MOBO STAR

MOBO STAR নিম্ন বিত্ত বা মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন এক একটি উপন্যাস

11/05/2026

উপায় নাই।জামাইরেও এমনে নিয়া থাকতে হয়। #

আপনার প্রথম সন্তানের উপর আপনার যে অনুভূতিটা থাকে, দ্বিতীয় সন্তানের বেলায় কি একই থাকে?অথবা  তৃতীয় সন্তান? প্রথম সন্তান...
11/05/2026

আপনার প্রথম সন্তানের উপর আপনার যে অনুভূতিটা থাকে, দ্বিতীয় সন্তানের বেলায় কি একই থাকে?অথবা তৃতীয় সন্তান?
প্রথম সন্তানের প্রটি ভালোবাসাটা বেশি থাকে বা শেষ সন্তানের প্রতি ভালবাসা বেশি থাকে এটা অনেকের কাছে শোনা যায়।
তবে আমি মনে করি পিতা-মাতা হলে প্রতিটা সন্তানের প্রতি ভালোবাসা একই রাখা উচিত।
কারন আপনার কাছে হয়তোবা অপশন আছে,কারণ আপনার কাছে একজন দুইজন বা তিনজন সন্তান আছে।
কিন্তু আপনার সন্তানের কাছে কোন অপশন নেই। তার বাবা মা একজনই। তাই আপনার সন্তান আপনার উপর যদি মান অভিমান করে, মনে রাখবেন যত দূরেই যাক তার কাছে কিন্তু আর কোন অপশন নেই আপনারা ছাড়া।
তাই সন্তানকে বিনা শর্তে ভালোবাসুন।তার আচরণ বা বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ধারণ করে নয়।আপনার জন্ম দেওয়া সন্তান একজন একেক রকম হবে এটাই স্বাভাবিক। তারা যেমনই হোক আপনার আচরণেই পাবে, তাই তাদের খারাপ ভালোতে তাদেরকে দোষ দিয়ে লাভ নেই,কারন প্রোডাকশন টা আপনার কাছ থেকেই এসেছে।
সন্তানদেরকে বুঝুন, সকল বিপদে সাপোর্ট করুন,সেটা শুধুমাত্র আর্থিকভাবেই হতে হবে এমন কোন বিষয় নয়,ভালবাসুন,বিনিময়ে ভালোবাসাই পাবেন।বুড়ো হয়ে গেলও বাবা মা লাগে।
পৃথিবীর সকল বাবা মার প্রতি ভালোবাসা। জীবনে প্রতিটা পদে পদেই বাবা-মাকে প্রয়োজন হয়।
চাইলেও বাবা-মার অবদান ভুলতে পারবেন না। তাই সন্তানের হিসেবেও বাবা মা আমাকে কম দিল বা বেশি দিল এর উপর বিবেচনা করে মান অভিমান করে থাকাটা বোকামি। কারণ দিনশেষে আপনার আর অন্য কোথাও কোন অপশন নেই,যতই আপনার মামা চাচা থাকুক না কেন। বাবা-মায়ের কোন রিপ্লেসমেন্ট হয় না।তাদের মত করে আপনাকে অন্য কেউ গ্রহণ করবে না,মেনে নিবে না,পাশে থাকবে না,দোয়া করবে না,ভালো চাইবে না,ভালোবাসবে না।❤️

07/05/2026
২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। তুরস্কের কাহরামানমারাস (Kahramanmaraş) শহরে ঘটে যায় এক ভয়াবহ প্রলয়। ৭.৮ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূ...
04/05/2026

২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। তুরস্কের কাহরামানমারাস (Kahramanmaraş) শহরে ঘটে যায় এক ভয়াবহ প্রলয়। ৭.৮ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে চোখের পলকে ধসে পড়ে হাজার হাজার বহুতল ভবন। 😞

আর সেই ধ্বংসস্তূপের মাঝেই বসেছিলেন এক বাবা, মেসুত হানসার (Mesut Hançer)। তীব্র শীত আর চারদিকের আর্তনাদের মাঝে তিনি যেন পাথর হয়ে গেছেন। কারণ, কংক্রিটের বিশাল স্ল্যাবের নিচে চা/পা পড়ে আছে তার ১৫ বছরের মেয়ে ইরমাগ (Irmak)। মেয়েটি আর বেঁচে নেই, কিন্তু বাবা তার বরফশীতল হাতটি শক্ত করে ধরে বসে আছেন। তিনি তাকে টেনে বের করার চেষ্টা করছিলেন না, কারণ তিনি জানতেন সেটা আর সম্ভব নয়। তিনি শুধু মেয়েটিকে একা ছেড়ে যেতে চাননি।

