Inside Bangla

Inside Bangla সত্যের পথে, তথ্যের সাথে।
জানুন, ভাবুন, ছড়িয়ে দিন✔

অর্জুন গাছ-এর ছাল আয়ুর্বেদিক ও প্রাচীন ভেষজ চিকিৎসায় অনেক বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের যত্নে এটি বেশ ...
13/05/2026

অর্জুন গাছ-এর ছাল আয়ুর্বেদিক ও প্রাচীন ভেষজ চিকিৎসায় অনেক বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের যত্নে এটি বেশ পরিচিত। অর্জুন গাছের ছালে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ট্যানিন, ফ্ল্যাভোনয়েড ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান, যা শরীরের নানা উপকারে আসে।

এর কিছু পরিচিত উপকারিতা হলো:

* হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে
* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে
* শরীরের দুর্বলতা ও ক্লান্তি কমাতে সহায়ক
* হজমে উপকার করতে পারে
* কিছু ক্ষেত্রে ক্ষত শুকাতে ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়
* কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে মনে করা হয়

অনেকে অর্জুনের ছাল শুকিয়ে গুঁড়া করে বা পানিতে সিদ্ধ করে খেয়ে থাকেন। তবে যেকোনো ভেষজ নিয়মিত খাওয়ার আগে ডাক্তার বা অভিজ্ঞ হার্বাল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো, বিশেষ করে যদি কারও হার্ট, প্রেসার বা অন্য কোনো রোগের ওষুধ চলতে থাকে।

রাতে একা চলতে সতর্কতা: ইসলামের দৃষ্টিতে করণীয়:রাত মানুষের বিশ্রামের সময়। তবে প্রয়োজনের কারণে অনেক সময় রাতে একা চলাফেরা ক...
12/05/2026

রাতে একা চলতে সতর্কতা: ইসলামের দৃষ্টিতে করণীয়:

রাত মানুষের বিশ্রামের সময়। তবে প্রয়োজনের কারণে অনেক সময় রাতে একা চলাফেরা করতে হয়। ইসলাম আমাদের শুধু ইবাদতের শিক্ষাই দেয় না, বরং নিরাপদ ও সচেতন জীবনযাপনের দিকনির্দেশনাও দেয়। তাই রাতে একা বের হলে কিছু সতর্কতা ও আমল মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রাতে একা চলার আগে আল্লাহর উপর ভরসা:

একজন মুমিন সর্বদা আল্লাহর উপর ভরসা রাখে। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এই দুআ পড়া সুন্নত:

> “বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।”

অর্থ: “আল্লাহর নামে বের হলাম, আল্লাহর উপর ভরসা করলাম, আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।”

এই দুআ মানুষকে আল্লাহর হেফাজতে রাখে।

নির্জন ও অন্ধকার পথ এড়িয়ে চলা:

ইসলাম সতর্কতাকে গুরুত্ব দেয়। তাই সম্ভব হলে জনবহুল ও আলোকিত রাস্তা ব্যবহার করা উচিত। অন্ধকার বা নির্জন পথ অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে।

মোবাইল বা দুনিয়াবি চিন্তায় অমনোযোগী না হওয়া:

রাস্তায় চলার সময় অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার বা হেডফোনে ডুবে থাকা ঠিক নয়। এতে চারপাশের পরিস্থিতি বোঝা যায় না। একজন মুসলিম সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকে।

রাতে অযথা ঘোরাফেরা থেকে বিরত থাকা:

প্রয়োজন ছাড়া গভীর রাতে বাইরে থাকা ইসলাম পছন্দ করে না। কারণ রাতের নীরবতায় অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। তাই প্রয়োজন শেষ হলে দ্রুত ঘরে ফিরে আসা উত্তম।

আয়াতুল কুরসি ও ছোট সূরা পড়া:

রাতে বের হওয়ার আগে আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়া খুব উপকারী। এগুলো মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ঢালস্বরূপ।

খারাপ সঙ্গ ও সন্দেহজনক স্থান থেকে দূরে থাকা:

