে সাকিব খান, কিং
খান নাম টাও স্বযতনে চুরি করেছে ***
সবচেয়ে বেশী heart attack করেছে
আনোয়ার হোসেন *** সবচেয়ে বেশী
ছ্যাকা খাইছে বাপ্পারাজ

----Ðrëåmlêss Jobair

16/05/2015

আজ পবিত্র শবে মিরাজ
পবিত্র শবে মিরাজ আজ।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-
এর ঊর্ধ্বলোকে পরিভ্রমণের
ঘটনাবহুল ঐতিহাসিক দিন।
আজ দিবাগত রাত পেরিয়ে
সূর্যাস্তের পর থেকে ভোর
পর্যন্ত পবিত্র মিরাজের
রাত। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের
কাছে রাতটি বিশেষ
তাৎপর্যপূর্ণ।.
-----Ðrëåmlêss Jobair

14/04/2015

>-------> শুভ নববর্ষ -১৪২২>-------->

নতুন সূর্য নতুন প্রান

******নতুন সুরে নতুন গান।

নতুন গন্ধে হাসুক ধরা

*******নববর্ষ হোক পুষ্পঝরা।

আসুক বিষাদ কাটুক হর্ষ

*********শুভ হোক নববর্ষ।

নতুন ঊষা নতুন আলো

********নতুন বছর কাটুক ভালো।

সবাইকে নতুন বছরের
শুভেচ্ছা।

______MD JASHIM UDDIN

12/04/2015

শিরোনামহীন

_________সুলতানা ফাল্গুনী

-জানেন আমি না একটা পরী
-মানে ?
সদ্য বিয়ে করা বালিকাবধুর কথায়
হেসেই দেয় আবরাব।
-সত্যি আমি একটা পরী
-হমমম তুমি তো আমার পরী .আমার
লালটুকটুক পরিসোনা বলেই বাসর রাতের
কামুক নেশায় তৃষিত আবরাব বউ কে কাছে
টেনে নেয়।
উহু ,এক ঝটকায় দুরে সরিয়ে দেয় মেয়েটি।
পুনর্জন্মে আমি পরি হয়ে জন্মেছি।ঘুরে
ফিরে একই কথা বার বার বলতে থাকে
মেয়েটি।
অবুঝ বালিকার অপরিপক্ক কথায় অসম্ভব
বিরক্ত হয় আবরাব।কি পাগলামি শুরু করলে
তুমি বলতো।ঠিক আছে তুমি পরি ,এবার
কাছে আসো...
হমমমমম আম্মি পরি... অদ্ভুদ অলৈকিক
সুরে হাসতে থাকে মেয়েটি..
ওহহ গড !!! একি শুনছি আমি এত আরিয়ানার
কন্ঠ..নিজর্ন নিস্তব্ধ ঘরে কিন্নর সেই
হাসির শব্দে মেরুদন্ড দিয়ে অপাথির্র্ব
এক ভয়ের শীতল স্রোত বেয়ে যায়
আবরাবের...
আস্তে আস্তে সৃতিতে ভেসে আসে
সবকিছু..সেই এক যুগ আগের
কথা..ভাসর্িটির সেই বেপোরোয়া
জীবন..সেই আরিয়ানা সেই প্রানবন্ত চঞল
মেয়েটা..যাকে আদর কোরে আমি পরি
ডাকতাম।
এত সহজ সরল মেয়ে আমি এ জনমে দেখি নি..
আহ কি অসম্ভব পাগলের মত কোরে
ভালবাসত আমায়..
আর কি বোকাই না ছিলআমার এক কথায়
বান্দরবন যেতে রাজি হয়ে গেল। অন্যান্য