ভূমিকম্পে মৃ/ত্যু শুধু কাঁপুনিতেই হয় না, এর পেছনে থাকে কাঠামোগত ত্রুটি। তুরস্কে সেদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাওয়ার প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণ ছিল "প্যানকেক কলাপ্স" (Pancake Collapse)।

প্যানকেক কলাপ্স কী?
যখন কোনো ভবনের ভারবহনকারী পিলারগুলো এক ধাক্কায় ভেঙে পড়ে, তখন ছাদগুলো কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই একটার ওপর আরেকটা আছড়ে পড়ে— ঠিক প্লেটে সাজানো প্যানকেকের মতো। এতে ভেতরে থাকা মানুষদের বাঁচার জন্য কোনো "সারভাইভাল স্পেস" বা ফাঁকা জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। ইরমাগও ঠিক এভাবেই কংক্রিটের নিচে পি/ষ্ট হয়েছিল।

সেদিন উদ্ধারকাজের সবচেয়ে বড় শত্রু ছিল আবহাওয়া। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকায় যারা ধ্বংসস্তূপের নিচে বেঁচেও ছিলেন, তাদের অনেকেই "হাইপোথার্মিয়া" (শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া)-তে আক্রান্ত হয়ে মা/রা যান।

ধ্বংসস্তূপের নিস্তব্ধতায় কেবল ভালোবাসাই জেগে থাকে। 💔

নিচের ছবিটায় কত সুন্দর পরিপাটি বিছানা। আমার ছোট বাচ্চাটা এই কাজটা করেছে। আমি যে সময়টা পার করছি আমি অত্যন্ত অসুস্থ,আমাকে...
01/05/2026

নিচের ছবিটায় কত সুন্দর পরিপাটি বিছানা। আমার ছোট বাচ্চাটা এই কাজটা করেছে। আমি যে সময়টা পার করছি আমি অত্যন্ত অসুস্থ,আমাকে সাহায্য করা তো দূরে থাক,খোঁজ নেয়ার মত কেউ নেই এই দুনিয়ায়। হঠাৎ রান্নাঘর থেকে রুমে এসে আমি চমকে যাই।শুধু বিছানা নয়,মেঝেটা পর্যন্ত আমার বাচ্চাটা পরিষ্কার করে,তার স্কুলের সমস্ত ময়লা কাপড় সে সাবান দিয়ে ভিজিয়ে রেখেছে।এরকম সব কাজই সে আমাকে সাহায্য করে। নিজের কাজ নিজেই করে।
এমনকি আমার সমস্ত ওষুধের নাম এবং কোনটা কোন সময়ে খেতে হয় সেটা পর্যন্ত আমার বাচ্চা জানে।

বাবারে আর কত ঋনী করবি তুই আমাকে? সন্তানরা নাকি বাবা মায়ের ঋন শোধ করতে পারে না। কিন্তু আমি আমার সন্তানের ঋণ কিভাবে শোধ করব।
মাঝে মাঝে খুব আফসোস লাগে মনে হয়, আহা তুই আমার সন্তান না হয়ে যদি বাবা হতি।সোনা বাচ্চাটাকে আমি কিছুই দিতে পারি না।
আমার হাতে শুধু ডাল আর,ভাজি দিয়ে ভাত খেয়ে বাচ্চাটা আমার বলে, মা তোমার হাতের রান্নার রেস্টুরেন্ট এর চেয়েও সেরা।কোন অভিযোগ নেই, কোন চাহিদা নেই।
তার মা আছে, সেটাই যেন তার কাছে অনেক কিছু।
দোয়া করি বাবা তুমি হাজার বছর বাঁচো,তোমার জীবনের সব ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।

পৃথিবীর সবচেয়ে অভাগী মা মনে হয় বর্তমানে উনিই। শিশু সন্তান কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০০% মারা যাবে। অথচ কান্না করা ছাড়া কিছুই কর...
16/04/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে অভাগী মা মনে হয় বর্তমানে উনিই। শিশু সন্তান কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০০% মারা যাবে। অথচ কান্না করা ছাড়া কিছুই করার নেই! কিন্তু এর দায় কে নিবে?

