Rajowanul Korim

Rajowanul Korim Steadfast for justice. Committed to the truth.

জীবন ও মানুষের দ্বিচারিতা"বিচিত্র এই ধরণীর মানুষ! অদ্ভুত তাদের চারিত্রিক বৈপরীত্য। একদিকে তারা অন্যায় আর জুলুমের বিষবাষ্...
28/01/2026

জীবন ও মানুষের দ্বিচারিতা
"বিচিত্র এই ধরণীর মানুষ! অদ্ভুত তাদের চারিত্রিক বৈপরীত্য। একদিকে তারা অন্যায় আর জুলুমের বিষবাষ্প ছড়ায়, অন্যদিকে সুশোভিত কণ্ঠে ইনসাফের বুলি আওড়ায়। নিজের হাতে চৌর্যবৃত্তি করেও তারা চোরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার স্পর্ধা দেখায়। এমনকি যে হাতে মানুষের রক্ত লেগে থাকে, সেই হাত তুলেই তারা জানাজার প্রথম কাতারে দাঁড়াতে কুণ্ঠাবোধ করে না।

সবাই যখন মিথ্যার এই স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়েছে, তখন আমি তাদের মিছিলে নিজেকে মেলাতে পারিনি। তাই হয়তো সবার চোখে আমি আজ কিছুটা 'বেমানান' বা 'উল্টো'। আমি অপেক্ষা করছি সেই শুভ্র হৃদয়ের মানুষের জন্য, যাঁর সংস্পর্শে আমি আবার আগের মতো সোজা হয়ে দাঁড়াব।

তবে মানুষ যেমনই হোক, আমার গন্তব্য স্থির— আমি সত্যের পথেই অবিচল থাকব, ইনশাআল্লাহ।"

সামনে পড়লে রেসপন্স কইরেন🙏ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের ভাই কিন্তু এখনো তার বিচার পায় নি।
27/01/2026

সামনে পড়লে রেসপন্স কইরেন🙏
ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের ভাই কিন্তু এখনো তার বিচার পায় নি।


আমাদের শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সংঘাতবিষয়: ১০ম শ্রেণির ইংরেজি বইয়ের "Becoming a Woman" তত্ত্ব প্রসঙ্গে আমাদের অবস্থান।...
27/01/2026

আমাদের শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সংঘাত
বিষয়: ১০ম শ্রেণির ইংরেজি বইয়ের "Becoming a Woman" তত্ত্ব প্রসঙ্গে আমাদের অবস্থান।

সম্প্রতি ২০২৬ সালের ১০ম শ্রেণির ইংরেজি বইয়ের Unit 2 (Nature's Tapestry)-এ নারীর সামাজিক পরিচয় নিয়ে যে আলোচনা করা হয়েছে, তা ইসলামি আকীদা ও ফিতরাতের (প্রকৃতি) সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। বইয়ের একটি অংশে দাবি করা হয়েছে যে, মেয়েরা মূলত মেয়ে হয়ে জন্মায় না, বরং সমাজ তাদের মেয়ে হিসেবে তৈরি করে।

একজন মুসলিম হিসেবে এই বিভ্রান্তিকর তত্ত্বের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন:

১. সৃষ্টির শুরু থেকেই নারী ও পুরুষ ভিন্ন (বইয়ের রেফারেন্স বনাম কুরআন)
পাঠ্যবইয়ে (Unit 2) বলা হচ্ছে নারীত্ব একটি 'সামাজিক নির্মাণ'। অথচ আল-কুরআন বলছে, আল্লাহ তাআলা মানুষকে শুরু থেকেই নির্দিষ্ট লিঙ্গ ও জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।

"আর তিনিই সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়—নর ও নারী।" (সূরা আন-নাজম: ৪৫)

অর্থাৎ নারী হওয়া কোনো 'সামাজিক প্রথা' নয়, বরং এটি মহান আল্লাহর দেওয়া একটি জন্মগত ও প্রাকৃতিক পরিচয়।

২. ভিন্নতা মানেই বৈষম্য নয়
বইটিতে চিরাচরিত নারীসুলভ আচরণকে নেতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ইসলাম শিখিয়েছে, নারী ও পুরুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন আলাদা কারণ তাদের দায়িত্ব আলাদা।

পুরুষকে করা হয়েছে 'ক্বাওয়াম' বা রক্ষণাবেক্ষণকারী।

নারীকে দেওয়া হয়েছে মাতৃত্বের পরম মমতা ও পরিবারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব। এই বৈচিত্র্য আল্লাহর হিকমত, এটি কোনো চাপিয়ে দেওয়া বোঝা নয়।

