Musa Sarwar

Musa Sarwar Hello, I'm Musa Sarwar. I'm originally from Chhatak but I've been living here in Sylhet for 15 year

অবিবাহিতদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণাযারা অবিবাহিত তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত...
26/05/2022

অবিবাহিতদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

যারা অবিবাহিত তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক বেশি। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজির এক গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা অনুসারে, অবিবাহিত ব্যক্তিরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সীমিত সামাজিক জনসংযোগের মধ্যে থাকেন। আর এই কারণেই বাড়ে হৃদরোগের সম্ভাবনা। হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সেই পরিস্থিতি সামলানোর মতো আত্মবিশ্বাস বিবাহিতদের তুলনায় অবিবাহিতদের মধ্যে কম থাকে। এই পার্থক্যের কারণে অবিবাহিতদের হৃদরোগের পরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

জার্মানির ইউনিভার্সিটি হসপিটাল ওয়ারজবার্গের কমপ্রিহেনসিভ হার্ট ফেলিওর সেন্টারের চিকিৎসক ফ্যাবিয়ান কেরওয়াগেন জানান, জনসংযোগ মানুষকে দীর্ঘমেয়াদী পরিস্থিতি পরিচালনা করতে সহায়তা করে। জীবনসঙ্গী পাশে থাকলে তিনি আপনার খেয়াল রাখতে পারেন। অসুখ হলে ওষুধ খাওয়ানো থেকে শুরু করে আপনার যাবতীয় খুঁটিনাটির দিকে নজর রাখেন তিনি। ফলে রোগীর জন্য স্বাস্থ্যকর আচরণ মেনে চলা সহজ হয়। দীর্ঘায়ু হওয়ার জন্য এসব অভ্যাস জরুরি। অর্থাৎ কেবল সঙ্গী নয়, সামাজিক মেলামেশাও এ ক্ষেত্রে ভীষণ জরুরি।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

27/07/2021

∎ British High Commission Dhaka ∎

To assist customers, the Home Office International Operations and Visas provides a list of financial institutions from which we will accept financial statements submitted in support of applications under all tiers of the points-based system.

The Home Office International Operations and Visas will accept financial statements in support of points-based system applications from institutions in Bangladesh listed below:

▶AB Bank Limited
▶BRAC Bank Ltd
▶Citi Bank
▶Commercial Bank of Ceylon Ltd
▶Dhaka Bank Ltd
▶Eastern Bank Limited
▶First Security Islami Bank Ltd
▶Hong Kong and Shanghai Banking Corporation Ltd (HSBC)
▶Mutual trust Bank Ltd
▶National Credit and Commerce Bank Ltd
▶One Bank Ltd
▶Shahjalal Islami Bank Ltd
▶Southeast Bank Ltd
▶Standard Chartered Bank
▶State Bank of India
▶Prime Bank Ltd
▶Pubali Bank Ltd
▶Woori Bank Ltd
▶Bank Alfalah Limited
▶The City Bank Ltd
▶Trust Bank Ltd

In addition, the Home Office International Operations and Visas in Bangladesh will also now accept financial statements from the following banks in Bangladesh until further notice:

➘Premier Bank Limited
➘Standard Bank Limited
➘IFIC Bank Limited

10/07/2021

💢 https://youtu.be/a-ZFrTtr5YE
Hazrat Shahjalal International Airport, Dhaka
হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা

29/05/2021

ভুমিকম্প কেন হয়? কোরআন-হাদীস কি বলে?

এই ছোট ছোট ভূমিকম্পন একদিন মহা ভূমিকম্পনের সৃষ্টি করবে। সেই দিনটিই হলো কেয়ামত। কোরআন-হাদীসে অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে সেই ভূমিকম্পের। সেই মহাধসের আগের প্রেক্ষাপটও বর্ণনা করা হয়েছে বিস্তারিত। নিচে কোরআনের একটি সুরা ও একটি হাদীসে বর্ণিত সেই ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হলো-

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
” ১) যখন পৃথিবী তার (চূড়ান্ত) কম্পনে প্রকম্পিত হবে।
(২) যখন ভূগর্ভ তার বোঝাসমূহ উদ্গীরণ করবে।
(৩) এবং মানুষ বলে উঠবে, এর কি হ’ল?
(৪) সেদিন সে (তার উপরে ঘটিত) সকল বৃত্তান্ত বর্ণনা
করবে।
(৫) কেননা তোমার পালনকর্তা তাকে প্রত্যাদেশ করবেন।
(৬) সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে
তাদের কৃতকর্ম দেখানো যায়।
(৭) অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা সে দেখতে
পাবে।
(৮) এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও সে দেখতে
পাবে।’’
[সূরা যিলযাল ৯৯;১-৮]

