31/10/2022
. একটি আসল প্রেমকাহিনী পর্ব নং ০৫
তাই ভালাে-মন্দ না ভেবে সে আজ তাকে চিঠি দেয়। স্কুলের পাশ দিয়ে একটা রাস্তা উত্তর-দক্ষিণে গেছে। ঝর্ণাদের ঘর উত্তর দিকের গ্রামের রাস্তার শেষ প্রান্তে। আর সাইফুলদের ঘর দক্ষিণ দিকের গ্রামের শেষ প্রান্তে। স্কুলে আসার আগে সাইফুল চিঠিটা লিখে এনেছিল। ভেবেছিল, কোনাে এক ফাকে ঝর্ণাকে দেবে। কিন্তু সে সুযােগ পেল । তাই ছুটির সময় সাইফুল আগে ক্লাস থেকে বেরিয়ে ঝর্ণাদের বাড়ির রাস্তায় কিছু দূরে এসে একটা বড় আমগাছের আড়ালে দাঁড়াল। সৌভাগ্যক্রমে রাস্তায় তখন কোনাে লােকজন ছিল না। একটু পরে ঝর্ণাকে তাদেরই ক্লাসের বেলী নামে একটা মেয়ের সঙ্গে আসতে দেখল। কাছে এলে সাইফুল আমগাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে চিঠিটা তার হাতে একদম গুঁজে দিল।
ঝর্ণা ভাবতেই পারেনি, সাইফুল তাকে চিঠি দেবে। প্রথমে ভ্যাবাচ্যাখা খেয়ে গিয়েছিল। পরক্ষণে যখন রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বলল, এটাতে কি লিখেছ? তখন সাইফুল ঐ কথা বলে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা দেয় ।
মাগরিবের নামায পড়ে ঘরে এসে সাইফুল পড়তে বসে কিছুতেই পড়ায় মন বসাতে পারল না। কেবল ঝর্ণার কথা মনে পড়তে লাগল।
পরের দিন স্কুলে এসে কয়েকবার আড়চোখে ঝর্ণার দিকে তাকিয়ে তার মনের ভাব কিছু বুঝতে পারল না।
প্রথম ক্লাস হেডমাস্টার তাহের সাহেবের। তিনি ক্লাস টেনের এই সেকশনে অংক করান। আজ ক্লাসে এসে রােল কল শেষ করে সাইফুলের কাছে অংকের বই চাইলেন। সাইফুল বইটা দেয়ার আগে ঝর্ণা এসে একটা চিঠি স্যারের টেবিলের উপর রেখে আস্তে আস্তে বলল, গতকাল সাইফুল আমাকে দিয়েছে। তারপর ফিরে এসে নিজের সিটে বসে পড়ল।
তাহের সাহেব সেটা পড়ে অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে একবার ঝর্ণার দিকে তাকিয়ে সাইফুলের দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। ঝর্ণাকে হেডস্যারের কাছে চিঠিটা দিতে দেখে সাইফুলের হৃৎকম্পন শুরু হল। তারপর স্যারকে ঐ ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ভয়ে তার মুখ বিবর্ণ হয়ে গেল। সে অংকের বইটা দেয়ার জন্য বইটা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, সেই অবস্থায় সে মাথা নিচু করে রইল।
বিদ্রঃ বাকী অংশটুকু পরবর্তি পোষ্টের জন্য অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ
এবং যদি আগের পর্ব না পড়ে থাকেন তাহলে পড়তে চলে আসুন আমাদের পেইজে৷৷
আমাকে সাপোর্ট করুন আরও বিনোদন দিতে উৎসাহ প্রধান করুন !!!! ৷৷