Mahmuda Vlog

Mahmuda Vlog Welcome to my page I upload my activists and life style,coking travel,please support me Welcome to our, Page Mahmuda Vlog ”. Thank You very much.
(15)

We always try to cook something healthy traditional Bengali dishes with available ingredients. We have a passion to learn new recipes from every corner of Bangladesh & Bengali foods from abroad. Now we are interested to share to our viewers how traditionally prepare Bengali recipes with little & local spices.

06/07/2026
হঠাৎ করে আজকো ড্যাসবোডে এটা কি দেখা দিছে  মতামতা দিন আর,  সেকশনটি কতটা উপকারী লিখা। মামু কি করতে বলছে বুঝতে পারছিনা। কার...
23/06/2026

হঠাৎ করে আজকো ড্যাসবোডে এটা কি দেখা দিছে মতামতা দিন আর, সেকশনটি কতটা উপকারী লিখা। মামু কি করতে বলছে বুঝতে পারছিনা। কারো যদি জানা থাকে তাহলে জানাবেন মামু করতে বলছে।

স্বামী নামাজ না পড়ায় স্ত্রী করবে না সংসার! অতঃপর স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যাওয়ার সময় স্বামী স্ত্রী কে বা/ ধা দেয় এক পর্যা...
19/06/2026

স্বামী নামাজ না পড়ায় স্ত্রী করবে না সংসার! অতঃপর স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যাওয়ার সময় স্বামী স্ত্রী কে বা/ ধা দেয় এক পর্যায় রাগের মাথা স্বামী ই/ ট হা/ তে নেয়! 👈

তাদের ঝগড়া করা দেখে সমাজের মুরুব্বিরা তাদের মিমাংসা করে দিলেও কিন্তু স্ত্রী এই স্বামী সংসার করবে না বলে জানিয়ে দেয়, স্বামী বলে স্ত্রী যেহেতু নামাজ পড়ে, আমি কাজের জন্য নামাজ পড়তে পারি না এই নিয়ে রোজ তাদের মধ্যে ঝ/ গড়া/ ঝা/ টি হয়।

ইসলাম কি বলে আসুন আমরা জেনে রাখি....?

সংক্ষেপে উত্তর: না, স্ত্রী জোর করে স্বামীকে নামাজ পড়াতে পারবে না।
ইসলামের দৃষ্টিতে নামাজ ব্যক্তিগত ফরজ ইবাদত—প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের নিজের দায়িত্ব।
জোর-জবরদস্তি করে ইবাদত করানো ইসলামে অনুমোদিত নয়।

তবে স্ত্রী যা করতে পারে—
ভালোবাসা ও হিকমাহ (বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে উপদেশ দেওয়া
নম্রভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়া
নিজে নিয়মিত নামাজ পড়ে উদাহরণ তৈরি করা
দোয়া করা, যেন আল্লাহ স্বামীর হৃদয় নরম করেন

👉কুরআনের নীতির সারকথা হলো—
“দ্বীনের ব্যাপারে জবরদস্তি নেই।”👈

রাশিয়ায় কাজের আশায় আমরা ৩০ জন গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছানোর পর আমাদের মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয় এবং বলা হয়েছিল কনস্ট্রাক...
19/06/2026

রাশিয়ায় কাজের আশায় আমরা ৩০ জন গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছানোর পর আমাদের মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয় এবং বলা হয়েছিল কনস্ট্রাকশন কাজে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু পরে আমাদের যু*দ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের ১৬ জনকে এক ক্যাম্পে এবং ১৪ জনকে অন্য ক্যাম্পে রাখা হয়। কয়েকদিনের প্রশিক্ষণের পর ৫-৬ জন করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়।

ফ্রন্টলাইনে ড্রোন হা**মলা, গ্রে*নে*ড ও মাইনের ভ*য়া*ব*হ ঝুঁ/কির মধ্যে থাকতে হয়েছে। আমাদেরকে ড্রোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। এভাবে আমাদের ১৬ জনের মধ্যে ১২ জন মা/রা গেছে বর্তমানে আমরা মাত্র ৪ জন জীবিত আছি এবং সবাই আহত। দুইজন হাসপাতালে আছে, আর দুইজন ক্যাম্পে আছি।

আ'হত হওয়ার পরও আমাদের আবার
যু/দ্ধক্ষেত্রে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। না যাওয়ায় আমাদের মারধর করা হয়েছে, কয়েকদিন খাবার ও পানি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমরা ভাষাও বুঝি না, কারও সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারি না।

দেশবাসী ও সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন আমাদেরকে বাঁচান। আমাদের সবার পরিবার আছে, ছোট ছোট সন্তান আছে। আমরা যু/দ্ধ করতে আসিনি শুধু জীবিকার সন্ধানে এসেছিলাম।

