Sultana Family - সুলতানা ফ্যামিলি

Sultana Family - সুলতানা ফ্যামিলি Assalamu Alaikum Warahmatullah
(44)

31/10/2025

স্বর্নের পাহাড়ের যুদ্ধ-

ইসলাম শুধু আবেগ দিয়ে নয় কুরআনের সঠিক ব্যাখা, সুন্নাহ গবেষণা দিয়ে ব্যাখা করলে উম্মতের জন্য কল্যাণকর হয়। ঈমাম মাহদী আসার পূর্বের একটি আলামত হল ফোরাত নদীতে স্বর্ণের পাহাড় উঠা। এখন মূল সমস্যা হলো- এগুলো নিয়ে এমন বিভ্রান্তি ছড়িয়ে গেছে সহজ জিনিসটা যেন জটিল মনে হবে।

আগে বুঝতে হবে, কেয়ামতের আলামত ও ফিতনার মধ্যে পার্থক্য কি!? কেয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত যত লক্ষন হাদীসে বর্ণিত আছে সবগুলোই আলামত, তবে তার মধ্যে ফিতনাও পড়ে। কিন্তু সব আলামত ফিতনা (বিপদ, বিশৃঙ্খলা, পরীক্ষা) নয় বরং রহমত। যেমন ঈসা (আঃ) ও মাহাদীর (হাফিঃ) আগমন। আবার কিছু আলামত এমন মুমিনের জন্য রহমত আর কাফের, মুনাফেকের জন্য ফিতনা তার মধ্যে স্বর্ণের পাহাড় উঠা অন্যতম।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত সোনার ভান্ডার উন্মুক্ত করে দেবে। সে সময়ে যে ওখানে উপস্থিত থাকবে, সে যেন তার থেকে কিছুই গ্রহণ না করে”। (সহিহ বুখারি,২৬০৫; সুনানে তিরমিজি, ৬৯৮)

❤️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “সেই পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না ফোরাত থেকে সোনার পাহাড় বের হবে। তার জন্য মানুষ যুদ্ধ করবে এবং প্রতি একশ জনে নিরানব্বই জন লোক মারা যাবে। যে কজন জীবনে রক্ষা পাবে, তারা প্রত্যেকে মনে করবে, বোধ হয় একা আমিই জীবিত আছি”। (সহিহ মুসলিম, ৭০০৮-৭০১০)।

এখন প্রশ্ন আসে স্বর্ণের পাহাড় কবে উঠবে বা প্রকৃত স্বর্ণের পাহাড় না অন্যকিছু।

১. রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর হাদীসে তৈল সংক্রান্ত কিছু বোঝাতে তিনি “কাফিসু” শব্দটি ব্যবহার করেছেন। টাকা পয়সার জন্য “দিরহাম” শব্দটি ব্যবহার করেছেন। আর স্বর্ণের জন্য “জাহাবুন” শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

সুতরাং এটা তেল, গ্যাস হবে না স্বাভাবিক। কারণ রসুলুল্লাহ (সাঃ) সহজভাবে বর্ণনা করতেন যেন উম্মত বুঝতে পারে। আর অপেক্ষা করুন ইউক্রেনের যুদ্ধ ও দ্বন্দ্ব শামে স্থানান্তরিত হবে এবং এটা আরও বড় হবে। আর আরবে ছোট টিলাযুক্ত পাহাড়কেও জাবাল বলে, তাদের পাহাড়গুলো ভারতবর্ষের মতো বিশালও হয় না। তাই এভারেস্টের মত পাহাড় উঠবে এই ধারণা ভুল হবে, আর পাহাড়ের বেশিরভাগ অংশই থাকে জমিনে। সুতরাং উপরে যতটুকু স্বর্ণ দেখা যাবে হয়তো ভূ-অভ্যন্তরে আরও বেশি থাকবে। আর স্বর্ন পাহাড়ের যুদ্ধে মুসলিমদের অংশগ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে, এমনকি ওর (স্বর্ন) হতে কিছু নেওয়া থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।