আবু হুরাইরা (রা.) কতৃক বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

“১.যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে,
২.কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে কিন্তু তার
খিয়ানত করা হবে (অর্থাৎ যার সম্পদ সে আর ফেরত পাবে না),
৩. জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে,
৪.ধর্মীয় শিক্ষা ব্যতীত বিদ্যা অর্জন করাহবে,
৫.একজন পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে কিন্তু তার মায়ের
সাথে বিরূপ আচরণ করবে,
৬.বন্ধুকে কাছে টেনে নিবে আর পিতাকে দূরে সরিয়ে
দিবে,
৭.মসজিদে উচ্চস্বরে শোরগোল (কথাবার্ত) হবে,
৮.জাতির সবচেয়ে দূর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসক রুপে
আবির্ভূত হবে, ৯.সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি জনগণের নেতা
হবে,
১০.একজন মানুষ যে খারাপ কাজকরে খ্যাতি অর্জন করবে তাকে
তার খারাপ কাজের ভয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হবে,
১১.বাদ্যযন্ত্র এবং নারী শিল্পীর ব্যাপক প্রচলন হয়ে যাবে,
১২.মদ পান করা হবে (বিভিন্ন নামে মদ ছড়িয়ে পড়বে),
১৩.শেষ বংশের লোকজন তাদের পূর্ববর্তী মানুষগুলোকে অভিশাপ দিবে।এমন সময় আসবে যখন তীব্র বাতাস প্রবাহিত হবে তখন একটিভূমিকম্প সেই ভূমিকে তলিয়ে দিবে (ধ্বংস স্তুপে পরিণতহবে বা পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাবে) ।”‘

[তিরমিযি কতৃক বর্ণিত, হাদিস নং – ১৪৪৭]

আল্লাহ তায়ালা কোরআন , হাদিস বুঝে মেনে চলার তাওফিক দান করুন -আমিন ।

29/05/2021

কোরআন ও হাদিসে ভূমিকম্প প্রসঙ্গ

যখন কোথাও ভূমিকম্প হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয় কিংবা ঝোড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন মানুষের উচিত মহান আল্লাহর কাছে অতি দ্রুত তাওবা করা। তাঁর কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। মহান আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা

জানা গেছে, ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীড়নের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হঠাৎ মুক্তি ঘটলে ভূপৃষ্ঠ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এমন আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প ((Earthquake) বলে। সাধারণত তিনটি কারণে ভূমিকম্পের উত্পত্তি হয়ে থাকে—ভূপৃষ্ঠজনিত, আগ্নেয়গিরিজনিত ও শিলাচ্যুতিজনিত কারণে ভূমিকম্প হয়।

পবিত্র কোরআনে ‘ভূমিকম্প’ (Earthquake) নামের একটি সুরা আছে। এর নাম হলো ‘জিলজাল’। ‘জিলজাল’-কে ইংরেজিতে convulsion বলা হয়। এর ভয়াবহতা বোঝাতে when the Earth is shaken to (utmost) convulsion বলা হয়।

মানুষের কর্মকুশলতা পরীক্ষার জন্য মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন ‘জীবন ও মৃত্যু’। সুরা মুলকের সূচনায় আছে : ‘খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়াতা...’ অর্থাৎ আল্লাহ জীবনের আগেই মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষা করেন নানাভাবে। মানুষ অনিবার্য কিয়ামতের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা এক মহাপ্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প। ইরশাদ হয়েছে : ‘পৃথিবী ভীষণভাবে উঠিবে কাঁপিয়া/ভিতরের বোঝা দেবে বের করিয়া।/ মানুষ বলিবে তখন কী হলো ইহার/ব্যক্ত করিবে খবর যাবতীয় তার।’ (কাব্যানুবাদ, সুরা জিলজাল : ১-৪)

