Masum Ahmed

Masum Ahmed Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Masum Ahmed, Media, Sylhet. Zakigonj, Sylhet.

01/06/2026
মধ্যযুগীয় রসায়নবিদরা শত শত বছর ধরে সীসাকে সোনায় পরিণত করার চেষ্টা করে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিলেন। সুইজারল্যান্ডের সার্...
02/05/2026

মধ্যযুগীয় রসায়নবিদরা শত শত বছর ধরে সীসাকে সোনায় পরিণত করার চেষ্টা করে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিলেন। সুইজারল্যান্ডের সার্নের বিজ্ঞানীরা সেই চেষ্টাও করছিলেন না। তাঁরা বিগ ব্যাং-এর ঠিক পরের পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি করার জন্য লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের ভেতরে প্রায় আলোর গতিতে সীসার পরমাণুগুলোকে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ ঘটাচ্ছিলেন।

🌌 কিন্তু সেই অল্পের জন্য ঘটে যাওয়া সংঘর্ষগুলোর সময় অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটেছিল। যখন সীসার নিউক্লিয়াসগুলো একে অপরের পাশ দিয়ে ঘেঁষে যাচ্ছিল, তখন দ্রুত ওঠানামা করা শক্তি ক্ষেত্রগুলো সীসার পরমাণু থেকে ঠিক তিনটি প্রোটন ছিঁড়ে নিয়েছিল। একটি সীসার নিউক্লিয়াস থেকে তিনটি প্রোটন বাদ দিলে যা থাকে, তাই হলো সোনা। ALICE পরীক্ষাটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৮৯,০০০ বার এই রূপান্তরটি ঘটতে শনাক্ত করেছে।

২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে উৎপাদিত মোট সোনার পরিমাণ ছিল মাত্র প্রায় ২৯ ট্রিলিয়ন ভাগের এক গ্রাম এবং তা অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার আগে এক মাইক্রোসেকেন্ডেরও কম সময় স্থায়ী হয়েছিল।

⚗️ এই আবিষ্কার থেকে কেউ ধনী হচ্ছে না। কিন্তু এই বিজ্ঞানটি সত্যিই ঐতিহাসিক। মধ্যযুগীয় রসায়নবিদরা যাকে জাদু বলে মনে করতেন, পারমাণবিক গঠন বোঝার মাধ্যমেই তা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানী জিয়াংইয়ং জিয়া বলেছেন, বিমের গুণমান উন্নত করতে এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী কোলাইডার ডিজাইন করার জন্য এই আকস্মিক প্রক্রিয়াটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔬 একটি পার্টিকল অ্যাক্সিলারেটরে হাজার হাজার বছরের স্বপ্ন সত্যি হলো এবং বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ জানতই না যে এটি সম্ভব। ✨

📚 উৎস: দিমিত্রিয়েভা প্রমুখ, ফিজিক্যাল রিভিউ জার্নালস, ২০২৫। অ্যালিস কোলাবোরেশন, সার্ন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে, ঘণ্টায় ৪৩,০০০ কিমি বেগে ধেয়ে আসা সাত মাইল চওড়া একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। সেই এক...
26/04/2026

প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে, ঘণ্টায় ৪৩,০০০ কিমি বেগে ধেয়ে আসা সাত মাইল চওড়া একটি গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। সেই একটি আঘাতেই ডাইনোসরসহ পৃথিবীর ৭৫% প্রজাতি চিরতরে মুছে যায়।

মেক্সিকোর চিকসুলুবে ১১০ মাইল চওড়া বিশাল গর্ত রেখে গেলেও মাউন্ট এভারেস্টের সমান সেই গ্রহাণুর কোনো বড় ধ্বংসাবশেষ আর পাওয়া যায়নি। কারণটা সহজ, আঘাতের সময় যে শক্তি নির্গত হয়েছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পারমাণবিক বোমার চেয়ে ৮০০ কোটি গুণ বেশি। এতে গ্রহাণুটি মুহূর্তেই বাষ্পীভূত হয়ে ধুলোয় পরিণত হয়।