যদি ফুরাতের স্বর্ণ মানে তেল বুঝায় - মুসলিমদের ইরাক, সিরিয়ার ফুরাতের নিকটবর্তী তেল ব্যবহার করা নিষেধ। আর স্বর্নের পাহাড়ের যুদ্ধ হবে ফুরাতের তীরে যা খলিফা মাহাদী (হাফি ) আসার পূর্বে হবে আর মালহামা হবে সিরিয়ার আমাক বা দাবিকে। খলিফা মাহাদী (হাফি) এর নেতৃত্ব দিবেন। (আবু দাউদ, মুসলিম শরীফ)

দুঃখজনক হলো জাহিলরা ওয়াজে বানিজ্য করতে গিয়ে মালহামা আর স্বর্নের যুদ্ধ এক করে ফেলছে। বার বার সতর্ক করার পরও সংশোধন করছে না!?

ওরা ইসরাঈল ভীতি ঢুকাতে সক্ষম হয়েছে ঠিকই কিন্তু মুনাফিক, রাফেজী, নুসাইরিয়া শিয়াদের বিরুদ্ধে লেকচার নেই বরং রাফেজীদের পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছে। এসব বক্তারা মূলত সুফিয়ানীকে জনপ্রিয় করার পথ সহজ করছে। খলিফাহ মাহাদী (হাফি:) আসলে তার কালিমার পতাকা ও মক্কা হতে আগত প্রচার করে- ইহুদির দালাল, খারেজী ঘোষণা করবে হয়তো।

সৌদী সরকার জালিম তার বিরোধিতার নামে মক্কা, মদীনার আলেম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো উচিত নয়। হাজারো আলেম আজও সৌদী কারাবন্দী হক্ব বক্তব্য দিয়ে। অথচ শেষ জমানায় ইসরাঈল নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকবে না বরং সুফিয়ানী ও তার সেনা যারা বনু কাল্বের নুসাইরিয়া শিয়া তারা হবে বড় শত্রু।

খলিফা মাহাদীর (হাফি) বিরুদ্ধে ১ম সেনা সুফিয়ানী পাঠাবে। সুফিয়ানী ও মুনাফিকদের পতনের পর পশ্চাৎ শক্তি ও রুমের বিরুদ্ধে লড়াই, এরপর ইস্তানবুল বিজয় ও দাজ্জালের সাথে লড়াই।

ইসরাইল সবচেয়ে দুর্বল শক্তি রুমের সাহায্য ছাড়া ওদের পতন নিশ্চিত। কিন্তু রুম দীর্ঘদিন মুসলিমের শত্রু থাকবে। আর খলিফা মাহাদী ও মুসলিমরা জেরুজালেম বিজয় করবে। জেরুজালেম হতে শাসন করবে। আর দাজ্জালের সহযোগী ইহুদি যারা যোগ দিবে তারা হবে ইরানের ইস্পাহানে ইহুদী। যারা বংশগত ইহুদি, ইসরাঈলের মত খাসাফ বা ইউরোপীয় বংশধর ইহুদী নয়।

বংশগত ইহুদিরা ভীতু, যুদ্ধ হতে পালায়। তারা মুসা (আ:) এর সময় লড়াই করতে রাজি হয়নি, আহযাবের যুদ্ধের পরও ওরা মেকাবিলা করতে সাহস পায়নি। দাজ্জালের পতন হলেও ওরা আবারও পাথর, গাছের আড়ালে পালাবে। (মুসলিম শরীফ)

আমাদের উচিত কেয়ামতের ফিতনা অধ্যায় মুসলিম, আবু দাউদের হাদীসগুলো জানা। তাহলে যে কারো বক্তব্য শুনলে গুমরাহ হবেন না। আর দলিলবিহীন আলোচনা গ্রহণযোগ্য নয়। অপরদিকে বর্তমান খাসাফ ইহুদিরা হলো নৃশংস, যুদ্ধ প্রিয় জাতি।

বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, চতূর্থ ফিৎনা হচ্ছে, অন্ধকার অন্ধত্বপূর্ন ফিৎনা। যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় উত্তাল হয়ে উঠবে, আরব অনারবের কোনো ঘর বাকি থাকবেনা, যেখানে উক্ত ফিৎনা প্রবেশ করবেনা? এই ফিতনা দ্বারা মুসলমানেরা লাঞ্ছিত অপদস্ত হতে থাকবে।

