IQBAL BD

IQBAL BD পেজটিতে লাইক দিয়েছেন তো ??
লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন। আমরা অনেকে অনলাইনে কি ভাবে কাজ করতে হয় জানি না তাই এই গ্রুপটা করা হয়েছে।আপনারা লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

11/10/2021

রিং আইডির পরিচালক সাইফুল জামিন পাননি

11/10/2021

New Ringid Member play this video

11/10/2021

যারা রিং আইডিতে নতুন তারা ভিডিও টি দেখন।

01/07/2020

নিজে সচেতন থাকুন,,,,অন্যকে সচেতন করুন।।🙋🙋🙋

17/05/2019

এক স্বামী-স্ত্রী আদালতে গেলেন তাদের ডিভোর্স করানোর জন্য। জজ সাহেব তাদের প্রশ্ন করলেন, আপনাদেরতো ৩ ছেলেমেয়ে। তাহলে ডিভোর্সের পর সন্তান ভাগ করবেন কীভাবে? কে কার সাথে থাকবে?
স্বামী কিছুক্ষণ ভেবে চিন্তে উত্তর দিল, স্যার তাহলে আমাদের আরও এক বছর সময় দিন। পরের বছর আমরা আরেকটা সন্তানসহ আসব। তখন তাহলে সমান সমান ভাগ হবে।
তারা পরের বছর আবার আদালতে গেল। কিন্তু এবছরও তাদের ডিভোর্স হলো না। কারণ তাদের যমজ বাচ্চা হয়েছিল।কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগল।

