Sylhet

Sylhet ........

08/08/2015

▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬
গল্পঃ► টেবিল লাভ স্টোরি ◄
▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬
✎ঘটনাটি ভৈরবের সাইয়ন কোচিং সেন্টার
কে কেন্দ্র করে।
==
সাল ২০০৮ । নিহাদ তখন ক্লাস ৮ এ উঠেছে ।
ঐ সময়ে ক্লাস ৮ এ বৃত্তি পরীক্ষা দেয়া
যেত, তাই নিহাদ যেহেতু বৃত্তি পরীক্ষা
দেবে তাই ভাল প্রিপারেশন নেয়ার জন্য
কোচিং , প্রাইভেট etc. পড়া শুরু করল।
তেমনি ভৈরবের Scion কোচিং সেন্টারে
নিহাদ ভর্তি হয়। নিহাদ দের ব্যাচ ছিল
৩-৪ টা। ওদের পরে একই রুমে অন্য আরেকটি
ক্লাস ৮ এর ব্যাচের ক্লাস চলত। ওরা বের
হয়ে যাবার পর পর আরেকটি ব্যাচ আসতো ।
তো চলতে লাগলো ক্লাস, ভালভাবেই
সবকিছু চলছিলো।
কিছুদিন পর নিহাদ খেয়াল করল ও যখন রুম
থেকে বের থেকে বের হচ্ছে তখন পরের
ব্যাচের একটি মেয়ে ওর দিকে তাকিয়ে
মুচকি মুচকি হাসছে । নিহাদ ব্যাপারটা
খেয়াল করে কিন্তু তেমন একটা গুরুত্ব
দেয়নি কারন সে মেয়েটিকে চিনত না।
কিন্তু পরদিন থেকে নিহাদ খেয়াল করতে
লাগলো মেয়েটি Continue ওর দিকে
তাকিয়ে হাসছে। এবার ব্যাপারটা ওর
কাছে অদ্ভুত এবং ইন্টারেস্টিং মনে হল।
ওদের প্রতিদিন সামনাসামনি ক্রস হত।
কোচিং সেন্টারে স্টুডেন্ট সংখ্যা সীমিত
ছিল বলে প্রত্যেকের বসার নির্ধারিত
একটা যায়গা তৈরি হয়ে গিয়েছিলো।
নিহাদ প্রতিদিন জানালার পাশের ২য়
বেঞ্চটার কর্নারে বসতো । যেহেতু পরের
ব্যাচ আসার পর ওদের ছুটি হত সেহেতু
নিহাদ বেঞ্চ থেকে উঠার সময় মেয়েটি
খেয়াল করত ও কোথায় বসে । একদিন নিহাদ
দেখল মেয়েটিও জানালার পাশের সেই
বেঞ্চটিতে বসছে , যেটাতে ও বসতো । এই
ব্যাপারটা নিহাদ প্রতিদিন খেয়াল করত
এবং দেখত মেয়েটি একই যায়গাতে বসছে ।
এরপর থেকে মেয়েটি যখন ওর দিকে
তাকিয়ে হাসত তখন নিহাদ ও Same হাসি
Reply দিত ।
==
✎এইভাবে কয়েক মাস কেটে গেল, ওদের
সরাসরি কোন কথা হত না । শুধুমাত্র হাসির
মাধ্যমে কনফারেন্স হত তাও ছিল মাত্র
কয়েক সেকেন্ডের । নিহাদ মেয়েটির
সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন যোগার করে
(নাম, কোথায় পরে, ইত্যাদি) । এখন পর্যন্ত
মেয়েটির নামই তো বলা হয়নি , ওর নাম
ছিল “মোহনা“। মোহনা ভৈরবের গার্লস
স্কুলে পড়তো, ছাত্রী হিসেবে ভালই ছিল ।
নিহাদের কাছে সবচেয়ে বেশী ভাল
লাগতো মোহনার হাসিটা, ও যখন হাসত
নিহাদ অপলকে চেয়ে থাকতো । আর নামের
মত ওর চেহেরাটাও মিষ্টি ছিল।
==
✎একদিন নিহাদ যেখানটায় বসে সেখানের
বেঞ্চের টেবিলে এমনিতেই পেন্সিল দিয়ে
লিখল,
“তুমি কেমন আছো ??”
পরদিন নিহাদ এসে দেখল ঠিক ওর নিচের
লাইনে পেন্সিল দিয়ে প্রশ্নের জবাব
লেখা,
“আমি ভাল আছি, তুমি কেমন আছো ?”
==
নিহাদ আশা করেনি যে জবাব পাবে,
কিন্তু জবাব পেয়ে সে খুব খুশি হল এবং ও
100% Sure ছিল যে এটা মোহনার হাতের
