02/08/2026
মাত্র ১৫ বছর বয়সে নিজের বাবা-মা ও ১৭ বছর বয়সী বোনকে গু* করে হ* করেন জেমস গর্ডান ওলকট।
১৯৬৭ সালের সেই হ*কা/ণ্ডের পর তিনি নিজেই অপরাধের কথা স্বীকার করেন। কিন্তু এরপর তার জীবনে যা ঘটেছিল, তা অনেককেই বিস্মিত করেছে।
ওলকট জানান, মায়ের জোরে খাবার চিবানোর শব্দ তার অপছন্দ ছিল! আর বোনের কথা বলার ধরন ও উচ্চারণও তাকে বিরক্ত করত! এ কারণে তাদের তিনি শেষ করে দেন!
ঘটনার পর চিকিৎসকেরা ওলকটের মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করেন। তার মধ্যে প্যারানয়েড সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ শনাক্ত করা হয়। একই সঙ্গে আঠার নে/শা/র কারণে তার মানসিক সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠেছিল বলে চিকিৎসকেরা জানান।
১৯৬৮ সালে ওলকটের বিচার হয়। আদালত তাকে মানসিক অসুস্থতার কারণে অপরাধের দায় থেকে অব্যাহতি দেন। এরপর তাকে টেক্সাসের রাস্ক স্টেট মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানে প্রায় ৬ বছর থাকার পর ১৯৭৪ সালে আবারও তার মানসিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেন, তিনি তখন মানসিকভাবে সুস্থ। ফলে হাসপাতাল থেকে মুক্তি পান ওলকট।
একই সঙ্গে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হ*কা/ণ্ডের সময় তিনি আইনগতভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন থাকায় ওই তিন হ*র ঘটনায় তাকে নতুন করে বিচারের মুখোমুখিও হতে হয়নি!
মুক্তির পর নিজের পুরনো পরিচয় থেকে সরে যান ওলকট। আইনগতভাবে নাম পরিবর্তন করে তিনি হন জেমস সেন্ট জেমস। এরপর শুরু করেন সম্পূর্ণ নতুন এক শিক্ষাজীবন।
অন্তত ১৩৪ আইকিউ-এর অধিকারী জেমস মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। প্রথমে স্নাতক, এরপর স্নাতকোত্তর এবং ১৯৮৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
একসময় যে কিশোর নিজের পরিবারের তিন সদস্যকে হ* করেছিল, সেই জেমস সেন্ট জেমসই পরে যুক্তরাষ্ট্রের মিলিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন।
মাত্র ৬ বছর মানসিক হাসপাতালে কাটিয়ে মুক্তি পাওয়া এক কিশোর হ*কা/রীর পরবর্তী জীবনে মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়ে ওঠার এই ঘটনা দীর্ঘদিন পর সামনে এলে ব্যাপক বিস্ময় ও বিতর্কের জন্ম দেয়।