10/05/2019

#তারা_রাতের_সন্তান
৪র্থ এবং শেষ পর্ব
মিলি কন্ঠটা শুনে হতভম্ব হয়ে গেল। এর মানে কী? মিথিলা বেঁচে আছে! তাহলে রাতের ঐ পুরো ঘটনা, তার সমস্যাগুলোর পেছনে মিথিলার মৃত আত্মার দেওয়া সুক্ষ ব্যাখ্যাগুলো কী ছিল! মিলি মুহূর্তেই আবার মাথায় তীব্র থেকে তীব্রতর যন্ত্রনা অনুভব করে।
এর মধ্যে মিথিলা মিলির ঘরে প্রবেশ করে। মিলিকে দেখেই মুচকি হাসি দিয়ে বলে, কিরে মিলি? তুই নাকি রাতে জোরে চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়েছিলি? কিছু দেখে ভয় পেয়েছিলি নাকি? মিলি আমতা আমতা করে উত্তর দেয়, না। কিছু না। কিছু না। আমি এখন ঘুমাব। মিলির চারপাশ তীব্র অন্ধকারে ছেয়ে যায়। মিলি অনেক কষ্টেও চোখ খোলা রাখতে পারে না। গভীর ঘুমে তলিয়ে যায় সে।
মিলি আবার যখন চোখ খুলে তখন প্রায় দুপুর। মিলির মাথার পাশে মিথিলা বসে রয়েছে।
মিলি চোখ খুলতেই মিথিলা বলে উঠল, তোর তো সকাল থেকে কিছুই খাওয়া হয়নি। এইভাবে চলতে থাকলেতো তোর শরীর আরও খারাপ হয়ে যাবে। মিলি যেন কোনো ঘোরের মধ্যে রয়েছে। ঘোরের মধ্যেই শান্ত স্বরে বলে, বাবা-মা হাসপাতালে। তাদের কী খবর? খালার জন্য খাবার দেওয়া হয়নি। মিথিলা বলল, এসব নিয়ে তুই ভাবিস না। অনিক গেছে হাসপাতালে। কল করেছিল, তোর বাবা-মায়ের অবস্থা আগের মতোই আছে। কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমি খাবার দিয়ে যাচ্ছি তুই খেয়ে নে।
এই বলেই মিথিলা ঘর থেকে চলে গেল। মিলি ধীরে ধীরে বিছানা থেকে নেমে ওয়াশরুমে গেল। ওয়াশরুমে যেতেই মিলির গতরাতের সব ঘটনা স্পষ্ট মনে পড়ল। মিলি বুঝল গতরাতে তার সাথে যা ঘটেছে তা কিছুতেই স্বপ্ন বা তার কল্পনা হতে পারে না। পুরো ঘটনাটাই বাস্তব। কিন্তু মিথিলা যদি মারা যায় তাহলে বাড়িতে এটা কে? আর মিথিলা যদি বেঁচে থাকে তাহলে গতরাতে খাটের নিচে যার সাথে কথা হলো সে কে? মিলির মাথায় কিছুই ঢুকছে না। মিলি বেশ সাবধাণতার সাথে হাত-মুখ ধুলো। হাত-মুখ ধুয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হতেই দেখল তার বিছানার উপর খাবার আর পানির গ্লাস রাখা। মিথিলা কুকুরের মতো খাটের নিচে ঝুকে কিছু একটা শুকছিল আর নাক ছিটকাচ্ছিল। মিলিকে দেখেই সে স্বাভাবিক ভাবে বিছানায় উঠে বসে। বলে, মিলি খেয়ে নে। আর কোনো বিষয়ে অধিক দুঃশ্চিন্তা করা ভালো না। অধিক দুঃশ্চিন্তায় সমস্যার সমাধানতো হয়ইনা উল্টো আরও বেশি জট পাকে। তাই ঠান্ডা মাথায় সব কিছু চিন্তা কর।
মিথিলা ঘর থেকে চলে যায়। মিলি ধীরে-সুস্থে খাবার শেষ করে। এখন তার হঠাৎ করেই রাতের পুরো ঘটনাটা স্বপ্ন বা ভ্রম বলে মনে হচ্ছে। দিন যা দেখায় তা বাস্তব। রাতের অধিকাংশই মায়া। মিলি মিথিলার সাথে আবার স্বাভাবিক ভাবে স্বাভাবিক বিষয়ে গল্প করতে শুরু করে। মিথিলার এত মাস পরে হঠাৎ বাড়ি ফেরার ঘটনাটা বেশ আগ্রহ নিয়েই শুনে সে। অনিক যেহেতু হাসপাতালেই রয়েছে এছাড়া মিলির শরীরটাও তেমন ভালো না তাই সে সারাদিন বাড়িতেই রইল হাসপাতালে আর গেল না। সন্ধ্যাঁ হতেই মিথিলা রাতের খাবার নিয়ে চলে গেল হাসপাতালে। বাড়িতে শুধু একা রয়ে গেল মিলি।
মিথিলা যাওয়ার আগে বলল, বাড়ির চাবিটা আমি নিয়ে যাচ্ছি। বাড়ির বাহির থেকে তালা দিয়ে যাচ্ছি। তুই চিন্তা করিস না। আমি দ্রুতই চলে আসব। মিলি কিছুই বলেনি। মিথিলা চলে যাওয়ার পর সে চুপচাপ নিজের ঘরে এসে আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়ল।
মিলি যেই চোখ বন্ধ করবে। হঠাৎ মিলিকে অবাক করে দিয়ে খাটের নিচ থেকে সেই মিথিলার কন্ঠ ভেসে আসল:
-হায় বোকা মেয়ে! তোকে এত করে বুঝালাম তাও তুই শয়তানের ধোকা আর মায়া থেকে বাঁচতে পারলি না! লালত তোর মতো মেয়ের জন্য। একটা শয়তান ও তার মায়া ধারা সৃষ্ট একটা শয়তানকে তুই এখনও তোর ভাই আর বান্ধবী ভাবছিস! তোর জন্য ধ্বংস।
মিলি চমকে উঠে। এবার তার মনে হচ্ছে খাটের নিচে যে মেয়েটা কথা বলছে সেই আসল মিথিলা। যাকে শয়তান খুন করেছে। তার ভাই অনিকের আত্মাও সে (শয়তান) ধ্বংস করে দিয়েছে। সারাদিন মিলি যাদের সাথে কাটালো তারা আসলে শয়তান ছিল। শয়তানের মায়া! মিলি বেশ উত্তেজিত হয়ে বলে:
-রাতের বেলা মনে হয় তুই সত্য আর দিনের বেলা মনে হয় তারা সত্য? এখন আমি কী করব বল তুই?
-তুই কী এখন আমায় বিশ্বাস করছিস?
-হ্যাঁ করছি।
-তাহলে শোন তোকে এখন নিজেকে বাঁচিয়ে শয়তানকে ধ্বংস করতে হবে।
-কিন্তু কিভাবে?
-শোন তাহলে। তোর বাড়িতে এখন কেউ নেই। তোর ভাইয়ের ঘরের আলমারিটার ভেতর একটা ব্যাগ রয়েছে। সেই ব্যাগটাতে একটা মালা রয়েছে। সেই মালাটাই এখন পারে তোকে রক্ষা করতে। তবে সাধারণ ভাবে সেই মালাটা পড়লে তোর লাভ হবে না। তোকে একটা নিয়ম মেনে সেই মালাটা পড়তে হবে। আগে তুই সেই মালা এবং ব্যাগটাকে এই ঘরে নিয়ে আয়। ব্যাগটার ভেতরে ২টা মরা কাক রয়েছে। এছাড়াও আর বেশ কিছু অন্য উপকরণও রয়েছে শয়তান উপাসনার। সবগুলো এই ঘরে এনে তুই মেঝেতে রাখবি। তার পর সেগুলোর উপর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়বি। আমি যেই মন্ত্র পড়তে বলব সেই মন্ত্র পড়বি। তারপর এই মালাটা পড়বি।
-তার মানে তুই আমাকে শয়তানের উপাসনা করতে বলছিস?