বুয়েটের গবেষকদের প্রস্তুতকৃত ভূকম্পন-এলাকাভিত্তিক মানচিত্রে দেখা যায়, বাংলাদেশের ৪৩% এলাকা ভূমিকম্পের উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে (জোন-১), ৪১% এলাকা মধ্যম (জোন-২) এবং ১৬% এলাকা নিম্ন ঝুঁকিতে (জোন-৩) রয়েছে। অথচ ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দের ভূকম্পন মানচিত্রে ২৬% উচ্চ, ৩৮% মধ্যম এবং ৩৬% নিম্ন ঝুঁকিতে ছিল।

নতুন মানচিত্র অনুযায়ী মাত্রাভেদে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার অবস্থান নিম্নরূপ : জোন-১ : পঞ্চগড়, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সম্পূর্ণ অংশ, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের অংশবিশেষ। জোন-২ : রাজশাহী, নাটোর, মাগুরা, মেহেরপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী ও ঢাকা। জোন-৩ : বরিশাল, পটুয়াখালী, এবং সব দ্বীপ ও চর। তবে দেখা যাচ্ছে, ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে ভূমিকম্প সংঘটনের হার বেড়েছে, অর্থাৎ ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, গবেষকরা জানিয়েছেন, যেকোনো সময় বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে।

ভূকম্পনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন, যাতে তারা অনুতপ্ত হয় এবং আল্লাহর পথে ফিরে আসে। এরই সঙ্গে আমাদের অবশ্যই চিন্তা করা উচিত, কেন এত ভূমিকম্প হচ্ছে?

মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সতর্ক করার জন্য বিভিন্ন ধরনের নিদর্শন সৃষ্টি করেন। বান্দাদের উচিত তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া, যাতে করে তারা তাদের ভুল বুঝতে পারে, তাদের বোধোদয় হয়।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি ভয় দেখানোর জন্যই (তাদের কাছে আজাবের) নিদর্শনগুলো পাঠাই।’ (সুরা বনি ইসরাইল : ৫৯)। মহান আল্লাহ আরো বলেন, “বলে দাও, ‘আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম।’ ’’ (সুরা আনআম : ৬৫)

বুখারি শরিফে জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘‘ ‘যখন তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম’ আয়াতটি নাজিল হলো, তখন রাসুল (সা.) বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ ” (বুখারি) শায়খ ইস্পাহানি (রহ.) এই আয়াতের তাফসির করেছেন এভাবে : ‘এর ব্যাখ্যা হলো, ভূমিকম্প ও ভূমিধসের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাওয়া (পৃথিবীতে ভূমিকম্প হওয়া)।’

বর্তমানে যেসব ভূমিকম্প ঘটছে, তা মহান আল্লাহর প্রেরিত সতর্ককারী নিদর্শনগুলোর একটি। এগুলো দিয়ে তিনি তাঁর বান্দাদের ভয় দেখিয়ে থাকেন। এগুলো মানুষের পাপের ফল। আল্লাহ বলেন, ‘যে বিপদ-আপদই তোমাদের ওপর আসুক না কেন, তা হচ্ছে তোমাদের নিজেদের হাতের কামাই। আর আল্লাহ তোমাদের অনেক (অপরাধ) ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা : ৩০) তাই মুসলমানদের খুবই আন্তরিকভাবে মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করা উচিত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি জনপদের মানুষগুলো ইমান আনত এবং (আল্লাহকে) ভয় করত, তাহলে আমি তাদের ওপর আসমান-জমিনের যাবতীয় বরকতের দুয়ার খুলে দিতাম, কিন্তু তারা (আমার নবীকেই) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং তাদের কৃতকর্মের জন্য আমি তাদের পাকড়াও করলাম।’ (সুরা আরাফ : ৯৬)

মহান আল্লাহ আরো বলেন, ‘জনপদের মানুষগুলো কি নির্ভয় হয়ে ধরে নিয়েছে যে আমার আজাব তাদের ওপর মধ্যদিনে এসে পড়বে না—তখন তারা খেল-তামাশায় মত্ত থাকবে। কিংবা তারা কি আল্লাহর কলাকৌশল থেকেও নির্ভয় হয়ে গেছে? অথচ আল্লাহর কলাকৌশল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জাতি ছাড়া অন্য কেউই নিশ্চিত হতে পারে না।’ (আরাফ : ৯৮-৯৯)

