25/05/2026
লেখাটা একবার পড়ে দেখুন।
কোরবানির ঈদের আমেজে মেতে উঠছে বিশ্ব। অনেকে অনেক প্ল্যান করে ফেলেছে, ঈদের দিন এবং তার পরের কিছু দিন কোথায় কিভাবে কাটাবে। কিন্তু আমাদের আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে, দেখবেন তাদের ঈদ নিয়ে কোন মাথাব্যথা নাই। ঈদ আসে যেন তাদের মনে কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। একদিকে অভাবের যন্ত্রণা, অন্য দিকে সমাজ থেকে বিভিন্ন রকম মানসিক চাপ। ঈদ আসলে যেন শুধু সমাজ চাপ দেয়*। সারা বছর কেউ কারো খবর রাখে না, *সমাজের কেউ বিপদে পড়লে আড়ালে গিয়ে হাসে। এবং শত্রুপক্ষের সাথে মিলে তাকে কিভাবে অপমান অপদস্ত করা যায় সেই প্ল্যান করে। আর সমাজের মধ্যবিত্ত এবং গরীব মানুষগুলো যেন হয়ে যায় দাবার গুটি। বিত্তবানরা তাদের যেমন খুশি তেমন চালতে থাকে। এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে, যখন নিম্নবিত্ত মানুষগুলো প্রতিবাদী হয়ে মুখর হয়ে উঠে, তখন তাদের বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে সমাজ থেকে বের করে দেওয়ার মতো একটি জঘন্য খেলা খেলে। এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনেক পরিবার ঈদের গোশত খায় না, বা সমাজ থেকে তাদের গোশত দেওয়া হয় *না*।
ইসলামে স্পষ্ট উল্লেখ আছে "তোমরা কোরবানি করো, এবং সেটা নিজেরা খাও এবং গরীব দুঃখী ও আত্মীয় স্বজনদের মাঝে বণ্টন করে দাও।" আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যদি কোনো ব্যক্তি ঈদের দিন গোশত না খায়, কোনো মানুষের উপরে রাগ করে, তাহলে ঐ মহল্লা কিংবা গ্রামে কারো কোরবানি হবে না।"
তাই আমরা যেহেতু আল্লাহকে খুশি করার জন্য কোরবানি করি, আল্লাহ সবচেয়ে বেশি খুশি হন গরীব, অসহায়, এতিম মানুষদের খুশি করলে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ, আমাদের আশেপাশে মানুষের খোঁজখবর নেওয়া। এবং সঠিক নিয়মে কোরবানির গোশত বণ্টন করা। মনে রাখতে হবে, সামান্য কিছু ভুলের জন্য, যেন আমাদের এত বড় একটি ত্যাগের ইবাদত নষ্ট না হয়।
লেখাটি যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক, কমেন্ট এবং শিয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিবেন।
#গরিবেরপাশে