MD Misbah Uddin

MD Misbah Uddin Inventor

24/11/2025

ভালো মনের মানুষকে কষ্ট দিলে তারা চিৎকার করে না, অভিযোগও করে না।

তারা নিঃশব্দে তাদের ব্যথা বুকের ভেতর রাখে—
তারপর একদিন চুপচাপ চলে যায়, আর কখনও ফিরে আসে না।

তারা ভালো থাকা বন্ধ করে না,
কিন্তু আপনাকে বিশ্বাস করা বন্ধ করে দেয়।
এবং ঠিক সেই মুহূর্তেই—আপনি তাদের হারিয়ে ফেলেন।

🌿 ভালো মনের মানুষরা প্রতিশোধ নেয় না,
তারা দূরে সরে গিয়ে শান্তি বেছে নেয়।
তাদের হারানোটা শব্দহীন,
কিন্তু সেই নীরবতাই সবচেয়ে জোরে বলে দেয়—
তারা একসময় আপনাকে কতটা গুরুত্ব দিত।

24/11/2025

মৃত্যু হাঁটছে মৃদু পায়,
তবু যান্ত্রিক এ সভ্যতার গতি কে থামায়!

23/11/2025

হে রহমানুর রাহিম!!!তুমিতো সব জানো,
আমার অন্তরের শান্তি আমাকে ফিরিয়ে দাও।

22/11/2025

৫০/৬০ বছর একটা মানুষের সাথে থাকতে হবে, এটাও যদি পরিবারই ঠিক করে দেয়।

আমি মনে করি, এখনকার সময়ে এটা এক প্রকার জুলুম করা হয়।

21/11/2025

জীবনের ১৫টি কঠিন সত্য, যা মানুষ অনেক দেরিতে শেখে...

১. নিজের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অতিরিক্ত কিছু প্রকাশ কোরো না। নিঃশব্দ জীবনই হয় শান্তির এবং শক্তিশালী।

২. তুমি যতই তোমার বন্ধু, আত্মীয় বা পরিবারের ওপর ভরসা করো না কেন — সব কথা সবার সঙ্গে ভাগ করো না।

৩. সর্বোত্তম প্রতিশোধ হলো — কোনো প্রতিশোধ না নেওয়া।

নিজেকে উন্নত করো, সুখী থাকো, অন্তরের শান্তি খুঁজে নাও, এবং আরও সুন্দরভাবে বিকশিত হও।

৪. যখন তুমি কোন ভালো কাজ করবে, তখন কেউ তোমাকে মনে রাখবে না;

কিন্তু যখন তুমি ভুল করবে, তখন সেটা কেউ ভুলবে না।

৫. যদি তুমি সবসময় “ভালো সময়ের” অপেক্ষা করো,

তবে পুরো জীবন কেটে যাবে — আর কিছুই ঘটবে না।

৬. তুমি কাউকে কোনো ব্যাখ্যা বা জবাবদিহি করতে বাধ্য নও।

৭. যে মানুষ তোমার আবেগকে সহজে প্রভাবিত করতে পারে,

সে তোমার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে।

তাই কাকে সেই ক্ষমতা দিচ্ছো, তা ভেবে দেখো।

৮. সব কিছুর প্রতিক্রিয়া দেখানো বন্ধ করো।

কখনো কখনো নীরবতাই সর্বোত্তম উত্তর।

৯. কেউ তোমাকে বাঁচাতে আসবে না,

কারণ তুমি নিজেই নিজেকে বাঁচানোর মতো সম্পূর্ণ সক্ষম।

১০. অন্যের মানহানি করে নিজের সম্মান বাড়ানো যায় না।

১১. মিথ্যা বন্ধু একজন শত্রুর চেয়েও বেশি বিপজ্জনক।

১২. আরামের অঞ্চল (Comfort Zone) ধীরে ধীরে তোমার স্বপ্ন ধ্বংস করে দেয়।

১৩. যে বিষয়গুলোর সঙ্গে তুমি একমত নও, সেগুলো মেনে নেওয়া বন্ধ করো।

১৪. প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলো না।

কম কথা অনেক সময় বেশি মূল্যবান।

১৫. যাদের প্রতি তোমার সম্মান নেই,

তাদের জন্য মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই।

21/11/2025

"সবকিছুকে ফেরানো গেলেও হারিয়ে যাওয়া সময় কিন্তু ফিরে আসেনা "l

21/11/2025

পুরুষ মানুষের ভালোবাসা বোঝার ক্ষমতা সব নারীর হয় না!