আল্লামা ইবনু কাইউম (রহ.) বলেন, ‘মহান আল্লাহ কখনো কখনো পৃথিবীকে জীবন্ত হয়ে ওঠার অনুমতি দেন, যার ফলে তখন বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়। এটা মানুষকে ভীত করে। ফলে তারা মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করে। পাপকাজ ছেড়ে দেয়। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে এবং তাদের কৃত পাপকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়।’

তাই যখন কোথাও ভূমিকম্প হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয় কিংবা ঝোড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন মানুষের উচিত মহান আল্লাহর কাছে অতি দ্রুত তাওবা করা। তাঁর কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। মহান আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে বলেছেন, ‘যদি তুমি এমন কিছু দেখে থাকো, তখন দ্রুততার সঙ্গে মহান আল্লাহকে স্মরণ করো, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।’ (বুখারি ও মুসলিম) প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মুক্তির জন্য দরিদ্র ও মিসকিনদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং তাদের দান করা উচিত। কেননা রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘দয়া প্রদর্শন করো, তোমার প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হবে।’ (মুসনাদে আহমদ)

বর্ণিত আছে, যখন কোনো ভূমিকম্প হতো, ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তাঁর গভর্নরদের দান করার কথা লিখে চিঠি লিখতেন। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যা মানুষকে বিপর্যয় (আজাব) থেকে নিরাপদে রাখে। আর তা হলো, যথাসাধ্য সমাজে প্রচলিত জিনা-ব্যভিচার, অন্যায়-অবিচার রোধ করা। হাদিস শরিফে এসেছে, সমাজে ব্যভিচার বেড়ে গেলে ভূমিকম্প হয়।

প্রায়ই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে বাংলাদেশ। আমাদের দুর্যোগ মোকাবিলার যে সামর্থ্য, তাতে উচ্চমাত্রার ভূকম্পনে এ দেশের কী হবে, তা মহান আল্লাহই ভালো জানেন। ২০০২ সালে চট্টগ্রামে ৪০ বার ভূমিকম্প হওয়া সেই ভয়াবহতার ইঙ্গিত বহন করে। অন্যদিকে ইতিহাসে পাওয়া যায়, ২০০৫ সালের ২৪ মার্চ ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় ভূমিকম্পে ১৩ লাখ, ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার আচেহ্ প্রদেশের ভূমিকম্প ও সুনামিতে দুই লাখ ২৬ হাজার, ১৯৬০ সালের ২২ মে চিলির ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় পাঁচ হাজার মানুষ।

ভূমিকম্পের অন্য নাম কিয়ামত। এর ক্ষতি ও ভয়াবহ পরিণতির জন্য দায়ী মানুষের অপকর্ম ও অনাচার। ধর্মদ্রোহীদের শাস্তি দান প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘মিনহুম্ মান্ খাসাফনা বিহিল আরদা’—অর্থাৎ তাদের কাউকে আমি মাটির নিচে গেড়ে দিয়েছি। (আনকাবুত : ৪০) তাই সবার উচিত মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মানুষ, তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো। কিয়ামতের ভূমিকম্প এক ভয়ংকর ব্যাপার।’ (সুরা হজ : ১)

সুনামি ও এর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে যেভাবে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়, কিয়ামতের ভয়াবহতা তার চেয়ে মারাত্মক। মহান আল্লাহ বলেন, ‘(যেদিন কিয়ামত হবে) প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে তা উিক্ষপ্ত ধূলিকণায় পর্যবসিত হবে।’ (সুরা ওয়াকিয়া : ৪-৬)

প্রাকৃতিক নানা বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ মানুষের অপকর্ম। এগুলোর পথ ধরেই মানুষ কিয়ামতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সতর্ক করে প্রিয়নবী (সা.) বলেন, ‘যখন জাতির নিকৃষ্ট ব্যক্তি তাদের নেতা হবে, ক্ষতির ভয়ে মানুষকে সম্মান করা হবে, সে সময় তোমরা অপেক্ষা করো রক্তিম বর্ণের ঝড়ের (এসিড বৃষ্টি), ভূকম্পনের, ভূমিধসের, রূপ বিকৃতির (লিঙ্গ পরিবর্তন) পাথর বৃষ্টির এবং সুতো ছেঁড়া (তাসবিহ্) দানার ন্যায় একটির পর একটি নিদর্শনগুলোর জন্য।’ (তিরমিজি)

