Brown Eyes

Brown Eyes I love comedy
(16)

ভেতরে যখন খু'ন করা হচ্ছিলো শিশু রামিসাকে, বাইরে তখন দরজায় নক করছিলেন তার মা 😭😭😭 !ছোট্ট ৭ বছরের একটা বাচ্চাকে ধ’র্ষ’ণ করে...
31/08/2026

ভেতরে যখন খু'ন করা হচ্ছিলো শিশু রামিসাকে, বাইরে তখন দরজায় নক করছিলেন তার মা 😭😭😭 !
ছোট্ট ৭ বছরের একটা বাচ্চাকে ধ’র্ষ’ণ করে কে'টে টুকরা করা হয়েছে, আর এর সহযোগিতা করেছে খু'নীর স্ত্রী ! ভাবা যায় !

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।--
তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

(সংগৃহীত)

“আমাদের বাঁচান ভাই… দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে…” — শেষ মুহূর্তে এমন আকুতি জানিয়ে স্পেনে মারা গেলেন ইউসুফইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন...
31/08/2026

“আমাদের বাঁচান ভাই… দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে…” — শেষ মুহূর্তে এমন আকুতি জানিয়ে স্পেনে মারা গেলেন ইউসুফ

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 🤲💔

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মো. ইউসুফ হাসান আলিফ (২৫/২৬) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার ৩০ আগস্ট ২০২৬ বিকেলে মাদ্রিদের Calle de los Picos de Europa–49 এলাকার একটি সাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ইউসুফ সেখানে আটকা পড়েছিলেন। জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি বাঁচার জন্য আকুতি জানিয়েছিলেন—

🥲 “আমাদের বাঁচান ভাই… দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে…”

কয়েক মুহূর্ত আগেও যে মানুষটি বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছিলেন, পরিবারের জন্য ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, সেই মানুষটিই আগুনের ভয়াবহতায় আর ফিরতে পারলেন না।

ইউসুফ হাসান আলিফ পেশায় একজন ফুড ডেলিভারি/রাইডার হিসেবে কাজ করতেন। জীবিকার তাগিদে বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে স্পেনে পাড়ি জমিয়েছিলেন। প্রবাসের কঠিন জীবন সংগ্রাম করে পরিবারের জন্য ভালো কিছু করার স্বপ্ন ছিল তার।

কিন্তু একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই থেমে গেল তার সব স্বপ্ন।

জানা গেছে, ইউসুফের বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া এলাকায়। তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়, মৃত্যুর আগে তার অসহায় বাঁচার আকুতি এখন মানুষের হৃদয়কে কাঁদিয়ে তুলছে। একজন মানুষ যখন বুঝতে পারছেন তার জীবন বিপন্ন, চারপাশে আগুন আর শ্বাস নেওয়ার কষ্ট—সেই মুহূর্তের অসহায়ত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

দুই মিনিট আগেও যার অনেক স্বপ্ন ছিল, আজ তিনি দুনিয়ার সফর শেষ করে চলে গেলেন।
পেছনে রেখে গেলেন পরিবার, স্বজন আর অসংখ্য মানুষের চোখের পানি। 🥲💔

হে আল্লাহ,
মরহুম ইউসুফ হাসান আলিফকে ক্ষমা করে দিন, তার কবরকে প্রশস্ত ও নূরে ভরে দিন, তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। তার পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও সবর দান করুন।

আমিন, ইয়া রাব্বাল আলামিন। 🤲

🥲 প্রবাসে থাকা প্রতিটি ভাই যেন নিরাপদে থাকে—এটাই হোক আমাদের দোয়া।

ইউসুফের জন্য সবাই দোয়া করবেন। 🤲💔

#ইন্নালিল্লাহি_ওয়া_ইন্না_ইলাইহি_রাজিউন
#ইউসুফ_হাসান_আলিফ
#মাদ্রিদ
#স্পেন
#প্রবাসী_বাংলাদেশি
#গাজীপুর
#কাপাসিয়া
#প্রবাসীর_মৃত্যু

🇧🇩 বাংলাদেশে না জন্মালে জীবনের অনেক বিনোদনই মিস করতেন! 😂🐓গাবতলী মডেল থানায় এবার অসুস্থ মোরগকে নিয়ে অভিযোগ করতে হাজির এক ...
30/08/2026

