Sumon Biswas

Sumon Biswas ইহা এক কথার সংগ্রহশালা।চিন্তার শোধনাগার। Entrepreneur and writer. Love yourself, believe yourself.
(7)

28/05/2026

সত্যিকার অর্থে একটা ছেলের আত্মসম্মানবোধ দায়িত্ব পালনের সাথে বাঁধা থাকে।সময়ের সাথে সাথে দায়িত্ব বড় হয়ে যায়,কারণ প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখতে হয় দায়িত্বের মধ্যদিয়ে।সে প্রেমের জন্যই দায়িত্ব নেয় আর দায়িত্ব পালন করেই প্রেমকে টিকিয়ে রাখে।

27/05/2026

একটু বৃষ্টি নামলেই মধুমঞ্জুরি ব্যথা নিয়ে জেগে ওঠে।

26/05/2026

নজরুলের শ্রাদ্ধদিনের প্রশ্ন - আমরা কাকে শ্রদ্ধা জানাই?

কাজী নজরুল ইসলামের এই কথাগুলো মৃত্যু-পরবর্তী কৃত্রিম শ্রদ্ধার মুখোশ খুলে দেয়।

তিনি বলছেন,আমি মারা গেলে বড় বড় সভা হবে,টেবিল ভেঙে বক্তারা দেশপ্রেমিক,ত্যাগী,বীর,বিদ্রোহী বিশেষণ দেবে কিন্তু এই "অসুন্দর শ্রদ্ধা নিবেদনের শ্রাদ্ধদিনে" বন্ধু যেন না আসে।

এখানে নজরুল সমাজের একটা চিরচেনা ভণ্ডামিকে ধরেছেন।জীবিত থাকতে মানুষকে অবহেলা করি,তার কষ্ট শুনি না অথচ মারা যাওয়ার পর তার নামে মিথ্যা মহাকাব্য লিখি।এই শ্রদ্ধা মৃত মানুষের জন্য না,নিজের অপরাধবোধ ঢাকার জন্য।সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এটা আরও প্রকট। কেউ মারা গেলে ২৪ ঘণ্টা শোকের পোস্ট,৩ দিন পর সব ভুলে যাই।

নজরুল আসলে চেয়েছেন জীবিত থাকতে সত্যিকারের সংযোগ।তাই বলেছেন, "যদি পার চুপটি করে বসে আমার অলিখিত জীবনের কোন একটি কথা স্মরণ করো।তিনি চাননি মঞ্চের কবিতা,চেয়েছেন মানুষ হিসেবে তার ছোট ছোট মুহূর্তগুলো মনে রাখুক কেউ।

"তোমার আঙিনায় যদি একটি ঝরা,পায়ে পেশা ফুল পাও, সেইটাকে বুকে চেপে বলো- বন্ধু, আমি তোমায় পেয়েছি- এই লাইনটাই মূল কথা চাকচিক্য, মাইক,শোকসভা কিছুই লাগবে না।রাস্তায় পড়ে থাকা একটা অবহেলিত স্মৃতিও যদি তোমাকে আমার কথা মনে করায়,সেটাই আসল শ্রদ্ধা কারণ সেটা কৃত্রিম না,নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আসা।

আজকের বাস্তবতায় এই কথা আরও জরুরি সহকর্মীকে জীবিত থাকতে দাম দিই না,মারা গেলে "লিজেন্ড" বানাই। বাবা-মাকে খোঁজ নিই না,মৃত্যুর পর বড় করে শ্রাদ্ধ করি।

নজরুল শেখাচ্ছেন,শ্রদ্ধা মৃতের জন্য না,জীবিতের জন্য অক্সিজেন।মৃত্যুর পর ১০টা মালা দেওয়ার চেয়ে,বেঁচে থাকতে একটা ফোন করে জিজ্ঞেস করো "কেমন আছো? এটাই তার প্রতি সত্যিকারের বন্ধুত্ব।

25/05/2026

ঈদের বাজারে গরুর নাম মেসি,রোনালদো,নেইমার।ট্রল যাই করো না ক্যান মন রাইখো হে ফ্যানেরা-খেলা কিন্তু হবে মাঠে।

ও পিয়া,ও পিয়া তুমি কোথায়!