লেখা । একবার মডেল টেস্টের মোহনার
একটা খাতা নিহাদের কাছে এসে পরে
খাতার নাম্বার গুলো যোগ করার জন্য তখন
মোহনার লেখা নিহাদ দেখেছিল । তারপর
থেকে ওদের শুরু হল টেবিলে লেখার
মাধ্যমে কথা বলা, অনেকটা FB চ্যাটের মত
। নিহাদ পেন্সিল দিয়ে লিখত এবং জবাব
পাওয়ার পর আগের লিখাটা মুছে দিত ।
ওদের অনেক কথাই হত কে কি পছন্দ করে,
পড়ালেখা কেমন চলছে ইত্যাদি । আর
প্রতিদিন বের হওয়ার সময় মুচকি হাসি তো
আছেই ।
==
✎ একদিন নিহাদ সাহস করে লিখল,
“তুমি কি আমাকে পছন্দ কর ?”
==
পরদিন এসে নিহাদ যা দেখল সেটি ছিল
তার জীবনের সবচাইতে বড় পাওয়া । নিহাদ
দেখল মোহনা লিখেছে “হ্যাঁ, আমি
তোমাকে অনেক পছন্দ করি” । তারপর থেকে
নিহাদ বুঝতে পারল মেয়েটিকে তাকে
ভালবাসে । দেখতে দেখতে বছর কেটে গেল,
ফাইনাল মডেল টেস্ট দিয়ে সবাই কোচিং
থেকে বের হয়ে গেল । বৃত্তি পরীক্ষা
নিকটে চলে আসল , নিহাদ পড়াশুনা নিয়ে
ব্যাস্ত হয়ে গেল। ওদের পরীক্ষার সেন্টার
একই স্কুলে পরেছিল।
==
✎শেষ পরীক্ষার দিন, পরীক্ষার হল থেকে
বের হয়ে নিহাদ চারপাশে চোখ বুলাচ্ছিল,
উদ্দেশ্য একটাই মোহনাকে তার মনের
কথাটি বলা। হঠাৎ ও মোহনাকে দেখতে
পেলো । অনেক দিন পর মোহনাকে দেখতে
পেয়ে ও খুব খুশি হল। মোহনা ওকে দেখা
মাত্রই সেই ভুবন ভুলানো হাসিটা দিল।
নিহাদ ও হাসি Reply করে চোখের ইশারায়
জিজ্ঞেস করল “পরীক্ষা কেমন হয়েছে ?”
মোহনা তার আঙ্গুল দুটি V শেপ করে দেখাল
। নিহাদ বুঝল পরীক্ষা খুব ভাল হয়েছে।
মোহনাও চোখের ইশারায় জিজ্ঞেস করল,
“তোমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে ?”
নিহাদ ও তার আঙ্গুল দুটি V শেপ করে
দেখাল । নিহাদ তখন সিদ্ধান্ত নিল সে
তার মনের কথাটা মোহনাকে বলবে। কিন্তু
তখনি তার বাবা সামনে এসে পড়ে।
মোহনা ও নিহাদকে কিছু একটা বলতে
চাচ্ছিল কিন্তু ওর আম্মুর কারণে নিহাদের
সাথে কথা বলতে পারেনি।
==
সেদিনের পর নিহাদ মোহনাকে আর
কোথাও দেখতে পায়নি । মোহনা বলেছিল
পরীক্ষার পর ওরা ভৈরব থেকে চলে যাবে,
কারন ওর বাবা বদলি হয়ে যাবে। নিহাদ
আফসোস করে সে তার মনের কথাটা
মেয়েটাকে বলতে পারেনি এবং কখনো
সরাসরি কথা বলতে পারেনি । নিহাদের
কাছে ওর কোন কন্টাক্ট নাম্বার ছিল না ।
নিহাদ আজও মোহনাকে ভুলতে পারেনি ,
ওর সেই ভুবন ভুলানো মিষ্টি হাসিটা আজও
নিহাদের চোখে ছবি হয়ে ভাসে । নিহাদ
জানে না ওর মোহনা কোথায় আছে, জানে
না ও মোহনাকে খুঁজে পাবে কিনা, যদি
পায় তাহলে কি বলবে সে জানে না, ও
জানে না মোহনা আজও ওকে মনে রেখেছে
কিনা...........। শুধু একটা কথায় জানে সে
মোহনাকে ভালবাসে অনেক অনেক বেশী।
এই ছিল নিহাদের জীবনের একটি অসম্পূর্ণ
ভালোবাসার কাহিনী ।..
পাঠকদের সাড়া পেলে এই গল্পের দ্বিতীয়
পর্ব লিখবো....
▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬ ▬▬▬
ツ লিখাঃ Nahid Hossain Nhd ツ [ BSPI
Polytechnic 47 ET ]

