16/02/2022
মৌতলা স্কুলে আজ কয়েকজন স্যার খুব ভালো পরিচয় তুলে।
Covid-19 এর টিকা কেন্দ্র মৌতলা হাই স্কুল।
সেখানে দুপুর ১টার সময় ছোট একটা ঝামেলা শুরু হয়। বাইরে থেকে আসা কয়েকটা নেশা গ্রস্ত পোলাপাইন এর সাথে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে।
ঝামেলাটি শুধু হয় বেশ কয়েকটি কারণে,
বাইরের পোলাপান কেন্দ্র এসে,
১. মেয়েদের ছবি
2. ভিডিও করা
৩. মেয়েদের ইভটিজিং করা
৪. মৌতলা স্কুলে এবং বাইরে স্যারদের মাদা*****দ, বে****জন্ম বলে গালি দেওয়া
৫. একজন গ্রাম পুলিশ কে মারার হুমকি।
৬. স্কুল ক্যামপাসের মধ্যে সবার সামনে একের পর এক ধুমপান করা।
এই সব কর্মকান্ডের জন্য আমরা স্কুলে পড়ুয়া ছাত্ররা প্রতিবাদ করি কিন্তু তারা আমাদের হুমকি দেই কিন্তু আমরা স্কুলে স্টুডেন্টরা এটা মেনে নিতে পারিলাম নাহ্ যে, আমাদের স্কুলে এসে আমাদের স্যারদের গালি দেওয়া এবং মেয়েদের ছবি, ভিডিও ইভটিজিং করা এই সব। এবং এই সব করে তারা খুব মজা নিচ্ছিলো এবং আমাদের হুমকি দেওয়ায় হাসিতামাশা করে।
আমরা প্রকাক্তন বিদায়ী ব্যাচেরদের কানে কথা তুলি। এবং তারা এই গুলা কয়েকজন যখন শুনে স্যারদের গালিগালাজ করছে তখন তারা কয়েকজন দ্রুত আসে প্রতিবাদ করতে এবং তারা অন্য সিনিয়ার ব্যাচদের এটা এটা জানাই।
সিরিয়ার মাঠে এসে হাতে নাতে মেয়েদের ভিডিও করা অবস্থা দেখে। যেহেতু স্কুল ক্যাপপাসের মধ্যে কথাকাটি খারাপ দেখাবে তাই পশ্চিম দিকে আসতে বলে।
তারা নিজেরা ক্ষমতা দেখাই এবং বিভিন্ন নেতাদের কাছে কল দিতে শুরু করে এবং সিনিয়র ভাইদের সাথে কথা তর্কাতর্কি হয় যে, " তোরা ডাকবি তাই যেতে হবে মানে, তোদের ব্যবস্থা করছি, তোদের এখনি স্কুলের মধ্যে সু****দে দিবো।
কথাটা শুনে আরো রেগে যাই এবং তাদের টানতে টানতে আনা হয় এবং আসতে একজন সিনিয়ার ভাই কে দেখে বলে, ভাই আপনারাও যে ছাত্রলীগ করেন আমি আমি ছাত্রলীগ করি এই কথা শুনে ছাত্রলীগ প্রেম একটা চড় মেরে বলে " ছাত্রলীগ কি নেশা করে? মেয়েদের ইপটিজিং করে? স্যারদের গালিদেই? মারার হুমকি দেই?
সিনিয়ার বিদায়ী ব্যাচের কয়েক জন ছাড়িয়ে নেই এবং সেখানে ততক্ষণে কয়েক স্যার চলে আসে ।
আসার সাথে সাথে আমরা বলি স্যার এই এই করছে এবং অন্যদিকে সেই ছেলেগুলা আমাদের উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি (মেবি) তার কাছে কল দেই।
আমাদের স্কুলে স্যাররা সিনিয়ার ভাই দের অপমান করে যে, মেয়েদের ইভটিজিং করলো, ছবি তুললো, ভিডিও করলো স্কুল ক্যামপাসের দ্বায়িত্ব কি তোদের দিসি? তোরা স্কুলে চলাকালীন সময় স্কুল ক্যামপাসে ডুকবি কেনো?