মেয়েকে পটাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে
আমার। কি অন্ধ বিশ্বাস ছিল আমার উপর।
অতপর সন্ধায় বান্দরবন পৌছলাম। কাছেই
এক বনের ভেতর ক্যম্পিং, দুজনে মিলে
বিপুল উৎসাহে তাবু খাটালাম। রাত একটু
গভির হতেই সমস্ত সভ্যতার শিকল খসিয়ে
আদিম মাদকতায় উন্মাদ আমি তার সকল
নিশেধ উপেক্ষা করে ঝাপিয়ে পরলাম।
সকালে তার অসহায় কান্নারত মুখের দিকে
তাকিয়ে একটু মায়াই হল। কথা দিলাম ঢাকা
ফিরেই বিয়ে করব।সে আশ্বস্ত হল।
মাসখানিক পরেই একটা দুঃসংবাদ পেলাম।
আরিয়ানা প্রেগনেন্ট।কিছুতেই মানতে
পারছিলাম না ওকে। ক্যরিয়ারের চিন্তায়
আমি দিশেহারা তখন।এই মুহুতর্ে ওকে
বিয়ে করা অসম্ভব।ভয়াবহ এক সিদ্ধান্ত
নিলাম আমি। ওকে নিয়ে বান্দরবন এ থাকব
এরকম কথা দিয়ে আরিয়ানা কে নিয়ে চলে
এলাম। ভরা পুনির্মার রাত সেদিন।
চারিদিকে ফিনিক ফোটার মত জো্যস্নার
ফুল ফুটেছে। আমার পাশে গুটিসুটি মেরে
বাচ্চা মেয়ের মত ঘুমিয়ে আছে আরিয়ানা।
আহ কি নিস্পাপ মুখ।হঠাৎ করেই আমার
ভেতরে এক পশু জেগে উঠল। আমি সমাধান
পেয়ে গেলাম, আমি এখন জানি আমাকে কি
করতে হবে, হ্যা এ ছারা আর পথ নাই, ওকে
বাচিয়ে রাখলে আমার ক্যারিয়ার ধংস হয়ে
যাবে। আমাকে সমাজে ছোট হয়ে থাকতে
হবে।
একটা বালিশ নিয়ে চেপে ধরলাম তার
মুখে..নাহ একটু সারাশব্দ করে নি ও ,ওর
চোখে কোন ভয় বা কোন আতঙ্ক ছিল না। ও
আশ্চযর্ অবাক চোখে শুধু আমার দিকে
তাকিয়ে ছিল।ওর চোখে ছিল শুধু অবাক
বিষ্ময়!!!
ওহহহহ না ..... আমি আর মনে করতে চাই
না..প্লিজ হাসবে না একদম না..আমি ভুলে
যেতে চাই সব, একি দেয়ালের সাথে ওটা
কাকে দেখা যাচ্ছে!! আরিয়ানা তুমি??
নাহ আমার হেলুসিনেশন হচ্ছে!! আরিয়ানা
কে তো আমি নিজ হাতে মেরে ফেলেছি
বান্দরবনে আমি নিজ হাতে মাটি চাপা
দিয়ে এসেছি... আহ আমি সহ্য করতে পারছি
না , তুমি চলে যাও...
একি আমার নিম্নাংশে এত শুলের মত
ব্যাথা হচ্ছে কেন।! যেন মনে হচ্ছে আমার
জননাঙ্গ কেউ ছুরি দিয়ে ফালা ফালা করে
দিচ্ছে। ওহ রক্ত এত রক্ত...
ভোরের দিকে আবরাবের পশুর মত গোঙানি
শুনে সবাই ছুটে আসে...মিনিট খানিকের
জন্য পুরো পৃথিবী নিস্তব্ধ হয়ে
যায়...কারন সামনেই আবরাবের জননাঙ্গ
ক্ষতবিক্ষত করা বিভৎস লাশ স্থির হয়ে
মেঝেতে পরে আছে।.