রমজান মাসে শিশুটিকে বাসার বাইরে কুকুর কামড় দেয়। একজন সচেতন মা হিসেবে উনি দ্রুত, মাত্র দেড় ঘন্টার মধ্যে নারায়নগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিক্যালে শিশুটিকে নিয়ে আসেন জলাতঙ্কর ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য। ভ্যাকসিন নিয়েছিলেনও তারপরেও জলাতঙ্ক হয়েছে।

ইন্টারভিউতে এক ডাক্তার ম্যাম আফসোস করে বলছিলেন, নিয়ম অনুযায়ী নাকি ক্ষতের চারপাশে ইনজেকশন পুশ না করে, পুশ করেছিলো শিশুটির পিঠের মাংসে।

আর ক্ষমার অযোগ্য এই ভুলের জন্য খুব দ্রুত শিশুটির মস্তিষ্ক এবং সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে র‍্যাবিস ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। যার একমাত্র করুণ পরিণতি মৃত্যু।

গতকাল MYTV নিউজে শিশুর মায়ের সাক্ষাৎকার দেখে স্তব্ধ হয়ে গেলাম।

আমি কুকুরকে ভালোবাসি, খাবারও কিনে দেই। তবে দূর থেকে। আমি ভয় পাই। অনেকে মনে করে কুকুর বিনা কারনে মানুষকে কামড়ায় না। কথাটা পুরোপুরিভাবে সত্য নয়। অন্তত সিসিটিভি ফুটেজের ক্লিপ্স যদি দেখা যায়, এটা দিনের আলোর মতো সত্য। অনেক কুকুর বিনা কারণেও পথচারীকে কামড় দেয়।

যদিও বিভিন্ন সময়ে পথ এক্সিডেন্টে নিরীহ প্রাণীগুলো ছোট থাকতেই মারা যায়। তারপরেও কুকুরের সংখ্যা অত্যাধিক হারে বাড়ে। কুকুরের অত্যাচার হতে বাঁচতে মেরে ফেলা মোটেও মানবিক কাজ নয়। এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রনে নিউটার পদ্ধতির বিকল্প নেই।

ধ্রুব রাঠে ভারতের বিপদজনক হারে কুকুরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে অনেক সুন্দর একটি ভিডিও বানিয়েছিলেন।কুকুরের কারণে ভারতে ২০-৩০ হাজার মানুষ প্রতি বছর মারা যায়।

ধ্রুব এর প্রধান কারণ হিসেবে বলেছিলো, কুকুরকে রাস্তায় একা ছেড়ে দেওয়া। অর্থাৎ মালিকহীন কুকুর। কুকুরের মালিকানা যদি থাকতো। সবাই কুকুর পুষতো। তাহলে এদের সংখ্যা বাড়তো না। আপনি উন্নত দেশে মালিকবিহীন কুকুর পাবেন না।

যেহেতু বাংলাদেশে কুকুর পোষা নিয়ে ধর্মীয় বা সামাজিক বিধিনিষেধ রয়েছে। যার জন্য এই দেশে কুকুরের মালিকানা গ্রহণের সমাধান সম্ভব নয়। যতদিন না এই ট্যাবু ভাঙে। Yes! বাড়ি পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কুকুর পালা জায়েজ। এটা অনেকেই জানেন না। সরাসরি নাজায়েজ বলে দেয়।

সেক্ষেত্রে নিউটার ভ্যাকসিনই বর্তমানে একমাত্র সমাধান। অর্থাৎ কুকুরের প্রজনন ক্ষমতা নিরোধ। এর চেয়ে ভালো মানবিক সমাধান আর নেই।

অতীতে জলাতঙ্ক বা র‍্যাবিস সম্পর্কে সচেতন করতে অনেক লিখেছি। তবে আমি এই মায়ের মতো এমন কেস জীবনেও দেখিনি। তাই পোস্ট করতে বাধ্য হলাম।

