Kaisar Rahmani

Kaisar Rahmani Our goal is constructive experimentation in any subject including history. I am a very ordinary person. And so, I keep moving forward...
(2)

After completing my secondary school education, I studied higher secondary at BCIC College in Dhaka. Then I pursued my studies in the Department of Theatre and Performance Studies at the University of Dhaka. After finishing my education, journalism became my only profession. I simply wish to live a modest life with everyone around me. I have a deep interest in art, culture, theatre, history, poetry, and cinema.

15/04/2026

সাপ গাছ !

05/04/2026

২২ বছর ধরে ২৪ ঘন্টা দৌড়ান তিনি !

30/03/2026

রাতে নাকি রূপ বদলায় এই জোড়া পাথর!

30/03/2026

অদৃশ্য শক্তির খেলা—দুই পাথরের ভয়ংকর সম্পর্ক

28/03/2026

গু/লির ছিদ্র, লাল দাগ—পাথরের ভেতরে লুকানো কোন ইতিহাস?

28/03/2026

পাথরে গুলি, আর বের হলো র/ক্ত ! ৫৫ বছরেও রহস্যের জট খোলেনি !!

22/03/2026

পুকুরে ডুবে গেছে সোনার লাঙ্গল !

19/12/2025

রাস্তায় দাঁড়িয়ে এভাবে পবিত্র কোরআন পড়েন তিনি। তিনি অন্ধ। কি মধুর কন্ঠ!

ভুত রেখে গেলো তাদের হাতে লেখা চিঠি ! (সত্য গল্প ) ঢাকার যে বাসায় আমি দীর্ঘ ৬ মাস ছিলামনা, সে বাসাতে কারা যেন খাবার খাওয়া...
30/11/2025

ভুত রেখে গেলো তাদের হাতে লেখা চিঠি !

(সত্য গল্প )

ঢাকার যে বাসায় আমি দীর্ঘ ৬ মাস ছিলামনা, সে বাসাতে কারা যেন খাবার খাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে চিরকুট দিয়ে গেছে। যেহেতু আমি ছিলামনা। তাই অনুমতি দিতে পারিনি। তারা অনুমতি ছাড়া খেয়েছে, একারণে খেয়ে চিরকুট রেখে গেছে। কারা তারা?

ঢাকায় আমি ভাড়া বাসায় থাকতাম। হাতিরপুলে দোতালা খুবই নির্জন বাসা। একমাত্র ভাড়াটিয়া আমি। আমার বাসার সামনের নিচ তলায় এক হিন্দু মহিলা থাকতেন । তিনি বিড়াল পালতেন। প্রায় ২০- ২৫ টা বিড়াল নিয়ে মহিলা একা বাস করতেন।

মাঝখানে দীর্ঘ ৬ মাস আমি ঢাকায় ছিলামনা। গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। মাঝে একদিনের জন্যও ঢাকার বাসায় আসা হয়নি তখন। যারকারণে পুরো ছয়মাস আমার বাসাটা ছিল তালাবদ্ধ- মানুষহীন। এই বাসায় আমি আর আম্মা থাকতাম। আম্মা তখন গ্রামের বাড়িতে। রাত ২ টায় ঢাকায় খবর পেলাম আম্মা মারা গেছেন। একারণে আমি সে রাতেই বাসা তালা দিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামে আসি।

আম্মার মৃত্যুর কারণে গ্রামের বাড়ি এসে ঢাকা গেছি ৬ মাস পর। বলছি ২০২১ সালের কথা। ছয়মাস পর ২০২১ সালের এক শনিবার আমি ঢাকায় আসলাম। ভোর চারটায় মহাখালীতে নেমে, সিএনজিতে শাহবাগ হাতিরপুলের বাসায় আসলাম।