-এখন তোর হাতে আর কোনো উপায় নেই। এখন তোকে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হবে। সেই উপসনা আর মালার বদৌলতে তুই হয়ে যাবি শয়তানের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। তখন তুই নিজেই শয়তানকে ধ্বংস করতে পারবি। তোর ভাইয়ের আত্মা আবার ফিরে আসবে তার শরীরে। তোর বাবা-মা আবার সুস্থ হয়ে যাবে। হ্যাঁ আমি আর কখনও ফিরে আসব না। আমার আত্মাটা মুক্তি পেয়ে যাবে। আমি শুধু তোকে নিয়েই ভাবছি মিলি।
মিথিলার কথায় এবার মিলি পুরোপুরি ভরসা পেল। সে দ্রুত বিছানা থেকে নেমে অনিকের ঘরে যেতে নিয়ে নিজের পায়ের সাথে হোছট খেয়ে উপর হয়ে মেঝেতে পড়ে গেল। গতরাতে যেখানে আঘাত পেয়েছিল সেখানেই আবার আঘাত পাওয়ায় পুনরায় সে অজ্ঞান হয়ে গেল। যখন জ্ঞান ফিরল সাথে সাথেই খাটের নিচ থেকে মিথিলার কন্ঠ ভেসে আসল, কোনো কাজেই তাড়াহুড়া করা ভালো না। তুই আধা ঘন্টা ধরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস। দ্রুত তোর ভাইয়ের ঘর থেকে সেই ব্যাগটা নিয়ে আয়। দ্রুত সব কাজ কর। নাহলে সেই শয়তানটা আবার বাড়িতে চলে আসলে তুই আর কিছুই করতে পারবি না। আজ রাতেই তোকে সে খুন করে ফেলবে।
মিলি দ্রুত উঠে তার ভাইয়ের ঘরে যায়। আলমারি খুলে সেই ব্যাগ নিয়ে তার ঘরে ফিরে আসে। জামা-কাপড় ছেড়ে সম্পুর্ণ নগ্ন হয়ে মেঝেতে সেই সকল যাদুর উপকরণ সাজিয়ে রাখে। সাথেসাথেই সেই উপকরণের উপর উপুর হয়ে শুয়ে পড়ে সে। তার মাথাটা থেকে কিছুটা দূরে সেই মালা। খাটের নিচ হতে মিথিলা একটা মন্ত্র উচ্চারণ করতে বলে। মিলি যেই মন্ত্র উচ্চারণ করতে যাবে হঠাৎ তার ঘরের চাপিয়ে দেওয়া দরজা খট করে খুলে যায় আর ঘরের আলো জ্বলে উঠে। মিলি দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে মিথিলা দাঁড়িয়ে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে মিলির দিকে তাকিয়ে আছে। মিথিলা বলল, এসব কী করছিস মিলি? শয়তানের উপাসনা কেন করছিস? এসব থামা। উঠে আয় বলছি। মিলি অবাক হয়। তার মনে হয় এইতো মিথিলা, তাহলে খাটের নিচে কে! সাথে সাথেই খাটের নিচ থেকে অবিকল মিথিলার কন্ঠে ভেসে আসে, মিলি, ও খোদ শয়তান। আমার রূপ নিয়ে তোকে আবার ধোকায় ফেলছে। আমি যে মন্ত্রগুলো বলছি দ্রুত সেগুলো পাঠ কর। এরপর সেই মালাটা পড়ে নে। তাহলেই তুই শক্তিশালী হবি এবং এই শয়তানকে ধ্বংস করতে পারবি। খাটের নিচ থেকে এই কন্ঠের কথা শুনে দরজার সামনে থাকা মিথিলা বিস্ময়ের কন্ঠে বলল, মিলি ওর কথা শুনিস নে। খাটের নিচে যে আছে সে একটা শয়তান। সে তোর শরীরে প্রবেশ করতে চাইছে। তুই যদি মন্ত্রটা পড়িস আর মালাটা পড়িস তাহলে তোর আত্মা শয়তানের কাছে উৎসর্গ হয়ে যাবে। আর তোর দেহে এই শয়তান বাস করবে। এবার মিলি ক্রুদ্ধ কন্ঠে দরজার সামনে থাকা মিথিলাকে বলল, চুপ কর ধোকাবাজ। আমি এখন সবকিছু জানি তোর জন্য আজ আমাদের সোনার সংসারের এই অবস্থা। তুই মিথিলা না। মিথিলার ছদ্মবেশী শয়তান। আমার বান্ধবী মিথিলাকে তুই খুন করেছিস। তার আত্মা এখন আমার ঘরের খাটের নিচে। সে আমাকে সব কথা বলেছে। তুই আমার ভাইয়ের দেহ থেকে আত্মা চুরী করে তার দেহে আশ্রয় নিয়েছিলি। ভয় দেখিয়ে আমার বাবা-মাকে প্যারালাইসড করেছিস। আমার বান্ধবীকে খুন করে তারই ছদ্মবেশে আজ সারাদিন আমার সাথে ছিলি। এখন আমি কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলব। তোরই শয়তানী বিদ্যা দিয়ে তোকেই ধ্বংস করব। প্রতিশোধ নিব সবকিছুর।
মিলির এই কথাশুনে দরজার সামনে থেকে মিথিলা চেচিয়ে বলে উঠল, হায় আফসোস মিলি! তুই শয়তানের ধোকা বুঝতে পারছিস না! এটা কাঁটা তোলার বিষয় না। এই জাদু হলো আগুন। আগুন দিয়ে কখনো আগুন নিভানো যায় না। আগুন নেভাতে লাগে পানি। বিশ্বাস কর আমিই মিথিলা এবং বেঁচে আছি। তোর ভাইয়ের শরীরে শয়তান প্রবেশ করতে পারেনি। তাই সে তোর শরীরে প্রবেশ করতে চাইছে এখন। টানা ৩ রাত তোর ভাই শয়তানের উপাসনা করে। আর এক রাত উপাসনা করলেই শয়তান তোর ভাইয়ের শরীরে প্রবেশ করে যেত। তোর ভাইয়ের ৩ দিন উপাসনার পর শয়তান এই বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। এবং আরেক রাতের অপেক্ষায় থাকে যে রাতে সে তোর ভাইয়ের শরীরে প্রবেশ করবে। তাই তোর বাবা-মাকে ভয় দেখিয়ে সে দিনেই প্যারালাইসড করে দেয়। আমি তোদের এই বাড়িতে যেদিন আসি সেদিনই বুঝতে পারি এ বাড়িতে শয়তানের উপাসনা হয়। সেদিন তুই চলে গেলি হাসপাতালে আর রাত করে তোর ভাই আসলো বাড়িতে। এই রাতের জন্যই শয়তান অপেক্ষা করেছিল। আমি তোর ভাইকে এই যাদুবিদ্যার ভয়ংকর রুপ খুলে বলি। শয়তান পৃথিবীতে আসলে কী ভয়ংকর পরিণতি হতে পারে বলি। তাকে ভয় দেখাই এবং সে কোথা থেকে এই বিদ্যা শিখেছে এবং এই বিদ্যা কতদিন ব্যবহার করেছে জানতে পারি। এরপর আমার লেখা বই, "তারা রাতের সন্তান" পড়তে দেই। এতে তার মায়া কেটে যায়। সে তার ভূল বুঝতে পারে এবং তার দেহ এবং মনকে পবিত্র করে। তোর ভাই বলেছিল সে যে যাদুবিদ্যা করে এটা জানলে তোরা কষ্ট পাবি। তাই তোকে আমি এই কথাগুলো জানাইনি। আমি ভেবেছিলাম শয়তানের উপাসনা বন্ধের পর সে বোধ হয় চলে গেছে। কিন্তু আমি
ভূল ছিলাম। শয়তান এই বাড়িতেই ছিল। তোর ভাই যেহেতু এ সম্পর্কে সচেতন ছিল তাই অন্য একটা শরীর খুঁজছিল। আর তাই আমার কন্ঠ নিয়ে সে তোকে বোকা বানাচ্ছে। একবার ঐ মালা তুই গলায় পড়লে কী ভয়ংকর কান্ড যে ঘটতে পারে এ সম্পর্কে তোর কোনো ধারণাই নেই।
