কালার মিডিয়া

কালার মিডিয়া ওয়াজ মাহফিল ও ইসলামি হামদ-নাত সরাসরি সম্প্রচার! (এইচ এম মিছবাহ উদ্দিন)
📞 01322-026933

 #নিখোজ_সংবাদ আজ সকাল ৭টার সময় কানাইঘাট উপজেলার রায়গড় এলাকার একটি বাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে — #মায়মুনা_জান্নাত নামের এক মেয়...
22/10/2025

#নিখোজ_সংবাদ
আজ সকাল ৭টার সময় কানাইঘাট উপজেলার রায়গড় এলাকার একটি বাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছে —
#মায়মুনা_জান্নাত নামের এক মেয়ে। 😢

সকাল থেকে সর্বত্র খোঁজাখুঁজি করেও এখনো পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
যদি কারও কাছে তার সম্পর্কে কোনো তথ্য বা খবর থাকে, অনুগ্রহ করে দ্রুত জানাতে বা যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি। 🙏

আপনাদের একটি শেয়ার হয়তো #মায়মুনা জান্নাতকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারে। 💔
দয়া করে সবাই শেয়ার করুন। 🙏📢01730161275

পূজা মন্ডপের পাশেই খেলছিল মুসলিম মেয়েটা। তার সমবয়সী বাকি মেয়েরাও খেলা করছিল। তাদেরকে দেখেই খেলতে এসেছিল এই মেয়েটা। মাকে ...
02/10/2025