কারণ পুরুষের ভালোবাসা নদীর স্রোতের মতো
গভীর, নীরব, অথচ ভীষণ শক্তিশালী।
সে ভালোবাসে চেঁচামেচি করে নয়,
শান্তভাবে, নিজের ভেতরে হাজার কথা লুকিয়ে রেখে।
পুরুষের ভালোবাসা শব্দে প্রকাশ পায় না,
প্রকাশ পায় আচরণে, যত্নে, অপেক্ষায়,চুপচাপ খোঁজ নেওয়ায়।

কেউ কেউ ভাবে পুরুষ মানেই শক্ত, রুক্ষ, কঠিন
কিন্তু সত্যি হলো, পুরুষের ভালোবাসা সবচেয়ে নরম,
সবচেয়ে গভীর, আর সবচেয়ে লুকানো।

বেশিরভাগ নারী শুধু বাহিরটা দেখে
গিফট দিল কি না,
রোজ মেসেজ করল কি না,
কথা বলল কি না।
কিন্তু খুব কম নারী বোঝে
নীরব যত্ন, নিঃশব্দ খোঁজ,
অভিমান লুকিয়ে রাখা চোখের ভাষা।

একজন পুরুষ যখন সত্যিই ভালোবাসে,
তখন তার ভালোবাসা কথার চেয়ে কাজে বেশি ফুটে ওঠে।
সে হয়তো বারবার "ভালোবাসি" বলতে পারে না,
কিন্তু সে সেই মানুষটার জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে
হাসি ধরে রাখে, নিরাপত্তা দেয়, সম্মান দেয়,
আর নিজের স্বপ্নের মধ্যেও তার প্রিয় মানুষটির জন্য জায়গা বানিয়ে রাখে।

সে অন্যদের সামনে কঠিন, শক্ত
কিন্তু যাকে ভালোবাসে তার সামনে নরম, শান্ত, নিঃশব্দ হয়ে যায়।
কোথাও গেলে প্রথমে তার কথা ভাবে,
কিছু পেলে আগে তার সঙ্গেই ভাগ করে নিতে চায়।
তার নিজের কষ্টটা লুকিয়ে রাখে,
শুধু যাতে প্রিয় মানুষটা হাসতে পারে।

একজন পুরুষ যখন সত্যিই ভালোবাসে
সে প্রতিশ্রুতি দেয় না,
বরং প্রতিশ্রুতি পালন করে।
সে দূরে গেলেও মন রেখে যায়,
রাগ হলেও সম্পর্ক ছাড়ে না,
হাজার ভুল হলেও নিজের মানুষটাকে আঁকড়ে ধরে রাখে।

সত্যিকারের ভালোবাসা পুরুষ দেখায় না,
সে শুধু অনুভব করায়।

তবে সব নারী এই ভালোবাসা বুঝতে পারে না
কারণ তারা প্রেমকে শব্দে মাপে,
কিন্তু পুরুষ মাপে অনুভূতিতে, দায়িত্বে,
নিঃশব্দ ত্যাগে।

যে নারী পুরুষের ভালোবাসার ভাষা পড়তে পারে,
সে জানে
পুরুষ অন্যদের মতো দেখিয়ে ভালোবাসে না,
সে মন থেকে ভালোবাসে।
সে নিজের স্বপ্নে জায়গা দেয়,
নিজের কষ্ট লুকিয়ে রেখেও হাসি দিয়ে সঙ্গীকে শক্তি দেয়।