🇧🇩 বাংলাদেশে না জন্মালে জীবনের অনেক বিনোদনই মিস করতেন! 😂🐓
গাবতলী মডেল থানায় এবার অসুস্থ মোরগকে নিয়ে অভিযোগ করতে হাজির এক নারী! 😅
জানা যায়, ভাসুর ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া চলছিল। ঠিক সেই সময় সেখানে একটি মোরগ চলে আসে। ঝগড়ার একপর্যায়ে ভাসুরের লাঠির আঘাত গিয়ে লাগে মোরগটির গায়ে। এতে মোরগটি আহত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এরপর সেই অসুস্থ মোরগকে সঙ্গে নিয়েই থানায় অভিযোগ করতে হাজির হন চম্পা রানী দাস নামে এক নারী! 🐓😐
ভাবুন একবার! মানুষ যেখানে নানা অভিযোগ নিয়ে থানায় বিচার পেতে হিমশিম খায়, সেখানে এবার মোরগের বিচার চাইতে থানায় অভিযোগ! 😂
সত্যি বলতে, বাংলাদেশে না থাকলে ভাই—এমন বিনোদন কোথায় পেতেন? 🤣🐓🇧🇩
#বাংলাদেশ #মোরগেরবিচার #গাবতলী #বিনোদন #হাসিরখবর #বাংলাদেশেরবিনোদন 😂

চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন একজন মা, একজন প্রধান শিক্ষিকা। চিকিৎসা নিয়েই বিকেলেই বগুড়া ফিরে যেতেন। কিন্তু এই অনির...
30/08/2026

চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন একজন মা, একজন প্রধান শিক্ষিকা। চিকিৎসা নিয়েই বিকেলেই বগুড়া ফিরে যেতেন। কিন্তু এই অনিরাপদ শহর উনাকে সেই সুযোগ দেয়নি।
চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন একজন মা, একজন প্রধান শিক্ষিকা। চিকিৎসা নিয়েই বিকেলেই বগুড়া ফিরে যেতেন। কিন্তু এই অনিরাপদ শহর উনাকে সেই সুযোগ দেয়নি।

গতকাল সকাল ৬টায় স্বামীসহ চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংসদ ভবন এরিয়ায় একটি বাইকে থাকা দুজন ছিনতাইকারী রনজিলা পারভীনের ব্যাগ ধরে টান দিলে উনি পড়ে যান এবং মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান।

উনাকে উদ্ধার করে বাঁচানোর জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই করুণ মৃত্যু ঘটে এই প্রবীণ নারীর।

চোখের পলকে একজন স্বামী, স্ত্রী হারা হয়ে গেলেন। মেয়ে হয়ে গেলো এতিম। আর অসংখ্য শিক্ষার্থী হারালো প্রিয় শিক্ষিকাকে।
--
সোহেলি ইসলাম। ১১ জুনের ঘটনা। সোহেলি আমাদের দিনাজপুরের মেয়ে। ঢাকায় মেডিসিন কোম্পানীতে চাকুরী করতেন।

গ্রামে গিয়েছিলো একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। লং জার্নি করে ঢাকায় মেয়েকে নিয়ে বাসে করে ফিরছিলেন। বাস থেকে নেমে একটি রিক্সায় চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ঠিক সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালের সামনে দুজন ছিনতাইকারী বাইক থেকে উনার ব্যাগ ধরে টান দিলে উনি পড়ে যান। মাথার পেছনের অংশ ফেটে যায়। অনেকের কাছেই সাহায্য চাচ্ছিলো কিন্তু প্রথমে কেউই সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি।

রক্তাক্ত অবস্থায় উনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন মৃত্যু ঘটে।
---

রাফির ভিডিও তো পুরো দেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে। ৯ জুনের ঘটনা:

শেওড়াপাড়ার একটি গলিতে বাইকে করে যাওয়ার পথে গলির মুখে ওঁত পেতে থাকা ছিনতাইকারী ইটের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দু হাত বাইকের হ্যান্ডেল ধরে আছে। যেন ঘুমিয়ে পড়েছে। রাফি কোন নড়াচড়া নেই। ছটফটও করেনি সে। একটাবার ভাবুন আঘাতের ভয়াবহতা।

