Loud & Clear

Loud & Clear Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Loud & Clear, News & Media Website, Savar Thana Road, Savar.

22/09/2025

মানুষের নীতি আর কৌশল দুটো দুই জিনিস। কৌশলে আপনি সাময়িকভাবে জয়লাভ করতে পারেন কিন্তু নীতি না থাকলে বা নিয়ত ভালো না হলে আপনি জিততে পারবেন না শেষবিচারে। জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিও তাই। কৌশলে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতিতে জাশি জয়লাভ করেছে বটে কিন্তু তাদের এই ভণ্ডামি কিংবা নীতিহিনতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং উঠবে। তারা নিজেরা অন্যকে এবং ধর্মকে ব্যবহার করবে কিংবা নিজে কারো দ্বারা ব্যবহৃত হবে কিংবা দেশ রাষ্ট্রকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাবে কিন্তু পরিষ্কার ইমেজ নিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে দাঁড়াতে পারবে না। এটাই ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক। নিশ্চয় কর্মের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল - আল হাদিস। নিয়ত ভালো না হলে ছদ্দবেশী কিংবা কৌশলী যত মানবিক প্রদক্ষেপই নেয়া হোক না কেন তাকে সন্দেহের বাইরে নেয়া অসম্ভব, সুফল সুদূরপরাহত।

17/09/2025

সাদিক এখন মাহফুজরে কয় হাসিনা!
কওতো দেখি...
ক্ষমতা না পাইতেই দোষারোপের খেলা ?

17/09/2025

সাদিক এখন মাহফুজরে কয় হাসিনা!
কওতো দেখি...
ক্ষমতা না পাইতেই দোষারোপের খেলা ?
মুনাফেক ও চোরের বড় গলা বলে কথা।

স্বজনের কবরের কাছে খুনিদের আনাগোনা মুনাফেকদের মোনাজাত!আহা ধর্ম! আহা রাষ্ট্র!মুনাফেকদের কাজ চরিত্র বদলের নমুনা নয়। এদের ভ...
11/09/2025

স্বজনের কবরের কাছে খুনিদের আনাগোনা
মুনাফেকদের মোনাজাত!
আহা ধর্ম! আহা রাষ্ট্র!
মুনাফেকদের কাজ চরিত্র বদলের নমুনা নয়।
এদের ভণ্ডামি রাখুন !
মুনাফেকদের ভোটদানে বিরত থাকুন!

(Liberation War)

সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দেওয়া কি বৈষম্যবিরোধী অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না?বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চার নীতির ...
16/01/2025

সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দেওয়া কি বৈষম্যবিরোধী অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না?

বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চার নীতির একটি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, যা দেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করেছিল। এটি ধর্মীয় সহিষ্ণুতা এবং সব ধর্মের প্রতি সমান আচরণের প্রতীক ছিল। তবে ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানে ইসলামিক ভাবধারার সংযোজন শুরু হয়, যা পরবর্তীতে এরশাদের সময়ে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে একটি নতুন মাত্রা পায়।

সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দিলে, এটি রাষ্ট্রের নীতিতে ধর্মীয় পক্ষপাতিত্বকে বৈধতা দেয়। রাষ্ট্র যখন একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে বিশেষ মর্যাদা দেয়, তখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিজেদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। এর সাথে ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘিত হতে পারে, সমাজে একধরনের বিভক্তি তৈরি হতে পারে, অসন্তোষ ও উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হতে পারে। পশ্চিমা দেশগুলো ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল্যায়ন করে। এটি তুলে দিলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে: হিন্দু, খ্রিস্টান বৌদ্ধ, আদিবাসী ও অন্যান্য সম্প্রদায় নিজেদের নিরাপত্তাহীন মনে করতে পারে এবং তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধার সম্মুখীন হতে পারে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থাপনার ওপর আক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। সরকারি চাকরি, শিক্ষা বা অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাওয়া নির্দিষ্ট ধর্মের ব্যক্তিদের জন্য সহজতর হতে পারে।

ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা:
ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ হলেও বাস্তবে সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি থাকায় তাদের অধিকার আইনি ভিত্তিতে রক্ষা করার সুযোগ থাকে।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রধর্ম:
পাকিস্তানে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার পর সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা বিচারপ্রার্থী হতে পারে না।

