31/01/2024
১৯৯০ সালে
বাংলাদেশের সাতক্ষীরা অঞ্চল থেকে হওয়া এক খবর
বাইরের বিশ্বে খুব হইচই ফেলে দিয়েছিলো,
সাতক্ষীরা ও তার আশপাশের অঞ্চল থেকে
হঠাৎ করেই বেশ কিছু নাবালিকা মেয়ে মানুষ গায়েব হয়ে যায় ।
কিছুতেই তাদের খোজ পাওয়া যায় না ।
ওলাদচক্র নামে এক গ্রুপের
এই ঘটনার পেছনে প্রত্যক্ষ হাত ছিলো সবাই বলতে শুরু করে
এই "ওলাদচক্র"ই মেয়েদের হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ার পেছনে দায়ী
আসলে ওলাদচক্র কি ?
স্যাটানিজমের নাম আমরা সবাই শুনেছি
সৃষ্টিকর্তা হিসেবে শয়তানকে বিশ্বাস করা
ও তার পূজা করাই এক কথায় স্যাটানিজম
এটা এমন একটা স্বতন্ত্র্য ধর্ম যার চর্চা করা সভ্য সমাজে পুরোপুরি নিষিদ্ধ
এর চর্চা করতে হয় গোপনে
এবং যুগে যুগে বিভিন্ন গ্রুপ
এই স্যাটানিজমের চর্চা করে এসছে
ওলাদচক্র তেমনি একটি গ্রুপ
ওলাদচক্র মেয়েদের কেন অপহরণ করা শুরু করলো?
এর কারণ হচ্ছে
জ্বীনজাতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর জাত "ইফ্রিত
এর বংশবিস্তারের উদ্দেশ্য
ইফ্রিতের অস্তিত্বের কথা ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী পরীক্ষিত
ইসলামে ইফ্রিতের অস্তিত্ত্বের কথা জানা যায় বুখারী শরীফ থেকে।
ইফ্রিতের_পরিচয়ঃ
আগেই বলা হয়েছে
জ্বীনজাতির মধ্যে সবচাইতে ভয়ঙ্কর ও বিপদজনক ইফ্রিত জীন।
তাদের কখনো দেখা যায় না,
তবে তাদের আওয়াজ শোনা যায়,
তাদের অস্তিত্ব অনুভব করা যায় ।
এরা মানব নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে
এবং এতে করে সেই মানবনারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে থাকে ।
সাধারণ মানুষ
নয় মাসের মাথায় জন্মগ্রহণ করলেও
ইফ্রিতের সন্তান জন্ম নেয় এক মাসের মাথায়
এবং সেই সন্তান জন্মগ্রহণ করে নাভি ছারার
সাতক্ষীরা অঞ্চলের
ওলাদচক্র' ছিলো এই ইফ্রিত জ্বীনের উপাসক সংঘ
এবং তাদের কাজ ছিলো এই জ্বীনের জন্য মেয়েদের কে ধরে আনা
এবং বাচ্চার জন্ম হয়ে যাবার পর
মেয়েদের মেরে ফেলা হতো ।
এভাবেই চলতে থাকতো প্রক্রিয়া ।
কিন্তু এই খবর চাপা থাকে না ।
আর মানুষের কাছে কোনভাবে পৌছে যায়
এই ওলাদচক্রের খবর,
আর "কেয়ামত আন্দোলন" নামে এক আন্দোলন শুরু হয় - এই ওলাদচক্রের বিরুদ্ধে
যার নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর কাসিম আলী
এরপর এই কাহিনির ওপর একটা বলি লেখা হয়েছিলো
বইয়ের নাম “The Evil ChildThe Evil Child