স্যার যখন নেশাখোর এবং ইপ্টিজার দের পক্ষে তখন তাদের কিছু ছেলে বুন্ধি করে এসে স্যারদের জানাই যে " তাদের অনেক কিছু নিয়ে নিছে"
তখন স্যার আবারও অপমান করে বলতে থাকে এই সব পোলাপান সব টোকাই, কিন্তু আমরা দেখলাম না আমাদের সিনিয়াররা স্যারের একটা কথা অসন্মান করে পাল্টা একটা কথা বলছে।
এটা নিয়ে অফিসে মিটিং বসলে শিমুল রেজা এমপি কলেজের একজন প্রক্তন ব্যাচের ভাই এর উপর সব দোষ দেই হয়তো স্যারদের সাথে পারসোনাল কোনো সমস্যার কারণে। কিন্তু সেই ভাই যখন স্কুলে ক্যামপাসে ডুকছে, তখন আমরা সবার বের আসছি।
★★ কয়েকদিন আগে মৌতলা স্কুলের টিকাদিতে আসা কয়েকটা মেয়ের ভিডিও ভাইরাল ফেসবুক ও টিকটকে, ভিডিও গুলা রিমুভ করা হয়েছে ফেসবুক থেকে, এবং এটা ফেসবুক স্পামার ও হ্যাকার দের সাথে যোগাযোগ করা যাতে স্কুলের বদনাম না হয়।
এই রকম উল্লেখিক ঘটনা আগেও একটা ঘটেছে আর সেটা Covid-19 এর ১ডোস এর সময়।
একজন স্যারকে মারা হুমকি দেই এবং কথাটা যখনি বাইরে ছড়িয়ে যাই তখন বিদায়ী ব্যাচ এর সিনিয়ার জুনিয়ার চেনা অচেনা অনেক ভাইদের ছুটে চলে আসে যে স্যারদের এমন কথা বলা সাহস কিভাবে পাই এই প্রতিবাদ করতে।
তখনও সকল স্টুডেন্ট কে অপমান করে বের করে দেওয়া হয়। কয়েকটা স্যার।
যখন ক্যাপস থেকে বের হচ্ছিলো। তখন একজন সিনিয়ার ভাই সবার উদ্দেশ্য বলতে যে লজ্জা হয়ছে ১ মাসের মধ্যে দুইবার অপমান হতে?
২০২০ এর ব্যাচ নাহিদ ভাই কে কিছুদিন আগে বলতে শুনছি, স্কুলে পড়াকালীন সময় স্যাররা কিছু করতে বললে রাগ হতো কিন্তু এখন বিদয় নেওয়ার পর থেকে মনে হয় সব স্যারের বাজার থেকে শুধু করে সব কিছুতে হেল্প করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করতাম
★আর আজ নাহিদ ভাই বলতেছে আমি এখন থেকে পরিচয় দিবো নাহ্।
সেদিন David ভাই এর সাথে পরিষদে কথা বলছিলাম, তিনি বলছিলো যে, স্কুল থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মনে হয় যদি ওই ভাবে স্যার ম্যামরা আমাদের সাথে কথা বলতো, আমাদের সাথে সময় দিতো। বার বার মনে হয় যদি স্যারদের কথা শুনতে পেতাম আবার যদি সেভাবে শাষন করতো। তাহলে এখন ডিসিশন গুলা পসিটিভ নিতে পারতাম, তোমরাও স্কুল থেকে বের হওয়ার পর বার বার স্কুলে ফিরে যেতে ইচ্ছা করবে।
★ আর আজ David ভাইকে বলতে শুনছি,
যারা ক্লাসে আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে, শিক্ষক এবং গুরুজনদের সন্মান করতে আজ বার বার তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে কে কতটা সন্মান পাওয়ার যোগ্য।
কিছুদিন আগে একটা ভাই (নাম জানি নাহ্) ইভেন্টে, কয়েকটা সিনিয়র ভাইকে বলতে শুনছি যে স্যারদের ছাড়া এই ইভেন্ট করা যাবে নাহ্।
সেই ভাইকে আজ বলতে বলছে এইসব স্যারা আসলে সন্মান পাওযা যোগ্য না নাহ্।
আরো অনেক ভাইরা এমন মন্তব্য গুলা আসলেই যেগুলা কোনো অন্যায় বা অপরাদ না। আমি একজন স্কুল পড়া ছাত্র এবং আমার সামনে সব কিছু হয়ছে সেটা দেখে আমিও অবাক। কার যখন আমার বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার আমারও এমন অপমানের শিকার হতে হবে। এটা আমার বুঝা হয়ে গেছে বেম কয়েকবার।
সত্তি বলতে আসলেই আমাদের এই স্যাররা কি সন্মান পাওয়ার যোগ্য কিনা সেটা হিসাব করতে বসতে হচ্ছে।
রাস্তাঘাটে এইবার এই সব স্যাররা এই প্রক্তন ছাত্রদের কাছে সন্মান পাবে তো। যে ছাত্ররা মটর সাইকেল থেকে নেমে স্যারদের সন্মান করে। রাস্তাঘাটে স্যারের সামনে দাড়িয়ে মাটির দিকে ফিরে কথা বলে তারা এবার কিভাবে কথা বলবে। সেই বিষয় গুলা চোখবন্ধ করে ভাই, চোখের সামনে যা ভাসতেছে তা লেখার মত কোনো কোনো সাজানো লাইন খুজে পাচ্চি নাহ্।
#মোতলা_মাধ্যমিক_বিদ্যালয় #প্রিয়_মৌতলা