08/12/2025
আগামী এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট (-৫) আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী তালিকায় সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।
দীর্ঘদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সরব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে।কিন্তু কেউ কোন সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না।তবে আজকের প্রতিবেদন পড়লে বিষয়টি পরিষ্কার হয় যাবে।একাধিক জনমত যাচাই জরিপে ও এর সত্যতা উঠে আসছে।প্রথমদিগে অনেকের ধারনা ছিল তিনি কি সত্যি নির্বাচনে আসবেন কিনা?কিন্তু সময় যত ঘনিয়ে আসছে এসবিডিনিউজ এর অনুসন্ধানে বিষয়টি এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি তাঁর কলিজার টু'ক'রো পিতার নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন,নানা কারণে যোগ্যতা থাকা সত্বেও এই দলের নিবন্ধন গ্রহণ করেননি,সেহেতু..........!
ইতিমধ্যে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন আসনে আল ইসলাহ সমর্থিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ও দৌড়ঝাপ লক্ষ করা যাচ্ছে।দলীয়ভাবে গোপনে ও একান্তে সকল ছক এঁকে ফেলেছেন।
এসবিডিনিউজ এর একান্ত গোপনীয় অনুসন্ধানে ও পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে আসছে।যার কিছু নমুনা ও পর্যবেক্ষন হয়ত আপনারা ও লক্ষ করছেন।বিগত এক সপ্তাহ গভীর পর্যবেক্ষন করে সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রার্থী হওয়ার বিষয় মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে,আমরা কেন নিশ্চিত হলাম তিনি সিলেট (-৫) জকিগঞ্জ-কানাইঘাট আসনে নির্বাচন করবেন।প্রথমত তাঁর দায়বদ্ধতা ও স্বপ্ন।তিনি জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে ঘুরছেন বিগত নির্বাচন ও পারিবারিক ও মানবিক কাজের সুবাদে ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বদৌলতে।তাঁর চোখে মুখে একটা বিষয় স্পষ্ট তিনি এই অবহেলিত জনপদের জন্য কিছু করতে চান।
তিনি এই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগণের সাথে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও ওয়াদা রক্ষা করতে পারেননি অল্পদিনের মধ্যে সরকার পতন হলে সংসদ সদস্য পদ চলে যায়।এ থেকে তাঁর ভিতরে......কাজ করে।তিনি মনোবল হারান নি।আরো ও শক্তি সঞ্চয় করার চেষ্টা করেছেন।এছাড়া তিনি হেরে যাওয়ার মানুষ নয় যতটুকু অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই আসনে তিনি নির্বাচনে লড়তে আগ্রহী।প্রথমদিগে নির্বাচনে আসার বিষয়ে পরিবারের তেমন সম্মতি ছিল না,সেটি তিনি নিজস্ব মেধার বলে আদায় করেন,এখন চেনা পথে হাঠতে কে না পছন্দ করে।এছাড়া তাঁর কর্মী সমর্থক উন্মুখ হয়ে রয়েছে তিনি যে কোন মূল্যে প্রার্থী হতে।এই বিষয়টি ও তিনি অনুধাবন করছেন।
সাম্প্রতিক কালে তাঁর নামের একটি ফেইসবুক পেইজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় নির্বাচন কেন্দ্রীক ঘনঘন আপডেট আসছে,এবং দলীয় সমর্থক,শুভাকাঙ্ক্ষী,শুভানুধ্যায়ী সবাই বেশ কয়েকদিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানাভাবে তৎপর রয়েছেন।এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ডিজিটাল সাইটে প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে পোষণ না করলে কোন বিবৃতি দিতেন অবশ্যই।
তবে এটি সত্য তিনি সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষন করছেন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের অবস্থার উপর বিশেষ নজর রাখছেন।অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন ও ভোটের পরিবেশ,স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে,পরিস্থিতি ঘোলাটে বা নোং'রা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
কারণ হিসেবে তিনি ব্যক্তি ইমেজ ক্ষু'ন্ন করতে আর চান না,জনগণের খেদমত করতে চান,দেশের ক্লান্তিকালে যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বা ইসলামের উপর কোন আঘাত আসলে তিনি তখন বৃক্ষের ন্যায় দাঁড়াতে চান।
এর আগে ও ভারতের আগ্রাসী ভুমিকায় ত্রিপাইমুখের বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতা করে সিলেট টু ঢাকা লং মার্চ করে সারা দেশে আলোচনায় আসেন।
তিনি কোন হু-ম-কি ধা-ম'কি'তে বিশ্বাসী নয়,মহান রবের প্রতি পূর্ন আস্থা বিশ্বাস নিয়ে চলেন।যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সক্ষমতা ও রয়েছে বলে জানা যায়।
যেহেতু তিনি প্রথম সংসদ সদস্য হয়ে শুরুতেই বড় ধরনের ধা-ক্কা খেয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে একজন শ-ক্ত হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন,জকিগঞ্জ-কানাইঘাটে তাঁর প্রচুর জনপ্রিয়তা রয়েছে বিভিন্ন হিসেব নিকাশে এসব তথ্য উঠে এসেছে যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ও সৎ সাহস রয়েছে।
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী একজন আলেম ও রাজনীতিবিদ,তিনি বিখ্যাত আলেম ও সূফি আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলীর কনিষ্ঠ পুত্র (ছোট সাহেব নামেই বেশি পরিচিত) এবং তাঁর জন্ম ১৯৭৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী।তিনি বাদেওরাইল ফুলতলী কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষা লাভ করেন একজন প্রভাবশালী আলেম হিসেবে পরিচিত এবং বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি জকিগঞ্জ উপজেলার ৯ নং মানিকপুর ইউনিয়নের ফুলতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।