সেই ধুলো কয়েক দশক ধরে পৃথিবীজুড়ে বৃষ্টির মতো ঝরে ভূত্বকে তৈরি করে একটি পাতলা স্তর, যা 'ইরিডিয়াম অ্যানোমালি' নামে পরিচিত। এই স্তরে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮০ গুণ বেশি ইরিডিয়াম রয়েছে। পৃথিবীতে বিরল এই ধাতু গ্রহাণুতে প্রচুর থাকে। ১৯৯৮ সালে হাওয়াইয়ের কাছে সমুদ্রের তলদেশে পাওয়া গেছে সেই গ্রহাণুর একমাত্র ছোট টুকরোটি।

ধুলোর মেঘ সূর্যের আলো আটকে দিয়ে খাদ্যশৃঙ্খল ধ্বংস করেছিল। জন্ম দিয়েছিল ৮৯ মাইল বেগের মেগাসুনামির। ভবিষ্যতে কোনো বড় টুকরো মিললে, মহাজাগতিক আঘাতের পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে বিজ্ঞানীরা আরও নিখুঁত তথ্য পাবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, জান্নাত ও জাহান্নাম একদিন তাদের রবের কাছে বিতর্কে লিপ্ত হলো। তাদের কথোপকথন ছিল নিম্নরূপ:জাহান্নাম বল...
26/04/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, জান্নাত ও জাহান্নাম একদিন তাদের রবের কাছে বিতর্কে লিপ্ত হলো। তাদের কথোপকথন ছিল নিম্নরূপ:

জাহান্নাম বলল, "আমাকে (অধিবাসী হিসেবে) বড় বড় অহংকারী ও স্বৈরাচারী প্রতাপশালীদের দেওয়া হয়েছে।"

জান্নাত বলল, "আমার কী হলো যে, কেবল দুর্বল, সাধারণ এবং অবহেলিত মানুষরাই আমার ভেতরে প্রবেশ করছে?" (অন্য বর্ণনায় এসেছে: এবং সেই সব মানুষ যাদের দুনিয়াবাসী গুরুত্বই দিত না)।

তাদের এই বিতর্ক শুনে আল্লাহ তা’আলা জান্নাতকে বললেন:
"তুমি হলে আমার রহমত। তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করব।"

জাহান্নামকে বললেন: "তুমি হলে আমার আজাব। তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেব।"

অতঃপর আল্লাহ ঘোষণা করলেন— "তোমাদের উভয়কেই পূর্ণ করা হবে (অর্থাৎ কেউ খালি থাকবে না)।"

উভয় জগত কীভাবে পূর্ণ হবে?
হাদিসের শেষ অংশে এক বিস্ময়কর বর্ণনা রয়েছে:

(জাহান্নামে পাপীদের নিক্ষেপ করার পরও সে চিৎকার করে বলতে থাকবে— "আরও কি আছে?")। যতক্ষণ না মহান আল্লাহ তাঁর পা (কদম) জাহান্নামের ওপর রাখবেন, ততক্ষণ সে শান্ত হবে না।

আল্লাহর কুদরতি পা রাখার সাথে সাথে জাহান্নাম বলবে ”যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির কারো ওপর বিন্দুমাত্র জুলুম করবেন না।

(অন্যদিকে জান্নাত এত বিশাল যে, ঈমানদারদের প্রবেশের পরও সেখানে অনেক জায়গা খালি থেকে যাবে। )তখন আল্লাহ তাআলা নতুন এক মাখলুক সৃষ্টি করবেন, যারা জান্নাতের সেই খালি জায়গাগুলো পূর্ণ করবে। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

জাহান্নাম হলো অহংকারীদের আবাস, আর জান্নাত হলো বিনয়ী ও সরলমনাদের ঠিকানা। দুনিয়াতে যারা নিজেদের খুব ক্ষমতাধর মনে করে, আখেরাতে তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।

আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে জান্নাতিদের অন্তর্ভূক্ত হওয়ার তাওফিক দান করুন, আমিন।

26/04/2026

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! মোঃ শরিফ ভাই ফেনী, তাজু ভাইয়া

মহাকাশ থেকে পৃথিবী’র সেই রহস্যময় শেষ প্রান্তের চিত্র! যেখানে বছরে টানা ৬ মাসে রাত এবং ৬ মাস দিন থাকে! এটি পৃথিবীর একমাত্...
26/04/2026

মহাকাশ থেকে পৃথিবী’র সেই রহস্যময় শেষ প্রান্তের চিত্র! যেখানে বছরে টানা ৬ মাসে রাত এবং ৬ মাস দিন থাকে! এটি পৃথিবীর একমাত্র রহস্যের জায়গা‚ যেখানে ৬ মাস সূর্য ওঠে না‚ আর ৬ মাস সূর্য ডোবে না! এটি পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু “অ্যান্টার্কটিকা”। সেখান কোনো বৃষ্টিপাত নেই বলে‚ অ্যান্টার্কটিকাকে পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি ধরা হয়। অ্যান্টার্কটিকার অনেক জায়গায় গত ২০ লাখ বছর ধরে এক ফোঁটা বৃষ্টি বা তুষারপাত হয়নি! অবাক হবেন‚ এই জায়গায় এতই ঠান্ডা যে‚ যদি ফুটন্ত জল বাতাসে ছুঁড়ে দেন‚ তবে তা মাটিতে পড়ার আগেই বরফ হয়ে যাবে। এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে -৮৯.২°C। তাছাড়া এইখানে কোনো নির্দিষ্ট টাইম জোন বা সময় অঞ্চল নেই। কারণ পৃথিবীর সব দ্রাঘিমা রেখা এখানে এসে মিলেছে। বিজ্ঞানীরা এখানে সাধারণত তাদের নিজেদের দেশের সময় অথবা যে দেশ থেকে রসদ আসে (যেমন নিউজিল্যান্ড) সেই দেশের সময় অনুসরণ করেন। আরেকটু অবাক করতে চাই‚ দক্ষিণ মেরুর বিশাল বরফের চাদরের নিচে প্রায় ৪০০টিরও বেশি হ্রদ আছে। এই হ্রদগুলো কোটি কোটি বছর ধরে বরফের নিচে চাপা পড়ে আছে‚ যা বিজ্ঞানীদের কাছে এক বড় রহস্য। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গা কোনো না কোনো দেশের অধীনে থাকলেও‚ অ্যান্টার্কটিকা বা দক্ষিণ মেরু কোনো দেশের নয়। “অ্যান্টার্কটিক চুক্তি” অনুযায়ী এই মহাদেশটি শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং শান্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।

মজার বিষয় হচ্ছে‚ এখানে একটি জলপ্রপাত আছে যেখান থেকে লাল রঙের জল বের হয়। প্রথম দিকে মানুষ একে অলৌকিক কিছু মনে করলেও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে‚ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় বাতাসের সংস্পর্শে এসে এর রঙ লাল হয়ে যায়।
আরেকটা মজার বিষয় হচ্ছে‚ আপনি নিশ্চয়ই পেঙ্গুইন নামের ছোট্ট কিউট প্রাণী গুলাকে বিভিন্ন ইংলিশ সিনেমায় দেখে থাকবেন‚ সেগুলোর রাজত্ব কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায়। উত্তর মেরুর মতো দক্ষিণ মেরুতেও আকাশের গায়ে রঙিন আলোর নাচন দেখা যায়‚ যাকে “অরোরা অস্ট্রালিস” বলা হয়। রাতের আকাশে সবুজ‚ বেগুনি আর নীল আলোর এই দৃশ্য অ্যান্টার্কটিকাকে আরো জটিল আর সৌন্দর্য করে তুলে। আমি শুধু ভাবি‚ পৃথিবীর মতো এরকম ক্ষুদ্র একটি স্থানে যদি “মহান স্রষ্টা” এত রহস্য আর সৌন্দর্য রাখতে পারে‚ না জানি আমাদের অজানা বিশাল মহাবিশ্বে কত রহস্য আর সৌন্দর্য দ্বারা ঘিরে রেখেছে “সুবহানল্লাহ।”

চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে প্রতি সেকেন্ডে ১ কিলোমিটার।আর পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ কিলোমিটার। জাস্ট চ...
22/04/2026

চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে প্রতি সেকেন্ডে ১ কিলোমিটার।
আর পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ কিলোমিটার।

জাস্ট চিন্তা করেন কত দ্রুত ঘুরছে! যা আপনার কল্পনারো বাহিরে।
১৬০৯-১৬১৯ সালে বিজ্ঞানী কেপলার প্রথম বের করে যে দ্রুত সময়ে ঘুরছে। কত দ্রুত সময়ে ঘুরছে সেটাও বের হয়ে আরো বহু পরে।

আল্লাহ তার কোরআনে বলেন, '“নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও জমিন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন; তারপর আরশের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন, যা দ্রুতগতিতে তাকে অনুসরণ করে। আর সূর্য, চাঁদ ও নক্ষত্রসমূহকে তাঁর আদেশের অনুগত করে রেখেছেন।
জেনে রাখো, সৃষ্টি তার, হুকুমও চলবে তার। বরকতময় আল্লাহ সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক।” (৭:৫৪)

এই আয়াতে আল্লাহ আমাদের কত গভীর এক বার্তা দিয়েছেন! সুবহানাল্লাহ! এখানে 'দ্রুতগতিতে' এর কোরআনে আরবী শব্দটা হচ্ছে 'হাছিছা'। এর মানে অতি দ্রুত, তীব্র গতিতে। ইংলিশে- Rapidly, Fast-moving বুঝায়।

কোরআনে আল্লাহ এমনও বার্তা দিয়ে রেখেছে যা এই যুগের মানুষ বুঝতে পারবে না। সেই বার্তা ধরতে পারবে আরো ২০০ বছর পরের মানুষজন।

আর গোটা কোরআন মানুষ পরিষ্কার বুঝতে পারবে যখন বিচারের দিন আল্লাহ তার ফেরেস্তাদের নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হবেন।

আল-বারি, আল-খালিক এর কাছে আমরা আশ্রয় চাই। যিনি এত নিঁখুত করে এসব কিছু তৈরি করেছেন, আমাদের জীবন এবং আখিরাতেও নিঁখুত কল্যাণে সাজিয়ে দিক। 'হাছিছা' আমাদের পুলসিরাত পার করিয়ে দেক...।

মহাবিশ্ব কত বড়মহাবিশ্বের আকার বোঝানো প্রায় অসম্ভব — কারণ মানুষের মস্তিষ্ক এত বড় সংখ্যা সহজে কল্পনা করতে পারে না। তবু ...
22/04/2026