মিলি এবার বেশ বিভ্রান্তীতে পড়ে গেল। কে আসল মিথিলা আর কে মিথ্যা কথা বলছে! এমন সময় খাটের নিচ থেকে মিথিলার কন্ঠ: -হায় আফসোস, লালত তোর মতো বোকা মেয়ের জন্য। আমি মারা গেছি, তোর ভাইয়ের অস্বাভাবিক ব্যবহার , তোর মা-বাবার হঠাৎ প্যারালাইসড হওয়ার এত সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়ে তোকে বুঝালাম। তার পরেও তুই শয়তানের বাধা আর মায়ার ছলে আটকে রইলি! নিজের ও পরিবারের ভালো চাস তো এখনি মন্ত্রটা পড় আর মালাটা পড়। ধ্বংস করে দে শয়তানদের।
খাটের নিচ থেকে মিথিলার কন্ঠটা মন্ত্র পড়া শুরু করল। মিলি বলল, যা হোক দেখা যাবে। আমি মন্ত্র পড়ছি। সাথে সাথেই মিলি মন্ত্র উচ্চারণ শুরু করল। এইদিকে দরজার পাশের মিথিলা বারবার চেচিয়ে তাকে মন্ত্র পড়তে নিষেধ করছে। কোনো এক অজানা কারণে সে মিলির কাছ পর্যন্ত পৌছাতে পারছে না। মিলি মন্ত্র পড়া শেষে মালাটা হাতে নিল। সে ভাবছে মালাটা পড়বে কী পড়বে না। খাটের নিচ থেকে মিথিলার কন্ঠ বারবার বলছে , দ্রুত পরে নে মালাটা। মালাটা পড়ার সাথে সাথেই তোর সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দরজার পাশে থাকা মিথিলা বলছে, খবরদার মিলি মালাটা পরিস না। মালাটা আমার অনেক আগেই নষ্ট করে দেওয়া উচিত ছিল। মালাটা পড়ার পর কী ভয়ংকর বিপদ যে আসতে চলেছে তোর জীবনে, তা তুই কল্পনাও করতে পারবি না।
প্রচন্ড মানসিক চাপে মিলির মাথা ব্যথা করতে শুরু করে। এমন সময় হঠাৎ করে ঘরের দরজা দিয়ে দুইজন মানুষ ঢুকে। অনিক এবং একজন বেশ বৃদ্ধ লোক। লাঠি ভর করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বৃদ্ধ লোকটা। লোকটার হাতে একটা পলিথীন ব্যাগ। ব্যাগে কিছু একটা রয়েছে। মিলি সম্পুর্ণ নগ্ন। হঠাৎ অনিক এবং এই লোকটাকে দেখে মিলি লজ্জা পেয়ে যায়। শোয়া থেকে উঠে একটা তোয়ালে নিজের শরীরে পেঁচিয়ে নেয়। সেই লোকটা তার হাতের লাঠি দিয়ে দুটি মরা কাক সহ শয়তানের উপাসনার বাকি উপকরণগুলো আঘাত করে এলোমেলো করে দেয়। এরপর চোখ বন্ধ করে একটা মন্ত্র পড়ে। সাথে সাথেই একটা বিকট চিৎকার দিয়ে খাটের নিচ থেকে একটা ভয়ংকর কালো ছায়া বেড়িয়ে আসে। অবয়বহীন একটা ভয়ংকর ছায়া। কোথায় সেই মিথিলার কন্ঠ। ভয়ংকর কর্কশ কন্ঠে চিৎকার করে বলে, ধ্বংশ তোদের জন্য। সেই বিকট চিৎকারে ঘরের বাকি সবার যেন রক্ত জমতে শুরু করল। মিলি এবার বুঝতে পারল দরজার পাশে যেই মেয়েটা দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই আসল মিথিলা। সেই সত্যবাদী। তার খাটের নিচে থেকে মিথিলার রুপে যে তাকে ধোকা দিচ্ছিল সেই আসল শয়তান। এই মালাটা যদি সে পড়ে ফেলত তাহলে নিশ্চই শয়তান এখন তার শরীরে থাকত। ভাগ্যিস মিথিলা সঠিক সময়ে চলে এসেছিল। আর সে কি না শয়তানের ধোকায় পড়ে মিথিলাকে সন্দেহ করছিল! সে লজ্জীত বোধ করল এবং চোখে চোখে মিথিলার কাছে ক্ষমা চাইল।
সেই ভয়ংকর কালো ছায়াটা আবার একটা বিকট চিৎকার দিয়ে বলতে শুরু করল, আমি তোদের পায়ে পড়েছিলাম যে আমাকে তোরা পৃথিবীতে আহ্বান কর! আহ্বান করলিই যখন তখন শরীর দিলি না কেন? শয়তানের সঙ্গে ছলনা? প্রথমে তোর ভাই আমার উপাসনা করে আমার রুহকে পৃথিবীতে নিয়ে আসল। কিন্তু ঐ মেয়েটার কথা শুনে তার শরীরে আমাকে জায়গা দিল না! আর আজ আরেকটা শরীরে প্রায় ঢুকে যাচ্ছিলাম আর তখন তোরা আমায় আবার ধোকা দিলি। কারও শরীরে প্রবেশ করবার আগে তাকে মায়া করা যায় না বলে এতক্ষণ আমি কোনো মায়া করিনি। তাই তোরা বেঁচে ছিলি এতক্ষণ। আমাকে যখন শুধু শুধুই ফিরতে হবে তাহলে তোদের ধ্বংস করেই ফিরব।
সেই বৃদ্ধ লোকটা এবার একটু মুঁচকি হেসে সেই পলিথীন ব্যাগটা থেকে এক মুঠ মাটি নিল। আর বলতে লাগল," আর কী এমন অপবিত্র শক্তি আছে যে এই মাটিকে ভয় পায় না? আর কোন এমন শয়তানী শক্তি আছে যেটা এই মাটির ক্ষমতার কাছে তুচ্ছ না? কবরের মাটি কী শয়তানের ভয়ের কারণ না? এই পবিত্র মাটি কোনো শয়তানকে স্পর্শ করার পর সেই শয়তান কী মুহুর্ত সময় পেয়েছে নিজের শক্তি দেখানোর জন্য? ধ্বংস হোক অশুভ শয়তানের। শান্তিরা ফিরে আসুক।" এই বলেই সেই মাটিটা ছুরে মারল সেই শয়তানের ভয়ংকর ছায়ার দিকে। শয়তান সাথে সাথেই আর্তনাদের একটা বিকট চিৎকার করে। যেই চিৎকারে ঘরের সকল বাল্ব, কাঁচের জানালা, গ্লাস ফেটে যায়। পুরো ঘরে নেমে আসে অন্ধকার। এই সেই অন্ধকার যে অন্ধকার আলোর সুসংবাদ দেয়, সমস্ত অশুভ থেকে বেঁচে থাকার মন্ত্রনা দেয়, জীবনকে করে তোলে পবিত্র। বাঁচায় কালো যাদুর মতো ভয়ংকর বিদ্যা থেকে।
এ যেন সবার কাছে এখন পবিত্র অন্ধকার।
মিলি, মিথিলা, অনিক আর সেই বৃদ্ধলোক চার জন্যেই শয়তান চলে যাওয়ার পর বাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে আসে। মিথিলা সকাল বেলা মিলির ঘরে গিয়েই আঁচ করতে পেরেছিল এই বাড়ি এখনও শয়তানের ছায়া থেকে মুক্ত হয়নি। তাই অনিককে একটা আশ্রমে পাঠিয়ে দিয়েছিল তখনি। কিন্তু মিথিলা তখনও জানতোনা যে আজরাতেই শয়তান এই বাড়ির কারও শরীরে প্রবেশ করবে। এই বৃদ্ধ তান্ত্রিক কয়েক যুগেরও বেশি সময় ধরে শয়তানী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছেন। তিনিই আজ শেষে এসে শয়তানকে তার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলেন। অনিক সব কিছুর জন্য মিলির কাছে ক্ষমা চাইল। মিলি মিথিলাকে কৃতজ্ঞতা জানাল। মুহুর্তেই হাসপাতাল থেকে তাদের খালা কল দিয়ে জানালেন, তাদের বাবা-মা হঠাৎই স্বাভাবিক হয়ে গেছেন। তারা কেউই কথাটা শুনে অবাক হলো না। যেন এটাতো হওয়ারই ছিল।
* * * * * সমাপ্ত * * * *