৩. হাদিসের আলোকে সাবধানতা
রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে অভিশাপ দিয়েছেন ওইসব পুরুষদের যারা নারীর বেশ ধরে এবং ওইসব নারীদের যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে (সহীহ বুখারী: ৫৮৮৫)। যখন শিক্ষা ব্যবস্থায় শেখানো হয় যে "নারীত্ব" একটি কৃত্রিম বিষয়, তখন তা পরোক্ষভাবে এই হাদিসের বিধানকে অমান্য করতে উৎসাহিত করে।

৪. আমাদের দাবি
শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন কোনো তত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নয় যা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানে। আমরা চাই আমাদের কন্যারা "নারী" হিসেবে তাদের জন্মগত পরিচয়ে গর্বিত হোক, তারা যেন পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী দর্শনে বিভ্রান্ত না হয়।

"হে মানুষ! ভয় করো তোমাদের প্রতিপালককে, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক সত্তা থেকে এবং তা থেকে সৃষ্টি করেছেন তার জোড়া।" (সূরা আন-নিসা: ১)

রেজওয়ান 🖊️

16/01/2026

এরকম কথা বলার মানুষ আর দেশে জন্মাবে না 😭

16/01/2026

শোকের যেখানে শেষ, রক্তের সেখানে শুরুপৃথিবীর ইতিহাসে শোক প্রকাশের কতশত ভাষা আমরা দেখেছি, কিন্তু গাজার এই মায়ের আর্তনাদ যে...
14/01/2026

শোকের যেখানে শেষ, রক্তের সেখানে শুরু
পৃথিবীর ইতিহাসে শোক প্রকাশের কতশত ভাষা আমরা দেখেছি, কিন্তু গাজার এই মায়ের আর্তনাদ যেন সব ভাষাকে হার মানিয়েছে। চার সন্তানের নিথর দেহ কাঁধে নিয়ে পাথর হয়ে যাওয়া এক জননী—যার চোখের জল ফুরিয়ে আজ রক্তের ধারা নামছে। এটি কেবল কোনো শারীরিক অসুস্থতা নয়, এটি একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতার গালে এক চরম চপেটাঘাত।

হৃদয় খুঁড়ে আসা কিছু পঙক্তি:

অশ্রু যখন রক্তিম: জনম জনম ধরে মায়েরা সন্তানের জন্য অশ্রু বিসর্জন দেয়। কিন্তু যখন সেই শোক সাগরের গভীরতাকেও ছাড়িয়ে যায়, যখন কান্নার বেগ সহ্য করার ক্ষমতা চোখের মণি হারিয়ে ফেলে, তখনই বোধহয় বিধাতা অশ্রুর বদলে রক্ত ঝরান। এই রক্ত কেবল গাজার সেই মায়ের নয়, এটি মানবতা আর বিবেকের রক্তক্ষরণ।

শোকের মহাকাব্য: যে কোলে চার-চারটি চাঁদ খেলে বেড়াত, সেই কোল আজ শূন্য। ইসরাইলি বুলেটে বিদ্ধ চার সন্তানের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকা এই মা আজ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সত্যের মুখোমুখি—যেখানে ন্যায়বিচার কেবলই মরীচিকা।

নীরব বিশ্বের নীরবতা: আজ এই জননীর চোখ দিয়ে ঝরা প্রতিটি রক্তবিন্দু প্রশ্ন করছে এই বিশ্বকে—তোমাদের মানবাধিকারের সংজ্ঞা কি কেবল বিশেষ কোনো ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ? তোমাদের বিবেক কি গাজার এই কান্নার চেয়েও বেশি বধির?

উপসংহার: মা, তোমার এই রক্তমাখা চোখ আমাদের বলে দিচ্ছে, আমরা কত বড় এক অপরাধী সময়ে বাস করছি। তোমার সন্তানদের শাহাদাত আর তোমার এই ত্যাগের প্রতিটি ফোঁটা রক্ত ইনশাআল্লাহ একদিন অন্যায়ের ভিত্তি কাঁপিয়ে দেবে। আমরা লজ্জিত মা, আমরা তোমার এই শোকের ভার বইবার ক্ষমতা রাখি না।

13/01/2026
12/01/2026

গণমাধ্যমের নীরবতা ও উপেক্ষিত হাহাকার: একটি জাগ্রত জিজ্ঞাসা
জাগরণী এ্যালার্ট 🟡

আমরা কি তবে বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাচ্ছি? যখন চারদিকের সস্তা বিনোদন আর তুচ্ছ বিতর্কের জোয়ারে ডুবে আছে জনপদ, তখন পর্দার আড়ালে ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে এক পৈশাচিক অন্যায়ের বিচার। ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের, শহীদ হাদি ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের যে সাজানো চার্জশিট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন— সেই খবর কি পৌঁছাতে পেরেছে আপনার কর্ণকুহুরে? নাকি আমরা কেবল তুচ্ছতেই মজে আছি?

