24/02/2026
জমি বিক্রি করতে আসা এই ৪ ভাইয়ের মুখের আকৃতি এনআইডিতে প্রায় একইরকম। যেহেতু এনআইডিতে অনেক আগের ছবি থাকে, বর্তমান চেহারার সাথে তেমন একটা মিল পাওয়া যায়না, তাই কাছাকাছি চেহারা হলেই আমরা সঠিক ব্যক্তি হিসেবে ধরে নেই।
এখন এই ভাইদের মধ্যে একজন যদি আরেকজনের সম্পত্তি বিক্রি করতে আসে সাব-রেজিস্ট্রারের বোঝার কোনো উপায় নাই, একমাত্র বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন ছাড়া।
মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হলো সম্পত্তি, অথচ এই সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের কোনো সুযোগ নাই, সঠিক জমির মালিক জমি দিচ্ছে কিনা বোঝার উপায় নাই। বাংলাদেশের সব সরকারি অফিস অনলাইন হয়ে গেছে, কেবল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ছাড়া।
একই জমি বারবার বিক্রি বন্ধ করতে, জাল জালিয়াতি করে একজনের জমি আরেকজনের বিক্রি বন্ধ করতে, সরকারি খাসজমি, অর্পিত সম্পত্তির হস্তান্তর বন্ধ করতে সবার আগে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ডিজিটাল হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু তা কিছুদিন আগে অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে মাত্র!
১০০ টাকার একটা সিমকার্ড কিনতে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন লাগে, কিন্তু জমি হস্তান্তরে সেই ব্যবস্থা নাই। তাহলে জমির মূল্য কী মোবাইলের একটা সিমকার্ডের থেকেও কম?
বিঃদঃ - Copy post by 👇👇👇
✔ মোঃ মাসুদ রানা ( স্যার )
সাব-রেজিস্ট্রার (৩৮তম বিসিএস)
এলএলবিতে অধ্যয়নরত।