কিন্তু আমাদেরকে প্রতারণা করে এখানে এনে ফেলে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় আবার ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হতে পারে। আমরা চাই নিজেদের পরিবার ও দেশের মানুষের কাছে ফিরে যেতে।

আমাদের জীবন রক্ষায় সবাই এগিয়ে আসুন। আল্লাহর পর আপনাদের দিকেই আমরা তাকিয়ে আছি। আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান দয়া করে। জামালপুর সদর উপজেলার গোদাশিমলা এলাকার যুবক আরমান আলীর বাঁচার আর্তনাদ।

১৬ জুন মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলার সময় নি*খোঁজ হয় জায়হান অনেক খোঁজা খুঁজির পরও তার কোনো স'ন্ধা'ন পাওয়া যা...
19/06/2026

১৬ জুন মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলার সময় নি*খোঁজ হয় জায়হান অনেক খোঁজা খুঁজির পরও তার কোনো স'ন্ধা'ন পাওয়া যায়নি। প্রথমে পরিবারের ধারণা ছিল, শিশুটি বাড়ির সামনের পুকুরে ডু/বে গেছে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুকুরে তল্লাশি চালিয়েও তাকে পাওয়া না গেলে পটিয়া থানায় একটি নি*খোঁজ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় একটি চিরকুটও উ"দ্ধা"র করা হয়।

চিরকুটে লেখা ছিল, “তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে। ছেলেকে ফিরে পেতে চাইলে যা বলছি তা শুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে ৩ লাখ টাকা এবং তোর পরিবারের যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটি ব্যাগে ভরে তোর বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে ভা/ঙা দোকানের ভেতরে রেখে দিবি।

টাকার লো'ভে প্রতিবেশী সাইফুল শাহানু পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করেছিল পরে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাকে হা"তু"ড়ি দিয়ে মাথায় আ/ঘা/ত করে হ/ত্যা করা হয়। এরপর ম/র/দে/হ ব'স্তা'য় ভ"রে ময়লার ভা'গা'ড়ে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে অভি"যুক্ত ঘা/ত/ক প্রতিবেশী পরিবারের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁ'জার নামে নাটকীয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার গোবিন্দারখীল গ্রামের পূর্বপাড়ার অপহরণের শি"কার শিশু জায়হানের বস্তা"ব"ন্দি
ম/র/দে/হ উ"দ্ধা"র করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ১৮ জুন ভোরে।

জন্ম নিলো ছেলে ২ঘন্টা পরে হয়ে গেলো মেয়ে।। এমনই অভিযোগ করেছেন মুগদা মেডিকেলে ডেলিভারি করাতে আসা আরিফ ও মিনু দম্পতি। আজ গি...
19/06/2026

জন্ম নিলো ছেলে ২ঘন্টা পরে হয়ে গেলো মেয়ে।।
এমনই অভিযোগ করেছেন মুগদা মেডিকেলে ডেলিভারি করাতে আসা আরিফ ও মিনু দম্পতি। আজ গিয়েছিলাম তাদের দেখতে। জানতে পারলাম ২সপ্তাহ আগে মেডিকেলে আসার সাথে সাথেই নরমাল ডেলিভারি হয় মিলুর। তখন আয়া জানায় তার ছেলে হয়েছে, এরপর ডাক্তার এসেও জানায় তার ছেলে হয়েছে, একটি রিপোর্ট কার্ডে লেখাও হয় Baby Male. ঠিক তার দুই ঘন্টা পর তাদেরকে শিশু ওয়ার্ডে দেয়ার পর তারা জানতে পারেন তাদের মেয়ে হইছে। বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম কনফিউশান। এই দম্পতির কাছে ছেলে মেয়ের কোনই পার্থক্য নাই কিন্তু তারাতো আদৌ জানেনা সন্তানটি তাদের কিনা।
হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছেন বিষয়টি তদন্ত চলছে। দেখাযাক...

> আলি আসগর ইমন

বিদায় দিতে গিয়েছিলেন স্বামীকে, কিন্তু আর ফেরা হলো না নিজের ঘরে...দুবাই প্রবাসী স্বামীকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে পরিবারে...
18/06/2026

বিদায় দিতে গিয়েছিলেন স্বামীকে, কিন্তু আর ফেরা হলো না নিজের ঘরে...