মহাবিশ্ব কত বড়
মহাবিশ্বের আকার বোঝানো প্রায় অসম্ভব — কারণ মানুষের মস্তিষ্ক এত বড় সংখ্যা সহজে কল্পনা করতে পারে না। তবু চেষ্টা করা যাক।
আমরা যতটুকু মহাবিশ্ব দেখতে পাই, তাকে বলে "পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব"। এর ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ। মানে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আলোর গতিতে গেলেও সময় লাগবে ৯৩ বিলিয়ন বছর! তুলনার জন্য বলি, আমাদের পুরো সৌরজগৎ এই বিশালতার সামনে একটি বালির দানার চেয়েও ছোট।
কিন্তু এটাই পুরো মহাবিশ্ব নয়। আমরা শুধু সেটুকুই দেখতে পাই, যেখান থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে। মহাবিশ্ব যেহেতু প্রসারিত হচ্ছে, তাই এর বাইরেও অনেক কিছু আছে যা আমরা কখনো দেখতে পাব না। প্রকৃত মহাবিশ্ব আসলে কতটা বড়, সেটা বিজ্ঞানীরা এখনো জানেন না।
সংখ্যায় বোঝানোর চেষ্টা করি। পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে আছে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন গ্যালাক্সি। প্রতিটি গ্যালাক্সিতে গড়ে ২০০ বিলিয়ন তারা। এই সংখ্যা পৃথিবীর সমুদ্র সৈকতের সব বালির দানার চেয়েও বেশি।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এত বিশাল মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবী এতটাই ক্ষুদ্র যে তুলনাই করা যায় না। তবুও এই ছোট্ট গ্রহ থেকেই মানুষ মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচন করে চলেছে — এটাই সবচেয়ে অবাক করা বিষয়!

আজকে মহাবিশ্ব নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে এই তথ্যটি পাইলাম! সেখানে বলা আছে‚ প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে আমাদের পৃথিবী তখন একদম নব...
22/04/2026

আজকে মহাবিশ্ব নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে এই তথ্যটি পাইলাম! সেখানে বলা আছে‚ প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে আমাদের পৃথিবী তখন একদম নবজাতক‚ অনেকটা উত্তপ্ত আগ্নেয়গিরির গোলার মতো। ঠিক সেই সময় মঙ্গল গ্রহের আকারের “থিয়া” নামক একটি বিশাল গ্রহাণু বা প্রোটো-প্ল্যানেট‚ প্রচণ্ড গতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। অতপর‚ থিয়া সরাসরি পৃথিবীকে আঘাত না করে কিছুটা পাশ দিয়ে (Glancing blow) প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে থিয়া নিজে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় এবং পৃথিবীর উপরিভাগের বিশাল এক অংশ মহাকাশে ছিটকে পড়ে।
তখন পৃথিবীর চারদিকে শনির বলয়ের মতো ধুলিকণা আর উত্তপ্ত পাথরের একটি বিশাল ঘূর্ণায়মান বলয় তৈরি হয়।
মজার বিষয় হচ্ছে সেখানে বলা হয়েছে‚ সে সময়ের সাথে সাথে মহাকর্ষ বলের টানে সেই ধ্বংসাবশেষগুলো একে অপরের সাথে জোড়া লাগতে শুরু করে। আর এভাবেই জন্ম নেয় আমাদের একমাত্র উপগ্রহ—❝চাঁদ❞! অদ্ভুত লাগছে নিশ্চয়ই। অ্যাপোলো মিশনে নিয়ে আসা চাঁদের মাটি বিজ্ঞানীরা যখন পরীক্ষা করেন‚ তখন দেখেন চাঁদের উপাদানের সাথে পৃথিবীর উপাদানের অদ্ভুত মিল রয়েছে। যা প্রমাণ করে চাঁদ আসলে পৃথিবীরই এক বিচ্ছিন্ন অংশ। আরেকটা অবাক করা বিষয় জানলাম‚ বলা হয়েছে- এই সংঘর্ষের ফলে পৃথিবী কিছুটা হেলে যায় (২৩.৫ ডিগ্রি)। আর এই হেলে থাকার কারণেই আমরা আজকের ঋতু পরিবর্তন দেখতে পাই!

