24/07/2026
ভাইরে ভাই! শেষপর্যন্ত সালমান খানের মতো লোক যিনি ক্যারিয়ারে ১% রি'স্ক নেওয়া তো দূর, বরঞ্চ স্টাবলিশমেন্টকে চটানো থেকে ১০০ হাত দূরে থাকেন সেই মানুষটা যখন সিজেপি আন্দোলনের মতো একটা রার্নিং ইস্যুতে মুখ খুলে ফেলেন, তখন বুঝতে হবে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়!
রাজনীতির বাতাস নিশ্চিতভাবেই ঘুরে গেছে!🙂
প্রশ্নফাঁস বন্ধ আর শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন চলতেছে, সেটা এখন আর কেবল কোনো ছোটখাটো প্রটেস্টের জায়গায় নাই।
যেই সালমান খান জিন্দেগিতে কোনোদিন রাজনীতি বা সেনসিটিভ ইস্যু নিয়ে টু-শব্দটা করেননি, সেই বলিউড ভাইজান যখন ফেসবুক-টুইটারে লম্বা চওড়া স্ট্যাটাস দিয়ে ছাত্রদের সাহসী বলে পুলিশি হা'ম'লা'র বি*রু*দ্ধে সরব হন তখন বলতেই হয়, পানির তলার খবর বেশ গহীন!
সালমান খান আন্দোলনরত স্টুডেন্টদেরকে সাপোর্ট করে , স্ট্যাটাস দিয়েছে যেখানে, প্রশ্নফাঁসকে সিরিয়াস ম্যাটার বলে শিক্ষার্থীদের সাহসের তারিফ করেছেন।
আন্দোলনে পুলিশি ঝামেলায় আ'হ'ত স্টুডেন্টদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, এটা ছাত্র আর শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপার। কোনো পলিটিক্যাল পার্টি এসে যেন ফায়দা লুটতে বা হাইজ্যাক করতে না পারে!
তিনি খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন, এটা ‘শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার’ ভেতরের বিষয়। কোনো রাজনৈতিক দল যেন এটাকে হাইজ্যাক না করে বা নিজেদের স্বার্থে সুবিধা না নেয়।
ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেন, যেন বিশ্বের দরবার থেকে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়তে আসে।
এমনিতে ওমি বৈদ্য, জিনাত আমান, নাসিরউদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ, সোনাক্ষী সিনহা এবং রিতেশ দেশমুখের কিংবা অভয় দেওলের মতো অনেকে আগেই ছাত্রদের সাপোর্ট দিয়েছিলেন।
কিন্তু সালমানের মতো কমার্শিয়াল সুপারস্টার যখন মুখ খোলেন, ঘটনা তখন আর নরমাল থাকে না!
বলিউডের অঘোষিত নিয়মই হলো ক্ষমতাধরদের খেপিয়ে নিজের ক্ষতি না করা। সেই জায়গায় সালমান খানের মুখ খোলা মানে একটাই বার্তা, এই দাবানল থামানো সরকারের জন্যও এখন আর চাট্টিখানি কথা না!
এক সালমান নামা মানে কিন্তু সামনে বলিউডের বাকি কুইন আর সুপারস্টাররাও একে একে ময়দানে নামবেন! হাওয়া যেদিকে বইছে, খেলা কিন্তু এবার জমে ক্ষীর হতে যাচ্ছে!😑