ছিনতাইকারী রাফিকে টেনে বের করে, বাইকটি নিয়ে পালিয়ে যায়। প্রায় ১২ দিন পর লাইফসাপোর্টে থাকার পর রাফির মৃত্যু হয়।

(২)

ঢাকা শহরে প্রায় ১৩৮৭জন ছিনতাইকারীর হাতে জিম্মি, এমন একটি প্রতিবেদন করা হয়েছিলো জুন মাসে বাংলাদেশ প্রতিদিনে।

সাড়ে তিন কোটি মানুষ মাত্র ১৩৮৭ জন ছিনতাইকারীর হাতে জিম্মি? ভাবা যায়? এরা প্রায় ৩০০টি স্পটে প্রতিদিন ছিনতাই করে বেড়ায়।

ভোর-সকাল-দুপুর-বিকেল কিংবা রাত। শহরের যেকোন স্থানেই সবার সামনে ছিনতাই করে পালিয়ে যাচ্ছে। এরা এতটাই হিংস্র যে, প্রয়োজনে অস্ত্র দিয়ে গুলি কিংবা আঘাত করে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করে না।

এদের ৮০ শতাংশের নামে ৭-৮টি করে মামলা রয়েছে। এরা গ্রেফতার হয় ঠিকই কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে আসে।

শুধু তাই নয়, ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে থেকে প্রতিদিনই এই ছিনতাই পেশায় যুক্ত হচ্ছে নতুন সব মুখ।

অথচ গত বছরের শেষের দিকেও সক্রিয় ছিনতাইকারীর সংখ্যা ছিলো মাত্র ৯৮৯ জন। অন্যদিকে ছিনতাইয়ের মামলা নিতেও পুলিশের অনীহার কথাও উল্লেখ করা হয় ঐ প্রতিবেদনে।

আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং পৃথিবীর নিকৃষ্টতম বিচারব্যবস্থা হয়তো একেই বলে। নইলে এমন কেন হবে?

এই ১৩৮৭জন মানুষকে যদি আমৃত্যু জেলখানায় ভরে রেখে যদি সাড়ে তিন কোটি মানুষকে ছিনতাইয়ের হাত থেকে নিরাপদ রাখা যায়। তবে কেন নয়?

কেন বারবার জামিনে বের হওয়ার সুযোগ দিয়ে আমরা তাদেরকে এই উপলব্ধি দেওয়ালাম যে, এই দেশে তোমরাই সবচেয়ে বেশী নিরাপদ। সাধারণ জনগণ নয়। তো বাছা। যা খুশি করো। ছিনতাই করতে গিয়ে মানুষ মেরে ফেললেও সমস্যা নেই। চালিয়ে যাও।

ছিনতাই করতে গিয়ে খুনের শিকার হওয়া ভিক্টিমরা কখনও ন্যায়বিচার পায় না। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আসামীদেরকে চিহ্নিত করা যায় না বা ধরা যায় না। তবে আসামী অপরিচিত কেউ নয়। বারবার জেলখানা থেকে জামিনে বের হয়ে যাওয়া ঐ চিহ্নিত অপরাধীগুলোই কোন না কোন খুনের সাথে জড়িত।

শুধু কী ঢাকায়? সারাদেশেই একই চিত্র। রাফির মৃত্যুর দিন চট্টগ্রামের পটিয়াতে আরেক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়। ওর অপরাধ ছিলো এলাকায় ছদ্মবেশে বোরকা পড়ে থাকা সন্দেহভাজনক ছিনতাইকারীকে পরিচয় জিজ্ঞেস করা। ওর সাথে থাকা বন্ধুটিও গুরুতর আঘাতে আহত হয়।

ঘুরে ফিরে প্রতিদিন একইভাবেই যাচ্ছে।

অপরাধ ঘটনা ঘটছে > গ্রেফতার হচ্ছে/গ্রেফতার হচ্ছে না> আদালতে যাচ্ছে > জামিন হচ্ছে > বিচার হচ্ছে না > পুনরায় অপরাধ ঘটছে।