এই ঘটনা ইসলাম কি বলে খোঁজলাম! পবিত্রে কুরআনের সূরা আল-আম্বিয়ায়(আয়াত-৩০) আল্লাহ বলেন‚ “অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে‚ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী একত্রে মিশে ছিল (সংযুক্ত ছিল), অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম!”
এই আয়াত ব্যাখা করলে কি আসে? তাহলে কি “থিয়া” সংঘর্ষের মতই আলাদা আলাদা ভাবে পৃথিবী একত্রিত হয়েছে আর চাঁদ সৃষ্টি হয়েছে? আসলেই স্রষ্টার সৃষ্টির রহস্য মাথায় ধরে না।

আমাদের পৃথিবী থেকে ২.৬ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে গেলেই মিলবে খাঁটি ❝হীরা’র❞ নীল গ্রহের দেখা। যার নাম ইউরেনাস। মজায় বিষয় হচ্ছ...
19/04/2026

আমাদের পৃথিবী থেকে ২.৬ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে গেলেই মিলবে খাঁটি ❝হীরা’র❞ নীল গ্রহের দেখা। যার নাম ইউরেনাস। মজায় বিষয় হচ্ছে‚ সেখানে আপনি ডুকলেই দেখবেন‚ বৃষ্টি পড়ছে তবে পানি নয়‚ খাঁটি হীরা’র টুকরো। আমাদের পৃথিবী থেকে সবচেয়ে কাছে ‘শুক্র’ গ্রহ হলেও হীরা রয়েছে এমন গ্রহগুলোর মাঝে ইউরেনাস’ই সবচেয়ে কাছে। ইউরেনাসের গভীরে প্রচণ্ড তাপ আর চাপে মিথেন গ্যাস ভেঙে কার্বন তৈরি হয়। সেই কার্বন জমাট বেঁধে হীরায় পরিণত হয় এবং বৃষ্টির মতো গ্রহের কেন্দ্রে পড়তে থাকে। ভাবুন তো‚ পানির বদলে হীরা ঝরছে—শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বিজ্ঞানীদের ধারণা!

তবে কেউ যদিও ভুলেও এই গ্রহে প্রবেশ করে তাকে পোহাতে হবে চরম শীতলতা। এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ‚ যেখানে তাপমাত্রা -২২৪°C পর্যন্ত নেমে যায়। বিষ্ময়কর হলো‚ এটি একটি গ্যাস ও বরফ দানব‚ তাই পা রাখার মতো কোনো শক্ত মাটি নেই; আপনি শুধু গভীরে তলিয়ে যাবেন। এর বায়ুমণ্ডলের গভীরে চাপ এতটাই বেশি যে তা যে কোনো কিছুকে মুহূর্তেই চ্যাপ্টা করে ফেলবে। তার পর আবার এর মেঘে হাইড্রোজেন সালফাইড থাকায় পুরো পরিবেশ পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধযুক্ত। ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিমি বেগের ঝড়ো হাওয়ায় টিকে থাকা অসম্ভব। সহজ কথায়, কোনো সুরক্ষা ছাড়া ইউরেনাসে ঢোকা মানে চোখের পলকে জমে যাওয়া এবং প্রচণ্ড চাপে পিষ্ট হওয়া। সৌরজগতের অন্য সব গ্রহ লাটিমের মতো সোজা হয়ে ঘুরলেও‚ ইউরেনাস একপাশে কাত হয়ে শুয়ে ঘোরে! এর ফলে এখানে একেকটি ঋতু স্থায়ী হয় প্রায় ২১ বছর। অর্থাৎ‚ একবার শীতকাল শুরু হলে তা শেষ হতে আপনার জীবনের দুই দশক পার হয়ে যাবে!

তবে কি সেখানে গিয়ে হীরা সংগ্রহ করা যাবে না? হ্যাঁ” হয়তো যাওয়া যাবে কিন্তু বর্তমানে আমাদের এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা সেখানকার প্রচণ্ড চাপ সহ্য করে সেই হীরা সংগ্রহ করে আনবে। হয়তোবা‚ কোনোদিন মানুষের তৈরি রোবট এই ❝হীরার খনি❞ জয় করবে। ততক্ষণ পর্যন্ত “মহান রবের” সৃষ্টি নীল এই গ্রহটি মহাকাশের এক দূরবর্তী বিস্ময় হয়েই থাকুক!

Address

Sylhet. Zakigonj
Sylhet

Telephone

+8801740712459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masum Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category