রাতের পরিবেশে অনেক সময় মানুষ ভুল পথে জড়িয়ে পড়ে। তাই ঈমান রক্ষার জন্য খারাপ সঙ্গ, অশ্লীলতা ও সন্দেহজনক জায়গা থেকে দূরে থাকা জরুরি।

ইসলাম আমাদের শেখায়, সতর্কতা ও দুআ একসাথে চলা উচিত। শুধু ভয় নয়, বরং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সচেতনভাবে চলাফেরা করাই একজন মুমিনের পরিচয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিরাপদে রাখুন এবং সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

“উপকারী গাছের চামড়া থাকেনা” কথাটির গভীর অর্থ আছে। প্রকৃতিতে আমরা দেখি, যে গাছ মানুষকে ফল, ছায়া বা ওষুধ দেয়, মানুষ অনেক স...
12/05/2026

“উপকারী গাছের চামড়া থাকেনা” কথাটির গভীর অর্থ আছে। প্রকৃতিতে আমরা দেখি, যে গাছ মানুষকে ফল, ছায়া বা ওষুধ দেয়, মানুষ অনেক সময় সেই গাছেরই ডাল কাটে, ছাল তুলে নেয়, তবুও গাছটি নীরবে উপকার করেই যায়।

মানুষের জীবনেও ঠিক তেমন কিছু মানুষ আছে, যারা অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে। তারা সবার পাশে দাঁড়ায়, সাহায্য করে, ভালোবাসা দেয়। কিন্তু অনেক সময় তারাই সবচেয়ে বেশি আঘাত পায়, অবহেলার শিকার হয়। তবুও তারা তাদের ভালোত্ব হারায় না।

এই প্রবাদ আমাদের শেখায়, সত্যিকারের মহান মানুষ কখনো প্রতিদানের আশায় উপকার করে না। কারণ উপকারিতা আর দয়া মানুষের চরিত্রের সৌন্দর্য, যা কোনো কষ্ট দিয়েও মুছে ফেলা যায় না।
©
Inside Bangla

জ্বীন, যাদু বা অশুভ প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য ইসলামে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া শেখানো হয়েছে। এগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহর ...
10/05/2026

জ্বীন, যাদু বা অশুভ প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য ইসলামে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া শেখানো হয়েছে। এগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহর হেফাজত ও শান্তি পাওয়া যায় ইনশাআল্লাহ।

করণীয়

* পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করা
* সকাল-সন্ধ্যার যিকির পড়া
* ঘুমানোর আগে অযু করা
* ঘরে কুরআন তিলাওয়াত করা, বিশেষ করে সূরা আল-বাকারাহ
* হারাম কাজ, গান-বাজনা ও গুনাহ থেকে দূরে থাকা
* সবসময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখা

গুরুত্বপূর্ণ দোয়া ও আমল:

আয়াতুল কুরসি:

প্রতি ফরজ নামাজের পরে এবং ঘুমানোর আগে পড়ুন।

সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস

৩ বার করে সকাল-সন্ধ্যায় এবং ঘুমানোর আগে পড়ুন।

এই দোয়া
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ:
“বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামাই, ওয়া হুওয়াস সামিউল আলিম।”

অর্থ:
“আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।”

সকাল ও সন্ধ্যায় ৩ বার পড়া উত্তম।

ঘুমের আগে

* আয়াতুল কুরসি
* সূরা মুলক
* শেষ দুই আয়াত: সূরা আল-বাকারাহ

গুরুত্বপূর্ণ কথা

ভয় না পেয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। অনেক সময় ভয়, দুশ্চিন্তা বা কুসংস্কার থেকেও মানুষ অস্থির হয়ে যায়। ইসলাম আমাদের শান্ত থাকতে, ইবাদত করতে এবং আল্লাহর সাহায্য চাইতে শিক্ষা দেয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৪ এপ্রিল মধ্য গাজায় আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমী গণবিবাহ, যেখানে ৩০০ দম্পতি একসঙ্গে...
26/04/2026

