Syl Voice

Syl Voice Sylhet's popular online based news channel. I hope everyone will be there.
(1)

01/09/2026

নিউজ ডেস্কঃ হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি দ্রুত বাস্তবায়ন, শ্রম আইন কার্যকর করা এবং শ্রমিক নেতৃ...

31/08/2026

সিলেট, ৩১ আগস্ট: হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি দ্রুত বাস্তবায়ন, শ্রম আইন কার্যকর এবং শ্রমিক নেতা....

সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী শ্...
31/08/2026

সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী শ্রমমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি দ্রুত বাস্তবায়ন, শ্রম আইন কার্যকর করা এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত পরিকল্পিত, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরী ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আহবানে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৩১ আগস্ট বেলা ১২ টায় সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শ্রমমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যকরী সভাপতি মোঃ ছাদেক মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক রাশেদ আহমদ ভূইয়া, ১১ তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অন্যতম নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সভাপতি আলীম উদ্দিন, সদস্য মোহাম্মদ আলী, অনূকুল চন্দ্র দাস, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির দপ্তর সম্পাদক মনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প মজুরি, অনিশ্চিত চাকরি, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা এবং শ্রম আইনে স্বীকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ শ্রমিক তা থেকে বঞ্চিত। একই সঙ্গে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত কাজের জন্য আইন অনুযায়ী প্রাপ্য মজুরি পরিশোধ না করে অনেক শ্রমিককে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়। গত ৫ মে ২০২৫ হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিকদের জন্য সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হলেও এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে তা বাস্তবায়িত হয়নি। এ বিষয়ে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ, স্মারকলিপি ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়নি।
হোটেল রেস্তোরা সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরী ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ দেশব্যাপী কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে। শ্রমিকরা যখন কর্মবিরতে সফলে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে তখন ৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের বৈঠকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসের পর কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে শ্রমিক-মালিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত উপকমিটি কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করলেও তা পরবর্তীতে কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর হোটেল রেস্তোরাঁ খাতকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ৩০ জুনের মধ্যে মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
এ ছাড়া শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়া ও ন্যায়সংগত দাবি আদায়ের আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা স্টার কাবাব রেস্তোরাঁ গ্রুপের শ্রমিক নেতা মনির হোসেন, আল আমিন সর্দার, নাহিদ প্রধান ও জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নেত্রকোনা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি রংপুরের হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যাকান্ডসহ শ্রমিক হত্যার ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার, দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন শ্রমিকদের কোনো দয়া বা করুণার বিষয় নয়; এটি তাদের আইনগত অধিকার। তাই অবিলম্বে গেজেট অনুযায়ী মজুরি বাস্তবায়ন, শ্রম আইনের পূর্ণ প্রয়োগ, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার আইনানুগ প্রাপ্য মজুরি নিশ্চিত এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ন্যায়সংগত দাবি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে সংগঠিতভাবে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির কোনো পথ নেই।

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিতসিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩ বছর ...
06/08/2026

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩ বছর পূর্তিতে লাল পতাকা র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ৬ আগস্ট ২০২৬ বিকেল ৫ টায় সুরমা পয়েন্টে জমায়েত হয়ে এক বিক্ষোভ লাল পতাকা র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্ট হয়ে পুণরায় সুরমা পয়েন্টে এসে জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইমান আলী’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মীর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জেলা কমিটির অন্যতম নেতা আনোয়ার হোসেন, বন্দর বাজার আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক মিয়াসহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৯৩ সালের ৬ আগস্ট সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শ্রমিকদের আইনি সুযোগ সুবিধা আদায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। হোটেল সেক্টরের শ্রমিকদের যেমন নেই চাকরির নিশ্চয়তা, তেমনি নেই জীবনের নিরাপত্তা। হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিকরা দেশে প্রচলিত শ্রমআইনের তোয়াক্কা না করে তাদের মনগড়া ইচ্ছামাফিক স্বেচ্ছাচারী কায়দায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কাগজে-কলমে প্রচলিত শ্রমআইনে নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র, সার্ভিসবুক প্রদান, দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, অতিরিক্ত কাজে দ্বিগুণ মজুরি ও বছরে ২ টি উৎসব বোনাস প্রদান, মজুরিসহ সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১৩ দিন উৎসব ছুটি, ১৪ দিন চিকিৎসা ছুটি, প্রতি ১৮ দিন কাজে ১ দিন অর্জিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন ইত্যাদি অধিকার থাকলেও হোটেল সেক্টরে মূলতঃ তা বাস্তবায়ন করা হয় না। সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এসকল দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মালিক শ্রেণী, সরকার প্রশাসন ও প্রতিক্রিয়াশীল মহলের কাছে সংগঠন ও তার নেতৃত্ব চক্ষুশোল হয়ে হামলা-মামলা, আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের শিকার হতে হয়। সংগঠনের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে ২০২৫ সালের ৫ মে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে শ্রমিকদের জন্য নি¤œতম মজুরি ঘোষণা করা হলেও অদ্যবধি তা কার্যকর হচ্ছেনা। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে একমাত্র ক্রিয়াশীন সংগঠন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন একাধিকবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে চিঠি/স্মারকলিপি প্রদান করলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি।
সংগঠনের ৩৩-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরের শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরি, শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সংগ্রামের পাশাপাশি শ্রমিক শ্রেণির সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদেরকে দেশের অপরাপর সেক্টরের শ্রমিকদের ও জনগণের আন্দোলন-সংগ্রামে একাতœ হতে হবে। সেই সাথে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অগ্রসর করা ছাড়া হোটেল-শ্রমিকসহ শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সার্বিক মুক্তি অর্জনের বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বৃহত্তর আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান।

মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থতার প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বানসরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন ...
23/07/2026

মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থতার প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বান

সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা, শ্রমিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা এবং শ্রমিক হত্যার বিচারহীনতার প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনের লক্ষ্যে সর্বাত্মক সাংগঠনিক প্রস্তুতি গ্রহণের আহবানে সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার হোটেল শ্রমিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত। ২২ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর সুরমা মার্কেটস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মীসভায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিকনেতা তফাজ্জল হোসেন।
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ছাদেক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া (সাগর) পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী পটু, সুনামগঞ্জ জেলা হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুরঞ্জিত দাস, প্রচার সম্পাদক আলআমিন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, ১১-তম জেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মীর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান সাজু, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়া, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিনসহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন ২০২৫ সালের মে মাসে সরকার হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতের নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে তা এখনো কার্যকর হয়নি। একই সঙ্গে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, ৮ ঘণ্টা কাজ, সাপ্তাহিক ছুটি, ওভারটাইমের দ্বিগুন মজুরি ও অন্যান্য শ্রম অধিকারও ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসকল বিষয়ে ধারাবাহিক আন্দোলন, স্মারকলিপি ও ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে শ্রমিকরা যে বেতন পায় তা দিয়ে সংসার পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।
সভায় আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন বাধাগ্রস্থ করতে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গেজেট বাস্তবায়ন ও নি¤œতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম যখন বেগবান হচ্ছে তখন মালিকগোষ্ঠী অত্যান্ত সুচতুরভাবে দালাল ও সুবিধাবাদী নেতৃত্ব সৃষ্টি করার অপতৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছে। সভায় এক প্রস্তাবে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সংগঠনের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়হীন আইডি থেকে মিথ্যা উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় এবং এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধ না করা হলে তা সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে মোকাবিলা করার হুশিয়ারী জানানো হয়। অতীতেও হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন ও তার নেতৃত্বকে মালিক, সরকার ও প্রতিক্রিয়াশীল মহল থেকে নানাভাবে আক্রমণ করা হয়, কিন্তু শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে সময়ের সাথে তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়ে শ্রমিকদের কাছে প্রত্যাখাত হয়। পূর্বের ধারায় আজকে নতুন করে আবারও সংগঠনের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু হয়েছে তা শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ব প্রতিরোধের সামনে টিকতে পারবে না বলে সভা থেকে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সভা থেকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি, শ্রম আইন এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে প্রতিনিধি সভা থেকে সতর্ক করা হয়।

হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যার প্রতিবাদে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভরংপুরের খামারবাড়ী মোড়ে হোটেল শ্রমিক শাওন হত্য...
27/06/2026

হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যার প্রতিবাদে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ
রংপুরের খামারবাড়ী মোড়ে হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যাকারী মনু’র ফাঁসি ও নিহতের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন। ২৭ জুন (শনিবার) বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় ক্বীণ ব্রীজের (দক্ষিণ পাড়) মুখ হতে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কদমতলী পয়েন্টে সমাবেশ করে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া সাগর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটি ১ম সম্মেলন কমিটির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়াসহ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন হোটেল শিল্পে শ্রমিকরা দীর্ঘ ৪২ বছর যাবত হোটেল শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাতার দাবীতে এবং শ্রম আইনের ধারাসমূহ ও আইএলও কনভেনশনের বিধি-বিধান বাস্তবায়নের বিষয়টি বার বার বললেও সরকার মালিক রাষ্ট্রের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দপ্তরসমূহ এ ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। যার কারণে একের পর এক শ্রমিক হত্যা হয়ে হত্যার মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে সেই আশির দশক থেকে শুরু করে ৯০-দশকে গুলিস্তান রাজধানীর আবুল বাশার নিমাই কাঞ্চন আনোয়ার হত্যা, ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার ঘরোয়া হোটেলের রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ হত্যা, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই সিলেটের কাজিরবাজারস্থ নিরঞ্জন ঘোষের রেস্তোঁরার কর্মচারী দিনার আহমেদ রুমন’কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা সর্বশেষ গত ১৬ জুন রংপুর নগরীর খামারবাড়ী মোড়ে আলমের হোটেলের শ্রমিক শাওনকে প্রকাশ্যে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
বক্তারা বলেন কৃষ্ণালাল সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ যশোরের শ্রমিক আন্দোলনের পরিচিত মুখ। হোটেল শ্রমিক, রেলওয়ে শ্রমিক, পৌরসভার শ্রমিক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রমিক-শ্রমজীবীদের পাশাপাশি হরিজনের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্বকারী ভূমিকা পালন করার কারণে মালিকগোষ্ঠীর রোষানলে শিকার হতে হয়।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে শাওন হত্যাকারী মনু মিয়ার সবোর্চ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি জানান পাশাপাশি যশোরের শ্রমিকনেতা কৃষ্ণালাল সরকার’র উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বার্তা প্রেরক
রাশেদ আহমদ ভূইয়া
প্রচার সম্পাদক
০১৭৪১-৬১৭৪১৭
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন

কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোমের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এনডিএফ’র শ্রদ্ধাঞ্জলিসাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ আমলা মুৎসু...
27/06/2026

কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোমের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এনডিএফ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ আমলা মুৎসুদ্দি পুঁজি বিরোধী আপোষহীন কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড দ্বিজেন সোম’র ২৩-তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত। শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ৮ টায় চালিবন্দরস্থ উনাঁর শেষকৃত্যস্থলে পুষ্পস্থপবক অর্পণ করে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া (সাগর)।
নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৩৭ সালে দোকান কর্মচারি থাকাবস্থায় কমরেড দ্বিজেন সোম ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন এবং অনুধাবন করেন সাম্রাজ্যবাদ সামন্তবাদ বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব ব্যাতীত জনগণের মুক্তি আসবে না। কমিউনিস্ট পাটির নেতৃত্বে তেভাগা কৃষক আন্দোলন এবং সিলেট অঞ্চলে গড়ে ওঠা নানকার প্রথা বিরোধী কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের সাথে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
দীর্ঘ ৬৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রায় ৪০ বছর তাঁকে আত্মগোপনে থেকে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও মার্কসবাদ লেনিনবাদ এর লাল পতাকাকে সমুন্নত রাখেন এবং সকল রূপের সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম পরিচালনা করেন। আমাদের মতো নয়াউপনিবেশিক ও আধাসামন্তবাদী দেশে জাতীয় জীবনের দূর্দশা ও সংকটের মূল কারণ সাম্রাজ্যবাদ ও দালালদের নির্মম শোষণ নির্যাতন। আর এই শোষণ নির্যাতন থেকে মুক্তির একমাত্র পথ শোষণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উচ্ছেদ এবং যা শ্রমিক কৃষক জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসতে পারে। এই ছিল তাঁর প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে সমগ্র জীবন তিনি দ্বিধাহীন চিত্তে লড়ে গেছেন তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদই মানব মুক্তির একমাত্র পথ- এই ছিল তাঁর দর্শন।
নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, বিশ^ব্যাপী সা¤্রাজ্যবাদ তার অতি উৎপাদন সংকট থেকে মুক্তির পথ হিসেবে যুদ্ধকে সামনে আনছে। সা¤্রাজ্যবাদীরা পুঁজি ও শক্তি অনুপাতে বিশ্বকে ভাগ-ভাটোয়ারার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক ও রণনীতিগত গুরুত্বের প্রেক্ষিতে এ দেশকে নিয়ে আন্তঃসা¤্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতা প্রতিদ্বন্ধিতা তীব্রতর হয়ে আগ্রাসী যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার ষড়যন্ত-চক্রান্ত বেড়েই চলছে। সা¤্রাজ্যবাদী দেশগুলো মরিয়া বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। দেশে দেশে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়ে বিশ্বযুদ্ধের বিপদ বৃদ্ধি করছে, তার বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে বিশ্ববিপ্লব অগ্রসর করা এবং সা¤্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ ও আমলা-দালাল পুঁজির নির্মম শোষণ লুণ্ঠনে দেশের শ্রমিক কৃষক জনগণের উপর যে খড়গহস্থ নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব অগ্রসর করে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।
শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে শপথ বাক্য পাঠ করান এনডিএফ সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়া।

