10/12/2025
বেগম রোকেয়া নারী জাতির জন্য কলঙ্ক! প্রকারান্তরে সে ছিল ইসলাম বিদ্বেষী!
আমাদের প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ সম্পর্কে বেগম রোকেয়া মন্তব্য করেন,
_________________________
“তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, “রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।” আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল।”
_________________________
প্রবন্ধটির আগে-পরের অংশ সামনে রাখলে রোকেয়ার এই অনুচ্ছেদের সারাংশ দাঁড়ায়—
• পবিত্র কুরআন এবং মুহাম্মাদ সাঃ-এর হাদিস ও সুন্নাহ বানোয়াট। আল্লাহর সঙ্গে সেসবের কোনো সম্পর্ক নেই।
• মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত নবী ছিলেন না।
• যেহেতু মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত কেউ নন, বস্তুত তিনি একজন ভণ্ড, প্রতারক ও মিথ্যুক।
• উম্মাহাতুল মুমিনীন সহ নারী সাহাবীগণ সকলেই ছিলেন মূর্খ। নতুবা তারা মুহাম্মাদ সাঃ-এর বানোয়াট বিধান বিনা বাক্যে মেনে নিতেন না (নাউযুবিল্লাহ)।
❏ আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে রাসূল সাঃ, কুরআন ও হাদিসের সত্যতা সম্পর্কে অজস্র আয়াত নাযিল করেছেন। সেসব থেকে অল্প কিছু আয়াত দেখা যাক—
“আমি তোমাকে সত্যদ্বীনসহ সুসংবাদদাতা এবং ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি, জাহান্নামীদের সম্বন্ধে তোমাকে কোনো প্রশ্ন করা হবে না।”
(সূরা বাকারা ০২:১১৯)
“আমি তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।”
(সূরা সাবা ৩৪:২৮)
“যে রসূলের আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করল, কেউ মুখ ফিরিয়ে নিলে (জোরপূর্বক তাকে সৎপথে আনার জন্য) আমি তোমাকে তাদের প্রতি পাহারাদার করে পাঠাইনি।”
(সূরা নিসা ০৪:৮০)
“এটা ঐ (মহান) কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ।”
(সূরা বাকারা ০২:০২)
এছাড়াও বহু আয়াত রয়েছে, যেখানে রাসূল সাঃ ও কুরআন সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন।
❏ রাসূলের (সাঃ) এর শেখানো শরিয়াহ ও বিধানের ব্যাপারে মুমিনদের আচরণ কেমন হবে, আল্লাহ তাআলা সে সম্পর্কেও সতর্ক করে বলেন,
“মু’মিনদেরকে যখন তাদের মাঝে ফয়সালা করার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে ডাকা হয়, তখন মু’মিনদের জওয়াব তো এই হয় যে, তারা বলে, আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম, আর তারাই সফলকাম।”
নিসন্দেহে বেগম রোকেয়া কাফের।