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৪ এপ্রিল মধ্য গাজায় আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমী গণবিবাহ, যেখানে ৩০০ দম্পতি একসঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে এই আয়োজন স্থানীয় মানুষের মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি নিয়ে আসে।
গাজার অন্যতম বৃহৎ এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পরিবার-পরিজন, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। আয়োজকদের হিসেবে, প্রায় ২০ হাজার মানুষ এতে অংশ নেন।

এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবিক উদ্যোগ “গ্যালান্ট নাইট ৩”-এর অংশ হিসেবে “জয় ড্রেস ২” শিরোনামে আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিটির লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক চাপে বিয়ে করতে না পারা তরুণ-তরুণীদের সহায়তা করা।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নিবন্ধন শুরু হলে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে দম্পতিদের বাছাই করা হয়। আয়োজকরা জানান, যারা আগে বিয়ে করেননি এবং নির্ধারিত আয় ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেছেন—তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
শুধু অনুষ্ঠান আয়োজনেই সীমাবদ্ধ ছিল না এই উদ্যোগ। নবদম্পতিদের নতুন সংসার গড়তে আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীও প্রদান করা হয়েছে, যাতে তারা প্রাথমিক খরচ ও মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারেন।

অনুষ্ঠানটি ছিল আনুষ্ঠানিকতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক সুন্দর সমন্বয়। কোরআন তেলাওয়াত, বিবাহ ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা এবং দাবকের মতো ঐতিহ্যবাহী ফিলিস্তিনি নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে তৈরি হয় উৎসবমুখর আবহ। একই সঙ্গে বাজানো হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের জাতীয় সঙ্গীত।

গাজায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি দলের প্রধান আলী আল শাহী বলেন, এই উদ্যোগ গাজার মানুষের পাশে থাকার এবং তাদের কঠিন সময়ে সহায়তা করার প্রতি আমিরাতের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এটি সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদানের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেক দম্পতির কাছেই এটি ছিল জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। কেউ সংঘা**তে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, কেউ আ*হ*ত হয়েছেন, আবার অনেকেই আর্থিক সংকটের কারণে বিয়ে পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, “গ্যালান্ট নাইট ৩” অভিযানের আওতায় এটি ছিল দ্বিতীয় গণবিবাহ অনুষ্ঠান। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘা**তের পর থেকেই এই উদ্যোগ গাজাজুড়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে।
©

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:​“যখনই কোনো ব্যক্তি তার ঘর থেকে বের হয়, তখন তার দরজায় দুটি পতাকা থাকে। একটি পতাকা থাকে একজন ফেরেশতার ...
25/04/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

​“যখনই কোনো ব্যক্তি তার ঘর থেকে বের হয়, তখন তার দরজায় দুটি পতাকা থাকে। একটি পতাকা থাকে একজন ফেরেশতার হাতে, আর অন্যটি থাকে শয়তানের হাতে।

যদি সে এমন কোনো উদ্দেশ্যে বের হয় যা আল্লাহ তা'আলা পছন্দ করেন, তবে ফেরেশতা তার পতাকা নিয়ে তাকে অনুসরণ করেন। ফলে সে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত ফেরেশতার পতাকাতলে (নিরাপত্তা ও রহমতে) থাকে।

আর যদি সে এমন কোনো উদ্দেশ্যে বের হয় যা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে, তবে শয়তান তার পতাকা নিয়ে তাকে অনুসরণ করে। ফলে সে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত শয়তানের পতাকাতলে থাকে।”
(সূত্র: মুসনাদে আহমদ: 8286, তাবারানী)

আমরা যখন ঘর থেকে বের হই, তখন আমাদের নিয়ত বা উদ্দেশ্যই ঠিক করে দেয় আমাদের সফরসঙ্গী কে হবে।

যদি ভালো কাজের উদ্দেশ্য হয়, যেমন; হালাল রুজি অন্বেষণ, জ্ঞান অর্জন বা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ইত্যাদি, তবে স্বয়ং ফেরেশতা আমাদের পাহারাদার হন।