সুতরাং বলাই যায়, ধেয়ে আসছে আরো ভয়াবহ ভূমিকম্প, যদি না আমরা নিজেদের শুধরে নিই। মহান আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন, নিরাপদ রাখুন। আমরা আশা করি এবং দোয়া করি, ওলি-আউলিয়ার এই দেশে, অগণিত হাফেজ-আলেমের এই দেশে, অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসার এই দেশে আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়ে আমাদের ধ্বংস করে দেবেন না।

29/05/2021

ভূমিকম্প সম্পর্কে ১২টি বিস্ময়কর তথ্য

সারা বিশ্বেই বড়ো বড়ো ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্প হয় বাংলাদেশেও। সম্প্রতি এধরনের ভূমিকম্পের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। ভূমিকম্প হলে তার পরপরই এনিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক এই ঘটনা সম্পর্কে আমরা কতোটুকু জানি। এখানে এরকম ১২টি বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো:

১. সারা পৃথিবীতে বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে বলছে, প্রত্যেক বছর গড়ে ১৭টি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয় রিখটার স্কেলে যার মাত্রা সাতের উপরে। এবং আট মাত্রার ভূমিকম্প হয় একবার।
তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়। এর অনেকগুলো হয়তো বোঝাই যায় না। বোঝা যায় না কারণ খুব প্রত্যন্ত এলাকায় এসব হয় অথবা সেগুলোর মাত্রা থাকে খুবই কম।

২. ভূমিকম্পের কারণে দিনের দৈর্ঘ্য কমবেশি হতে পারে।
জাপানের উত্তর-পূবে ২০০৯ সালের ১১ই মার্চ একটি বড়ো ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার মাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯। এর ফলে পরিবর্তন ঘটে পৃথিবীর ভরের বণ্টনে। এবং তার প্রভাবে পৃথিবী ঘুরতে থাকে সামান্য দ্রুত গতিতে আর তখন দিনের দৈর্ঘ্য কমে যায়। সেদিন দিন ১.৮ মাইক্রো সেকেন্ড ছোট ছিলো।

৩. সান ফ্রান্সিসকো সরে যাচ্ছে লস অ্যাঞ্জেলসের দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহর প্রত্যেক বছর গড়ে দুই ইঞ্চি করে লস অ্যাঞ্জেলসের দিকে সরে যাচ্ছে। এই একই গতিতে বাড়ে আমাদের আঙ্গুলের নখ। শহরের এই অবস্থান পরিবর্তনের কারণ হচ্ছে সান অ্যানড্রেয়াস ফল্টের দুটো দিক ক্রমশ একটি অপরটিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই গতিতে চলতে থাকলে এই দুটো শহর কয়েক লাখ বছর পর একত্রিত হয়ে পড়বে।

৪. ভূমিকম্পের আগে স্থির পানি থেকে গন্ধ বের হয়।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্পের আগে পুকুর, খাল-বিল, হ্রদ, জলাশয়ের স্থির পানি থেকে দুর্গন্ধ আসতে পারে। এমনকি সেই পানি সামান্য উষ্ণও হয়ে পড়তে পারে। প্লেট সরে যাওয়ার কারণে মাটির নিচ থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তার কারণে এটা হয়ে থাকে। এর ফলে ওই এলাকার বন্যপ্রাণীর আচরণেও পরিবর্তন ঘটতে পারে। ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগ বলছে, ২০০৯ সালে ইটালিতে এক ভূমিকম্পের সময় এক ধরনের ব্যাঙ সেখান থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলো এবং ফিরে এসেছিলো ভূমিকম্পের পরে। বলা হয়, এই ব্যাঙ পানির রাসায়নিক পরিবর্তন খুব দ্রুত শনাক্ত করতে পারে।

৫. ভূমিকম্পের পরেও পানিতে ঢেউ উঠতে পারে।
ভূমিকম্পের পরেও পুকুরে কিম্বা সুইমিং পুলের পানিতে আপনি কখনো কখনো ঢেউ দেখতে পারেন। একে বলা হায় শ্যাস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্প হয়তো শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তারপরেও কয়েক ঘণ্টা ধরে অভ্যন্তরীণ এই পানিতে তরঙ্গ অব্যাহত থাকতে পারে। মেক্সিকোতে ১৯৮৫ সালে একবার ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯৮৫ সালে যেবার এই মেক্সিকো থেকে ২০০০ কিলোমিটার দূরে অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলের পানি ছিটকে পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গিয়েছিলো।