08/05/2019

#তারা_রাতের_সন্তান
৩য় পর্ব
মিলি যেই খাটের নিচে উকি দিবে হঠাৎ মিলিকে হতভম্ব করে দিয়ে খাটের নিচ হতে অবিকল মিথিলার কন্ঠে ভেসে আসল:
-খাটের নিচে উকি দিস নে মিলি। আমি মারা গেছি অনেক্ষণ আগে। আমার ভয়ংকর কুৎসিত চেহারা দেখে তুই ভয় পাবি।
মিলির মেরুদন্ড বেয়ে যেন ভয়ের একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। মিলি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল:
- এসব কী আবল-তাবল কথা বলছিস মিথিলা। তোরতো এখন তোর বাড়িতে থাকার কথা। খাটের নিচে কী করছিস?
-মরে গেলে মানুষতো লুকিয়েই থাকে। আমার আর যাওয়ার জায়গা নেই রে। আমার আত্মাটা তোদের বাড়িতেই আটকে পড়ে রয়েছে।
-মিথিলা তুই আমার সাথে মজা করিস না। আমার প্রচুর ভয় করছে। তুই খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে আয় বলছি!
মিথিলা এবার কথা থামিয়ে আবার সেই ভয়ংকর চাপা কান্না শুরু করল। মিলি ভয়ে অস্থির হয়ে যাচ্ছিল। তবুও মিথিলার কথা কেন জানি তার বিশ্বাস হচ্ছিল না। মিলি ভয়ে ভয়েই মাথাটা ঝুকিয়ে খাটের নিচে তাকাল। মিলি যা দেখল তা দেখে সে কয়েক মুহুর্ত বাকশক্তি হারিয়ে ফেলল। খাটের নিচে মিথিলার মাথা কাটা শরীর পড়ে রয়েছে। তার রক্ত যেন খাটের নিচের অনেকটা জায়গা জুড়ে জমে রয়েছে। ভয়াবহ দৃশ্য হলো মাথা ছাড়া শরীরটা নড়ছে, কাঁপছে। শরীরটা যেন হাত দিয়ে মিলিকে খাটের নিচে যেতে ডাকছে। লাশটার মাথা দেখা যাচ্ছে না। হঠাৎ করে লাশের পেছন থেকে মিথিলার কাটা মাথাটা দ্রুত গতিতে মিলির মুখ বরাবর এসে থমকে দাঁড়ায়। ভয়ংকর দৃষ্টিতে মিলির চোখের দিকে তাকায় আর কুৎসিত একটা হাসি দিয়ে বলে, কিরে বললাম না খাটের নিচে তাকাস না। আমি মরে গেছি। তুই ভয় পাবি!
মিলি ভয়ে সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে বিছানায় পড়ে যায়। যখন তার জ্ঞান ফিরে তখন মিলি বুঝতে পারে এখনও ভয়ে তার শরীর কাঁপছে। তার শরীরের সব শক্তি যেন কেউ চুষে নিয়ে গেছে। মিলি কাঁপা কাঁপা কন্ঠ বলে:
-মিথিলা, তুই কী এখনও খাটের নিচে আছিস?
-হুম।
-আমার সাথে এমন হলো কেন বলতো? এইতো কিছুদিন আগেই সব ঠিক ছিল। হঠাৎ জীবনটা বদলে গেল। বাবা-মা প্যারালাইসড হয়ে গেছেন। আর এখন তুই কী আবল-তাবল কথা বলছিস খাটের নিচ হতে। কি ভয়ঙ্কর তোর চেহারা! আমি বোধ হয় পাগল হয়ে গেছি। তুই আমার অবচেতন মনের কল্পনা।
-তোর একাধিক সমস্যা কিন্তু একটা সুতাতেই বাধা রয়েছে মিলি। যা দেখে তোর বাবা-মা ভয় পেয়েছে। সেই আবার আমাকে খুন করেছে। তার জন্যই তোর জীবনের এই অবস্থা।
- তোকে কে খুন করেছে?
-তোর ভাই। অনিক।
-এসব কী যা-তা বকছিস! অনিক তোকে খুন করবে কেন? আর বাবা-মা কেই বা ভয় দেখাবে কেন?
-হ্যাঁ যা-তাই তো বলছি। তোর ভাই অবশ্য এই কাজগুলো করেনি। সেতো মারা গেছে। তার শরীর ব্যবহার করে অন্য কেউ কাজটা করেছে।
-অনিক মারা গেছে মানে?
-অনিকের আত্মা আর তার শরীরে নেই। সে তার আত্মা শয়তানকে নিজের অজান্তেই উৎসর্গ করেছে। শয়তান তার দেহ ব্যবহার করে পৃথিবীতে এসেছে।
-মিথিলা! আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার তোর কথা কিছুই বিশ্বাস হচ্ছে না। অনিকের দেহে শয়তানের আত্মা কিভাবে এলো? আর সে তোকে কেন খুন করবে?
-শোন তাহলে পুরো ঘটনা। তোকে বলেছিলাম না শয়তানের উপাসনা করার কথা? একদল যাদুকর শয়তানকে পৃথিবীতে আনার জন্য অনেক ধরণের কৌশল করছেন। এর জন্য তারা কুমার ছেলেদের খুঁজে থাকেন। এ ধরণের শরীর ছাড়া অন্য শরীরে শয়তান আশ্রয় নিতে পারে না। কেউ যদি জোর করে কোনো কুমার ছেলের শরীরে শয়তানকে আনতে চায় তবে সে পারবে না। কুমার ছেলেটার শয়তানকে ভালোবেসে তার দেহ এবং আত্মা শয়তানকে উৎসর্গ করতে হবে। এর জন্য সেই কালো যাদুকরেরা শয়তানী মায়ার সাহায্য নিয়ে কিছু বই রচনা করে বিভিন্ন ছলনায় বইগুলো কুমার ছেলেদের কাছে পৌছে দেয়। বইটা এমন যে, যে কেউ বইটা পড়ে ঈশ্বর ভক্তি বাদ দিয়ে শয়তানের উপাসনা করতে থাকে। শয়তানই হয়ে উঠে তাদের ঈশ্বর। সেই বইটাতেই লেখা থাকে কী করে নিজের আত্মাকে শয়তানের কাছে উৎসর্গ করে শয়তানকে নিজের দেহ দান করা যায়। কিছু উপকরণ আর মন্ত্র পাঠের পর তিন রাত নগ্ন হয়ে দরজা খোলা রেখে ঘুমাতে হয়। ঘরে কোনো পবিত্র গ্রন্থ থাকতে পারবে না। এই সময় ঘর হতে নানান অদ্ভুত ভয়ংকর শব্দও আসতে থাকবে। তোর ভাইও সেই ছলনার ফাঁদে পা দিয়েছে। তাই তার শরীর এখন শয়তানের নিয়ন্ত্রনে। এতে অবশ্য তোর ভাইয়ের কোনো দোষ নেই। তোর ভাই সেই বইয়ের মায়ায় বশ হয়ে গিয়েছিল। শয়তান যখন তোর ভাইয়ের শরীরে প্রবেশ করল তখন তোর সম্পর্কে সে সব তথ্য জানতে পেল। তিনি বুঝতে পারলেন তুই সেই ৩ রাতের ঘটনা কিছুটা জেনে গেছিস। তাই তোকে বিভ্রান্ত করতে বলল, আমিও রোজ রাতে হাড় কামড়ে খাওয়ার শব্দ শুনি তোমার ঘর হতে। তুইও বিভ্রান্ত হলি। এবং উল্টো চিন্তায় ডুবে গেলি। অবশ্য শয়তান তোকে আগে থেকেই বিভ্রান্ত করা শুরু করেছিল। মাঝরাতে তুই যখন হাড় কামড়ে খাওয়ার কটমট শব্দ শুনে তোর ভাইয়ের ঘরে গিয়ে তোর ভাইয়ের নগ্ন দেহ দেখতি তখন শয়তান তোকে মায়ায় আচ্ছন্ন করে রাখত। তাই তুই পাপ ও লজ্জাবোধ অনুভব করে নিজের ঘরে ফিরে আসতি। তুই যে হাড় কামড়ে খাওয়ার শব্দ শুনে সেই ঘরে যেতি এটাই তোকে ভূলিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু সকাল বেলা এই ঘটনাটা তোর আবার মনে পড়তো। কারণ তোর ভাইয়ের উপর দিনের বেলা তখনও তার ( শয়তানের) নিয়ন্ত্রন আসেনি। তাই দিনে তার শক্তি কাজ করত না। তাই হাড় কামড়ে খাওয়ার শব্দের কথা মনে থাকতো। কিন্তু রাতে তোর ভাইয়ের ঘরে যেয়ে যে তুই তোর ভাইয়ের নগ্ন দেহ দেখতি এটা মনে থাকতো না। রাতের ওইসময় টায় তোর উপর মায়া আচ্ছন্ন করে থাকত বলে সেই কথা তোর দিনে মনে থাকত না। এই মায়া শুধু তোর উপর সে খাটায়নি। তোর