তুরস্ক:
অতীতে ধর্মনিরপেক্ষ ছিল, তবে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় নীতির উত্থান তুরস্কের সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি করেছে।

ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দেওয়া একটি দ্বন্দ্বমূলক সিদ্ধান্ত। যদিও এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিকে প্রশমিত করতে পারে, এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আহত করে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। বাংলাদেশের মতো বহুধর্মীয় সমাজে ধর্মনিরপেক্ষ নীতির সংরক্ষণ না করলে সামাজিক সমতা, ন্যায়বিচার এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি হলো, ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে পুনর্বিবেচনা করে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে প্রত্যেক ধর্ম এবং সম্প্রদায় নিজেদের সমান মর্যাদায় দেখতে পায়।

সংবিধান সংস্কার কমিশন গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের সংস্কারের সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

16/01/2025

আমরা কি পথ হারাবো?

ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে এমন একটি নীতি বা দর্শন বোঝায় যেখানে রাষ্ট্র বা সমাজ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেয় না। এটি ধর্মীয় নিরপেক্ষতার প্রতীক এবং সকল ধর্ম ও ধর্মহীনতার প্রতি সমান আচরণকে সমর্থন করে।

ধর্মনিরপেক্ষতার মূল বৈশিষ্ট্য:
ধর্মের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি:
কোনো ধর্মকে প্রাধান্য না দিয়ে প্রত্যেক ধর্ম বা বিশ্বাসের প্রতি সমান আচরণ করা।

ধর্ম এবং রাষ্ট্র আলাদা:
রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মকে প্রভাবিত করতে দেওয়া হয় না, এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপও থাকে না।

ব্যক্তিগত ধর্মীয় স্বাধীনতা:
প্রতিটি ব্যক্তি তার নিজের ধর্ম পালন বা ধর্ম পালন না করার পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করে।

অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি:
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ ইত্যাদি ভেদাভেদ ছাড়াই সবার প্রতি ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।

বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এটি দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমান ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহায়ক।

উদাহরণ:
ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কোনো ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বা পক্ষপাতমূলক আচরণ ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে।

13/12/2024

বঙ্গ-বন্ধু
জসীম উদ্দীন
মুজিবর রহমান।
ওই নাম যেন বিসুভিয়াসের অগ্নি-উগারী বান।
বঙ্গদেশের এ প্রান্ত হতে সকল প্রান্ত ছেয়ে,
জ্বালায় জ্বলিছে মহা-কালানল ঝঞঝা-অশনি বেয়ে ।
বিগত দিনের যত অন্যায় অবিচার ভরা-মার।
হৃদয়ে হৃদয়ে সঞ্চিত হয়ে সহ্যে অঙ্গার ;
দিনে দিনে হয়ে বর্ধিত স্ফীত শত মজলুম বুকে,
দগ্ধিত হয়ে শত লেলিহান ছিল প্রকাশের মুখে ;
তাহাই যেন বা প্রমূর্ত হয়ে জ্বলন্ত শিখা ধরি
ওই নামে আজ অশনি দাপটে ফিরিছে ধরণী ভরি।

মুজিবর রহমান।
তব অশ্বেরে মোদের রক্তে করায়েছি পূত-স্নান।
পীড়িত-জনের নিশ্বাস তারে দিয়েছে চলার গতি,
বুলেটে নিহত শহীদেরা তার অঙ্গে দিয়েছে জ্যেতি।
দুর্ভিক্ষের দানব তাহারে অদম্য বল,
জঠরে জঠরে অনাহার-জ্বালা করে তারে চঞ্চল।
শত ক্ষতে লেখা অমর কাব্য হাসপাতালের ঘরে,
মুর্হুমুহু যে ধবনিত হইছে তোমার পথের পরে।
মায়ের বুকের ভায়ের বুকের বোনের বুকের জ্বালা,
তব সম্মুখ পথে পথে আজ দেখায়ে চলিছে আলা।
জীবন দানের প্রতিজ্ঞা লয়ে লক্ষ সেনানী পাছে,
তোমার হুকুম তামিলের লাগি সাথে তব চলিয়াছে।
রাজভয় আর কারাশৃঙ্কল হেলায় করেছ জয়।
ফাঁসির মঞ্চে-মহত্ব তব কখনো হয়নি ক্ষয়।
বাঙলাদেশের মুকুটবিহীন তুমি প্রমুর্ত রাজ,
প্রতি বাঙালীর হৃদয়ে হৃদয়ে তোমার তক্ত-তাজ।
তোমার একটি আঙ্গুল হেলনে অচল যে সরকার।
অফিসে অফিসে তালা লেগে গেছে-স্তব্ধ হুকুমদার।