ফিৎনাটি শাম দেশে (সিরিয়ায়) চক্কর দিতে থাকলেও রাত্রিযাপন করবে ইরাকে। তার হাত পা দ্বারা আরব ভুখন্ডের ভিতরে বিচরন করতে থাকবে।

উক্ত ফিৎনা এ উম্মতের সাথে চামড়ার সাথে চামড়া মিশ্রিত হওয়ার ন্যায় মিশে যাবে, তখন বালা মুসিবত এত ব্যাপক ও মারাত্মক আকার ধারন করবে যা দ্বারা মানুষ ভালো খারাপ নির্ণয় করতে পারবেনা।

ঐ মুহুর্তে কেউ উক্ত ফিৎনা থামানোর সাহসও রাখবেনা। একদিকে একটু শান্তির সুবাতাস বইলেও অন্যদিকে ফিৎনা তীব্র আকার ধারন করবে। সকালবেলা কেউ মুসলমান থাকলেও সন্ধ্যা হতে হতে সে কাফের হয়ে যাবে। উক্ত ফিৎনা থেকে কেউ বাঁচতে পারবেনা।।

কিন্তু শুধু ঐ লোক বাঁচতে পারে, যে সমুদ্রে ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায় করুন সুরে আকুতি জানাতে থাকে। সেটা প্রায় ১২ বৎসর পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে এবং এক পর্যায়ে সকলের কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

ইতোমধ্যে ফুরাত নদীতে স্বর্ণের একটি ব্রিজ (পাহাড়) প্রকাশ পাবে। যা দখল করার জন্য সকলে যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে এবং প্রতি নয় জনের সাতজন মারা পড়বে।

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ – ৬৭৬ ]

** হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন চতূর্থ ফিতনা বা যুদ্ধ ১২ বছর স্থায়ী হবে। যখন অবসান হবে তখন অবসান হবে। (অর্থাৎ ১২ বছর সময় শেষ হবে তারপর) স্বর্ণের পাহাড় থেকে ফুরাতকে খুলে দেওয়া হবে। অতপর তার উপর প্রত্যেক নয় জনের সাত জনকে হত্যা করা হবে।

[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ – ৯৭০ ]

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্ণিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না। (ই.ফা. ৭০০৯, ই.সে. ৭০৬৬)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭১৬৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

তার মানে বুঝা যায়, স্বর্ণের পাহাড় উঠবে সিরিয়ার যুদ্ধের ১২ (আরেক হাদীসে ১৮) বছর পর, এর আগে নয়। আর এই স্বর্ণের পাহাড়ের নিকট যেতে মুমিনদের মানা করা হয়েছে, ফলে এই যুদ্ধে কোন মুমিনরা অংশ্রগ্রহণ করবে না। প্রকৃতপক্ষে এই পাহাড় কাফের, মুনাফিকের জন্য ফেতনা। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদের দুর্বল করে মুসলিমদের সাহায্য করবেন। মুনাফিক ও মুমিন চেনা তখন সহজ হবে।

"অর্থ" আর "স্বার্থ" এই দুইটা জিনিসই মানুষকে বদলে দেয়..🤔💔💢 শুভ  সকাল 💢
30/10/2025

"অর্থ" আর "স্বার্থ" এই দুইটা জিনিসই মানুষকে বদলে দেয়..🤔💔💢 শুভ সকাল 💢

বাবা..... মা ✍️মা আমাদের শরীরে গঠন করেন…আর বাবা আমাদের জীবনটা গঠন করেন।মায়ের গর্ভে ৯ মাস ছিলাম,বাবার কাঁধে চেপে ছিলাম ২...
29/10/2025

