16/05/2026
পর পর তিন কন্যাসন্তান জ/ন্ম নেওয়ায় ক্ষোভে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে (৩৫) নৃ/-শং/-স/-ভাবে হ/-ত্যা করেছিলেন স্বামী মো. মামুন (৪০)। প্রথমে পেটে লা-/থি মে/রে গুরুতর আ/হ/ত করা হয় তাকে। পরে কেরোসিন ঢেলে জী/-ব/-ন্ত পু/-ড়ি/-য়ে হ/-ত্যা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তে জানা যায়, রাবেয়ার গ/র্ভে থাকা দুই সন্তানই ছিল পুত্র।
সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাচিয়াপাড়ার গুচ্ছগ্রামে ২০১৭ সালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দীর্ঘ ৯ বছর পর বৃহস্পতিবার জননিরাপত্তাবিষয়ক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রধান আসামি মামুনকে আ/-মৃ/-ত্যু কা/রা/দণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে অতিরিক্ত সাত বছরের সশ্রম কা-রা-দ-ণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আদালতের বিচারক মো. সাহাব উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি মামুনের চাচা ইমাম হাফেজকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন। আসামি ইমাম হাফেজের পক্ষে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এম মিলাদুল আমীন মিলাদ।