আর যদি উদ্দেশ্য হয় কোনো পাপ কাজ বা অনর্থক সময় নষ্ট, তবে শয়তান আমাদের পথপ্রদর্শক হয়ে যায়।

আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে অনর্থক বিষয় ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন
©
Inside Bangla

ইল্লা মা শা আল্লাহ্, কত সুন্দর চিন্তা ভাবনা! এক ব্যাক্তি মোবাইলে তার স্ত্রীর নাম্বারটা "ওসিয়্যাতুল রাসূল" নামে সেভ করে র...
25/04/2026

ইল্লা মা শা আল্লাহ্, কত সুন্দর চিন্তা ভাবনা! এক ব্যাক্তি মোবাইলে তার স্ত্রীর নাম্বারটা "ওসিয়্যাতুল রাসূল" নামে সেভ করে রেখেছে

ওনার এক ছাত্র বেশ কৌতূহলী হয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করল। উত্তরে তিনি বললেন, ওসিয়্যাতুল রাসূল অর্থাৎ সেই নারী যার বাপ্যারে রাসূল (সা:) তার উম্মতকে হুশিয়ারী ভাষায় ওসিয়্যত করে গেছেন। কয়েক হাদিসে বিভিন্ন শব্দে বিভিন্নভাবে এ নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

তো আমি "ওসিয়্যাতুল রাসূল" লিখে রাখলাম, কারণ যাতে কখনো এমন যেন না হয় যে ওনি কল দিলো আর আমি রেগে আছি। হতে পারে রাগবশত আমি ওনার ফোন ওঠালাম না অথবা কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে কল কেটে দিলাম, ভ্রুক্ষেপ করলাম না। তখন এই নামটা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে যে, স্ত্রীর সাথে সু-আচরণ করতে রাসূল (সা:) নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

কথা – সংগৃহীত

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম একবার একটি পুরনো মাথার খুলির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি সেটিতে মৃদু আঘাত করে বললেন, "আল্লাহর নির্দে...
19/04/2026

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম একবার একটি পুরনো মাথার খুলির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি সেটিতে মৃদু আঘাত করে বললেন, "আল্লাহর নির্দেশে কথা বলো।"

উল্লেখ্য, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম এর অন্যতম মু'জেযা ছিল তিনি মৃত ব্যক্তিকে আল্লাহর হুকুমে জীবিত করতে পারতেন!

​আল্লাহর হুকুমে সেই খুলিটি কথা বলে উঠল। সে বলল:

​"হে রূহুল্লাহ! আমি এক জামানার প্রতাপশালী সম্রাট ছিলাম। একদিন আমি আমার রাজসিংহাসনে বসে ছিলাম, মাথায় ছিল আমার রাজমুকুট। আমার চারপাশে ছিল অনুগত ভৃত্য, খাদেম এবং বিশাল সেনাবাহিনী।

ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ মৃত্যুর ফেরেশতা (মালাকুল মউত) আমার সামনে হাজির হলেন। তাঁর উপস্থিতিতে আমার শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ শিথিল হয়ে আলাদা হয়ে গেল এবং আমার প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেল।"

​সে আক্ষেপ করে আরো বলল:

​"হায়! সেদিন যদি আমি মানুষের এই ভিড়ে ডুবে না থেকে একাকী থাকতাম, আর রাজকীয় আমোদ-প্রমোদে মত্ত না থেকে আখেরাতের কথা ভেবে একটু নিরিবিলি সময় কাটাতাম (তবে আজ আমাকে এই আফসোস করতে হতো না)।"

© Salman Farsi
​সূত্র: আল আকিবাতু ফি যিকরিল মাউত

সময় ফুরিয়ে এলে সবাইকেই চলে যেতে হয়। যদি কোনোদিন শোনেন আমি আর দুনিয়াতে নেই, তবে আপনাদের নেক দোয়ায় আমাকে একটু স্মরণ করবেন। পরপারে আপনাদের দোয়াই তো সবচেয়ে বড় পাওনা।

