01/11/2025
শেষের কবিতার লাবণ্য নাকি সাতকাহনের দীপাবলি?
শেষের কবিতায় লাবণ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, একটা মেয়ের ম্যাচুরিটির চেয়ে দামী কিছু অফার করার নেই। স্ট্রং মাইন্ডসেট তৈরির চাইতে জরুরি কোন চর্চা নেই। আত্মসম্মানবোধ অর্জনের চেয়ে বড় কোনো এচিভমেন্ট নেই।
ভাগ্যকে দোষারোপ না করে, কিভাবে ভাগ্য বদলে ফেলতে হয়, দুঃসাহসী হতে হয়, ছোট্ট একটা ডিঙি দিয়ে কি করে সমুদ্র পাড়ি দিতে হয়, তা সাতকাহনের দীপাবলি পড়ে প্রায় প্রতিটা মেয়েই শিখে।
তাদের সাথে পরিচয় না হলে যে মেয়েদের জীবন কাটবে না, এমন নয়। কিন্তু তাদের চেনার পর, একটা মেয়ের জীবন কিছুতেই আর আগের মতো শুধু 'কেটে' যাবে না। কারণ জীবন মানে শুধুই কাটিয়ে যাওয়া নয়। জীবন মানে সামান্য একটা মেয়ে থেকে অসামান্য একজন নারীতে পরিণত হওয়া।সত্যের আলো দিয়ে মিথ্যের কালো দূর করতে চাওয়া।
লাবণ্য, দীপাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটা মেয়েই ধাক্কা খায়। অল্প সাঁতার জেনে বেশি পানিতে পড়ে যাওয়ার মতো হাবুডুবু খায়। ট্রাস্ট মি, এই ধাক্কাটার, এই হাবুডুবুটার দরকার ভীষণ। 🤍
যে মেয়ে তাঁদের হজম করতে পারে, সেই মেয়ে জানে তার পথে কাচের টুকরো বা তাতানো কংক্রিট যাই আসুক না কেন, তাকে বসতে হবে গিয়ে পাহাড়ের চুড়ায়। তার আগ পর্যন্ত যেখানে সেখানে দাঁড়াতে নেই। কোথাও হার মানতে নেই।।