11/04/2015

রাত দুটো বাজে। পকেট থেকে
মোবাইলটা বের করে দেখি
পাগলিটার(জেমিমা) ফোন।
'আনান?'
'হুম! এতক্ষণে ফোন করলি?'
'আরে! আর বলিসনা!
ঘুম আসে নারে তাই ফোন দিলাম'
'আমারো নাহ।' যদিও তার ফোনের
জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। জানি
প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও সে
আমাকে ফোন দিবেই। সেটা
কারণেই হোক আর অকারণেই। কেমন
যেনো একটা অভ্যাস হয়ে
দাড়িয়েছে। আমিও জেগে থাকি
তার ফোনের আশায়!
'কি করিস?'
'সিগারেট খাই!'
'আজকে কোনটা?
ঘুম পায়নাই তোর?'
'ব্ল্যাক!
পাইছিল, এখন ঘুমের ইস্তফা দিছি!
(নিরবতা)
তো বল? আমি শুনি?'
'কি শুনবি?'
'প্রতিদিন যা শুনাছ!' (মুচকি
হাসলাম)
'নাহ শোনাবোনা!'
বুঝলাম পাগলি মন খারাপ করছে।
'না বললে কিন্তু আমি ফোন
রাখবো!'
'তুই যদি সামনে থাকতি এমন মাইর
দিতাম। হিহিহি!
আজকে সকালে বাবা স্কুলে নিয়ে
গেছে বুঝছোস! (শুরু হইল পাগলির
প্রলাপ) আমি বললাম বাবা আমি
ড্রাইভ করি। বাবাও একটা আমার,
দিলনা! বান্ধবীদের কত শখ করে
বলছিলাম যে আজকে আমি ড্রাইভ করে
স্কুলে আসবো। পেছনের সিট থেকে
নামার সময় যা লজ্জায় পড়লাম!'
'হাহা!! পরে?'
সিগারেটটা শেষ হয়ে গেলো।
মনে মনে বিরক্ত হলাম।
প্যাকেটটাও ঘরে রেখে এসেছি।
অনিচ্ছাসত্ত্বেও পাগলির প্রলাপ
শুনতে হবে।
'ক্লাসে যা করলাম না! সুমাইয়্যার
ব্যাগ খুলে টিফিন বক্সে দুটো
বার্গার পেয়েছি। নিশ্চয়ই একটা
রূপমের আরেকটা তার ছিল। মৌমি
আর আমি মিলে দুটোই সাবাড় করে
দিয়েছি। হিহি! রূপমের সামনে
টিফিন বক্স খুলে ওর মুখের অবস্থা কি
হবে ভেবে আজ সারাটা ক্লাস ই
হেসেছি।'
এখনও হাসছে! চাদের দিকে চেয়ে
কল্পনায় তার হাসিটা একে
নিচ্ছি। বাকা চাদ আমার দিকে
তাকিয়ে হাসছে নাকি ভেঙাচ্ছে
বুঝলাম না।
*
এরই মধ্যে তিনটা বছর কেটে গেছে।
জেমিমার সাথে বন্ধুত্ত্বটা আগের
মতই আছে কিন্তু তার প্রতি আমার
ভালোবাসাটা শুধু গভীরই হয়েছে।
প্রাচীর খুজতে মরিয়া হয়ে
পড়েছিলাম। জমতে থাকা
ভালোবাসা খুব দ্রুত বলে দিতে
হবে নয়ত একসময় জমে কঠিন হয়ে
যাবে।
এখনও আমাকে ফোন দেয়। ফোন
দেওয়াটা আগের চেয়ে কমিয়ে
দিয়েছে সে। তাকে বলার মত একটা
কথা বাদে আর কোনো কথা অবশিষ্ট
নেই।
তেমনি একদিন রাতের বেলা
পাগলির ফোন।
'ওই এতক্ষণ লাগে?'
'ছাদে আসার সময়টাতো দিবি!'
'শোন গুড নিউজ আছে। তবে তা
আমারই। আমার গুড নিউজ তো তোরও
গুড নিউজ তাইনা!'
'বল! আগে শুনি। পরে বলি তা গুড
নাকি ব্যাড।
'লজ্জা লাগছে! হিহি।'
'হাহাহা…! লজ্জা তোর?'
'বারে! এমনভাবে বলছিস যেন আমি
পতিতাপল্লীর কোনো নির্লজ্জ