24/05/2026

আকাশের দিকে তাকিয়ে এইবার আমার নতুন করে মনে হচ্ছে- স্রষ্টা গণিতবিদ না কবি?লোকটা এত হিসেবী অথচ এত সুন্দর।

-কাজী নজরুল ইসলাম

23/05/2026

আমরা কি শ্রেণিভেদের বিচার চাই,নাকি ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র চাই?

একটা সমাজ তখনই টেকে,যখন আইন সবার জন্য সমান হয় কিন্তু আমাদের বাস্তবতা বলে ভিন্ন কথা।এখানে রেইপ, খুন,ছিনতাই—সবকিছু যেন নিম্ন-মধ্যবিত্তে এবং দরিদ্রদের ভাগ্যে লেখা।

যাদের বাবা এমপি, মন্ত্রী,বিচারক,বড় আমলা,প্রভাবশালী সাংবাদিক বা বুদ্ধিজীবী,তাদের সন্তানরা সাধারণত এই নৃশংসতার শিকার হয় না কারণ তারা থাকে নিরাপদ দূরত্বে। কেউ বিদেশে পড়ে।কেউ অসুস্থ হলে তাদের জন্য ২৪/৭ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রেডি থাকে,তাদের চিকিৎসা হয় সিঙ্গাপুর-চেন্নাইয়ের পাঁচতারা হাসপাতালে।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মেয়ে রাস্তায় একা বেরোলে ভয়ে থাকে।অসুস্থ হলে সরকারি হাসপাতালে সিরিয়াল ধরতে হয়,নকল ওষুধ খেয়ে কিডনি নষ্ট হয়,ভেজাল খাবারে ক্যান্সার হয়।অপরাধ হলে থানায় ঘোরে, কোর্টে ঘোরে, টাকার অভাবে মামলা ঝুলে থাকে।টাকা যেদিকে যায়, বিচারও সেদিকেই হেলে পড়ে।

এই বিচারহীনতা অপরাধকে উৎসাহ দেয়।
যখন ধর্ষক,খুনি,অপরাধী জানে যে তার গায়ে হাত পড়বে না যদি তার পেছনে ক্ষমতা থাকে,তখন সে থামে না। ভুক্তভোগী মা-বাবার কান্না ফাইলচাপা পড়ে যায়।আইন কাগজে থাকে,প্রয়োগ হয় না।এভাবে কোনো রাষ্ট্রযন্ত্র ২০২৬ সালে এসে টিকতে পারে না।

স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে হাজারো মানুষের ত্যাগে।সেই দেশে কোনো অপরাধী,খুনি-ধর্ষকের বেঁচে থাকার অধিকার থাকতে পারে না।

একটা জাতি তখনই এগোয়, যখন তার সবচেয়ে দুর্বল নাগরিকও জানে—রাষ্ট্র তার পাশে আছে।যদি সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা না থাকে,যদি বিচার টাকার কাছে বিক্রি হয়,তাহলে যত উন্নয়নের গল্পই বলি,ভেতরটা ফাঁপা থেকেই যায়।

23/05/2026

রাগ নিজের মধ্যে থাকা ভালো গুনাবলিকে নষ্ট করে দেয়।যার মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত রাগ থাকে-তাকে ধ্বংস করার জন্য বাহিরের শত্রুর প্রয়োজন হয় না।তার নিজের রাগ ই তাকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।