04/07/2015

রোজার নিয়তঃ নাওয়াইতু আন
আছুমাগাদাম মিন শাহরি রমাজানাল
মুবারাকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু
ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নীকা আন্তাস
সামিউল আলীম।
ইফতারির দোয়াঃ আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু
ওয়া তাওয়াক্কালতু আলা
রিজক্কিকা আফতারতু বি-রহমাতিকা
ইয়া আরহামার রহিমীন।
Share করতে ভুলবেন না। আমাদের পেজে
নতুন হলে Like দিয়ে রাখতে
পারেন।

03/07/2015

আল কোরআনের পথ।
এই পথ-ই আসল পথ।
অন্য পথে,
অন্য মতে,
নেই যে রহমত।

28/06/2015

কারো উপর অতিরিক্ত বিশ্বাস ভালো ভালো নয়,
এর পরিণতি কখনোই
ভালো হয় না।

25/06/2015

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন কোন
মানুষকে
বিশ্বাস করার পর, ঐ মানুষটি যদি
তোমাকে
ধোকা দেয়. তাহলে হাশরের
ময়দানে তার
বিচার আল্লাহ নিজেই করবেন.

22/06/2015

মাহে রমজান সংযমের মাস।
পাপের বোঝা থেকে মুক্তির মহা সুযোগ
হল এই মাহে রমজান মাস।
রমজানের মাধ্যমে মানুষের আত্নার
পরিশুদ্ধি হয়।
একে অন্যের সাথে মহব্বত বাড়ে।
এ মাসে রোজা পালন ইসলামের
পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয়তম।

22/06/2015

প্রত্যেককেই মৃত্যুর স্বাদ
গ্রহন করতে হবে।
অতঃপর সকলকেই আমার
কাছে ফিরে আসতে হবে।
-[আনকাবুত ৫৭]

21/06/2015

নিশ্চয়ই ইসলাম আল্লাহর কাছে
একমাত্র পছন্দনীয় জীবন
ব্যাবস্থা।
আসুন আমরা কোরআন
ও হাদীস পড়ে ইসলামকে জানি।

21/06/2015

‘হে ঈমানদারগণ,
তোমাদের ওপর রোজা
কে ফরজ করা হয়েছে।
যেমনি তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপরও
ফরজ করা হয়েছিল।
যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।’
-(সূরা-বাকারা :১৮৩)

21/06/2015

- মানুষের অবস্থা পরিবর্তনশীল।
তাই কারো অবস্থান কে
খাট করে দেখোনা।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category