তাজিকিস্তানের মেয়েরা সৌন্দর্য, সংস্কৃতি আর দৃঢ়তার এক অনন্য মিশ্রণ। মধ্য এশিয়ার পাহাড়ঘেরা দেশ Tajikistan–এর নারীরা শুধু ব...
18/04/2026

তাজিকিস্তানের মেয়েরা সৌন্দর্য, সংস্কৃতি আর দৃঢ়তার এক অনন্য মিশ্রণ। মধ্য এশিয়ার পাহাড়ঘেরা দেশ Tajikistan–এর নারীরা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, তাদের জীবনধারা, ঐতিহ্য আর মানসিক শক্তির জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত।

প্রথমেই যদি কথা বলি তাদের সৌন্দর্য নিয়ে, তাজিক মেয়েদের চেহারায় সাধারণত পাওয়া যায় কোমলতা আর স্বাভাবিক এক উজ্জ্বলতা। উজ্জ্বল ত্বক, গভীর চোখ আর লম্বা চুল—এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের আলাদা করে তোলে। তবে তাদের আসল আকর্ষণ শুধু বাহ্যিক নয়, বরং তাদের সরলতা আর আত্মবিশ্বাসেও।

সংস্কৃতির দিক থেকে তাজিক মেয়েরা খুবই ঐতিহ্যবাহী। তারা প্রায়ই রঙিন পোশাক পরে, বিশেষ করে “আটলাস” বা সিল্কের তৈরি ঐতিহ্যবাহী ড্রেস, সঙ্গে থাকে সুন্দর এমব্রয়ডারি করা ওড়না। বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে তাদের সাজসজ্জা আরও জমকালো হয়ে ওঠে, যেখানে গয়না আর হেডড্রেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষা ও সমাজে তাদের অংশগ্রহণও ধীরে ধীরে বাড়ছে। আগে যেখানে নারীরা মূলত পরিবারকেন্দ্রিক ছিল, এখন অনেক তাজিক নারী শিক্ষকতা, চিকিৎসা, ব্যবসা এমনকি প্রশাসনিক কাজেও নিজেদের জায়গা তৈরি করছে। শহরাঞ্চলে মেয়েদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এখন বেশ সাধারণ একটি বিষয়।

তাজিক সমাজে পরিবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়া, সম্মান বজায় রাখা এবং সম্পর্ক রক্ষা করার শিক্ষা পায়। তারা সাধারণত দায়িত্বশীল, ধৈর্যশীল এবং পরিশ্রমী—যা তাদের ব্যক্তিত্বকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

তবে সবকিছুই সহজ নয়। এখনও গ্রামাঞ্চলে কিছু সামাজিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন অল্প বয়সে বিয়ে বা শিক্ষার সুযোগ কম থাকা। তবুও নতুন প্রজন্মের মেয়েরা ধীরে ধীরে এসব বাধা অতিক্রম করে নিজেদের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, তাজিকিস্তানের মেয়েরা শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং তারা ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এক সুন্দর ভারসাম্য। তাদের জীবন আমাদের শেখায়—নিজের সংস্কৃতি ধরে রেখেও সময়ের সাথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সিলেটে আমান উল্লাহ কমিউনিটি সেন্টারে একসাথে বিনা খরচে ৬৩ জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়! মাশাআল্লাহ ❤️এই সুন্দর উদ্যোগ শুধু একটা আ...
17/04/2026

সিলেটে আমান উল্লাহ কমিউনিটি সেন্টারে একসাথে বিনা খরচে ৬৩ জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়! মাশাআল্লাহ ❤️

এই সুন্দর উদ্যোগ শুধু একটা আয়োজন না, অনেক পরিবারের স্বপ্ন পূরণের গল্প।
যেখানে বিয়ের খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে, সেখানে এমন উদ্যোগ হয়ে ওঠে আশার আলো।

ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর মানবিকতার এমন উদাহরণই সমাজকে সুন্দর করে তোলে। 🤍

এটি হিজরতের প্রাক্কালের একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং অলৌকিক ঘটনা, যা ইতিহাসে 'সুরাকা ইবনে মালেকের ধাওয়া' নামে পরিচিত।যখন র...
16/04/2026

