30/05/2026
২০২২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ছিল ক্যাসেমিরো, ফাবিনহো, ফ্রেড, লুকাস পাকেতা, এভারটন রেবেইরো, ব্রুনো গিমারেজ। ডেস্ট্রয়ার ক্যাসেমিরোর রিপ্লেসে ফাবিনহো। লুকাস পাকেতা ও এভারটন রেবেইরো ক্লাসিক টেন। ফ্রেড তো যুগের শ্রেষ্ঠ লর্ডদের একজন। না পারে নাম্বার এইটে, না পারে নাম্বার সিক্সে। ব্রুনো গিমারেজ স্কোয়াডে থাকলেও তিতে তার উপর ভরসা করেনি। ক্যাসেমিরোর সাথে মেকশিফট রেজিস্তা হিসেবে পাকেতাকে ব্যবহার করেছিল। যার ফলে পুরো টুর্নামেন্টেই ব্রাজিল মিড কন্ট্রোলে ব্যর্থ হয়েছিল। এমনকি ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১১৭ মিনিটে গোল কন্সিড করাটাও মিডফিল্ডের ভুল ছিল।
আমি বরাবরই বলে থাকি মিডফিল্ড হলো অ্যাটাক লাইনের ফুয়েল। মিডফিল্ড যদি এক্সপোজ হয়ে যায়, তাহলে অ্যাটারকাররা প্রপার বল সরবরাহ পাবেনা, আক্রমণ ডেলিভার করার জন্য। এই জন্য মিডফিল্ডে একজন লিথাল রেজিস্তা তথা ডিপ লাইং মিডফিল্ড ও ডেস্ট্রয়ার অত্যাবশ্যকীয়। এই দুটি পজিশন যদি ক্লিক করে তাহলে রক্ষণকে সাপোর্ট দেওয়ার পাশাপাশি, টেম্পো সার্কুলেশন ধরে রেখে ফাইনাল থার্ডে প্রচুর বল ডেলিভার করে।
২০২২ বিশ্বকাপে ব্রুনো গিমারেজ ফ্রান্সের ক্লাব অলিম্পিক লিওনে সদ্য লাইম লাইটে আসতে শুরু করেছিল, যার ফলে তিতে এতোটা ভরসা করেনি। কিন্তু ব্রুনো গিমারেজ বর্তমানে প্রিমিয়ার লীগে প্রুভেন সেরা মিডফিল্ডারদের একজন। অর্থাৎ ব্রাজিল দীর্ঘদিন পরে নাম্বার এইট পজিশনে সমাধান পেয়েছে। এ জুটি সফল হলে ব্রাজিল সফল হবে আর না হয় ব্যার্থ হবে।