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভা অনুষ্ঠিতহোটেল সেক্টরের সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি এবং শ্রম আইন কার্যকর করার দাবিহোটে...
27/06/2026

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভা অনুষ্ঠিত

হোটেল সেক্টরের সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি এবং শ্রম আইন কার্যকর করার দাবি

হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরের শ্রমিকদের নি¤œতম মূল মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা, শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায় এবং গেজেট বাস্তবায়নের সংগ্রাম বেগবান করার লক্ষ্যে ২৬ জুন রাত ৮টায় সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভা অনুষ্ঠিত।
ইউনিয়নের কার্যকরি কমিটির সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও জিন্দাবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. আলমাছ মিয়া, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান সাজু, কোষাধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া সাগর, সদস্য জালাল মিয়া, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি জয়নাল মিয়া, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়া, জেলা কমিটির অন্যতম নেতা ও বাবনা আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১-তম জেলা সম্মেলন সফলের জন্য দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন পাশাপাশি শ্রমিকরা হোটেলে দৈনিক ১০/১২ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করে অর্ধাহার-অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হলেও তাদের দেওয়া হয়না শ্রমের প্রাপ্য মূল্য। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রম আইনে ৮ ঘন্টা কাজ ও অতিরিক্ত কাজের দ্বিগুন মজুরি প্রদানের বিধান থাকলেও বাস্তবিকভাবে হোটেল সেক্টরে তা কার্যকর নেই। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫-ধারায় নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র, ৬-ধারায় সার্ভিস বই, ২৬-ধারায় চাকুরীচ্যূতি জনিত ৪ মাসের নোটিশ পে, ১০৩-ধারায় সপ্তাহে দেড়দিন সাপ্তাহিক ছুটি, ১০৮-ধারায় দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদান, ১১৫-ধারায় বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১১৬-ধারায় ১৪ দিন অসুস্থতাজনিত ছুটি, ১১৭-ধারায় প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১১৮-ধারায় ১১ দিন উৎসব ছুটি প্রদানের আইন থাকলেও হোটেল শ্রমিকদেরকে এই সকল আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে মজুরি নির্ধারণ না হওয়ার কারণে শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতির বাজারে শ্রমিকরা যে বেতন পায় তা দিয়ে মাসের ১০ দিন চলাও কঠিন। হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরের শ্রমিকদের নি¤œতম মূল মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা, শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সংগ্রামের পাশাপাশি শ্রমিক শ্রেণির সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদেরকে দেশের অপরাপর সেক্টরের শ্রমিকদের ও জনগণের আন্দোলন-সংগ্রামে একাতœ হওয়ার আহবান জানান।

শ্রমিকের শ্রম-ঘামে মালিকের মুনাফা, অথচ ঈদে শ্রমিকের ঘরে নেই আনন্দদেশের মুসলমান সম্প্রদায় যখন ঈদের আনন্দ-উৎসবের প্রস্তুতি...
22/05/2026