এটি হিজরতের প্রাক্কালের একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং অলৌকিক ঘটনা, যা ইতিহাসে 'সুরাকা ইবনে মালেকের ধাওয়া' নামে পরিচিত।

যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং আবু বকর (রা.) মক্কা ছেড়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, তখন কুরাইশরা ঘোষণা করল যে—যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-কে জীবিত অথবা মৃত ধরে এনে দিতে পারবে, তাকে ১০০টি লাল উট পুরস্কার দেওয়া হবে। এই বিশাল পুরস্কারের লোভে আরবের অনেক সাহসী যোদ্ধা তাঁদের খোঁজে বেরিয়ে পড়ল।

সুরাকা ইবনে মালেক ছিল একজন দক্ষ ঘোড়সওয়ার এবং পদচিহ্ন বিশারদ। সে গোপন সূত্রে খবর পেল যে, উপকূলীয় পথ দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে যেতে দেখা গেছে। সুরাকা কারো সাথে কথা না বলে দ্রুত তার ঘোড়া ছুটিয়ে সেই দিকে রওনা হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং আবু বকর (রা.)-এর কাছাকাছি পৌঁছে গেল।

আবু বকর (রা.) বারবার পেছনে ফিরে তাকাচ্ছিলেন এবং চিন্তিত হয়ে পড়ছিলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত শান্তভাবে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। যখন সুরাকা একদম নাগালের মধ্যে চলে এল এবং তলোয়ার বের করার উপক্রম করল, তখনই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটল।

হঠাৎ সুরাকার ঘোড়ার সামনের পা দুটো হাঁটুর ওপর পর্যন্ত শক্ত মাটিতে দেবে গেল! সুরাকা ছিটকে পড়ে গেল। সে অনেক চেষ্টা করে ঘোড়াটিকে টেনে তুলল এবং দ্বিতীয়বার আক্রমণ করতে চাইল। কিন্তু আবারো তার ঘোড়ার পা মাটিতে গেঁথে গেল এবং সেখান থেকে ধোঁয়ার মতো ধুলো উড়তে লাগল।
সুরাকা বুঝতে পারল যে, এটি কোনো সাধারণ বিষয় নয় বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ কুদরত। সে ভীত হয়ে চিৎকার করে নিরাপত্তা (আমান) প্রার্থনা করল। রাসূলুল্লাহ (সা.) দোয়া করলেন এবং ঘোড়াটি মুক্ত হয়ে গেল। এরপর সুরাকা কাছে এসে ক্ষমা চাইল এবং নিজের কাছে থাকা খাদ্য ও আসবাবপত্র তাঁদের দিতে চাইল। রাসূলুল্লাহ (সা.) তা গ্রহণ না করে শুধু বললেন, "আমাদের খবর গোপন রেখো।"
যাওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সা.) সুরাকাকে একটি বিস্ময়কর সুসংবাদ দিলেন:
> "হে সুরাকা! কেমন হবে সেদিন, যেদিন তুমি পারস্য সম্রাট কিসরার স্বর্ণের চুড়ি পরবে?"
>
সুরাকা অবাক হয়ে গেল! মক্কা থেকে বিতাড়িত একজন মানুষ তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্রাটের সম্পদ জয়ের কথা বলছেন! দীর্ঘ বছর পর যখন পারস্য বিজিত হলো এবং কিসরার সম্পদ মদীনায় আনা হলো, তখন খলীফা উমর (রা.) বৃদ্ধ সুরাকাকে ডেকে সেই স্বর্ণের চুড়ি পরিয়ে দিয়েছিলেন এবং রাসূলুল্লাহর (সা.) সেই ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছিল।

সুরাকা ইবনে মালেক পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তি, যিনি ১০০টি উটের লোভে বেরিয়েছিলেন আর ফিরে এসেছিলেন ঈমানের নূর নিয়ে।

উৎস: আর-রাহীকুল মাখতূম (মহিমান্বিত ফোয়ারা)
— শাইখ সফিউর রহমান মোবারকপুরী

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Inside Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category