এই বাঙলায় শুনেছি আমরা সকল করিয়া ত্যাগ,
সন্ন্যাসী বেশে দেশ-বন্ধুর শান্ত-মধুর ডাক।
শুনেছি আমরা গান্ধীর বাণী-জীবন করিয়া দান,
মিলাতে পারেনি প্রেম-বন্ধনে হিন্দু-মুসলমান।
তারা যা পারেনি তুমি তা করেছ, ধর্মে ধর্মে আর,
জাতিতে জাতিতে ভুলিয়াছে ভেদ সন্তান বাঙলার।

সেনাবাহিনীর অশ্বে চড়িয়া দম্ভ-স্ফীত ত্রাস,
কামান গোলার বুলেটের জোরে হানে বিষাক্ত শ্বাস।
তোমার হুকুমে তুচ্ছ করিয়া শাসন ত্রাসন ভয়,
আমরা বাঙালীর মৃত্যুর পথে চলেছি আনিতে জয়।

ধন্য এ কবি ধন্য এ যুগে রয়েছে জীবন লয়ে,
সম্মুখে তার মহাগৌরবে ইতিহাস চলে বয়ে।
ভুলিব না সেই মহিমার দিন, ভাষার আন্দোলনে ।
বুরেটের ভয় তুচ্ছ করিয়া ছেলেরা দাঁড়াল রণে ।
বরকত আর জব্বার আর সালাম পথের মাঝে,
পড়ে বলে গেলো, “আমরা চলিনু ভাইরা আসিও পাছে।”
উত্তর তার দিয়েছে বাঙালী, জানুয়ারী সত্তরে,
ঘরের বাহির হইল ছেলেরা বুলেটের মহা-ঝড়ে।
পথে পথে তারা লিখিল লেখন বুকের রক্ত দিয়ে,
লক্ষ লক্ষ ছুটিল বাঙালী সেই বাণী ফুকারিয়ে।
মরিবার সে কি উন্মাদনা যে, ভয় পালাইল ভয়ে,
পাগলের মত ছোট নর-নারী মৃত্যুরে হাতে লয়ে।
আরো একদিন ধন্য হইনু সে মহাদৃশ্য হেরি,
দিকে দিগনে- বাজিল যেদিন বাঙালীর জয়ভেরী।
মহাহুঙ্কারে কংস-কারার ভাঙিয়া পাষাণ দ্বার,
বঙ্গ-বঙ্গ শেখ মুজিবেরে করিয়া আনিল বার।
আরো একদিন ধন্য হইব, ধন-ধান্যেতে ভরা,
জ্ঞানে-গরিমায় হাসিবে এদেশ সীমিত-বসুন্ধরা।
মাঠের পাত্রে ফসলেরা আসি ঋতুর বসনে শোভি,
বরণে সুবাসে আঁকিয়া যাইবে নকসী-কাঁথার ছবি।
মানুষ মানুষ রহিবে না ভেদ, সকলে সকলকার,
এক সাথে ভাগ করিয়া খাইবে সম্পদ যত মার।
পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর রুপালীর তার পরে,
পরাণ ভুলানো ভাটিয়ালী সুর বাজিবে বিশ্বভরে।
আম-কাঁঠালের ছায়ায় শীতল কুটিরগুলির তলে,
সুখ যে আসিয়া গড়াগড়ি করি খেলাইবে কুতুহলে।

আরো একদিন ধন্য হইব চির-নির্ভীকভাবে,
আমাদরে জাতি নেতার পাগড়ি ধরিয়া জবাব চাবে,
“কোন অধিকারে জাতির স্বার্থ করিয়াছ বিক্রয়?”
আমার এদেশ হয় যেন সদা সেইরুপ নির্ভয়।

11/12/2024

জয় বাংলা!

