12/01/2026
গণমাধ্যমের নীরবতা ও উপেক্ষিত হাহাকার: একটি জাগ্রত জিজ্ঞাসা
জাগরণী এ্যালার্ট 🟡
আমরা কি তবে বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাচ্ছি? যখন চারদিকের সস্তা বিনোদন আর তুচ্ছ বিতর্কের জোয়ারে ডুবে আছে জনপদ, তখন পর্দার আড়ালে ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে এক পৈশাচিক অন্যায়ের বিচার। ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের, শহীদ হাদি ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের যে সাজানো চার্জশিট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন— সেই খবর কি পৌঁছাতে পেরেছে আপনার কর্ণকুহুরে? নাকি আমরা কেবল তুচ্ছতেই মজে আছি?
ছয় মাস আগের পুরনো বিচ্ছেদ গাথা, হাজার কোটির প্রমোদ-চলচ্চিত্র, খেলার মাঠের দালালি কিংবা কচুক্ষেতের সস্তা চুলকানি— এইসব তথাকথিত 'ইস্যু' কি এতটাই ভারী যে একটি তাজা প্রাণের রক্তের দাগ মুছে দিচ্ছে? যখন রুমিরা শহীদ হাদিকে লালসালুর ভণ্ড পীরের সাথে তুলনা করার ধৃষ্টতা দেখায়, তখন আমাদের চেতনা কি ঘুমিয়ে থাকে?
প্রশ্ন তুলুন! কেন এই চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করা হলো? কী এমন লুকানো ষড়যন্ত্রের নীল নকশা আঁকা হয়েছে সেই নথিতে? দেশের তথাকথিত 'প্রথম সারির' গণমাধ্যমগুলো কেন আজ মুখে কুলুপ এঁটেছে?
আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা শহীদের রক্তের খবর প্রচার করতে কার্পণ্য করে, তারাই আবার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে বিশেষ মতাদর্শের বন্দনায় মত্ত থাকে। বামপন্থী কাগজগুলো যখন বিশেষ দিবস পালনের মহড়ায় ব্যস্ত, কিংবা বিনডিয়া-পন্থী শিক্ষকদের প্রতি সুক্ষ্ম সহানুভূতি জাগিয়ে ছাত্রদের 'ভিলেন' বানানোর অপচেষ্টা চালায়— তখন কি আপনি তাদের চতুরতা ধরতে পারেন না?
সাবধানবাণী: কচুক্ষেতীয় সংস্কৃতি, মেরুদণ্ডহীন মিডিয়া আর এই সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীদের থেকে সতর্ক থাকুন। এরা আজ যাদের পদলেহন করছে, তারা এই মাটির শত্রু। সত্যের পথ কণ্টকাকীর্ণ হতে পারে, কিন্তু সেই পথে হাঁটা ছাড়া আমাদের মুক্তির আর কোনো গন্তব্য নেই।
শহীদ হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। সত্য বেরিয়ে আসবেই।