11/08/2025
লে-আউট: বিস্তারিত:
লে- আউট হলো যে বিল্ডিং নির্মিতি হবে তার প্রপার ড্রয়িং সরাসরি প্রস্তাবিত জমির উপর স্থাপন করতে হবে।
একটা উদাহরণঃ যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার।
যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই পোষাকের জন্য লে-আউট দেয়া বলা হয়।
লে-আউট দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ( যাহা ঠিকাদার সরবরাহ করবে)।
যেমনঃ
১) স্টিল মেজারিং টেপ ১৬'-০" এবং ১০০'-০" লম্বা (স্টিল টেপ)
২) হেমার।
৩) লাল রঙ এবং ব্রাশ (গ্রীড লাইন মার্কিং এর জন্য)।
৪) সুতা (প্লাষ্টিক)
৫) মাটাম
৬) ওয়াটার লেভেল পাইপ
৭) বাশের খুটি
৮) তাগারি
৯) কার্নি, ইত্যাদি।
ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য আজ কাল টোটাল ষ্টেশনের বহুল ব্যবহার চোখে পড়ছে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ডিজিটাল সার্ভে কোম্পানী আছে যারা টোটাল ষ্টেশনের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ইমারতের লে-আউট দিয়ে থাকে।তারপরও নিচে লে-আউট দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের নাম দেয়া হলঃ
১। টোটাল ষ্টেশন বা লেভেল মেশিন
২। নাইলনের সুতা
৩। পেরেক
৪। হাতুড়ি
৫। অস্থায়ী বাঁশের খুটি
৬। স্থায়ী কঙ্ক্রীটের খুটি
৭। স্টীলের একটি বড় সমকোনী ত্রিভুজ
৮। স্টীল টেপ (১০০ ফুট)
৯। মাঝারি সাইজের প্লাম্ব বব বা ওলোন
মেটেরিয়ালঃ
============
সিমেন্ট ১ ব্যাগ
লোকাল সেন্ড ১০ সি.এফ.টি
বর্ননাঃ
============
কোন ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য যে ড্রয়িং তৈরী করা হয় সেখানে সাধারনত a,b,c,d…… ও 1,2,3,4…… এই দুই ধরণের গ্রীডলাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো একে অপরের সমান্তরাল
আবার 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনগুলোও পরষ্পর পরষ্পরের সমান্তরাল হয়ে থাকে।
কিন্তু a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো 1,2,3,4……গ্রীড লাইনের সাথে সমকোণ তৈরী করে। এই দুই ধরণের গ্রীড লাইনের ছেদ বিন্দুটিতে সাধারণতঃ কলাম বা দেয়ালের অবস্থান করে থাকে।
লে-আউট দেয়ার প্রধান কাজ হলো ড্রয়িং থাকা উপরে বর্ণিত ঐ সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে বাস্তব মাপজোপের মাধ্যমে প্রকৃত জমিতে স্থানান্তর করা। কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সেই কাজটি প্রকৌশলীরা করে থাকেন-
প্রথমে একটি বেসলাইন (Baseline) বা সীমারেখা নির্ধারণ করতে হয়। সীমারেখাটি সাধারণতঃ
পার্শ্ববতী কোনো ভবন বা রাস্তার মধ্যরেখা (centerline) এর সমান্তরালে একটি ন
Engineer~OHED Ali