ইতিহাস সাক্ষী আছে।

23/05/2026

বিচারহীনতা রাষ্ট্রকে দুর্বল করে দেয়।

দিবালোকে সন্ত্রাস,ধর্ষণ,খুন,খাদ্যে ভেজাল—অপরাধীরা শাস্তি না পেলে আইনের শাসন বলে কিছু থাকে না।বিচার না হলে অপরাধের বিচার শূন্য হয়ে যায়।অপরাধের বিচার শূন্য হলে সমাজে নৈরাজ্য অনিবার্য।কোনো দেশ মালয়েশিয়া বা সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত হতে পারে না যদি নাগরিকের জান-মালের নিরাপত্তাই নিশ্চিত না হয়।

একটা ইস্যু তৈরি হয়,মানুষ ক্ষুব্ধ হয়, রাস্তায় নামে, সরকার সমাধানে আসে কিন্তু সমস্যার মূলে যাওয়া হয় না। শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য—যে বিষয়গুলো আসলে দেশকে এগিয়ে নেয়,সেগুলো আলোচনার বাইরে থেকে যায়।

ইস্যুর পর ইস্যু তৈরি করে আমরা সময় নষ্ট করছি।বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তি,গবেষণা আর শাসনব্যবস্থার দক্ষতায়। রাষ্ট যদি অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করে,দুর্নীতি না থামায়,শিক্ষার মান নিয়ে গবেষনা না করে-তাহলে শক্তিশালী বিশ্বের সাথে দাঁড়ানো তো দূরের কথা,নিজেদের টিকিয়ে রাখাই কঠিন হবে।

বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া বেশি কিছু না।তারা চায় নিরাপদে বাঁচতে, ন্যায়বিচার পেতে,আর গর্ব করে বলতে—“আমরা পারি”।সেই পরিবেশটা তৈরি করে দেওয়া সরকারের ই কাজ।

22/05/2026

আজও মুগ্ধ হই কিন্তু ফিরতে পারি না

আমি আজও ছুটে যাই আগলে রাখব বলে কিন্তু দেহ দেখে ভুলে যাই,প্রাণ তো কবেই উড়ে গেছে অন্য কোথাও।এখনো কিছু কথার ভাঁজে ভাঁজে স্পন্দন জেগে ওঠে,উষ্ণতা ছড়ায়।পাগলের মতো করে বলা কথাগুলো ভুলে গেছি-যে কথাগুলো একসময় ছুঁয়ে গেলেই শরীরে বিদ্যুৎ খেলে যেত।প্রতিরোধ করার আগেই মন মেনে নিত।মুখে এক অসহায় হাসি লাগিয়ে আয়নার কাছে দাঁড়াই কিন্তু ভেতরে ভেতরে একরাশ মিশ্রিত অনুভূতি।রঙ ফিকে হয়ে যাওয়া স্মৃতির ছায়া লেগে আছে চোখের কোণে।

অবাক হই ফেলে আসা সেই সব দিনের কাছে।আমি ঋণী।এখনো খোঁজ রাখি সেইসব অনুভূতির শুধু সেখানে ফেরা হয় না।

22/05/2026

প্রস্তুতি ও সুযোগের মেলবন্ধনে যা ঘটে,তাই হল ভাগ্য।

-সেনেকা

21/05/2026

'ধর্ষনের পর শিশু রামিসাকে হত্যা'

পৃথিবীর আর কোথাও এতো অসভ্য বর্বর পুরুষ পাওয়া যাবে না।এই জানোয়ার,ধর্ষক,হত্যাকারি পুরুষটাকে বিচারের রায়ে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক।এমন দৃষ্টান্তে তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক যাতে অন্য কোনো পুরুষ নারীকে ধর্ষন করতে গেলে যেন তার ডান্ডা অবশ হয়ে যায়।এমন দৃষ্টান্ত যদি আজ কার্যকর হয় তাহলে দ্বিতীয় কেউ শাস্তির ভয়ে ধর্ষন নামক অপরাধ করতে গেলে ভয়ে কেঁপে উঠবে।

Address

Sunamganj
3001

Telephone

+8801742909785

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sumon Biswas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sumon Biswas:

Share