তখন কেবল ফজরের আযান হয়েছে। আলো তখনো ফোটেনি। অন্ধকার সরু গলি পার হচ্ছি। কয়েকটা বিড়াল হঠাৎ লাফ দিয়ে টপকে প্রাচীরের ওপাশে চলে গেল। সম্ভবত পাশের বাড়ির বিড়াল এগুলো। বাসায় গিয়ে পকেট থেকে চাবি বের করলাম। ৬ মাসে তালায় মরিচা পড়ে গেছে। তালা খুলে ভেতরে গেলাম। বারান্দার লাইট জ্বালালাম। জ্বললো না। কোথা থেকে অনেকগুলো কাঁচের টুকরো বারান্দায়। অন্ধকারে সেসবের উপর দিয়ে হাঁটার কারণে কচকচ আওয়াজ হচ্ছিল। আমার ঘরের তালা খুলে ভিতরে গিয়ে, লাইট জ্বালালাম। চারপাশে মাকড়শার জাল, ধুলা, নোংরা। ইঁদুর আম্মার রাখা উলের বল নিয়ে পুরো ঘরে দৌড়াদৌড়ি করেছে। উল পেঁচিয়ে আছে সারা ঘরে। বিভিন্ন ছোট ছোট আসবাবাপত্র যেখানে যার থাকার কথা না, সেখানে পরে আছে। এসব ইঁদুরেরই কাজ হবে।

বিছানার উপর দেখলাম, একটা কংকাল। ঘাবড়ে গেলাম। গা গুলিয়ে উঠলো। না জানি কি মরে পঁচে কংকাল হয়ে গেছে। কাঠামো দেখে মনে হলো কংকালটা বিড়ালের। মাথার ছোট্ট খুলি, সারিবদ্ধ চিকন হাড় আর নোখগুলো আছে, লোমগুলোও ঠিক আছে। সম্ভবত পাশের বাড়ির কোন অসুস্থ বিড়াল ঘরে ঢুকে মারা গেছে। আর ছয়মাস যেহেতু ছিলামনা, পচে কংকাল হয়ে গেছে। কংকালটা নাক সিঁটকিয়ে তুলে জানালা দিয়ে ফেলে দিলাম। বিছানার কাভার বদলালাম। মনটা খুঁতখুঁত করছে, বিছানায় কংকাল! ধুলো বালিতেও মনটা বিরক্ত। মাথার দিকে সুন্দরকরে ভাঁজ করে রাখা চাদর খুলতেই দেখলাম, চাদরের ভাঁজে ছোট্ট একটা চিরকুট। তাতে পরিস্কার করে লেখা, " খাদ্য খাব আমরা সবাই অনুমতি দেন ", অন্যপাশে লেখা, " রাতে আমরা খানা খাইবো, অনুমতি দেন "।

অবাক হলাম, চিরকুটের ভাষায়। বিড়াল পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল আমার কাছে। কিন্তু চিরকুটের ভাষা বিস্ময়কর লাগলো। ভয় পেতে শুরু করলাম। হাতের লেখা আমার বা আম্মার কারো নয়। সম্ভবত বাইরে থেকে বাতাসে চিরকুটটি ঘরে ঢুকেছে। কিন্তু ভাঁজ করা কাঁথার নিচে যত্ন করে চাপা রাখা ছিল চিরকুটটি। এটি কিভাবে সম্ভব? আগে যেসব চিন্তা মাথাতে আসেনি, সেসব চিন্তা এখন আসতে লাগলো। আমি এ বাসাটিতে যখন উঠেছিলাম, ঘরের দেয়ালে, দরজায়, জানালায়, আনাচে কানাচে দোয়া দরূদ ও সূরা লেখা ছিল। স্বাভাবিকভাবে এমন করে লেখেনা কেউ যেভাবে এ ঘরে লিখা ছিল। সম্ভবত এর আগের ভাড়াটিয়া এসব করেছিলেন। তারাও কি তবে কোন সংকেত পেয়েছিলেন? কেন তারা এসব করেছিল?

আমি দীর্ঘদিন বাসায় না থাকাতে তবে কি কেউ ঘরে এসেছিল? অনুমতি ছাড়া কোন কাজ করতে দ্বিধা করছিলো তারা? কংকালটার সঙ্গে এটার কি কোন সম্পর্ক আছে? নাকি সবই আমার মনের ভুল! চিরকুটের ভাষাটা ভাবাচ্ছে, " আমরা সবাই খানা খাইবো, অনুমতি দেন।" আপনাদের কারো জানা আছে, কেন এমন হয়েছিল?

Address

Rohanpur
1212

Telephone

+8801721616806

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kaisar Rahmani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kaisar Rahmani:

Share

Category