বাবা-মাও একরাতে এই শব্দশুনে ছুটে আসে তোর ভাইয়ের ঘরে। তোর মতো তাদেরও মায়া দিয়ে সব ভূলিয়ে দেওয়া হতো। গতদিন সকাল হতেই শয়তান তোর ভাইয়ের শরীরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পায়। সে বুঝতে পারে এই পৃথিবীতে তার প্রভাব বিস্তার করতে হলে প্রথমে বেশ কিছুদিন তোদের পরিবারের সাথেই থাকতে হবে। তবে তার দিনের কর্মকান্ড দেখে তোর বাবা-মা তাকে বেশ সন্দেহ করছিল। শয়তান ভাবল তোর বাবা আর মা এই বাড়িতে থাকলে তার কাজকর্মে তার বেশ ব্যঘাত ঘটবে। তাই সে তার আসল রুপ দেখাল তাতেই তোর বাবা-মা ভয় পেয়ে প্যারালাইসড হয়ে গেল। শয়তান ভাবল এবার তুইও তোর বাবা আর মাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বি। তার কাজ কর্মে আর কেউ বাঁধা দিবে না। কিন্তু অপ্রত্যাশিত ভাবে আমি এই বাড়িতে চলে এলাম। যাদু বিদ্যা সম্পর্কে আমি অনেক কিছু জানি। তোদের বাড়ি ঢুকেই আমি বুঝতে পারলাম এ বাড়িতে শয়তানের পুজা হয়। তবে আমি কল্পনাও করতে পারিনি শত শত বছর ধরেও চেষ্টা করে যেই শয়তানকে আহ্বান করে পৃথিবীতে আনা যায়নি সে তোর ভাইয়ের শরীরে আশ্রয় নিয়েছে। এটাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। আমি তোর ভাইকে সামান্য একটা শয়তান পুজারী ভেবেছিলামা মাত্র। তাই গতরাতে সে যখন খাবার নিয়ে বাড়িতে ঢুকল তখন থেকে আমি তাকে ভয় দেখাতে শুরু করি। শয়তানী শক্তির বিপরীতে যে আমি একটা বইও লিখেছি এটাও বললাম। বললাম সে যদি শয়তানের এই মায়া থেকে বাঁচতে চায় তবে আমি তাকে সাহায্য করব। কিন্তু কে জানতো সে নিজেই স্বয়ং শয়তান। সেই উল্টো আমায় মায়া করে ফেলল। মায়া করে যাদুবিদ্যা সম্পর্কে আমার সব জ্ঞান স্মৃতীশক্তি থেকে মুছে দিল। সেই বইটা , "তারা রাতের সন্তান" আগুন দিয়ে সে পুড়িয়ে দিল। একটা ধারালো ছুরি চালিয়ে দিল গলায়। আমার লাশটা এই বাড়িতেই লুকিয়ে রেখেছে সে। তোকে আমার সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলেছে সেই। সেই আবার আমার মোবাইল থেকে আমার মতো কন্ঠ করে তোকে কল দিয়েছে।
-ওহ মাই গড! আমার মাথায় তোর কোনো কথাই ঢুকছে না। আচ্ছা তুই এত ঘটনা জানলি কী করে?
-শয়তান আমাকে খুন করার আগে সব কথা বলেছে। সে ভেবেছে আমি আর কখনও ফিরে আসব না। অবশ্য আমিও ভেবেছিলাম ফিরে আসব না। কিন্তু আমার আত্মাটা কেন মুক্তি পেল না! বুঝতে পারছি না। হয়তো কালো যাদু বিদ্যা চর্চা করার জন্য আমার আত্মাটাও অভিশপ্ত হয়ে গেছে।
-মিথিলা, আমাকে কিছু একটা বল। আমার এখন কী করা উচিত?
-সে তোর বাবা-মায়ের আর কোনো ক্ষতি করবে না। তোর ভাইয়ের আত্মাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব কিনা আমি জানি না! এখন শুধু তোকে নিরাপদ থাকতে হবে। আমি সঙ্গে করে যে ব্যাগটা এনেছিলাম সেটা তোর ভাইয়ের ঘরের বড় আলমারিটার ভেতর রয়েছে। সেই ব্যাগটাতে একটা মালা রয়েছে। মালাটা যদি তোর গলায় থাকে তাহলে শয়তান তোর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আফসোস তোর ভাইয়ের সাথে দেখা করার সময় আমি মালাটা পড়িনি। তুই কোনোমতে শয়তানটার অনুপস্থিতিতে সেই ব্যাগটা থেকে মালাটা নিয়ে পড়ে নে।
মিলি এইসব কথাশুনে তার বাক শক্তি প্রায় হারিয়ে ফেলল। মিলির ওয়াশরুমে যেয়ে একটু ফেশ হওয়া দরকার। কিন্তু সে মেঝেতে পা রাখতে সাহস পাচ্ছে না। তার মনে হচ্ছে সে মেঝেতে পা রাখা মাত্র একটা রক্তাক্ত হাত খাটের নিচ থেকে এসে তার পা চেপে ধরবে। এরপর একটানে তাকে খাটের নিচে নিয়ে যাবে। মাথা কাটা সেই লাশটা মিলিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরবে। মিলি কিছুতেই ছুটতে পারবে না। মিলি ভয়ে ভয়ে খাট থেকে মেঝেতে পা রাখল। সে যা ভেবেছিল তেমন কিছুই হলো না। মিলি স্বাভাবিক ভাবেই হেটে ওয়াশরুমে গেল। ওয়াশরুমে ঢুকেই ভেসিং থেকে মুখে পানি ছিটাতে লাগল। ঘরের আলো যেন এখন তাকে বেশ স্বস্তি দিচ্ছে। মিলি মুখ ধুয়ে যেই ভেসিং এর আয়নার দিকে তাকাল হঠাৎ করে নিজের প্রতিচ্ছবীর জায়গায় মিথিলার রক্তাক্ত মাথাটা ভেসে উঠল। সাথে সাথেই ঘরের সব আলো নিভে গেল। অন্ধকারেও আয়নার ভেতরে মিথিলার রক্তাক্ত মাথা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। চোখ গুলো কেউ যেন উপরে নিয়েছে। মুখে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। মিলিকে অবাক করে দিয়ে মিথিলার ভয়ংকর মাথাটা আয়না ভেদ করে মিলির মুখোমুখি এসে ভয়ংকর ভাবে হাসতে শুরু করল। কী ভয়ংকর আর কুৎসিত সেই হাসি! মিলি সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে বাথরুমেই পড়ে গেল।
মিলি যখন চোখ খুলল তখন সূর্যের আলো তার ঘরে পৌছে গেছে। তার মাথায় অসম্ভব রকমের যন্ত্রনা করছে। তার মাথায় ব্যান্ডেজ করা। তার মাথার পাশে অনিক গোমড়া মুখ করে বসে ছিল। মিলিকে চোখ খুলতে দেখেই অনিক বলে উঠল:
- রাতে তোমার কী হয়েছিল আপু? আমি ঘরে শুয়ে ছিলাম হঠাৎ তোমার বিকট চিৎকার শুনলাম। তোমার ঘরে আসতেই দেখি তুমি বাথরুমে অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছ। মাথা বেয়ে রক্ত পড়ছে। পরে আমিই ব্যান্ডেজ করে এখানে শুইয়ে দিলাম। আর সকাল বেলাই মিথিলা আপু চলে এসেছে। তোমার এই অবস্থা দেখে বেশ অবাক হলো। এখন রান্নাঘরে আছে। পরোটা বাজছে।
সাথে সাথেই মিলির কানে ভেসে আসলো রান্নাঘর থেকে মিথিলার কন্ঠের আওয়াজ:
- কার সাথে কথা বলছ অনিক! মিলির জ্ঞান ফিরেছে নাকি? ..................................................................................................................................... . . . . . . . . চলবে . . . . . . . . .গল্পটা কেমন লাগল,,,?যদি গল্পটা আপনাদের কাছে ভালো লাগে তাহলে পরের পার্ট দেবো।
,,
আর এই ছোট পেজটাকে বড় করার দায়িত্ব আপনাদের,সবাই পেজটাতে লাইক দিতে ভুলবেন না।