আমি এমনও কেস দেখেছি শ্বশুর বাড়িতে জামাই বেড়াতে এসেছে। কুকুরের কামড় খেয়েছে। জামাই চেয়েছিলো ভ্যাকসিন নিতে, শ্বশুর বলেছে এলাকার বড় কবিরাজের কাছ থেকে বাটি পড়া নিতে। শ্বশুরকে মুখের উপর না বলতে পেরে বেচারা জলাতঙ্ক হয়েছে। ইন্টারভিউতে যখন এই বর্ণনা দিচ্ছিলো, তার মুখটার দিকে তাকাতে পারছিলাম না।

মা ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করে। শিশুকে কামড় দিয়েছে গ্রামে। নানি কবিরাজের কাছ থেকে বাটি পড়া খাইয়েছে। জলাতঙ্ক নিয়ে মহাখালী সংক্রামন হাসপাতালের সামনে মায়ের কান্নার আহাজারি। মৃত্যুর কোলে থাকা শিশুটির আতঙ্কিত, পানি দেখে ভয়ে ছটফট!

আমার বাবাকেই গত বছর কুকুর কামড় দেয়। মুমুর্ষ কুকুর রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে সাহায্য করতে গিয়েছিলো। কুকুরটি কামড় বসিয়ে বাবার হাতে। এই বয়সে বাবার এই কষ্ট সহ্য করতে পারিনি। দ্রুত তাকে মহাখালী সংক্রামক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। বাবার কাছে শুনেছি উনার আঙ্গুলের কাছেই নাকি ইঞ্জেকশন পুশ করেছিলো।

জলাতঙ্ক হলে নিশ্চিত মৃত্যু। মাফ নাই। তবে পৃথিবীতে মীরাক্কেল ঘটেছে এমন সংখ্যা হাতে গোনা ৩০-৪০ জনের মতো। যারা জলাতঙ্ক হওয়ার পরেও বেঁচে গিয়েছে।

প্রতি বছর প্রায় ৫৯০০০ জন মানুষ জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। যার মধ্যে ৯৯% কুকুরের কামড়ের কারণে। বিড়ালও ঝুঁকিপূর্ণ। বাদুড়ের কারণে রেয়ার। তবে আমেরিকায় সর্বোচ্চ।

কুকুর, বিড়াল, বানর, বেজি, শিয়াল ইত্যাদি কামড় দিলে প্রথম কাজ ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলা ভ্যাক্সিন নেওয়া।

ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতেই হবে। এই জ্ঞানটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। কোনভাবেই মিস করা যাবে না। এতদিন পরিচিত অপরচিত অনেককেই এই জ্ঞান দিয়েছি।

তবে মনে নতুন ভয় প্রবেশ করলো - সেটি হলো ভ্যাকসিন কী আদৌ সঠিকভাবে, সঠিক স্থানে দেওয়া হলো কীনা! অর্থাৎ ক্ষতস্থানের চারপাশে!

আমি এখনও কনফিউজড! আমি এতদিন জানতাম মাংশ পেশী অথবা চামড়ায় পুশ করলেই হবে। ক্ষতস্থানে পুশ করা কখন আবশ্যক! এই ব্যাপারে কোন চিকিৎসক ভাইয়ের পরামর্শ থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

আপনি নিজেকে এবং আপনার সন্তানকে পথ কুকুর থেকে নিরাপদে রাখুন। তাদেরকে উত্যক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। তাদের প্রতি দয়াবান না হতে পারেন। অন্তত Cruel হবেন না।

যারা কুকুর নিয়ে কাজ করেন, কুকুরকে ভালোবাসেন। প্রাণী লাভারদেরও উচিত প্রাণীদেরকে আদর করার সময় সচেতন থাকা। বাইরে থেকে যেহেতু দেখে বুঝা সম্ভব নয় কোনটির মধ্যে র‍্যাবিসের জীবাণু রয়েছে।

সাধারণ জনগনের যদি মনে হয় এলাকার কোন কুকুর পাগল, মানুষকে কামড়াচ্ছে। তাহলে বিভিন্ন প্রাণী সংগঠন কিংবা সিটি কর্পোরেশনে অভিযোগ জানান। উনারা অবশ্যই সেই কুকুরের ব্যবস্থা করবে। তারপরেও নিজ থেকে প্রাণীর প্রতি অমানবিক আচরণ করবেন না।

কুকুরের সংখ্যা ও পাগলা কুকুর নিয়ন্ত্রনে সরকারের উচিত মানবিক পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া। সারাদেশে র‍্যাবিসের পর্যাপ্ত মজুদ রাখা। সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া।

এই মায়ের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো! শুধুমাত্র সঠিকস্থানে ভ্যাকসিন না দেওয়ার জন্য! তাও ঢাকা মেডিক্যালের মতো স্থানে! এটার দায় কার! কে নিবে! এই প্রশ্নই মাথায় ঘুরছে!

