Quran & Sunnah

Quran & Sunnah "হে আমাদের মহান রব, আমাদের জ্ঞান দান করুন"
(1)

আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল হয়, যারা কল্যাণের প্রতি আহবান করবে, ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।
Al-i-Imraan - Ayah 104

12/12/2025

আর যালিমরা যা করছে, আল্লাহকে তুমি সে বিষয়ে মোটেই গাফেল মনে করো না, আল্লাহ তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন, ঐ দিন পর্যন্ত যে দিন চোখ পলকহীন তাকিয়ে থাকবে।
Ibrahim - Ayah 42

07/12/2025

আর যমীনে বিচরণকারী প্রতিটি প্রাণীর রিয্কের দায়িত্ব আল্লাহরই এবং তিনি জানেন তাদের আবাসস্থল ও সমাধিস্থল* । সব কিছু আছে স্পষ্ট কিতাবে*
Hud - Ayah 6

26/11/2025

‎নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে লানত করেন এবং তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন অপমানজনক আযাব।
Al-Ahzaab - Ayah 57

26/11/2025

হে মুমিনগণ, তোমরা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যারা তোমাদের দ্বীনকে উপহাস ও খেল-তামাশারূপে গ্রহণ করেছে, তাদের মধ্য থেকে তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে ও কাফিরদেরকে। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক।
Al-Maaida - Ayah 57

21/11/2025

যিনি আসমানে আছেন," তিনি তোমাদের সহ যমীন ধসিয়ে দেয়া থেকে কি তোমরা নিরাপদ হয়ে গেছ, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?
Al-Mulk - Ayah 16

*‘যিনি আসমানে আছেন’ দ্বারা আল্লাহকে বুঝানো হয়েছে। এর দ্বারা আল্লাহ যে আসমানে আছেন, তা প্রমাণিত হয়।

18/11/2025

তোমাদের অন্তরে যা আছে, সে সম্পর্কে তোমাদের রবই অধিক জ্ঞাত। যদি তোমরা নেককার হও তবে তিনি তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারীদের প্রতি অধিক ক্ষমাশীল।
Al-Israa - Ayah 25

16/11/2025

তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহবান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভাল করেই জানেন।
An-Nahl - Ayah 125

10/11/2025

বল, ‘হে আল্লাহ, রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন, আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন এবং আপনি যাকে চান সম্মান দান করেন। আর যাকে চান অপমানিত করেন, আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান’।
Aal-i-Imraan - Ayah-26

11/10/2025

দাড়ি-টুপি-পাঞ্জাবি আর বোরকা নয়, সুন্দর আচরণই আসল দ্বীন!

মানুষ যখন দ্বীন পালন শুরু করে, তখন বেশিরভাগ সময় ফোকাস দেয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ,
পুরুষ হলে দাঁড়ি-টুপি-পাঞ্জাবি, আর নারী হলে বোরকা-নিকাব পরায়।

অবশ্যই একজন মুসলিমের নামাজ পড়া জরুরি,
কারণ মুসলিম হওয়া মানেই আল্লাহর কাছে নিজের ইচ্ছাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ করা।
এই আত্মসমর্পণ প্রকাশ পায় রুকু ও সিজদার মাধ্যমে।

তাই নামাজ কোনো আলাদা বিষয় নয় —
একজন মুসলিম সারাদিনে ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ পড়তেই হবে,
না পড়লে সে পূর্ণ মুসলিম হতে পারে না।

টুপি, দাঁড়ি, পাগড়ি, পাঞ্জাবি — এগুলো ইসলামের মূল দ্বীনি কোন বিষয় নয়।
রাসূল ﷺ-এর দাঁড়ি ছিল বলে কেউ যদি দাঁড়ি রাখে,
অথবা তিনি লাউ-খাসির মাংস পছন্দ করতেন বলে কেউ লাউ খায় —
এগুলো ব্যক্তিগত অনুকরণ হতে পারে, কিন্তু দ্বীনের বাধ্যতামূলক অংশ নয়।

তেমনি “পর্দা” শব্দটিও কুরআন-হাদিসে সরাসরি উল্লেখ নেই।
আল্লাহ তাআলা সূরা নূরে মুসলিম নারী-পুরুষের জন্য কিছু আদব ও নিয়ম দিয়েছেন, যেমনঃ

১) উভয়ে দৃষ্টি সংযত রাখবে —
অপরিচিত নারী-পুরুষের সাথে কথা বলা বা চলাফেরার সময় চোখ-মুখ, দৃষ্টি শালীন রাখবে।
যদি দৃষ্টি অন্যদিকে চলে যায়, সাথে সাথে নিচু করে নেবে।

২) উভয়ে লজ্জাস্থান হেফাজত করবে —
যেমন আমরা গয়না বা টাকা লুকিয়ে রাখি, তেমনি লজ্জাস্থানও হেফাজত করে রাখবে।
পুরুষের জন্য নাভি থেকে রান পর্যন্ত,
নারীর জন্য নুন্যতম গলা থেকে হাতের কনুই ও পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ঢেকে রাখার আদেশ আছে। এর অতিরিক্ত কেউ ঢাকতে চাইলে সেটা আরো উত্তম কাজ হবে, কিন্তু ফরজ বা বাধ্যতামূলক নয়।