ছয় মাস আগের পুরনো বিচ্ছেদ গাথা, হাজার কোটির প্রমোদ-চলচ্চিত্র, খেলার মাঠের দালালি কিংবা কচুক্ষেতের সস্তা চুলকানি— এইসব তথাকথিত 'ইস্যু' কি এতটাই ভারী যে একটি তাজা প্রাণের রক্তের দাগ মুছে দিচ্ছে? যখন রুমিরা শহীদ হাদিকে লালসালুর ভণ্ড পীরের সাথে তুলনা করার ধৃষ্টতা দেখায়, তখন আমাদের চেতনা কি ঘুমিয়ে থাকে?

প্রশ্ন তুলুন! কেন এই চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করা হলো? কী এমন লুকানো ষড়যন্ত্রের নীল নকশা আঁকা হয়েছে সেই নথিতে? দেশের তথাকথিত 'প্রথম সারির' গণমাধ্যমগুলো কেন আজ মুখে কুলুপ এঁটেছে?

আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা শহীদের রক্তের খবর প্রচার করতে কার্পণ্য করে, তারাই আবার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে বিশেষ মতাদর্শের বন্দনায় মত্ত থাকে। বামপন্থী কাগজগুলো যখন বিশেষ দিবস পালনের মহড়ায় ব্যস্ত, কিংবা বিনডিয়া-পন্থী শিক্ষকদের প্রতি সুক্ষ্ম সহানুভূতি জাগিয়ে ছাত্রদের 'ভিলেন' বানানোর অপচেষ্টা চালায়— তখন কি আপনি তাদের চতুরতা ধরতে পারেন না?

সাবধানবাণী: কচুক্ষেতীয় সংস্কৃতি, মেরুদণ্ডহীন মিডিয়া আর এই সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীদের থেকে সতর্ক থাকুন। এরা আজ যাদের পদলেহন করছে, তারা এই মাটির শত্রু। সত্যের পথ কণ্টকাকীর্ণ হতে পারে, কিন্তু সেই পথে হাঁটা ছাড়া আমাদের মুক্তির আর কোনো গন্তব্য নেই।

শহীদ হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। সত্য বেরিয়ে আসবেই।

বিচারের কাঠগড়ায় বিবেকযেই মানুষটি একবুক স্বপ্ন আর অধিকারের লড়াই নিয়ে আমাদের মাঝে স্মিত হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকতো, আজ কি তবে ...
12/01/2026

বিচারের কাঠগড়ায় বিবেক
যেই মানুষটি একবুক স্বপ্ন আর অধিকারের লড়াই নিয়ে আমাদের মাঝে স্মিত হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকতো, আজ কি তবে সেই মুখটি শুধুই স্মৃতির পাতায় ধূসর হয়ে যাবে? বিচারের বাণী যেখানে নিভৃতে কাঁদে, সেখানে আমরা কি আজ তাকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে দেব?

যদি এই অকালমৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তবে বুঝে নিতে হবে আমাদের বিবেকের দেয়াল ধসে পড়েছে। আজ যদি তার রক্তঋণ শোধ করা না হয়, তবে আগামী দিনের প্রতিটি অন্যায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে দ্বিগুণ শক্তিতে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি যদি আজ জয়ী হয়, তবে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধেরই আর শেষ রক্ষা হবে না; প্রতিটি অনাচার কেবল নতুন অনাচারের পথ প্রশস্ত করবে।

একটি নিরাপদ আগামীর স্বার্থে আজ তার জন্য বিচার পাওয়াটা কেবল একটি পরিবারের চাওয়া নয়, বরং পুরো জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার দায়। সত্যের অপমৃত্যু যেন আমাদের নিয়তি না হয়ে দাঁড়ায়।

07/01/2026

ছোট থেকে বড় সবাই ভাইটার জন্য কান্না করে😭

06/01/2026

কে মারলো হাদিকে
Who killed Hadi
এমন আজাদীকে
Such a freedom
মানুষ দিকে দিকে
People everywhere
ফুসেছে দ্রোহ লিখে
Are seething, writing rebellion

Address

Sylhet

Telephone

+8801316978480

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajowanul Korim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajowanul Korim:

Share