21/02/2017
একুশে ফেব্রুয়ারি পাথর পূজার
জন্য আল্লাহ্ দেন নাই।
যারা শহীদ হয়েছেন তারাও পাথর
পূজার জন্য জীবন দেন নাই।
দুঃখিত, কেউ মনে কষ্ট নেবেন না।
কারণ এটাই ইসলাম,
একটি ঘটনা দিয়েই শুরু করি....
খলীফা ওমর (রাঃ)-এর সময়
তাকে সংবাদ দেয়া হল যে,
কতিপয় মানুষ একটি বৃক্ষের
উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে
যে বৃক্ষের নীচে সাহাবীগণ
নবী করীম (সঃ) এর হাতে
বায়‘আত করেছিলেন।
অতঃপর তিনি [ওমর (রাঃ)]
ঐ বৃক্ষকে কেটে ফেলার নির্দেশ
দিলেন,
(ফাৎহুল বারী ৭/৪৪৮)
কিন্তু বর্তমানে আমরা সংস্কৃতির
নামে,
আধুনিকতার নামে অহরহ
মনের অজান্তে ভয়াভহ
গোনাহর করে চলেছি।
স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস
ও শহীদ দিবস আসলে
আমরা শহীদ মিনারে ও
স্মৃতিসৌধে গিয়ে ফুলের স্তবক
দেই,
নীরবে দাঁড়িয়ে থাকি, শ্রদ্ধা
ও সম্মান জানাই।
প্রতিটি স্কুল, কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয়ে
শহীদ মিনার তৈরী করে দেশের
ভবিষ্যৎ কর্ণধার কোমলমতি
ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিরকের
শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।
আসুন আমরা এই ভয়াবহ
গোনাহ থেকে সতর্ক হই।
শহীদ মিনারে খালি পায়ে
যাওয়া, ফুল দেয়া, অবনত
হওয়া থেকে বিরত থাকি।
তবে হ্যাঁ হতে পারে অনেকে
চাকরী বাচাতে বা অন্য জরুরী
প্রয়োজনে বাধ্য হোন কিন্তু
অন্তরে এটাকে অপছন্দ করবেন।
আমাদের দেশের রাস্তার পাশের
সাইনবোর্ডগুলো বা টিভি
রেডিওর দিকে তাকালেই
বোঝা যায় আমাদের ভাষা প্রীতি!
প্রকৃত অর্থে ভাষার জন্য গর্ব
করার আমাদের কিছুই নেই।
কারন যারা জীবন দিয়েছেন
তাঁরা কি বিদেশী বা বাংলিশ
শব্দ বাংলায় অর্ন্তভুক্তির
জন্য জীবন দিয়েছেন ?
আর বর্তমানে আধুনিকতার
নামে এফেম রেডিওতে বা টিভি
নাটকে (খাইচছ, যাবা, মাইরালা,
ক্যারে, চত্য, কি কছ) ইত্যাদি
এমন সব উদ্ভট ও আজগুবি
ভাষা ব্যবহার করে যাচ্ছে,
এসব অসুস্হ রুচির ভাষায়
কথা বলার জন্য কি
আঃসালাম, রফিক বা
আঃজব্বরেরা প্রাণ দিয়েছেন ?
আমাদের কাছে যা গুরুত্ত্বপূর্ন
তা হচ্ছে এই স্পষ্ট গোনাহর
কাজে দয়া করে কেউ যাবেন না।
যদি সত্যি আপনি ভাষাকে
ভালবাসেন, ভাষা শহীদদের
ভালবাসেন তবে নিজ ভাষার
সঠিক ব্যবহার করুন এবং
শহীদদের জন্য আল্লাহর
দরবারে দোয়া করুন।
হে আল্লাহ্, আপনি আমাদের
ক্ষমা করুন। যারা ভাষার
জন্য জীবন দিয়েছেন তাদেরকে
ক্ষমা করে দিন।
আমাদের ভাষাকে আপনি
সম্বৃদ্ধশীল করে দিন।