26/11/2025
''দিল্লি বহুদূর" একটা কথা নিশ্চয়ই আপনারা মুরব্বিদের থেকে শুনেছেন।
হট নিউজ --
**বাংলাদেশি উদ্যোক্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা ও ফ্লিপকার্টের মতো বৈশ্বিক বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফরমগুলোর মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যামাজন-ইবে হয়ে রপ্তানিকারকদের সরাসরি বিদেশে পণ্য বিক্রির অনুমতি দিয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফরম ও মার্কেটপ্লেসে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন দেশীয় রপ্তানিকারকরা।**
একধাপ এগিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ বাংলাদেশ ব্যাংকে।
কিন্তু,
যেসব বড় চ্যালেঞ্জ সামনে আসবে (Reality Check)
১. সেলারদের ডকুমেন্টস প্রস্তুত করতে সময় ও খরচ
বাংলাদেশ থেকে B2B বা B2C রপ্তানির জন্য ডকুমেন্টস কি হবে?
যেমন
ট্রেড লাইসেন্স
ERC (Export Registration Certificate)
BIN/VAT
ইনভয়েস
প্যাকিং লিস্ট
কাস্টমস ডিক্লারেশন
ব্যাংকের ভেরিফিকেশন
২. শিপিং ফি এখনও অনেক বেশি
Amazon FBA বা eBay–এর overseas warehouse-এ পাঠানোর খরচ:
DHL/UPS/FedEx rate অত্যন্ত high
দেশীয় freight forwarder–দের কাছে এখনও নিশ্চিত rate structure নেই
Bulk না হলে shipping cost পণ্যের দাম বরাবরই ছাড়িয়ে যায়।
এটা বাংলাদেশের SME Exporters দের জন্য বড় বাঁধা।
৩. বাংলাদেশ কাস্টমস—Delay is the biggest enemy
বাংলাদেশের কাস্টমস সিস্টেমে:
Manual checking
Physical inspection
Red channel clearance
Documentation mismatch
Officer interpretation differences
ফলে shipment release হতে ৩ দিন – ১০ দিন লেগে যায়।
Amazon-এর SLA (Service Level Agreement)–এর সাথে এটা conflict তৈরি করবে।
৪. প্রডাক্ট চেকিং ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল
Amazon গ্রাহক return rate খুব বেশি।
একবার কাস্টমস clear হয়ে পণ্য Amazon warehouse-এ ঢুকলে:
Quality issue
Wrong labeling
Variation mismatch
যে কোনো ভুলে ২০–৫০% inventory ক্ষতি হতে পারে।
বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য QC (Quality Control) সেটআপ প্রয়োজন, যা এখনও সবার নেই।
৫. দক্ষ জনবল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