এমন পরিস্থিতিতে কোন বাবা মা যেন কখনও না পড়ে।

আগে বাবাকে বাঁচাই, ওজন পরে কমানো যাবে!"—বাবার জন্য ১০ বছরের ছেলের আত্মত্যাগ; যে গল্প শুনলে চোখের জল ধরে রাখা দায়!​কল্পনা...
06/04/2026

আগে বাবাকে বাঁচাই, ওজন পরে কমানো যাবে!"—বাবার জন্য ১০ বছরের ছেলের আত্মত্যাগ; যে গল্প শুনলে চোখের জল ধরে রাখা দায়!



কল্পনা করুন তো, একটা ১০ বছরের শিশু সারা দিন শুধু খেয়েই যাচ্ছে, তার একমাত্র লক্ষ্য হলো দ্রুত মোটা হওয়া। যেখানে সারা বিশ্বের মানুষ ডায়েট আর জিম করে ওজন কমাচ্ছে, সেখানে এই ছোট ছেলেটি কেন নিজেকে 'অস্বাস্থ্যকর' ভাবে

মোটা বানাচ্ছে? কারণটা জানলে আপনার বুক ফেটে যাবে। এটি কোনো শখের গল্প নয়, এটি হলো বাবার প্রতি এক সন্তানের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার লড়াই।

​📍 গল্পের শুরু ও জিকুয়ানের সংগ্রাম:

ঘটনাটি ২০১৯ সালের। চীনের এই ছোট্ট ছেলেটির নাম লু জিকুয়ান। জিকুয়ান দিনে অন্তত পাঁচবার উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার আর প্রচুর ভাত খাওয়া শুরু করে। তার লক্ষ্য ছিল মাত্র এক মাসের

মধ্যে ১৫ কেজি ওজন বাড়ানো। তার আত্মীয়-স্বজন এবং স্কুলের বন্ধুরা তাকে 'পাং জি' বা 'নোংরা মোটা ছেলে' বলে খেপাতো। কিন্তু জিকুয়ান কারো কথায় কান দিত না। কারণ তার মাথায় তখন শুধু একটাই চিন্তা—যেকোনো মূল্যে বাবাকে বাঁচাতে হবে।

​📍 কেন এই অদ্ভুত লক্ষ্য?

জিকুয়ানের বাবার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। ডাক্তাররা জানান, ইমিডিয়েটলি 'বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট' ছাড়া তাঁকে বাঁচানো সম্ভব নয়। পরিবারের সবার মধ্যে একমাত্র জিকুয়ানের বোন ম্যারোই বাবার সাথে মিলে যায়। কিন্তু সমস্যা ছিল অন্য

জায়গায়। ১০ বছর বয়সী জিকুয়ানের ওজন ছিল মাত্র ৩০ কেজি, অথচ এই অপারেশনের জন্য ন্যূনতম ৪৫ কেজি ওজন হওয়া বাধ্যতামূলক। তাই বাবার শরীরে নিজের বোন ম্যারো দেওয়ার যোগ্য হতে জিকুয়ান এই মরণপণ লড়াই শুরু করে।

​📍 "সেভ ফাদার ফার্স্ট, লুজ ওয়েট লেটার":

কেউ যখন তাকে তার স্থূলতা নিয়ে উপহাস করতো, জিকুয়ান শান্ত গলায় শুধু একটি কথাই বলত— "আগে বাবাকে বাঁচাই, ওজন পরে কমানো যাবে।" অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, মাত্র এক মাসের