৩️) নারীদের জন্য অতিরিক্ত একটি আদব বলা হয়েছে —
যদি তারা সাজগোজ, মেকআপ বা অলংকার পরে,
তাহলে গায়রে মাহরাম (যাদেরকে বিয়ে করা যায়) ব্যক্তিদের সামনে
মুখ, হাত ও পা ছাড়া শরীরের অন্য কোনো অংশ প্রকাশ করবে না।
- ব্যস, এতটুকুই।

এখন আসি মূল কথায় —
দাড়ি, টুপি, পর্দা আর নামাজ মানেই কি দ্বীন? না!
বরং দ্বীনের আসল শুরু হয় আখলাক বা চরিত্র থেকে।

নামাজ মুসলিমের জন্য ফরজ, কিন্তু
যদি কিছু পরিবর্তন করতে হয় — সেটা চরিত্রে করতে হবে।
কারণ মানুষ জান্নাত বা জাহান্নামে যাবে তার চরিত্রের কারণে।

চরিত্র গঠনের শুরু হবে ঘর থেকে —
স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজন —
সবাইয়ের সাথে ভদ্রতা ও উত্তম আচরণ করতে হবে।
তারপর প্রতিবেশী, বন্ধু, রাস্তায় মানুষ, পশুপাখি —
সবাইয়ের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে।

যদি এই আখলাক না থাকে, তাহলে
নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত, দান, দাঁড়ি-টুপি-বোরকা কিছুই
জান্নাতে যাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না।

তাই দ্বীন মানে শুধু নামাজ বা পোশাক নয় —
প্রথমে নিজের আচরণ ঠিক করুন।

স্বামী হলে স্ত্রীর হক আদায় করুন, তার সাথে সমাজের
সবচাইতে উত্তম আচরনটি করুন।
স্ত্রী হলে স্বামীর আনুগত্য করুন।
বাবা-মায়ের প্রতি ভালো ব্যবহার করুন,
শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে ভদ্র থাকুন।
সন্তান, ভাইবোন, আত্মীয়, প্রতিবেশী, ভিক্ষুক, পথচারি,
এমনকি পশুপাখির প্রতিও দয়া দেখান।

এই আচরণই আপনাকে জান্নাতের পথে নিয়ে যাবে।

এরপর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লজ্জাস্থানের হেফাজত।
বিয়ের আগে স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া লজ্জাস্থানের কোনো প্রকাশ নয়,
অশ্লীলতা, প্রেম-ভালবাসার নামে পাপ থেকে দূরে থাকুন।
তবেই জান্নাত নিশ্চিত — এই কথা রাসূল ﷺ বলেছেন।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আমার (সন্তুষ্টির) জন্য তার দু’চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহবা) এবং দু’রানের মাঝখানের বস্তু (লজ্জাস্থান) এর হিফাযত করবে আমি তার জন্য জান্নাতের দায়িত্ব গ্রহণ করি। সহিহ বুখারী (হাদিস: ৬৪৭৪)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো, কোন কর্মটি সবচাইতে বেশি পরিমাণ মানুষকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। তিনি বললেনঃ আল্লাহভীতি, সদাচার ও উত্তম চরিত্র। আবার তাকে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি সবচাইতে বেশি পরিমাণ মানুষকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। তিনি বললেনঃ মুখ ও লজ্জাস্থান। তিরমিজি (হাদিস: ২০০৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: ‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলা হলো: হে আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক মহিলা রাত্রিবেলায় নফল নামায পড়ে এবং দিনের বেলায় নফল রোযা রাখে অথচ সে কর্কশভাষী তথা নিজ মুখ দিয়ে অন্যকে কষ্ট দেয়। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তার মধ্যে কোন কল্যাণ নিহিত নেই। সে জাহান্নামী’’।

পরে বলল — “আরেকজন মহিলা শুধু ফরজ নামাজ পড়ে, রমজান রাখে, অল্প দান করে এবং কাউকে কষ্ট দেয় না।” আপনি বললেন — “ওই মহিলা তো জান্নাতি।” (হা’কিম ৪/১৬৬)

12/09/2025

আর তাঁর কাছে রয়েছে গায়েবের চাবিসমূহ, তিনি ছাড়া এ বিষয়ে কেউ জানে না এবং তিনি অবগত রয়েছেন স্থলে ও সমুদ্রে যা কিছু আছে। আর কোন পাতা ঝরে না, কিন্তু তিনি তা জানেন এবং যমীনের অন্ধকারে কোন দানা পড়ে না, না কোন ভেজা এবং না কোন শুষ্ক কিছু; কিন্তু রয়েছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
Al-An'aam - Ayah 59

06/09/2025

স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘আমি মাটি হতে মানুষ সৃষ্টি করব।’
Saad - Ayah 71

05/09/2025

তারপর তিনি দু’দিনে আসমানসমূহকে সাত আসমানে পরিণত করলেন। আর প্রত্যেক আসমানে তার কার্যাবলী ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন। আর আমি নিকটবর্তী আসমানকে প্রদীপমালার দ্বারা সুসজ্জিত করেছি আর সুরক্ষিত করেছি। এ হল মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।
(Fussilat - Ayah 12)

Address

Saidpur
5300

Telephone

+8801617413841

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quran & Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Quran & Sunnah:

Share