13/01/2026
জামাতের সাথে সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে চরমোনাই-খেলাফত আসন সমঝোতায় গিয়েছিলো। কিন্তু এই জামাত তাদের আসল চরিত্র আবার দেখিয়ে দিল।
কথায় আছে— প্রত্যেক বস্তু তার মূলের দিকে ফিরে।
তারাও তাই করলো।
তাদের যদি সব আসনেই ভালো অবস্থান হয় এবং তারাই বিজয়ী হওয়ার ৯৫% সম্ভাবনা হয় তাহলে বাকি দলগুলোর সাথে আসন সমঝোতায় যাওয়ার কী দরকার ছিলো?
তারাই একা নির্বাচন করে ঝামেলা ছাড়া সংসদে চলে যেতো।
দেশের মানুষের চাওয়া ছিলো জামাতসহ এক কাতারে সকল দল আসবে।যখন আসলো তখন জামাত তাদের আগের নীতিতেই অটল থেকে না ছুঁই পানি ধরি মাছ নীতি অবলম্বন করলো।
জামাত যেটা চাইছিলো সেটা গত কয়েক দিন দেখেছেন যে,তারা সকল আসনেই নমিনেশন দাখিল করলো। বাকিরা যদি তখন গভীর চিন্তা থেকে নমিনেশন দাখিল না করতেন তাহলে জামাত তাদের চক্রান্তে সফল হতো।কিন্তু এটা পীর সাহেব চরমোনাইর জন্য পারেনি।
শেষ কথা—ক্ষতিটা জামাতেরই হয়েছে।
চরমোনাই পীর সাহেব একদিন বলেছিলেন " যদি কেউ মুনাফেকি না করেন তাহলে সামনে ইসলাম জিতবে" উদ্দেশ্য করেছিলেন জামাতকে,জামাত আজ ঠিকি মুবাফেকি করলো।
এই সমঝোতায় সকল অটল না থাকার আরেকটা কারন হলো— জামাত চায় জামাতের বিজয় আর বাকি ইসলামীক দলগুলো চায় ইসলামের বিজয়।
তফাৎটা এখানেই।
যাক,এবার জামাতকে চিনা হলো,জানা হলো।
সামনে চর কেউ তাদের ফাঁদে পা ফেলবে না। ইনশাআল্লাহ।