শ্রমিকের শ্রম-ঘামে মালিকের মুনাফা, অথচ ঈদে শ্রমিকের ঘরে নেই আনন্দ

দেশের মুসলমান সম্প্রদায় যখন ঈদের আনন্দ-উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ দেশের ব্যক্তিমালিকানাধীন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় সকল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি, আইনানুগ উৎসব বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২২ মে বিকেল ৫টায় সুরমা পয়েন্টে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিটি পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুনু মিয়া সাগর, সিলেট সদর উপজেলা স’মিল শ্রমিক সংঘের সহ-সভাপতি লুৎফুর রহমান, সিলেট জেলা প্রেস শ্রমিক ইউনিয়নের অন্যতম নেতা শাহীন আহমদ, মো. সোহেল রানা।
বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের হাড়ভাঙা পরিশ্রমে মালিকশ্রেণি বছরের পর বছর বিপুল মুনাফা অর্জন করছে। ঈদকে কেন্দ্র করে মালিকরা যখন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করে, তখন সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদেরই ন্যায্য বেতন-বোনাসের দাবিতে রাস্তায় নামতে হয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত)-এর ধারা ২ (২ক) এবং-এর বিধি ১১১ (৫) অনুযায়ী শ্রমিকদের উৎসব বোনাস প্রদান বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে প্রতিবছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস আদায়ের জন্য আন্দোলন, মিছিল, মানববন্ধন ও মালিকদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিতে হয়। যে শ্রমিক সারা বছর মালিকের প্রতিষ্ঠানে শ্রম দিয়ে মুনাফা সৃষ্টি করে, ঈদের সময় সেই শ্রমিকের ঘরেই অভাব-অনটন বিরাজ করে।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের জীবন চরম সংকটে পড়েছে। চাল, ডাল, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বাসাভাড়া ও পরিবহন ব্যয়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিকদের মজুরি সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস অবস্থা। অর্ধাহার-অনাহারে দিন কাটানো অসংখ্য শ্রমিক পরিবারের পক্ষে ঈদের ন্যূনতম আনন্দটুকুও নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
শ্রমিকরা যখন ন্যায্য মজুরি ও বোনাসের দাবিতে আন্দোলনে নামে, তখন মালিকশ্রেণির স্বার্থরক্ষায় প্রশাসন, শিল্প পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। অথচ শ্রমিকদের শ্রম ছাড়া শিল্প-কারখানা, হোটেল রেস্টুরেন্ট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একদিনও চলতে পারে না। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। একইসাথে বক্তারা শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ, হত্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক ধর্ষণ, গণধর্ষণ, নির্যাতন, নারী ও শিশু হত্যার ঘটনা প্রমাণ করছে এ ধরনের অপরাধ অনেক ক্ষেত্রেই কার্যত অপ্রতিরোধ্য অবস্থায় পৌঁছে গেছে। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)-এর তথ্যমতে গত ১৬ মাসে দেশে অন্তত ৫৮০ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে ৪৮৩ জনকে। একই সময়ে আরও অন্তত ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে, অধিকাংশ ঘটনায় বিচারহীনতা, দীর্ঘসূত্রতা ও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভেঙে অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান দৃশ্যমান না হলে এ ধরনের অপরাধ কমানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন।

দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ফলে কর্মবিরতি স্থগিত; হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের সংগ্রাম অব্যাহতহোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের দীর্ঘ...
11/01/2026

দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ফলে কর্মবিরতি স্থগিত; হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের সংগ্রাম অব্যাহত

হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি- নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের প্রশ্নে সরকার ও মালিক পক্ষের ওপর শ্রমিক আন্দোলনের চাপ তীব্রতর হওয়ায় ঢাকা ও কয়েকটি জেলায় তৎপরতা শুরু হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ১৪ জানুয়ারি ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মবিরতি স্থগিত করে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীতে সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি ও ঢাকা মহানগর সংগ্রাম পরিষদের জরুরি যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে ১০ জানুয়ারি রাত ৯টায় জরুরী সভা করে সিলেট জেলা কমিটি। জেলা কমিটির আহবায়ক আনছার আলীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন আহবায়ক ইমান আলীর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিটির আহবায়ক মো. ছাদেক মিয়া। সভায় বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- সরকার, মালিক ও শ্রমিকপক্ষ নিয়ে গঠিত উপকমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে সংগ্রাম আরও বিস্ফোরণধর্মী রূপে সামনে এগিয়ে যাবে। ১২ জানুয়ারি হতে ঢাকা ও কয়েকটি জেলায় কার্যক্রম শুরু হলেও তা দেশব্যাপী বিস্তৃত না হলে সময়ক্ষেপণের দায় মালিক-সরকারকেই বহন করতে হবে। শ্রম আইন ও ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়নের তদারকি শুরু করার জন্য সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে তালিকা প্রদান করা হবে। তালিকা প্রদানের পরও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর উদ্যোগহীন থাকলে সভা-সমাবেশ, প্রচার, গণসংযোগ ও কর্মসূচি তীব্রতর করার প্রেক্ষিতে সোচ্চার থাকবে সংগঠন।
অতিথি তার বক্তেব্যে বলেন-
“শ্রমিক শ্রেণি একবার জেগে উঠলে সময়, বিলম্ব বা প্রতারণার স্থান থাকে না। নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়ন কোনো দয়া-মেহেরবানি নয়, এটি শ্রমিকের অধিকার এবং রাষ্ট্রের ঘোষিত সিদ্ধান্ত। শ্রমিক শক্তি প্রয়োজনে আবার রাস্তায় নামবে, আবার কর্মক্ষেত্র স্তব্ধ করবে।”
তিনি সংগ্রামে জড়িত শ্রমিক ও সংগঠকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন- “এই আন্দোলন শ্রমিকের, ন্যায়ের, মর্যাদার।
এ সংগ্রাম জারি থাকবে।”

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syl Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share