দুবাই প্রবাসী স্বামীকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রওনা হয়েছিলেন মমতাজ বেগম। কিন্তু পথে ঘটে যায় ম/র্মা/ন্তি/ক দু/র্ঘট/না। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাই/ক্রোবাস খা/লে প/ড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হা/রা/ন তিনি।🥹🥹

যে মানুষটিকে বিদায় জানিয়ে চোখের জল ফেলতে যাচ্ছিলেন, সেই মানুষটির জীবন থেকে চিরদিনের জন্যই বিদায় নিয়ে গেলেন তিনি।😭😭

প্রবাস জীবনের ক/ষ্ট এমনিতেই অনেক। তার ওপর এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা কোনো পরিবারই প্রাপ্য নয়।

আল্লাহ তায়ালা মমতাজ বেগমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা দান করুন। আমিন।🤲🤲

#প্রবাসি #প্রবাসজীবন #দুবাই #স্বামী

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে ডিএন অটোরাইস মিলের স্বত্বাধিকারী শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানকে পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার...
18/06/2026

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে ডিএন অটোরাইস মিলের স্বত্বাধিকারী শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানকে পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্ত্রী শিল্পির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দিনাজপুর কোতয়ালি থানা পুলিশ নিহতের সাবেক স্ত্রী শিল্পিকে আটক করেছে।

‎সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় বোচাগঞ্জে ডিএন অটোরাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজুর রহমান (৪০) হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

‎এর আগে রবিবার (১৪ জুন) রাত ৯টায় মোস্তাফিজুর রহমানকে রামদাস পাড়ায় তার ডিএন অটোরাইস মিলের বৈঠকখানা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাত ১১টার সময় তাকে দিনাজপুর জিয়া হাট ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।

‎স্থানীয় এবং মিলের শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, প্রায় সময় সাবেক স্ত্রী শিল্পি মিলে আসতেন এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হতেন। রবিবারেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় বিষয়টি কেউ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি। তারা মনে করেছিল পূর্বের মতো আজও ঝগড়া হচ্ছে। কিন্তু রাতে পায়ের রগ কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে যায়। সোমবার সকালে তিনি মারা যান।

゚ #

ভুক্তভোগী অসহায় মা বলেন আমার ছেলে একটি মেয়েকে বিয়ে করবে আমার আত্মীয়স্বজন, এমনকি আমার ছেলের বন্ধু-বান্ধবও এই মেয়েকে ...
18/06/2026

ভুক্তভোগী অসহায় মা বলেন আমার ছেলে একটি মেয়েকে বিয়ে করবে আমার আত্মীয়স্বজন, এমনকি আমার ছেলের বন্ধু-বান্ধবও এই মেয়েকে বিয়ে করার পক্ষে ছিল না। কিন্তু আমার ছেলে আমার পা ধরে কান্নাকাটি করে বলেছিল, এই মেয়েকে বিয়ে করবে না পারলে সে আ/ত্মহ/ত্যা করবে। একজন মা হিসেবে সন্তানের সেই কথা উপেক্ষা করতে পারিনি। আজ আমার এই পরিণতির জন্য সেই সিদ্ধান্তই দায়ী।

আজ আমার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আমার ছেলে বেকার হয়েও ঢাকায় স্ত্রীকে নিয়ে থাকে তাদের খরচ চালাতে গিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। প্রতি মাসে ঋণ করে, ধার করে, এমনকি ভাড়ার টাকা বাঁচিয়ে তাদের কাছে টাকা পাঠাই। তারপরও ঢাকায় গেলে এমন কোনো সময় যায় নি কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসতে হয় নাই। যখনই ঢাকায় গিয়েছি তখনই কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরেছি

ছেলের স্ত্রী আমাকে দিয়ে জোর করে বিভিন্ন হাস্যরসাত্মক ভিডিও বানিয়েছে, যা “টোটো ফ্যামিলি” নামের আইডিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ভিডিওগুলো দেখে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনেরা আমাকে নানা কথা শুনিয়েছেন এবং অপমান করেছেন।

গত মে মাসে আমার ছোট মেয়ে তাকে ২৮ হাজার টাকা পাঠিয়েছিল। এরপর আমি ধার করে আরও ১৫ হাজার টাকা পাঠাই সেই টাকা নিয়ে তারা বাড়িতে আসে নাতি-নাতনিদের নিয়ে ছেলে ও ছেলের বউ বাড়িতে এসেছে দেখে আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বাড়িতে আসার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই আমার নাতি-নাতনি ও ছোট মেয়ের সন্তানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে বিভিন্নভাবে অপমান করা হয়। একপর্যায়ে আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার ছেলে বাধা দিতে গেলে তার স্ত্রী চেয়ার তুলে মারতে গিয়ে শোকেসের কাচ ভেঙে চুরমার করে ফেলে।

এরপর আমাকে আমার ৪৯ বছরের সংসার থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আমি তখন বাধ্য হয়ে আমার চাচাতো দেবর টুকুম মিয়াকে ডাকি। এছাড়া আরও অনেক মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। সবাই জানেন কী ঘটেছে।