৬. ভূমিকম্পের কথা মনে রেখেই ইনকা সভ্যতা ও জাপানি বাড়িঘর তৈরি।
ভূমিকম্পের কারণে যাতে বাড়িঘর ধসে না যায় সে বিষয়টি মাথায় রেখেই ইনকা আমলের স্থাপত্য ভবন ও জাপানি প্যাগোডা নির্মিত হয়েছিলো। ৫০০ বছর আগে ইনকার স্থাপত্য কর্মীরা যখন মাচু পিচু শহর নির্মাণ করে তারা বাড়িঘর নির্মাণের ব্যাপারে একটি আদিকালের জ্ঞান কাজে লাগিয়েছিলো যাতে ঘন ঘন হওয়া ভূমিকম্পের হাত থেকে তাদের বাড়িঘর বেঁচে যেতে পারে।

৭. বেশিরভাগ ভূমিকম্পেরই উৎস প্রশান্ত মহাসাগর।
পৃথিবীতে যতো ভূমিকম্প হয় তার অধিকাংশ, ৯০ শতাংশই হয় রিং অফ ফায়ার এলাকাজুড়ে। এই এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

৮. ভূমিকম্পের কারণে চিলির একটি শহর ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায়।
২০১০ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি বড়ো ধরনের এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো চিলির কনসেপসিওন শহরে। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৮.৮। এর ফলে পৃথিবীর শক্ত উপরিভাগে ফাটল ধরে এবং শহরটি ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায়।

৯. ভূমিকম্পে খাটো হয়ে যায় এভারেস্ট।
নেপালে ২০১৫ সালের ২৫শে এপ্রিল আঘাত হানে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কমে আসে হিমালয়ের অনেক পর্বতের উচ্চতাও। মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কমে গিয়েছিলো এক ইঞ্চির মতো।

১০. জাপানি পৌরাণিক কাহিনীতে ভূমিকম্প হয়েছিলো বড়ো আকারের এক ক্যাটফিশের কারণে।
ইতিহাসে দেখা যায় জাপানি এক দ্বীপে মাটির নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিলো নামাজু নামের বিশাল এক ক্যাটফিশ। পৌরাণিক কল্প কাহিনীতে বলা হয়, অনেক ভূমিকম্প হয়েছিলো এই মাছটির কারণে।
প্রাচীন গ্রিকরা বিশ্বাস করতেন সমুদ্রের দেবতা পজিডন রেগে গিয়ে পৃথিবীর ওপর আঘাত করলে ভূমিকম্প হতো।
হিন্দু পুরাণে আছে এই পৃথিবীকে ধরে রেখেছে আটটি হাতি। এই হাতিগুলো দাঁড়িয়ে আছে একটি কচ্ছপের পিঠের ওপর। আর ওই কচ্ছপটি ছিলো কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকা একটি সাপের উপরে। এই প্রাণীগুলোর যে কোনো একটি যখন নড়ে উঠতো তখনই ভূমিকম্প হতো।

১১. ভূমিকম্পের আগে প্রাণীর আচরণে পরিবর্তন ঘটে।
ভূমিকম্পের ফলে যে শুধু ব্যাঙের আচরণেই পরিবর্তন ঘটে তা নয়, ইন্দোনেশিয়া এবং ২০০৪ সালে সুনামির আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন যে তারা অনেক পশু পাখিকে দেখেছেন উঁচু এলাকার দিকে ছুটে যেতে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন পশুপাখিরা টের পেয়ে যায়।

১২. ব্রিটিশ একজন বিজ্ঞানী ভূমিকম্পের কারণ চিহ্নিত করেছেন।
ব্রিটেনের একজন প্রকৌশলী জন মাইকেল ভূমিকম্পের কারণ উদঘাটন করেছেন। এই আবিষ্কার হয়েছে ১৮শো শতাব্দীর শুরুর দিকে। তাকে দেখা হয় ভূকম্পনবিদ্যার একজন জনক হিসেবে। তিনি বলেন, ভূ-পৃষ্ঠের বহু নিচে শিলা-খণ্ডের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

:বিবিসি

06/01/2021

S@ifur's IELTS Course Material
Listening Class - 07
Section 03 and Section 04
Questions 21-40

04/01/2021

Monopthongs
Diphthongs
Consonents

04/01/2021

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Musa Sarwar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Musa Sarwar:

Share

Category