06/05/2019

সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।

05/05/2019

#পিশাচ_বউ
১ম পর্ব
আমি এখন আমার ঘরের বিছানায় শুয়ে আছি। আমার শরীরের সবগুলো অংশই এখন অচল। আমি চাইলেই নড়তে পারি না। শুধুমাত্র আমার চোখ গুলো আর মস্তিষ্ক এখনো বেঁচে রয়েছে। আমার পাশেই আমার স্ত্রী জুলেখা বসে আছে। সে আজ নতুন একটা লাশ নিয়ে ঘরে ঢুকেছে।লাশটা একটা ৬-৭ বছরের বাচ্চা মেয়ের। মেয়েটার গলা দিয়ে এখনো রক্ত পড়ছে। বুঝলাম হয়তো কোন বাচ্চা মেয়েকে সবে মাত্র ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে খুন করেছে জুলেখা। আমার সামনেই মেয়েটাকে নিয়ে বসলো সে। একটু পর পর জুলেখা বিকট শয়তানী হাসির শব্দ করে হাসছিলো ।জুলেখা একটা ছুরি এনে বাচ্চা মেয়েটাকে নিয়ে বসলো। এরপর ছুরি দিয়ে মেয়েটার গলা থেকে মাথাটা আলাদা করলো। এরপর মাথাটা নিয়ে আমাদের ঘরের ফ্রিজে রাখলো। ফ্রিজে এই নিয়ে ১৩ টা বাচ্চা মেয়ের মাথা রয়েছে। এরপর জুলেখা আবার লাশের কাছে ফিরে এলো। এরপর লাশের গলায় জিহ্বা ঢুকিয়ে বাচ্চারা যেভাবে পাইপ দিয়ে জুস খায় সেভাবে মেয়েটার পুরো শরীর থেকে রক্ত চুসে চুসে খেয়ে মেয়েটার শরীর রক্তশুন্য করে দিলো। এরপর জুলেখা মেয়েটার শরীর থেকে একেকটা অংশ আলাদা করতে লাগলো এবং বন্য পশুদের মতো সেখুলো ছিড়ে ছিড়ে খেতে লাগলো। জুলেখা মেয়েটার শরীর ছুড়ি দিয়ে গলা থেকে মাঝ বরাবর দুই ভাগ করে ফেললো।
তারপর মেয়েটার বুকের বামপাশ ছিদ্র করে হার্টটা বের করে তৃপ্তি সহকারে খেতে লাগলো। একের পর এক করে মেয়েটার পুরো শরীর খেয়ে ফেললো সে।
আমি চোখ বড় বড় করে অনেক ঘৃণার সাথে তার এই নোংরামো দেখছিলাম। আমার চিৎকার করে বলতে মন চাচ্ছে "থামায় এসব জুলেখা! আর এতো নিষ্ঠুর হয়ো না মানুষের প্রতি।" তবে আমার কন্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছিলো না। আমি এই দৃশ্য দেখতে চাই না ভেবে চোখটাও বন্ধ করতে পারছি না কারণ আমি আমার চোখ বন্ধ করতেও অপারক। একটু পর জুলেখা আমার কানের কাছে এসে বললো।
-১৩ টা বাচ্চার মাথার জোগাড় হয়ে গেছে। আর মাত্র ৮ টা মাথা লাগবে। এতোদিন একটু কষ্ট করে বেঁচে নাও। কথা দিচ্ছি এরপর আমিই তোমায় মৃত্যুর দুয়ারে পৌছে দিয়ে আসবো। হাহাহা।
আমি তার কথা শুনতে পাচ্ছিলাম তবে এর কোন উত্তর দেওয়ার সক্ষমতা আমার নেই। এইরকম একটা পিশাচ বউ এর সাথে বেঁচে থাকার কোন ইচ্ছাই নেই আমার। আমি মনে মনে শুধু বিধাতার কাছে মৃত্যুই কামনা করি। এর বেশি আর কিছুই না।
তবে আমি কোন পিশাচ মেয়েকে বিয়ে করিনি। আমার সাথে এই ঘটনার শুরু আজ থেকে ৬ মাস আগে।
আমি সবেমাত্র আমার লেখাপড়া শেষ করি। তারপরেই একটা নতুন কম্পানীতে চাকরীও পেয়ে যাই। সেলারীও বেশ ভালো ছিলো। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র
ছেলে ছিলাম তাই তারা আমার বিয়ের জন্য পাগল হয়ে যায়। আমি বাধ্য হয়েই বাবা-মায়ের চাপে বিয়ের জন্য রাজি হয়ে যাই।
জুলেখা খাতুন নামে একটা মেয়ের সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। আমাদের দুজনেরই একে অপরকে খুব পছন্দ হয়। সবকিছু ঠিকই চলছিলো। তবে বিয়ের আগে হঠাৎ একদিন জুলেখা তার পরিবার আর আমার কাছে বায়না ধরে যে সে নাকি তার ভার্সিটি থেকে শিক্ষা সফরে সুন্দর বনের পাশেই একটা জঙ্গলে যাবে। সেখানে তারা ৩ দিনের জন্য থাকবে। জুলেখা এমন ভাবে আমাকে অনুরোদ করেছিলো যে আমি আর তাকে না করতে পারিনী। তবে তখন কে জানতো যে তাকে জঙ্গলে ঘুরতে জাওয়ার অনুমতি দেওয়াটাই আমার কাল হয়ে দাড়াবে।
ঐখানে থাকার সময় রোজই জুলেখার সাথে আমার কথা হতো। তবে ৩য় দিন কল করে তার নাম্বার বন্ধ পাই। এরপর জানতে পারি যে সেইখানে নাকি জুলেখাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা কথাটা শুনে বেশ অবাক হয়ে ছুটে যাই তাকে খুজতে। টানা ৭ দিন জঙ্গলে পুলিশ সহ আমরা খোজাখোজির পর জঙ্গলের অনেক ভেতরের একটা গাছের নিচে অজ্ঞান অবস্হায় আমরা জুলেখাকে খুজে পাই। জুলেখার কাছে জানতে চাই যে জুলেখা কিভাবে জঙ্গলের এতো ভেতরে চলে আসে। জুলেখা বললো সে নাকি কিছুই জানে না। কখন ৭ দিন কেটে গেছে এটাও সে বুঝেনি।এরপর থেকে একেবারে