তাদের দাবি, বাড়ির তৃতীয় তলা শুধু তাদের জন্য ছেড়ে দিতে হবে। অথচ আমি নিজের জন্য একটি চার হাজার টাকার ফ্যান পর্যন্ত কিনতে পারিনি। আমি যে টাকা পাঠিয়েছি, সেই টাকা দিয়ে তারা এসির নিচে আরাম করে থাকে। এমনকি ছেলের বউ যে ভিডিও বানায়, সেই ক্যামেরাটিও আমি কিনে দিয়েছি।

তার ভিডিওগুলোর অধিকাংশই আমার মেয়েদের নিয়ে। সব দোষ যেন আমার মেয়েদের। অথচ আমার ছোট মেয়ে চাকরি করে নিজের ঘর তৈরি করে সেখানে থাকে। আমি বর্তমানে তার কাছেই থাকি এবং তার কাছেই আদর-যত্ন পাই। আমার মেয়েরাই আমার দেখাশোনা করে। কিন্তু আমার ছেলের বউ আমাকে সম্মান তো দেয়ই না, বরং আমাকে এবং আমার মেয়েদের অপমান করে।

টুকুম মিয়া এবং আরও অনেকে এই ঘটনার সাক্ষী। তারা সব জানেন। এমনকি যাদের আমি একসময় আপনজন মনে করতাম, তারাও আজ আমার খোঁজ নেয় না। আমার ফোন পর্যন্ত ধরতে চায় না।

এক সময় আমি আমার ছেলেকে নিয়ে খুব গর্ব করতাম। রাজাপুরে সবাই তাকে সোনার ছেলে বলত। কিন্তু আজ সেই সোনার ছেলে যেন সম্পূর্ণ বদলে গেছে সে এখন শুধু তার স্ত্রীর কথাই বোঝে মায়ের কষ্ট, মায়ের ত্যাগ, মায়ের চোখের জল কোনো কিছুরই যেন তার কাছে মূল্য নেই।

আমি চেয়েছিলাম সবাই মিলে একসঙ্গে থাকব, সুখে-শান্তিতে জীবন কাটাব। সেই আশায় টাকা খরচ করে তাদের বাড়িতে এনেছি। কিন্তু বাড়িতে আসার পর আমাকে যে ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে, তা মুখে বলা যায় না।

আমি সবার কাছে বিচার চাই না, শুধু দোয়া চাই। আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য ধরার শক্তি দেন। আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি আমার ছেলেকে ভালো রাখুন। তবে একজন মায়ের চোখের পানির মূল্য যেন তিনি অবশ্যই বিবেচনা করেন।

আমি আমার নাতি-নাতনিদের ভালোবাসি বলেই বারবার ঢাকায় যাই। নিজের খরচে, ধার করে তাদের কাছে যাই। কিন্তু বিনিময়ে আমি শুধু অপমানই পেয়েছি। আমাকে এমন সব কথা বলা হয়েছে, যা কোনো মায়ের প্রাপ্য নয়।

আজ আমি আপনাদের কাছে আমার কষ্টের কথা তুলে ধরলাম। একজন মায়ের একমাত্র সন্তান যদি তার কাছ থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে সেই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন জীবনের বাকি সময়টুকু একটু শান্তিতে কাটাতে পারি। আল্লাহ হাফেজ। ঘটনাটি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সদরে।

এই সেই ৮ বছরের শিশুর সোনিয়ার মা বলেন মেয়েকে ওষুধ আনার জন্য ডাক্তারের দোকানে পাঠান। অভিযুক্ত ডাক্তার আমার মেয়েকে তার ঘর...
18/06/2026

এই সেই ৮ বছরের শিশুর সোনিয়ার মা বলেন মেয়েকে ওষুধ আনার জন্য ডাক্তারের দোকানে পাঠান। অভিযুক্ত ডাক্তার আমার মেয়েকে তার ঘরের ভেতরে নিয়ে আটকে রেখে ধ/র্ষ/ণ করে।

নি*র্যা*তি*ত শিশু সোনিয়ার মা ওষুধ আনার জন্য ডাক্তারের দোকানে পাঠিয়েছিল। ঔষধ নেওয়ার জন্য যখন দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল, তখন ডাক্তার তাকে তার ঘরের ভেতরে ডাকেন। এরপর ঘরের ভিতরে নিয়ে ডাক্তার তাকে ভ"য়ভীতি দেখিয়ে তার মুখ চেপে ধরে ধ*র্ষ*ণ করে এবং এই জ/ঘ/ন্য কাজ করে। এ সময় ডাক্তার শিশুটির জামাকাপড় খুলে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন স্প'র্শ'কাতর স্থানে হাত দেয়। ভুক্তভোগীর মা বলেন আমি একজন অসহায় নারী আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই। ঘটনাটি ঘটেছে সাভারের আউলিয়ার কুমারী বাজারে।

Address

Gazipur
Sreepur
1346

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmuda Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahmuda Vlog:

Shortcuts

Share