আর যেসব নারী এই ভালোবাসা বোঝে না—
তারা ভাবে পুরুষ বদলে গেছে, দূরে সরে গেছে,
কিন্তু সত্যি হলো,
পুরুষ তখনও আগের মতোই ভালোবাসে,
শুধু তার ভাষা বোঝার মতো মানুষ পাশে থাকে না।

যে নারী সত্যিই বুঝতে জানে
সে জানে পুরুষের ভালোবাসা সহজ নয়,
কিন্তু একবার সত্য হলে তা সারা জীবনের জন্য।

লেখাঃ- জহিরুল ইসলাম রুবেল

21/11/2025
21/11/2025

শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসা নেওয়া যেমন সুন্নাহ, তেমনি মানসিক সংকটে জ্ঞান, আত্মজিজ্ঞাসা, কাউন্সেলিং এগুলোও বাস্তবসম্মত পথ। আর রুহের ভার, সেই গভীর একাকিত্ব যেটা মানুষের চোখে ধরা যায় না সেই অবস্থায় দোয়া করা ঠিক যেন ভিতরের ঘরটাকে পরিষ্কার করা।

যখন ভীষণ খারাপ লাগবে, বুকের ভেতর চাপা কষ্ট জমে উঠবে, আর কথা বলার মতো কাউকে পাশে পাবেন না তখন এই আমলটি করুন। এই দোয়াটাই পড়ুন।

শরীর অসুস্থ হলে আমরা যেমন ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিই, মানসিক চাপ বা ট্রমার সময় মানসিক শক্তি ফিরে পেতে সাইকোলজির সাহায্য নিই, রুহের ক্ষেত্রেও তেমনই একটা দরজা আছে। আর সেই দরজাটা খুলে দেয় আমল ও দোয়া। রুহ ক্লান্ত হলে তা পরিষ্কার হয় ইবাদত ও দোয়ার মাধ্যমে। তাই দিনে যতবার নিজেকে একা, অসহায় বা ভেতরটা ভারী মনে হবে ঠিক ততবার এই দোয়াটা পড়ুন।

وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজান।
ওয়া আউযু বিকা মিনা’ল আজজি ওয়াল কাসাল।
ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখল।
ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।

বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষের অ'ত্যাচার থেকে।

আপনি এখন যা চিন্তা করেন সেটা নেগেটিভ হোক কিংবা পজিটিভ? ৩ থেকে ৭ বছরের মধ্যে ঠিক সেই দিকেই আপনার জীবন চলে যাবে।এটা কোন ম্...
20/11/2025

আপনি এখন যা চিন্তা করেন সেটা নেগেটিভ হোক কিংবা পজিটিভ? ৩ থেকে ৭ বছরের মধ্যে ঠিক সেই দিকেই আপনার জীবন চলে যাবে।

এটা কোন ম্যাজিক্যাল ব্যাপার না।
এটা মানবমস্তিষ্কের আকর্ষণ সিদ্ধান্তের সাইকোলজি।

বিহেভিয়ারাল সায়েন্সে Cognitive Consistency বলে একটা ধারণা আছে: মানুষ যেভাবে ভাবতে থাকে, তার আচরণ, সিদ্ধান্ত, সম্পর্ক সবকিছুই ধীরে ধীরে সেই ভাবনার দিকে মোড় নেয়।

এটা আপনি বিশ্বাস করুন বা নাই করুন, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাতে আমার সত্যিই কিচ্ছু আসে যায় না। কিন্তু আপনার জীবনে অনেক কিছুই হারিয়ে যাবে, যদি ভুল চিন্তাকে আপনি মাথায় জায়গা দেন।

আপনার Negative Thoughts কিভাবে আপনাকে ধীরে ধীরে ভেঙে দেয়?
"আমি যাকে ভালোবাসি সে হয়তো আমার সাথে চিট করছে" এই একটা চিন্তাই আপনাকে সন্দেহপ্রবণ, রুড, অতিরিক্ত রিঅ্যাক্টিভ করে তোলে। শেষে সত্যি সত্যি সম্পর্কটাই ভেঙে যায় আপনার নিজের আচরণের কারণেই।

"রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাৎ গাড়ি এসে হয়তো আমায় ধাঁক্কা দিবে" এ ভাবনা আপনাকে অন্যমনস্ক করে দেয়, আপনি নিজের ব্রেইনকে বিপদের জন্য প্রোগ্রাম করে ফেলেন। তারপর
একদিন আসলেই দুর্ঘটনা ঘটেই যায়।

"আমি পড়া মনে রাখতে পারি না"
ব্রেইন এটাকে সত্য ধরে নেয়। তারপর যেকোনো নতুন জিনিস শেখাই কঠিন হয়ে যায়।

"আমি যোগ্য না"
এই একটা চিন্তা মানুষকে সবচেয়ে ভয়ানক জায়গায় নিয়ে যায়: নিজের সম্ভাবনাকে মে'রে ফেলে, যে নিজেকে কিছুই ভাবে না বাস্তবে তার উপস্থিতি থাকা না থাকা সমান ব্যাপার।

মজার ব্যাপার হলো, এই ভয়গুলো সত্যি হবার কারণ শুধু ভয় নয়, আপনার আচরণ ধীরে ধীরে ভয় অনুযায়ী গড়ে ওঠে।

আপনার Positive Thoughts কিভাবে আপনাকে এগিয়ে নেয়?
"সামনের সময়টা আমার জন্য ভালো যাবে।"
এই চিন্তা ব্রেইনকে ইতিবাচক রুটিন তৈরি করতে বাধ্য করে। আপনি সুযোগ খুঁজে বেড়ান, আর সুযোগও তখন আপনাকে খুঁজে নেয়।

"আমি কোটিপতি না হলেও স্বাবলম্বী হব।"
এটা আপনাকে ডিসিপ্লিনে রাখে। স্থিরতা শেখায়। হঠাৎ লোভ ইমপালস এসব জিনিস থেকে আপনাকে দূরে রাখে।

"সবার সাথে আমার ভালো বন্ডিং আছে।"
আপনি নিজের অজান্তেই আরও ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট হয়ে ওঠেন। এবং অন্যরাও আপনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।

সাইকোলজিতে একে বলা হয়: Self Fulfilling Prophecy. আপনি যেভাবে ভাবেন, জীবন ঠিক সেভাবেই Unfold হয়ে যায়।

সত্যি বলতে?
আমি যতই সাইকোলজি দিয়ে বিষয়টাকে কভার করি না কেন, কিন্তু বিষয়টা আসলে ইউনিভার্সকে আকর্ষণ করার, Low Of Attraction. অর্থাৎ আপনার আজকের চিন্তা আগামীতে বাস্তবায়ন হবে। আজ আপনি মাথায় যে বীজ লাগাচ্ছেন, ভবিষ্যতে সেটাই গাছ হয়ে আপনার জীবন দখল করবে।

আমি আমার কাউন্সিলিং সেশন গুলোতে এই বিষয়টা ক্লায়েন্টদের স্পষ্টভাবে বুঝিয়েছি।

এখন প্রশ্ন হলো! আপনি ঠিক কোন বীজ লাগাচ্ছেন? ভয়? নাকি সম্ভাবনা?

৩/৭ বছর সময় খুব বেশি না।
দেখুন, করোনা চলে গেছে আহ প্রায় ৬ বছর তখন আমরা শুধু বেঁচে থাকার চিন্তায় ছিলাম, আজ আমরা বেঁচে আছি কিন্তু কেউই বিশেষ কিছু হতে পারিনি। কারণ আমাদের চিন্তাটাই ছিল ওরকম।

তাই আপনার ব্রেইনকে একটু সিরিয়াসলি নিন।
কারণ আপনার পরের জীবনটা তৈরি হবে আজকের চিন্তাগুলো দিয়ে।

Address

Sylhet Dhaka
Sylhet
3100

Telephone

+8801729896877

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD Misbah Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD Misbah Uddin:

Share