বাবা..... মা ✍️

মা আমাদের শরীরে গঠন করেন…
আর বাবা আমাদের জীবনটা গঠন করেন।
মায়ের গর্ভে ৯ মাস ছিলাম,
বাবার কাঁধে চেপে ছিলাম ২৫ বছর।
তবুও কেন যেন বাবা সবসময় আড়ালেই থাকেন।
মা প্রতিদিন রান্নাঘরে বিনা বেতনে কাজ করেন,
আর বাবা তার মাসের শেষ পয়সাটিও সংসারে ঢেলে দেন।
দুজনেই সমানভাবে ভালোবাসেন,
তবুও মা যেনো ভালোবাসার মঞ্চে এক ধাপ এগিয়ে,
আর বাবা কেমন যেন নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা একটা প্রেক্ষাপট।
মা নিজের হাতে আমাদের প্রিয় খাবার বানিয়ে দেন,
বাবা চুপচাপ দোকান ঘুরে সেই জিনিসটা এনে দেন।
মায়ের ভালোবাসা চোখে পড়ে,
বাবার ভালোবাসা হয়ত মাটির নিচের শিকড়ের মতো,
যা না দেখলে বোঝা যায় না, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকাটাই তার অবদান।
ফোনে কথা বলার সময় আগে মায়ের খোঁজ নিই,
দুঃখ পেলে মায়ের কাঁধে মাথা রাখি।
বাবা তখন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন,
শুধু চোখে থাকেন, মনে হয় কিছু বলতে চান,
কিন্তু বলেন না, যেন বলার অধিকারটাও কেমন হারিয়ে ফেলেছেন।
বাচ্চাদের আলমারি রঙিন জামায় ভর্তি,
মায়ের শাড়ির আলমারিও বেশ সমৃদ্ধ।
কিন্তু বাবার আছে মাত্র কয়েকটা জামা,
নিজের প্রয়োজন মেটাতে ভাবেনও না কখনো।
তবুও মুখে কোনো অভিযোগ নেই।
মায়ের গয়নার বাক্স ভর্তি সোনা-রুপা,
আর বাবার আঙুলে সেই একটাই আংটি,
যেটা তিনি বিয়ের সময় পরেছিলেন।
তবুও মায়ের গয়নাতে ঘাটতি থাকলে সে বলতেই পারেন,
কিন্তু বাবার নেই কোনো চাহিদা।
বাবা সকাল থেকে রাত পরিশ্রম করেন সংসারের জন্য,
মাঝে মাঝে অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ফেরেন,
তবুও ঘরে ঢুকে সন্তানের মুখ দেখেই সব ক্লান্তি ভুলে যান।
স্বীকৃতি চান না, প্রশংসা চান না
শুধু চান সবাই ভালো থাকুক।
যখন বাবা-মা দুজনেই বয়সের ভারে নুয়ে পড়েন,
তখন সন্তান ভাবে মা অন্তত ঘরের কাজে লাগেন,
কিন্তু বাবাকে বলে “বয়স হয়েছে, এখন আর কিছুই করতে পারেন না।”
হয়তো বাবাই সংসারের সেই নীরব মেরুদণ্ড,
যিনি সামনে থাকেন না, কিন্তু তার কারণেই পরিবারটা দাঁড়িয়ে থাকে। তাই হয়তো বাবা পিছিয়ে থাকেন না, তিনি ইচ্ছে করেই সামনে আসেন না। কারণ তিনি জানেন, তার ভালোবাসা প্রমাণ করতে হয় না।

28/10/2025

উহুদ যুদ্ধের ঘটনা,একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে! সকল শহীদের লাশ এনে এক জায়গায় রাখা হচ্ছে। নবীজি গুনে দেখেলেন ৬৮ টা লাশ। ২ টা নাই ... একজন তাঁর চাচা হামজা (রাঃ) আরেকজন হানজালা (রাঃ)। অস্থির হয়ে পড়েছেন নবীজি। সব সাহাবাদের পাঠাইলেন লাশ খোঁজার জন্য। ...হঠাৎ বোরকা পরা এক মহিলা এসে দাঁড়ালেন নবীজির কাছে। নবীজি তাঁকে চিনলেন না।

-মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ আজকে আপনি একটা বিয়ে পড়িয়েছিলেন মনে আছে? নবীজি বললেন; হ্যাঁ আমি তো হানজালার বিয়ে পড়িয়েছি। যার বিয়ের খুশিতে আমি খুরমা খেজুর ছিটিয়ে ছিলাম। মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ! আমার হাতটা দেখেন। হাতের মেহেদী এখনও শুকায়নি। কাল বিকেলে বিয়ে হয়েছিল আর রাত ২ টা বাজে উহুদের যুদ্ধের জন্য বের হয়ে গেছে হাঞ্জেলা। বাসর রাতে উনার সাথে আমার ভালোভাবে পরিচয়ই হয়নি। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেছেন "যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হবে দুনিয়ায়, আর যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে দেখা হবে জান্নাতে"।

মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ যাওয়ার আগে আমার কপালে একটা চুম্বন করে গেছেন। লজ্জায় বলতেও পারি নাই আপনার জন্য গোসল ফরজ। নবীজি কাঁদছিলেন। মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ, শহীদদের তো আপনি গোসল দেন না, আমার স্বামীকে আপনি একটু গোসল করিয়ে দেবেন?

নবীজি সম্মতি প্রকাশ করার পর একজন সাহাবি দৌড়ে এসে বলল ইয়া রাসুল্লাহ হানজালা কে পাওয়া গেছে। --- সবাই গেলেন। গিয়ে দেখলেন সাদা কাফনের ভিতর লাশের মাথায় পানি। নবীজি মাথা হাতিয়ে দিলেন। জিবরাঈল আসলেন! ...এসে বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ হানজালার কোরবানিতে আল্লাহ্ পাক এতটাই খুশি হয়েছে যে আমার বাহিনীকে আদেশ করলেন তাকে নিয়ে আসতে।

...ইয়া রাসুল্লাহ আমরা ফেরেশতারা তাকে তৃতীয় আসমানে এনে জমজমের পানি দিয়ে গোসল করিয়েছি এবং তার শরীরে থেকে যে সুগন্ধ পাচ্ছেন, এটা আল্লাহ্ পাকের বিশেষ খুসবু মিশক আম্বর আতরের ঘ্রাণ । আমরাই উনাকে কাফনের কাপড়ে আচ্ছাদিত করেছি ।
সুবহানআল্লাহ !!! আল্লাহ্ তাঁর প্রিয় মানুষকে কি পরিমাণ ভালবাসেন, কি পরিমাণ সম্মানিত করেন তা আমাদের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়।পরিশেষে বলতে চাই, "হে আল্লাহ্ _ আপনি

আমাদেরকে সফল মানুষদের পথের পথিক হওয়ার তওফিক দান করুন, আমিন"🤲🤲

28/10/2025

আমার ও স্বামী পছন্দের মাছ কিনে আনলো

ডিম খেলে ওজন কমে, কারন ডিম খেলে ক্ষুদা কম হয়.. ❤️শুভ সকাল ❤️                 ゚
28/10/2025

ডিম খেলে ওজন কমে, কারন ডিম খেলে ক্ষুদা কম হয়..
❤️শুভ সকাল ❤️

একদিন হযরত ফাতিমা (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। রাসূল (সাঃ) একজন মেহমানকে সাথে নিয়ে ফাতিমা (রাঃ)-কে দেখতে গেলেন। তিনি দরজাতে কড়া ন...
27/10/2025

একদিন হযরত ফাতিমা (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। রাসূল (সাঃ) একজন মেহমানকে সাথে নিয়ে ফাতিমা (রাঃ)-কে দেখতে গেলেন। তিনি দরজাতে কড়া নেড়ে বললেন- ‘ফাতিমা, আমি তোমার বাবা, ভিতরে আসতে পারি? আমার সাথে এক মেহমান আছেন। আমি শুনেছি তুমি অসুস্থ! তাই তোমাকে দেখতে এলাম, মা’!

সারা জাহানের নবী, খাতামুল আম্বিয়া, হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর মেয়ে তখন কি জবাব দিয়েছিলেন জানেন? বলেছিলেন- ‘হে আব্বাজান, আমার ঘরে তো পর্যাপ্ত কাপড় নেই। আমি পর্দা করবো কিভাবে? একজন পরপুরুষ আপনার সঙ্গে আছেন’।

আল্লাহু আকবার! দোজাহানের বাদশাহের মেয়ের ঘরে কাপড় নেই পর্দা করার মত। কি জীবন তিনি কাটিয়ে গেছেন! আর তাঁর উম্মত হয়ে আমরা ভোগ-বিলাসে গলা পর্যন্ত ডুবিয়ে বসে থাকি!