কঠোর প্রচেষ্টায় জিকুয়ান ১৮ কেজি ওজন বাড়িয়ে ফেলে এবং তার ওজন দাঁড়ায় ৪৮ কেজিতে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেই জটিল অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়। জিকুয়ান নিজের শরীরের হাড়ের মজ্জা দিয়ে বাবার নতুন জীবন দান করে।


বর্তমানে জিকুয়ানের বাবা একদম সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন কাটাচ্ছেন।

পরিবারের প্রতি ভালোবাসা আসলে কাকে বলে, তা এই ১০ বছরের শিশুটি বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়ে গেল। এটি কেবল একটি নিউজ নয়, এটি হলো ত্যাগের এক জীবন্ত ইতিহাস।


বাবার প্রাণ বাঁচাতে ১০ বছরের জিকুয়ানের এই ত্যাগ আপনাকে কতটা স্পর্শ করেছে? পরিবারের জন্য এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা
#বাবার_জন্য_ত্যাগ #লু_জিকুয়ান #ভালোবাসা

সবার জীবনের গোল এক হয় না।কেউ টাকা ইনকামকেই জীবনের গোল ভেবে নেয়।সেটা ভালো খারাপ কোন পথ হবে ঠিক নেই।কেউ প্রেমিকাকে জয় করার...
05/04/2026

সবার জীবনের গোল এক হয় না।কেউ টাকা ইনকামকেই জীবনের গোল ভেবে নেয়।সেটা ভালো খারাপ কোন পথ হবে ঠিক নেই।
কেউ প্রেমিকাকে জয় করার গোল বেছে নেয়।সারা দিন রাত খেটে সফল হয়ে প্রেমিকাকে বউ রূপে পেতে চায়।এই ব্যক্তির কাছে গোল হল তার প্রেমিকা,সফলতা নয়।
কোন ভাবে প্রেমিকা হারালে তার কাছে সব কিছু ব্যর্থ মনে হবে।
কারো কাছে ডাল ভাত খেয়ে পরিবার নিয়ে নির্ভেজাল জীবন যাপন করাই হল তার জীবনের গোল।ওর কাছে টাকা পয়সার চেয়ে পরিবারের ভালোবাসাটাই আসল সফলতা।
তাই টাকা হলেই যে সে সুখি,এইটা ভুল।আবার টাকা ছাড়াও সুখ নেই।
যে যেভাবে সুখের মানে খোঁজে, তার কাছে সেই পথটাই সুখ।
তাই কারো সাথে কারো তুলনা করাটা বোকামি।
হয়ত কেউ প্রতিষ্ঠিত হয়ে নাম কামিয়ে সুখ পায়,কেউ ব্যাংক ভরা টাকা জমিয়ে সুখ পায়,কেউ খোলা আকাশের চাঁদের আলোয় সুখ পায়।

আমরা সাধারণত খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের কাছে দুই বেলা পেট ভরে খেতে পারাটাই সুখ।বাংলাদেশের বেশিরভাগ জনগণই আমরা স্বল্প আয়ের...
04/04/2026

আমরা সাধারণত খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের কাছে দুই বেলা পেট ভরে খেতে পারাটাই সুখ।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ জনগণই আমরা স্বল্প আয়ের উপর নির্ভরশীল। আমরা কোন রাজনীতি বুঝিনা। আমরা শুধু খেয়ে পড়ে বাঁচতে চাই। মিলকারখানাগুলো বন্ধ।বেশিরভাগ মানুষ এই মিল কারখানাগুলোর উপর নির্ভরশীল।
আর এই মিল কারখানায় কাজ করা মানুষগুলোর উপর নির্ভর করে অনেক মানুষ নানান ভাবে জীবিকা নির্বাহ করে।
জানি না সামনে কি হবে।বৈশ্বিকভাবেই এখন অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়।
তার মধ্যে তো দুর্নীতি তো আছেই।আমাদের মত সল্প আয়ের মানুষদের কথা চিন্তা করার মত সময় বোধহয় কারোই নেই।
পাড়ার মোড়ে মুদি দোকান গুলোর জিনিসপত্র ঠিক থাকলেও কেনার মত ক্রেতার সংখ্যা কমে গিয়েছে। ঢাকা ছেড়ে মানুষ ধীরে ধীরে গ্রামে যাচ্ছে।কিন্তু গ্রামেও আয়ের উৎস কোথায়?

Address

Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MOBO STAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share