মেয়ে!'
'আরে না! মিনহাজ ভাইকে অতগুলো
লোকের সামনে জুতা মারছিলি
তখন তোর মাঝে লজ্জা বলতে কিছু
দেখিনিত। তাই হাসি পেয়ে
বসলো। হেহে!'
'বাদ দে! বলতে দিবিনা?'
'ও! হ্যা বল?'
'বাবা পাত্র ঠিক করে ফেলছে
আমার জন্য।'
মনের মর্তে একরাশ ঘনকালো মেঘ
জড়ো হলো। কিছুক্ষণ চোখ দুটোতে
অন্ধকার দেখলাম।
'ইয়াল্লা! দোস্ত এত তাড়াতাড়ি
বিয়ে করে ফেলবি?'
'সমস্যা কি? আর কয়দিন পরে বুড়ি হয়ে
পরব। তখন কেউ বিয়ে করবেনা।'
'করার মানুষ পাবি! আচ্ছা বৃত্তান্ত
বল?'
'বাবার এক কলিগের ছেলে,
অ্যামেরিকায় পদার্থবিজ্ঞানে
BSC কমপ্লিট করে PhD করে
সেখানেই জব করছে। বাবা চায়
বিয়ের পর সেখানে থেকেই
পড়ালেখা শেষ করি।'
'ছেলের সম্পর্কে আর কি জানলি?
দেখতে কেমন?'
'দেখতে হেব্বি স্মার্ট! আমার তো
প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে
গেছে। পাচওয়াক্ত নামাজ ও পড়ে।
এই ব্যাপারটা একটা ভালো দিক।
যদিও আমি পড়িনা।
ওহ! ওর নাম আনান। তোর সাথে মিল
আছে।'
'বাব্বাহ! ছেলেত তাহলে
ভালোই।'
বিয়ের উৎসাহ দিয়ে নিজের মনে
ব্যাথার খোরাক লাগিয়ে ফোন
রাখলাম।
বিয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত
পাগলিটাকে খুশি রাখতে
পেরেছি। পাগলিটা কখনই আমাকে
চোখের আড়াল করেনি। নিজের
কাছে মনে হয়েছিল পাগলিটা হয়ত
আমাকে কিছু বলতে চায়। নিজের
ভালোবাসাকাতর মনটাকে অনেক
কষ্টে দমিয়ে রাখলাম।
ধারালো ছুরি দিয়ে আমার
গলাকে কেটে ফেললেও অতটা কষ্ট
পেতামনা যতটা কষ্টে নিজের
চোখের জল ধরে রেখেছি। আমার
মনটা যে ভেঙে যাচ্ছিলো, তিলে
তিলে গড়ে উঠা ভালোবাসার
সমাপ্তি হতে চলেছে। তাকেতো
আমি আর পাবোনা! চিতকার করে
কাদতে চাইছিলাম, অর্থহীন
কান্না শুধু কষ্টই বাড়িয়ে তুলবে।
কালো বর্ণের হওয়ায় নিজের
ভালোবাসা প্রকাশ করার সাহস
পাইনি এমনকি তার কাছ থেকে
কোনো সাড়াও পাইনি। হয়ত বন্ধু
ছাড়া আর কিছু ভাবেনি আমায়!
পাগলির সুখই আমার সুখ। সে যখন সুখি
তখন আমার সুখে বাধা কোথায়!
ভালোবাসার মানুষটির সুখের জন্য
নাহয় নিজের ভালোবাসাকে
বিসর্জন দিলাম। এটাও যে অন্যরকম
সুখ!
লেখক

11/04/2015

★★ইলিশ মাছের ৩০ কাটা
বোয়াল মাছের দাড়ি।
বৈশাখ মাসের ১তারিখে
আইসো আমার বাড়ি
ছেলে হলে পাঞ্জাবি মেয়ে হলে
শাড়ি
করব বরন বন্ধু তোমায় আইসো আমার
বাড়ি
পহেলা বৈশাখ এর
অগ্রিম
শুবেচছা রইলো...

Address

Chittagong
Raozan
880

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Romantic And Horror Story posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share