ফাতিমা (রাঃ)-এর এমন কথা শুনে রাসূল (সাঃ) জবাব দিলেন- ‘ফাতিমা, আমার চাদর নিয়ে পর্দা করো’। তিনি আপন কাঁধ থেকে চাদর খুলে দরজার ভিতরে দিলেন। হযরত ফাতিমা (রাঃ) সেই চাদর পরলেন ও মুখ ঢাকলেন।

রাসূল (সাঃ) ভেতরে প্রবেশ করলেন। হজরত ফাতিমা (রাঃ) রাসূলের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে শুরু করলেন এবং বললেন- ‘আব্বাজান, আমি ক্ষুধার্ত। ঘরে খাবার নেই’। রাসূল (সাঃ)-ও কাঁদতে শুরু করলেন।

তায়েফের ময়দানে যিনি পাথরের আ*ঘা*ত সহ্য করেছেন, উহুদের ময়দানে নিজের দাঁত হারিয়েছেন, পেটে পাথর বেঁধে চলাফেরা করেছেন। কিন্তু জগতের কোন ব্যথাই তাঁর চোখের পানির কারণ হতে পারেনি। অথচ আজ মেয়ের চোখের পানি দেখে তাঁর চোখেও বাঁধ ভেঙে পানি গড়াতে শুরু করলো। সেই পানি মায়ার নবীর পবিত্র রক্তিম গাল বেয়ে ঝরতে লাগলো টপ টপ করে।

মেয়ের মাথাটাকে বুকের সাথে শক্ত করে ধরে মায়ার নবী বলতে লাগলেন- ‘কেঁদো না, আমার কলিজার টুকরা, কেঁদো না। ঐ আল্লাহর কসম, যিনি তোমার বাবাকে সত্য নবী বানিয়েছেন, আজ তিনদিন হয়ে গেছে আমি নিজেও কিছুই খাইনি। মারে, তোমার জন্য সুসংবাদ আছে। আমার মাবুদ তোমাকে জান্নাতের সর্দারনী হিসেবে কবুল করেছেন’।

একবার ভাবুন তো, আমার আপনার নবীকে কুরাইশের সর্দাররা বলেছিল- তিনি যদি ইসলাম প্রচার না করেন, তাহলে তারা তাঁকে আরবের সেরা ধনবান ব্যক্তি বানিয়ে দেবে। কিন্তু আমার আপনার জন্য তিনি সেই জীবন গ্রহণ না করে এই ব্যথা ভরা জীবন মেনে নিয়েছেন। আর আমরা কী করছি? ভাবুন জান্নাতের সর্দার্নীর জীবন। এই সম্মান কোন আরামের বিছানাতে মিলেনি। এই সম্মান এসেছে ক্ষুধা তৃষ্ণা, সবর ও শুকরিয়া থেকে।

আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং তাঁর উপরে খাঁটি বিশ্বাস রাখার তৌফিক দান করুন, আমিন…

নারীরা  স্বাভাবিকভাবে কোমল হয় কিন্তু তাদের কঠিন বানানো হয়।যে দেয়াল সে গড়ে তুলেছে, সেটা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি।তার আচরণ রাতার...
25/10/2025

নারীরা স্বাভাবিকভাবে কোমল হয় কিন্তু তাদের কঠিন বানানো হয়।

যে দেয়াল সে গড়ে তুলেছে, সেটা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি।

