08/03/2026
শ্বাশুড়ির গো/পন কথা!
আমার নাম অনন্যা। বিয়ের পর আজ প্রায় আট মাস হলো আমি এই বাড়িতে এসেছি। আমাদের বাড়িটা ময়মনসিংহ জেলার এক শান্ত গ্রামে।
বড় একটা পুরোনো দোতলা বাড়ি। উঠানে বিশাল আমগাছ, পেছনে ছোট একটা পুকুর, আর চারদিকে সারি সারি নারকেল গাছ। বিকেলের সময় হালকা বাতাস বইলে জায়গাটা যেন অন্যরকম শান্ত লাগে।
শ্বশুর মারা গেছেন অনেক আগেই। এখন এই বাড়িতে আমরা চারজন থাকি—
আমি, আমার স্বামী সোহেল, ছোট ননদ তৃষা আর আমার শ্বাশুড়ি।
শ্বাশুড়ির বয়স প্রায় ষাটের কাছাকাছি। কিন্তু গত দুই বছর ধরে তিনি খুব অসুস্থ। ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। অনেক সময় বিছানাতেই থাকতে হয়।
তাই বাড়ির বেশিরভাগ সময় আমি তার দেখাশোনা করি।
শুরুতে একটু অস্বস্তি লাগত। কিন্তু ধীরে ধীরে মনে হলো— উনিও তো আমার নিজের মায়ের মতোই।
---
সেদিন দুপুরের ঘটনা
সেদিন আকাশে হালকা মেঘ ছিল। সকাল থেকে গুমোট গরম।
আমি রান্না শেষ করে ঘরে ঢুকতেই শুনলাম শ্বাশুড়ি আমাকে ডাকছেন—
— “অনন্যা মা…”
আমি কাছে গিয়ে বললাম,
— “জি মা, কিছু লাগবে?”
তিনি একটু লজ্জা পেয়ে বললেন—
— “আমাকে একটু গোসল করিয়ে দিবি? অনেকদিন হলো ভালো করে গোসল করা হয়নি।”
আমি হেসে বললাম—
— “এই তো মা, সমস্যা কি! চলেন।”
আমরা বাড়ির ভেতরের বাথরুমেই তাকে গোসল করাই। সোহেল সেখানে একটা ছোট প্লাস্টিকের চেয়ার এনে দিয়েছে।
আমি ধীরে ধীরে তাকে ধরে বাথরুমে নিয়ে গেলাম। তিনি খুব দুর্বল ছিলেন। হাঁটতে কষ্ট হচ্ছিল।
চেয়ারে বসিয়ে আমি ধীরে ধীরে মাথায় পানি ঢালতে শুরু করলাম।
শ্বাশুড়ি চুপচাপ বসে ছিলেন।
কিন্তু কিছুক্ষণ পর আমার চোখ হঠাৎ আটকে গেল একটা জায়গায়।
তার পিঠের নিচের দিকে একটা অদ্ভুত দাগ।
দাগটা সাধারণ কোনো দাগ না। যেন অনেক পুরোনো পোড়া দাগের মতো।
আমি একটু অবাক হলাম।
কারণ এই বাড়িতে আসার পর কখনো এমন দাগ আমি দেখিনি।
আমি সাবধানে জিজ্ঞেস করলাম—
— “মা… আপনার পিঠে এই দাগটা কীভাবে হলো?”
প্রশ্নটা শুনেই তিনি হঠাৎ চুপ হয়ে গেলেন।
আমি স্পষ্ট বুঝলাম তার শরীরটা হালকা কেঁপে উঠলো।
কিছুক্ষণ তিনি কোনো কথা বললেন না।
আমি ভাবলাম হয়তো পুরোনো কোনো দুর্ঘটনা।
আবার জিজ্ঞেস করলাম—
— “মা, ব্যথা করে নাকি?”
তিনি ধীরে ধীরে বললেন—
— “অনন্যা… তুই এটা কাউকে বলবি না তো?”
আমি অবাক হয়ে গেলাম।
— “কেন মা?”
তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
তার চোখে তখন অদ্ভুত এক ভয়।
— “এই দাগটার কথা এই বাড়িতে কেউ জানে না…”
আমার হাত থেমে গেল।
— “কি বলছেন মা? কেউ জ