পূজা মন্ডপের পাশেই খেলছিল মুসলিম মেয়েটা। তার সমবয়সী বাকি মেয়েরাও খেলা করছিল। তাদেরকে দেখেই খেলতে এসেছিল এই মেয়েটা।
মাকে বলেছিল খেলা শেষ করেই বাড়িতে ফিরবে।
খেলার মাঝখান থেকে ভজেন্দ্র সরকার মেয়েটাকে ডাক দেয়। মেয়েটা ছোট মানুষ এতকিছু না ভেবে যায়।
মেয়েটা ভেবেছিল কোন কাজে হয়তো ডাক দিয়েছে। কাজ শেষ হলেই সে ফিরে এসে আবারও বাকিদের সাথে খেলা করবে।
ভজেন্দ্র সরকার সেখানকার পূজামণ্ডপের সহসভাপতি, ভালোই প্রভাবশালী সে।
সে প্রথমে বাচ্চা মেয়েটাকে ডেকে নিজের কাছে নিয়ে যায়, তারপর কিছু একটা কাজের বাহানা করে তার নিজের ঘরে ঢুকায়। মেয়েটাও ছোট মানুষ, এতকিছু না ভেবে ঘরে যায়।
ঘরে ঢুকার পরপরই ভজেন্দ্র সরকার বাচ্চা মেয়েটাকে বিছানায় ফেলে তার কাপড়চোপড় ছিন্নভিন্ন করে নগ্ন করে ফেলে।
আচমকা এমনসব করায় প্রচন্ড ভয় পায় মেয়েটা এবং চিৎকার করে ডাকতে শুরু করে। মেয়েটাকে মুখ খুলতে দেখে ভজেন্দ্র সরকার খুব রেগে যায়
তারপর নিজের গামছা দিয়ে প্রথমে মেয়েটার মুখ বাঁধে এবং তারপর হাত পা পেচিয়ে অনবরত ধ*র্ষণ করতে থাকে।
মেয়েটা মুখ দিয়ে কোনরূপ আওয়াজ করতে পারছিল না, কাউকে ডাকও দিতে পারছিল না। হাত পা নাড়ছিল, গোঙাচ্ছিল আর চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল শুধু।
বাচ্চা মেয়েটার চোখে পানি দেখেও ভজেন্দ্র সরকার থামেনি, অনেকক্ষণ যাবত অমানবিকভাবে ধ*র্ষণ করতে থাকে মেয়েটাকে।
মেয়েটার কাপড় রক্তে ভরে উঠছিল, শরীর কাঁপতেছিল।
মেয়েটা বারবার হাত দিয়ে থামানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু পারেনি, ভজেন্দ্র সরকারের এতবড় শরীরের সাথে তার এই ছোট্ট শরীর পেরে উঠছিল না।
অনেকক্ষণ ধ*র্ষণের পর ভজেন্দ্র সরকার ওভাবেই মেয়েটাকে ফেলে রেখে চলে যায়।
মেয়েটা তখন শুধু গোঙানির মতো আওয়াজ করছিল আর ভয়ে কাঁপছিল।
মেয়েটার এই অল্প আওয়াজ কেউ শুনতে পায়নি কেননা পূজামণ্ডপের সাউন্ডবক্সে তখন গান বাজতেছিল আর এই ঘরের সবাইও ওই পূজাতেই ছিল।
অন্যদিকে মেয়েটাকে বাড়িতে ফিরতে না দেখে মেয়ের মা ফাতেমা বেগম চিন্তিত হয়ে পড়ে। অনেকক্ষণ আগে বের হয়েছিল মেয়েটা।
মেয়েটাকে খুঁজতে খুঁজতে তিনিও চলে আসেন পূজামণ্ডপের দিকে। অনেককেই জিজ্ঞেস করেন কিন্তু কেউই মেয়েটার কথা বলতে পারছিল না। মা এবং বড়ভাই হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে বাচ্চা মেয়েটাকে।
যে মেয়েগুলোর সাথে খেলেছিল তাদেরকে পরে জিজ্ঞেস করে মেয়েটার মা। তারা জানায়- ভজেন্দ্র সরকার নামের লোকটা মেয়েটাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল।
মেয়ের মা ফাতেমা বেগম তখন ভজেন্দ্র সরকারকে খুঁজতে থাকে, তাকে না পেয়ে তার ঘরে ঢুকে দেখতে পায়-
তার আদরের মেয়েটার মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা, এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মুখ দিয়ে গোঙানির আওয়াজ করছে শুধু।
ঘটনাটা গতকাল সকাল ১১ টায় গাজীপুরের।
ভজেন্দ্র রায় পূজা কমিটির সহসভাপতি, বিরাট প্রভাবশালী লোক।
সে চেয়েছিল তাদের হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকদেরকে নিয়ে ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে দিতে এবং ধ*র্ষণের আলামতগুলো মুছে ফেলতে।
মেয়েটার মা এবং বড়ভাই এটা বুঝতে পেরে তাদের এলাকার মুসলিম আত্মীয়দেরকে নিয়ে আসে যাতে অন্তত আলামতগুলো মুছে ফেলতে না পারে।
সেখানে ভজেন্দ্র সরকারের লোকেরা তাদেরকে মারধর করতে চায়, হানাহানির মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে।
পরে মেয়েটার মা ফাতেমা বেগম সন্ধ্যার দিকে নিরুপায় হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলা করে। পুলিশ এসে ধ*র্ষণের আলামতগুলো পায়।
তারপর মেয়েটাকে গাজীপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
ভজেন্দ্র সরকার এখন চেষ্টা করছে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের দিয়ে জামিন নিয়ে নিতে।
ঘটনাটা গতকালকের। অথচ এখন পর্যন্ত প্রথম আলো, ডেইলি স্টার বা বড় কোন চ্যানেলকে এটা নিয়ে নিউজ করতে দেখলাম না। কোন শাহবাগীকেও আওয়াজ তুলতে দেখলাম না।
অথচ ঘটনাটা যদি উল্টো হতো, কোন মুসলিম হুজুর যদি ভিন্ন ধর্মের কাউকে ধ*র্ষণ করতো তাহলে হয়তো চারদিক তোলপাড় হয়ে যেত।
ধ*র্ষকের একমাত্র পরিচয় সে ধ*র্ষক। কিন্তু যখন হিন্দু সম্প্রদায়ের কারো দ্বারা মুসলিম কেউ ধ*র্ষণ তখন কেন যেন মিডিয়া কিচ্ছু বলে না, চুপ করে থাকে।
এই ফাঁকে ভজেন্দ্র সরকারের মতো প্রভাবশালীরা জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।
২০১৫ সালের ধ*র্ষণ মামলার বিচারগুলো এখন আদালতে হচ্ছে। প্রায় ১১ বছর সময় লাগে একটা বিচার হতে।
তাই এই মুসলিম বাচ্চা মেয়েটাও কোন বিচার পাবে কি-না জানি না।
মেয়েটা এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে। হাসপাতালে থেকেই এই সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে সে।
এখন মেয়েটা প্রচন্ড ব্যথায় সে শুধু মা মা বলে ডাকে আর কান্না করে। মেয়েটার বয়স কম। ৮ বছর বয়স মাত্র! এত অল্প বয়সে কিছু বুঝে উঠার আগেই এত বড় যন্ত্রণা পেতে হলো তার।
মেয়েটার মাও হাসপাতালে তার বেডের পাশেই বসে আছে। বসে বসে এখন মেয়েটার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর সান্ত্বনা দিচ্ছে - কিছু হবে না মা বলে।
এই দেশে সঠিক বিচার তো পাবেই না। তাই মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া বোধহয় আর কিছুই করার নেই এই অসহায় মায়ের!