তার আচরণ রাতারাতি বদলায়নি।

তার কঠোরতা এসেছে বারবার কষ্ট পাওয়ার পর।

তার দূরত্ব এসেছে বারবার হতাশা পাওয়ার পর।

তার কঠোরতা হলো নিজেকে রক্ষা করার উপায়।

সে একদিন ঘুম থেকে উঠে ঠিক করেনি যে সে “কঠিন” হবে।

সে বিনা কারণে দেয়াল তুলেনি।

সে হঠাৎ করে মানুষের প্রতি অবিশ্বাসী হয়ে যায়নি।

সে হঠাৎ করে আবেগগতভাবে দূরে সরে যায়নি।

নারীরা শুরুতে ভালোবাসে, খোলামেলা থাকে, বিশ্বাস করে।

তারা শুরুতে কোমল, উষ্ণ, আর দানশীল থাকে।

তাদের স্বভাবই হলো যত্ন নেওয়া আর ভালোবাসা।

কিন্তু যখন বারবার মিথ্যা বলা হয়, তারা দেয়াল তোলে।

যখন বারবার বিশ্বাসঘাতকতা হয়, তারা দূরে সরে যায়।

যখন বারবার কষ্ট দেওয়া হয়, তারা চুপ হয়ে যায়।

যখন বারবার হতাশ করা হয়, তারা আলাদা হয়ে যায়।

তার আচরণ আসলে আপনার আচরণের প্রতিফলন।

তার শক্তি আসলে আপনি যা দিয়েছেন তার প্রতিচ্ছবি।

তার ব্যবহার আপনার কাজের প্রতিক্রিয়া।

তার দেয়াল আপনার কাজের কারণে গড়ে উঠেছে।

যদি সে কঠিন হয়ে যায়, দেখুন আপনি কতটা কঠিন ছিলেন।
যদি সে দূরে চলে যায়, ভেবে দেখুন আপনি কতটা দূরে ছিলেন।
আপনি কাউকে ভেঙে দিতে পারেন না আর তার সুস্থ হওয়ার পথে অভিযোগ করতে পারেন না।

খারাপ ব্যক্তি কয়লার মতো....খারাপ ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা কোনটাই করা উচিত নয়,কারণ "কয়লা গরম হলে হাত পুড়িয়ে...
25/10/2025

খারাপ ব্যক্তি কয়লার মতো....
খারাপ ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা কোনটাই করা উচিত নয়,কারণ "কয়লা গরম হলে হাত পুড়িয়ে দেয় আর ঠান্ডা হলে হাতে কালি লাগিয়ে দেয়...শুভ সকাল 🦆🦢

24/10/2025

নিজেকে সুরক্ষিত ও সম্মানিত রাখতে সচেতনতা অপরিহার্য।

🔹 অতিরিক্ত মিষ্টি কথায় সতর্ক থাকুন: কেউ অতি প্রশংসা করলে ভেবে দেখুন, উদ্দেশ্য সৎ কি না।

🔹 অন্তরের সতর্কতা শুনুন: মন যদি অস্বস্তি বোধ করে, তা উপেক্ষা করবেন না।

🔹 আত্মবিশ্বাস ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিন: বাহ্যিক চেহারার চেয়ে জ্ঞান ও চরিত্রই আসল মূল্য।

🔹 অন্ধ বিশ্বাস নয়: পরিচিত মানুষ হলেও একান্তে দেখা বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি এড়িয়ে চলুন।

🔹 পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখুন: নিজের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

🔹 সম্পর্কে জড়ানোর আগে ভাবুন: পর্যবেক্ষণ করুন, সময় নিন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

🔹 আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন: যুক্তি ও বিচারবুদ্ধি ব্যবহার করুন।

🔹 সততা ও নৈতিকতাকে সঙ্গী করুন: সহজ ভুল পথে নয়, সৎ পথে চলুন।

নিজের নিরাপত্তা, সম্মান ও আত্মমর্যাদাই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি।









24/10/2025

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
“তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যতই ছোট কাজ হোক না কেন, তা তুচ্ছ মনে কোরো না। কেননা একটি ছোট কাজও আল্লাহর নিকট মহান হতে পারে।”
(মুসনাদ আহমদ, হাদীস: ২২৪৩৬

23/10/2025

❤️ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 💗
তুমুল ব্যস্ততার মধ্যেও ফাঁকে ফাঁকে পাঁচ সেকেন্ড বিরতি দিয়ে একবার দুরুদ আর ইস্তেগফার করে নিতে পারি। সারাদিনে অনেকবার পড়া সম্ভব।

শাইখ আতিক উল্লাহ হাফি

Address

Satkhira
9400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sultana Family - সুলতানা ফ্যামিলি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share