এসব লিখে আসলে আইন কিংবা বিচার ব্যবস্থার কোন বালটাও পরিবর্তন হয় না। জানি। তারপরেও লিখি। এই যে সমাজে অপরাধ জিইয়ে রেখে আইন ব্যবসা। রাজনৈতিক ব্যবসা। এই সংস্কৃতির পরিবর্তন তো আমরা চেয়েছিলাম। কিন্তু পরিবর্তন আর হলো কোথায়।

রনজীলা পারভীনকেও আমরা ভুলে যাবো। হয়তো আবারও স্মরণ করবো নতুন কোন ভিক্টিমের মৃত্যুর পর।

উনার হত্যাকারীদের সিসিফুটেজ রয়েছে। কিন্তু চেহারা বুঝা যাচ্ছে না। নইলে এতক্ষণে গ্রেফতার হয়ে যেত। তবে আশা করছি গ্রেফতার হবে। কিন্তু বিচার? সেই প্রশ্ন আর নাইবা করি।

সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে নিরাপদ রাখুন, হেফাজত করুন।

বলা যায় না...আপনি আমি হয়তো নেক্সট ভিক্টিম! 🫵

ম্যালিফিসেন্ট হতে গিয়েছিল, কিন্তু লুকটা দেখে আমার হাসি থামছেই না! 🤣এটা দেখে শয়তানও মনে হয় বলবে—“আপু, আমি চাকরি ছেড়ে দিলা...
30/08/2026

ম্যালিফিসেন্ট হতে গিয়েছিল, কিন্তু লুকটা দেখে আমার হাসি থামছেই না! 🤣
এটা দেখে শয়তানও মনে হয় বলবে—“আপু, আমি চাকরি ছেড়ে দিলাম!” 😂👿
゚viralシ

🚨 শিক্ষক-শিক্ষিকার কথিত ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্যনোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলাবাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়...
30/08/2026

🚨 শিক্ষক-শিক্ষিকার কথিত ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলাবাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও এক সহকারী শিক্ষিকার কথিত ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা হোক এবং প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে আনা হোক।

আগে বিভিন্ন সময় শুনতাম, ক্ষমতাবান বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অধীনস্থ কর্মীদের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করেন। এসব কথা অনেক সময় বিশ্বাস করা কঠিন মনে হতো। কিন্তু বর্তমানে এ ধরনের অভিযোগ ও ভিডিও সামনে আসায় বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

👉 যদি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকসহ যারাই ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যাতে ভবিষ্যতে কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করার সাহস না পান এবং কর্মক্ষেত্রে সবাই নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করতে পারেন।

সত্য উদঘাটন হোক, অন্যায় হলে শাস্তি হোক।

#নোয়াখালী #বেগমগঞ্জ #ভোলাবাদশা #শিক্ষক #সহকারীশিক্ষিকা #ক্ষমতারঅপব্যবহার #তদন্ত #দৃষ্টান্তমূলকশাস্তি #নিউজআপডেট #বাংলাদেশনিউজ

29/08/2026

🤣🤣🤣
゚viralシ

এক এক করে সেলিব্রেটি গুলো আল্লাহতালার পথে চলে আসছে,হেদায়েত পাচ্ছে ! Food appi এর ক্যাপশন দেখে এটাই ভেবেছিলাম প্রথমে! ভে...
29/08/2026

এক এক করে সেলিব্রেটি গুলো আল্লাহতালার পথে চলে আসছে,হেদায়েত পাচ্ছে ! Food appi এর ক্যাপশন দেখে এটাই ভেবেছিলাম প্রথমে!

ভেবেছিলাম হয়তো কান্নাকাটি করে সবার কাছে মাফ টাপ চেয়ে মিডিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি!

কিন্তু না বিদ্যুতের অভাবে ভিডিও এডিটিং না করতে পেরে কান্না করেছেন তিনি,,

তিনি জানান যখনই বিদ্যুৎ থাকে না অটোমেটিক মুখ দিয়ে গা*লি বের হয়ে যায়! কোনভাবেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারেন না! সে কারণেই দিন দিন তার পা*প বেড়ে যাচ্ছে!

আপনাদের কি বিদ্যুৎ চলে গেলে ফুড আপ্পির অবস্থা হয়??