বদলে যায় জুলেখা। বেশ অদ্ভুত ব্যবহার করতে থাকে সে। আমার সাথেও আগের মতো কথা বলেনা সে।
তবে এরপর আমাদের বিয়ে হয়ে যায়। তবে জুলেখা আর স্বাভাবিক ভাবে আমাদের সাথে কথা বলে না। তার বাবা-মা এর কাছেও জুলেখা অপরিচিত মনে হয়। আমি কিছুই বুঝছিলাম না তবে সব কিছু স্বাভাবিক ভাবে গ্রহন করি।
আমার আর জুলেখার বিয়ের দিন হঠাৎ করে শুনি আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা একটা ৮ বছরের মেয়েকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা সবাই পুরো বাড়ি, পুরো এলাকা খুজে মেয়েটাকে পাইনি। তবে আমাদের বিয়েটা ভালোমতই হয়ে যায়।
এরপর আমাদের বিয়ের রাতে আমরা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়ি। তবে মাঝরাতে কারো একজনের হাড় চিবানোর শব্দে ঘুম ভেঙে যায় আমার। ঘুম থেকে উঠে দেখি জুলেখা আমার পাশে নেই। আর শব্দটা ঘরের ওয়াশরুম থেকেই আসছিলো। আমি ঘরের খাটের নিচ থেকে একটা রক্তের দাগ দেখতে পাই যেটা ওয়াশরুম পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে। রক্তের দাগ দেখে এমন মনে হচ্ছে যে কোন একটা মৃত বস্তুকে টেনে ওয়াশরুম পর্যন্ত নিয়ে জাওয়া হয়েছে। আমি বেশ ভয় পেয়ে যাই। ভয়ে ভয়ে ওয়াসরুমের দিকে যাচ্ছিলাম আর ডাকছিলাম:
- "জুলেখা? তুমি কোথায়! তুমি কি ওয়াসরুমে? আমাকে ভয় দেখানোর জন্য এসব করছো! তাই না!"
তবে ওয়াশরুমের ভেতর থেকে কোন উত্তর আসেনি।
শুধু হাড় কামরে খাওয়ার শব্দ আসছিলো। আমি ওয়াশরুমের ভেতর তাকিয়ে যাহ দেখলাম। তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। জুলেখা একটা বাচ্চা মেয়ের শরীর ছিড়ে ছিড়ে চিবিয়ে খাচ্ছিলো। আমি মেয়েটার মুখ দেখে চিনতে পারলাম আরে এইটাতো সেই মেয়ে যে আজ আমাদের বাড়ি থেকে হারিয়ে গিয়েছিলো। এই দৃশ্য দেখে ভয়েতো আমার পুরো শরীর অবস হয়ে আসছিলো। আমি জুলেখাকে প্রশ্ন করি:
-জুলেখা? তুমি কি পাগল হয়ে গেছো? এইগুলো কি করছো! এইভাবে একটা মানুষ আরেকটা মানুষকে কিভাবে হত্যা করে খেতে পারে? তুমি কি পশু হয়ে গেছো? আমি এখনই আমার বাড়ির সবাইকে ডাকছি।
এই বলেই যেই আমি আমার বাবা-মাকে ডাকতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার গলা থেকে শব্দ বের হওয়া বন্ধ হয়ে গেলো। আমি আর সামনের দিকে হাটতে পারছিলাম না। আমার পুরো শরীর অবস হয়ে গেলো। জুলেখা আমাকে উচুঁ করে বিছানায় শুইয়ে দিলো। আর কানে কানে আমাকে বললো:
-সবেতো মাত্র একটা খুন করেছি আরো পুরো পৃথিবীকে হত্যা করা বাকি। আমি একের পর এক হত্যা করবো আর তার সাক্ষী থাকবে তুমি। আর তুমি এখন থেকে প্যারালাইসড। যাহ দেখবে আর শুনবে তা আর কাউকে বলতে পারবে না। হাহাহা।
এরপরে সবাই ভাবে আমি প্যারালাইসড হয়ে গেছি। এরপরে একে একে আরো মানুষকে হত্যা করতে থাকে সে

আমার চোখের সামনে জুলেখা আমার বাবা-মা দুজনকেই হত্যা করে ছিড়ে খায় তাদের দেহ। এরপর তার নিজের বাবা-মাকেও এনে খুন করে নিজের ক্ষুধা মেটাও সে। আমি সবকিছু দেখতে পারছিলাম তবে কোন কিছু বলার শক্তি ছিলো না আমার।
এরপর হঠাৎ একদিন একের পর এক বাচ্চা মেয়েদের এনে আমার সামনেই তাদেরকে ছিড়ে ছিড়ে খায় জুলেখা।
আজ সে ১৩ নাম্বার বাচ্চাটাকে হত্যা করলো। আরো ৭ জনকে হত্যা করতে পারলে নাকি জুলেখা অমরত্ব লাভ করবে।
আমি বুঝতে পারছিলাম যে জুলেখার শরীরে কোন পিশাচের আত্মা প্রবেশ করেছে। হয়তো সেই জঙ্গল থেকেই জুলেখার সাথে এমন কিছু হয়েছে। ঐ ৭ দিন যে নিখোজ ছিলো জুলেখা তখনই ওর সাথে কিছু হয়েছিলো। তবে কি হয়েছিলো! এর উত্তর আমাকে জানতেই হবে। কিন্তু এই পিশাচ বউ আর প্যারালাইসড শরীর নিয়ে কিভাবে এর রহস্য ভেদ করবো?!
তবে হঠাৎ একটা দারুন বুদ্ধি এলো আমার মাথায়।............….…............….......চলবে,,,,,

Address

Satkhira, Khulna
Satkhira
9461

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801779140811

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IQBAL BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to IQBAL BD:

Share