জয় বাংলা, শুধু একটি স্লোগান নয়,
এ এক বজ্রধ্বনি, হৃদয়ের উচ্চারণ।
যখন মাটি কাঁদে, আকাশ ডাকে,
জয় বাংলা তখন মুক্তির ঘোষণা।

রক্তে ভেজা ভূমি যখন দুলে উঠে,
স্বাধীনতার স্বপ্ন যখন দেয় দোলা,
জয় বাংলা তখন দীপ্ত এক সূর্য,
যে মুছে দেয় আঁধার, দেয় আলো।

একটি ভাষা, একটি জাতি, এক প্রাণ,
জয় বাংলার ধ্বনিতে বাঁধা প্রাণ।
এ সুরে জেগে ওঠে হাজারো বাঙালি,
মাটির সাথে মিলায় অস্তিত্ব চিরকাল।

জয় বাংলা, মানে এক নতুন দিন,
যেখানে সমতার বীজ করে অঙ্কুরিত।
জয় বাংলা, মানে ইতিহাসের পাঠ,
যা শেখায় সংগ্রাম, শেখায় ভালোবাসা।

এ শুধু যুদ্ধের নয়, শান্তির কথা,
এ শুধু প্রতিবাদের নয়, স্বপ্নের ছোঁয়া।
জয় বাংলা তাই আমাদের পরিচয়,
এ ধ্বনিতে আমরা অমর, আমরা চিরজয়।
স্বাধীনতায় মোড়া আমাদের প্রিয় ভুবন।
আল্লাহু আকবার, প্রভুর করুণা চাই,
জয় বাংলা! জিন্দাবাদে আলো জ্বালাই।

বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশ মনে রাখার মতো দুজন নজরুল পেয়েছে। দুজনই বিপ্লবী। একজন জাতীয় কবি আরেকজন শিক্ষক ও সংস্কারক। একজন একসম...
21/10/2024

বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশ মনে রাখার মতো দুজন নজরুল পেয়েছে। দুজনই বিপ্লবী। একজন জাতীয় কবি আরেকজন শিক্ষক ও সংস্কারক। একজন একসময় উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ইসলামি গান, হাম্দ -নাত লিখতে শুরু করেছিলেন, আরেকজন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) জীবনী লিখার অঙ্গীকার করেছেন। দুজনেই স্মরণীয় থাকবেন।

জগৎ বৈপরীত্যে কিংবা কূটনীতিতে ভরা! ১ হাজার কিংবা ততোধিক মানুষের মৃত্যুশোক লইয়া ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যুর ক্রীড়নকের গালে গ...
21/10/2024

জগৎ বৈপরীত্যে কিংবা কূটনীতিতে ভরা!
১ হাজার কিংবা ততোধিক মানুষের মৃত্যুশোক লইয়া
৪২ হাজার মানুষের মৃত্যুর ক্রীড়নকের গালে গাল লাগাই।
বন্ধুসম্পর্ক বিচিত্র বটে! কখনো নিকটবর্তী কখনো দূরবর্তী।

কেমন হলো এই রেপ্লিকেশন !Top Ten Unknown Facts About    1. স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলাদেশে মেড ইন USA BMW পাওয়া যাচ্ছে!...
18/10/2024

কেমন হলো এই রেপ্লিকেশন !
Top Ten Unknown Facts About

1. স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলাদেশে মেড ইন USA BMW পাওয়া যাচ্ছে!

2. এই BMW তে রিসেট এবং ডিলিট দুটি বাটনই আছে।

3. এই BMW তে বামে সিগন্যাল দিয়ে ডানে যাওয়া যায়।

4.এই BMW তিন সুন্দর শুন্যের (নো তেল, সার্ভিস নো, নো ড্রাইভার ) উপর চলে।

5. এই BMW সাউন্ড সেনসিটিভ কোন শব্দের আগে মুক্তি (মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিবাহিনী) থাকলে, কিছু নাম্বার যেমন ৭১, ৭, ১৫ এসব শুনলে বন্ধ হয়ে যায়।

6. এই BMW তে মাস্টারমাইন্ড নামে একজন ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্টস আছে।

7. এই BMW তে ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্টস এর মাথায় এক জটিল সফটওয়্যার আছে যেটা নাকি খেলাফত আমলের ভাষায় লেখা।

8. এই BMW র স্পিড কটু কম! অভিযোগ হল রাস্তা নাকি ফ্যাসিস্টদের তৈরি!

9. এই BMW রাস্তার মারুতি গাড়িগুলো নিয়ে বেশ চিন্তিত,তাদের নাকি ফিটনেচে ভারী সমস্যা।

10. এই BMW র ওয়ারেন্টি কিংবা গ্যারান্টি নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

Address

Savar Thana Road
Savar
1340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Loud & Clear posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share