09/06/2026
আমরা ফিলিস্তিনের জন্য মায়া-কান্না করি। কিন্তু আমাদের সীমান্তের কাছেই যখন অসহায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা নো-ম্যানস-ল্যান্ডে মানবেতর জীবন কাটায়, তখন সেই দৃশ্যও কম কষ্টের নয়।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, খোলা আকাশের নিচে কয়েকজন মানুষ বসে আছে। তাদের মধ্যে শিশু আছে, নারী আছে, বয়স্ক মানুষও আছে। তারা কারা, কোন দেশের নাগরিক—সেটা আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট, মানুষ হিসেবে তাদের দুর্ভোগ বাস্তব।
স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেও তারা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিল। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটের কথাও উঠে এসেছে। এমন দৃশ্য যে কোনো মানবিক মানুষকে নাড়া দেবে।
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সীমান্ত আইন এবং নাগরিকত্বের প্রশ্ন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সঙ্গে মানবিকতাও গুরুত্বপূর্ণ। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্টকে কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের আড়ালে হারিয়ে যেতে দেওয়া উচিত নয়।
সীমান্ত সমস্যা দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক। তবে যতক্ষণ সমাধান না হচ্ছে, ততক্ষণ অন্তত অসহায় মানুষগুলোর মৌলিক মানবিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
মানুষের পরিচয় যাই হোক, কষ্টের ভাষা সব জায়গায় এক।