02/10/2025

দেখুন কেমন করে ওরা সাহস শিখে। এটা শুধু একটা ট্রেনিং না — এটা হলো নিজেকে হারিয়ে আবার নতুন করে গড়ার যুদ্ধ।
@ফলোয়ার

01/10/2025

যারা সাকিব সাকিব করে মাতামাতি করতেছেন তাদের জন্য এই গান।

01/10/2025

৫ সেকেন্ড পরের দৃশ্যটি মনটা ভরিয়ে দিবে...!🖤

30/09/2025

- তুমি মুসলমান হইয়া হি*ন্দুর দুর্গা*পূজায় কীভাবে গেলা..!🥹

30/09/2025

ও দোলা**ভাই আইছে😀😀😀

29/09/2025

এটা দেখার পর নিজেকে আর পাগল মনে হয়না 😂

 #ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজে...
24/09/2025

#ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️
দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজেকশন, দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার যে কিছু পদার্থ আলোর এক্সপোজার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়[২]। 18 তম শতাব্দীর আগে হালকা সংবেদনশীল উপকরণ দিয়ে ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা নির্দেশ করে এমন কোন শিল্পকর্ম বা বর্ণনা নেই।
লে গ্রাস ১৮২৬ বা ১৮২৭ এ জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় যে এটি সবচেয়ে আগে বেঁচে থাকা ক্যামেরার ছবি। [১] আসল (বামে) এবং রঙিন পুনর্নবীকরণ (ডান)।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেইনরিচ শুলজ একটি বোতলের উপর কাটা-আউট অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল স্লারি ব্যবহার করেছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করার চেষ্টা করেননি তিনি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্যভাবে নথিভুক্ত করেছেন, যদিও স্থায়ী রূপে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত আলোকচিত্র তৈরি করেছিল, কিন্তু ওয়েডগউড এবং তার সহযোগী হামফ্রি ডেভি এই ছবিগুলিকে ঠিক করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, Nicephore Niépce প্রথম একটি ছবি ঠিক করতে সক্ষম হয়েছিল যা একটি ক্যামেরা দিয়ে ধরা হয়েছিল, কিন্তু কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিন ক্যামেরার এক্সপোজার প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি খুব অপরিশোধিত ছিল। নিপেসের সহযোগী লুই ড্যাগেরেরে ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া বিকশিত করতে শুরু করেছেন, প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ড্যাগেররিওটাইপের ক্যামেরায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট এক্সপোজার প্রয়োজন, এবং পরিষ্কার, সূক্ষ্মভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি। ২ আগস্ট, ১৮৩৯ তারিখে ড্যাগেরে প্যারিসে চেম্বার অফ পিয়ারস-এ প্রক্রিয়াটির বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট ইনস্টিটিউট প্যালেস এ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় কারিগরি বিবরণ প্রকাশ করা হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগেররে এবং নিপেসেকে জীবনের জন্য উদার বার্ষিকী প্রদান করা হয়। )[3][4][5] যখন মেটাল ভিত্তিক ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া জনসাধারণের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তখন কাগজ-ভিত্তিক ক্যালোটাইপ নেতিবাচক এবং লবণ প্রাই এর প্রতিযোগী পদ্ধতি
আলহ

24/09/2025
13/09/2025

দুই ভাই এক সাথে প্রবাসে আর বাড়িতে দুই ভাইয়ের বউ একসাথে প্রেমিককে নিয়ে গ্রামবাসির হাতে আটক হয়েছে।

Address

সিলেট, বাংলাদেশ
Sylhet

Telephone

+8801322026933

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কালার মিডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কালার মিডিয়া:

Share

Category