🔥 দুই ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে গিয়ে প্রেমে পড়লেন, বিয়েও করলেন! কিন্তু ২৫ বছর পর হাতে টাকা আসতেই স্বামী করলেন কাণ্ড! 😳ঘটনা হচ্...
28/08/2026

🔥 দুই ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে গিয়ে প্রেমে পড়লেন, বিয়েও করলেন! কিন্তু ২৫ বছর পর হাতে টাকা আসতেই স্বামী করলেন কাণ্ড! 😳
ঘটনা হচ্ছে—দুই ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে গিয়ে প্রেমে পড়লেন, তারপর বিয়েও করলেন। ❤️
বিয়ের সময় স্বামীর অবস্থা এমন ছিল যে, পকেটের ভিতর বাতাসও ঢুকতে চাইতো না! 😂
সেই বেকার স্বামীকে স্ত্রীই খাইয়েছেন, পরিয়েছেন, সংসার চালিয়েছেন।
এভাবে এক-দুই বছর না—টানা ২৫ বছর!
এরপর ভিক্ষা করতে করতে একদিন স্বামীর হাতে কয়েকটা টাকা জমলো।
ব্যাস! টাকা হাতে আসতেই মনে হলো—
“মার্কেট ভ্যালু তো বাড়ছে!” 🤦‍♀️😂
তাই পুরনো স্ত্রীকে লুকিয়ে আরেক ভিক্ষুক নারীর সঙ্গে প্রেম করে বিয়েও করে ফেললেন!
কিন্তু কপাল খারাপ! 😐
অন্য এলাকায় ভিক্ষা করতে গিয়ে নতুন বউসহ প্রথম স্ত্রীর হাতে হাতেনাতে ধরা!
এরপর যা হলো, সেটা একেবারে লাইভ অ্যাকশন সিনেমা! 😂
২৫ বছর পাশে থাকা প্রথম স্ত্রী তখন যেন একসঙ্গে ২৫ বছরের হিসাব-নিকাশ বুঝিয়ে দিলেন! 😅
সত্যি বলতে কী—বড়লোক হোক আর ভিক্ষুক, কিছু মানুষের চরিত্র এমনই!
খারাপ সময়ে যে বউ পাশে থাকে, নিজের কষ্টে সংসার টিকিয়ে রাখে—পকেটে দুই টাকা আসতেই তাকেই পুরনো ফাইল বানিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায়! 🤦‍♀️
ভালোবাসা আর ত্যাগ থাকবে, কিন্তু নিজের সম্মানটাও থাকবে—এই কথাটা প্রত্যেক নারীর মনে রাখা উচিত। ❤️
আপনার কী মনে হয়—২৫ বছর পাশে থাকা স্ত্রীকে এভাবে ভুলে যাওয়া কি ক্ষমার যোগ্য? 👇
#ভাইরাল #ভিক্ষুক #বিয়ে #নারীরসম্মান

যেকোনো ভিডিও কিংবা পোস্টের কমেন্টে ঢুকলেই আজকাল চোখে পড়ে—“ম্যাডামদের বিজ্ঞাপন! অডিও ৫০০, ভিডিও ১০০০, প্রথম ১ মিনিট ফ্রি—...
27/08/2026

যেকোনো ভিডিও কিংবা পোস্টের কমেন্টে ঢুকলেই আজকাল চোখে পড়ে—
“ম্যাডামদের বিজ্ঞাপন! অডিও ৫০০, ভিডিও ১০০০, প্রথম ১ মিনিট ফ্রি—প্রবাসীদের জন্য রয়েছে স্পেশাল সার্ভিস!” 😑
শেষ পর্যন্ত সেই কথিত ‘সার্ভিস’ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত একদল নারীকে মিরপুর ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
এতদিন কমেন্টে বসে যাঁরা নিজেদের ‘সমাজসেবিকা’ হিসেবে প্রচার করতেন, এবার তাঁদের নতুন ঠিকানা জেলখানা! 🫠
যান ম্যাডাম, এবার জেলের ভেতর বসেই সার্ভিসের হিসাব কষেন! 😂🤦‍♂️
#সচেতনতা #ভাইরাল_পোস্ট

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Brown Eyes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share