18/04/2026
তিতা কথা! 🌚🌚😎
—————————-
বাংলাদেশে !!
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভাইয়েরা
বোনদের কে উত্তরাধীকার সম্পদ
দিতে চায় না।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা ও বাবা কে প্রভাবিত করে তারা নিজ নামে সব লিখিয়ে নেয়।
আবার এটিও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়,
কোনো কোনো মা তার স্বামীকে
প্রভাবীত করেন!
তারা বেচে থাকতেই মেয়েদের কে বঞ্চিত করে
ছেলেদের নামে বেশি সম্পদ লিখে দিতে।
এটি চরম অন্যায়।
ইসলাম ধর্মীয় রীতিতেও এটি শুধু অন্যায়ই নয়,
ক্ষমা হীন পাপ।
যথা রীতি এই পাপ থেকে মুক্তি নাই,
এবং কোনো রূপ তওবা ও কাজে লাগবে না।
ওইসব বঞ্চিত মেয়ে সন্তানগণ
ক্ষমা না করা পর্যন্ত!
তারা জন্ম দাতা ও জন্ম দাত্রী হওয়া সত্ত্বেও।
কোনো সন্তান কম প্রিয় বা অপ্রিয় হলেও
তার প্রাপ্য উত্তরাধীকার অধিকার।
নৎসাত করা যাবে না।
এখানে উল্লেখ যে:
উত্তরাধীকার সম্পদের অধিকার শুধু মাত্র
বাবা ও মা এদের একক অথবা
উভয়ের মৃতুর পরেই প্রযোজ্জ হয়ে থাকে।
তারা জীবিত অবস্থায় একক কোনো সন্তানের নামে সম্পদ লিখে দিতে পারেন না।
দিতে হলে সব সন্তানের নামে সমান ভাবে
দিতে হবে।
এবং এটিও উল্লেখ যে:
জীবিত থাকা অবস্থায় সম্পদ বণ্টন করলে,
ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই এক সমান পরিমাণ
দিতে হবে।
এটিই ধর্মীয় বিধি বিধান বলে জানি।
এই সমাজে মেয়ে সন্তানরা খুবই আদরের
হয়ে থাকে!
কিন্তু সম্পদ বণ্টনের বেলায় তারা হয়ে যায়
দয়ার পাত্র।
এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা ও বাবা নিজেরাই এই অন্যায়টি করে থাকেন।
অথচ এই ধরনের ব্যাক্তিবর্গ আবার সমাজের চেহারায় খুব ধার্মিক ও নীতিবান হিসেবে পরিচিতি পায়।
অতএব: ওয়ারিসদের প্রতি অন্যায় করে।
পরহেজগার শ্বেত শুভ্র চেহারা বানিয়ে।
সাথে সারাদিন তাসবি গোনা আর বিভিন্ন লোক দেখানো নফল ইবাদত।
কোনো কিছুই কাজে আসবে না।
কেননা:
উত্তরাধীকার এর প্রাপ্য সম্পদ পাওয়া
কোনো দয়া নয়।
মহান আল্লাহর হুকুম।
ও উত্তরাধীকার এর অধিকার।
পরিবারের প্রতি ন্যায়পরায়ণতা থাকা ফরজ।