31/05/2026
ট্যাংক পরিষ্কারের কাজ করতে প্রথমে নিচে নেমেছিলেন শ্রমিক হৃদয় মিয়া। দীর্ঘক্ষণ তাঁর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে, ভাইকে বাঁ/চা/তে ভেতরে ঝাঁপিয়ে পড়েন খালাতো ভাই ইমান হোসেন। এরপর একে একে তাঁদের উদ্ধার করতে নামেন মেহেদী হাসান ও আরমান মিয়া।
নিশ্চিত মৃ//ত্যু//র ফাঁ/দ জেনেও কেউ নিজের জীবনের কথা ভাবেননি। সবার মনে একটাই তীব্র আকুতি ছিল—“মানুষগুলোকে যেকোনো মূল্যে বাঁ/চা/তে হবে।” কিন্তু ভেতরে জমে থাকা বি/ষা/ক্ত গ্যা/স আর অক্সিজেনের অভাবে চারজনই সেখানে ঢলে পড়েন মৃ//ত্যু//র কোলে।
শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়?
অন্যকে বাঁ/চা/তে গিয়ে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা যেমন মানবতার এক অনন্য উদাহরণ, তেমনই আমাদের সমাজ ব্যবস্থার জন্য এক বড় চড়।
কেন এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সেপটিক ট্যাংকে নামার আগে কোনো গ্যাস পরীক্ষা করা হয় না?
কেন শ্রমিকদের জন্য থাকে না ন্যূনতম কোনো অক্সিজেন সাপোর্ট বা উদ্ধার সরঞ্জাম?
আর কত অবহেলার কারণে এভাবে মায়ের বুক খালি হবে?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক যেন মুহূর্তের মধ্যে হয়ে উঠল ৪টি খেটে খাওয়া পরিবারের জ্যান্ত
ক/ব/র/স্থা/ন।
হৃদয়, ইমান, মেহেদী ও আরমান—আপনাদের এই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়ে গেল। মহান আল্লাহ তায়ালা আপনাদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শো/কস/ন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই কঠিন শো;ক সহ্য করার শক্তি দান করুন।