Musafir Banda

Musafir Banda Assalamu alaikum wa rahmatullah Friend's
Welcome TO || musafirbandaofficial ||

ইসলামের আলোয় একজন পুরুষের আত্মঘোষণা!আমি একজন পুরুষ হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ইসলাম আমাকে কখনোই একজন মেয়েকে তার অতীত দি...
03/01/2026

ইসলামের আলোয় একজন পুরুষের আত্মঘোষণা!

আমি একজন পুরুষ হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ইসলাম আমাকে কখনোই একজন মেয়েকে তার অতীত দিয়ে বিচার করতে শেখায়নি। ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে, একজন মেয়েকে দেখতে হয় তার সম্মান, চরিত্র ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা দিয়ে।
ডিভোর্স, বিধবা হওয়া কিংবা বয়স বেড়ে যাওয়া, এসব কোনো মেয়ের ব্যর্থতার পরিচয় নয়। অনেক সময় এগুলোই তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়, যেখানে সে শিখেছে ধৈর্য ধরতে, শিখেছে ত্যাগ স্বীকার করতে,
আর নিজের ভেতরের অদম্য শক্তিকে চিনে নিতে।

দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে এখনো এমন মানুষ আছে
যারা প্রশ্ন তোলে, বিচার করে, অতীত খুঁজে বেড়ায় আর সহজেই আঙুল তুলে। কিন্তু আমি এমন পুরুষ হতে চাই না। আমি হতে চাই সেই পুরুষ, যে একজন মেয়ের পাশে দাঁড়ায়, কথায় নয়, কাজে। যার উপস্থিতি হয় এক টুকরো নিরাপত্তা, এক চিলতে ভরসা।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের শিখিয়েছেন, মেয়েরা বোঝা নয়, মেয়েরা করুণার বস্তু নয়। মেয়েরা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া পবিত্র আমানত। যার যত্ন নেওয়া ইবাদত, যাকে সম্মান করা ঈমানের অংশ।

আমি বিশ্বাস করি, একজন প্রকৃত পুরুষ সে নয়, যে শক্তি দেখিয়ে দমিয়ে রাখে, বরং সে-ই প্রকৃত পুরুষ, যে দায়িত্ব নিয়ে আগলে রাখে। যে নিজের তাকওয়া দিয়ে একজন মেয়ের জীবনে শান্তির জায়গা তৈরি করে।
আমি দয়া দিতে চাই না, কারণ দয়া অনেক সময় উপর থেকে দেওয়া হয়। আমি দিতে চাই সম্মান, যা সমান চোখে তাকাতে শেখায়। আমি অতীত খুঁজতে চাই না, কারণ অতীত বদলানো যায় না। আমি ভবিষ্যৎ গড়তে চাই, যেখানে থাকবে বিশ্বাস, নিরাপত্তা আর শান্তি।

ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে, একজন মেয়ের মর্যাদা তার অবস্থায় নয়, তার ঈমান, চরিত্র আর ধৈর্যে। আর একজন পুরুষের মর্যাদা সে কাকে কীভাবে দেখে, কার পাশে কীভাবে দাঁড়ায়, তার মধ্যেই প্রকাশ পায়।

এই বিশ্বাস নিয়েই আমি একজন দায়িত্বশীল মুসলিম পুরুষ হতে চাই, ইসলামের আলোয়, তাকওয়া আর আমানতের বোঝা বয়ে নিয়ে।

"ইয়া আল্লাহ, আপনি আমাদের সকল পুরুষকে এ বিষয়গুলো মানা এবং বুঝার তৌফিক দান করুন, সকলেই বলি মন থেকে আমিন!"

Musafir Banda

হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট তাওবার ব্যাখ্যা! [পর্ব: ৭৭]তাওবার শাব্দিক অর্থ 'ফিরে আসা' বা 'প্রত্যাবর্তন করা'। উদ্দেশ্য গোনাহ্ ...
02/01/2026

হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট তাওবার ব্যাখ্যা! [পর্ব: ৭৭]

তাওবার শাব্দিক অর্থ 'ফিরে আসা' বা 'প্রত্যাবর্তন করা'। উদ্দেশ্য গোনাহ্ থেকে ফিরে আসা। কোরআন ও সুন্নাহর পরিভাষায় তাওবার অর্থ বিগত গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে তার ধারে কাছে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করা। অর্থাৎ আল্লাহ্ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও আযাবের ভয়ে ভীত হয়ে এবং গুনাহের কারণে অনুতপ্ত হয়ে গোনাহ্ পরিত্যাগ করা।

হযরত হাসান বসরী (রহ.)-এর মতে স্বীয় কর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে তার পুনরাবৃত্তি না করার পাকাপোক্ত ইচ্ছা করার নামই তওবা। হযরত কূলবী (রহ.) এর মতে তাওবার অর্থ হচ্ছে মুখে ক্ষমা প্রার্থনা করা, অন্তরে অনুশোচনা করা এবং অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে ভবিষ্যতে সেই কাজ থেকে দূরে রাখা।
[হাওয়ালা: তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন]

এবার শুনুন আলী (রাঃ) এর মুখে তওবার ব্যাখ্যা:
হযরত আলী (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো যে, তওবা কি? তিনি বললেন, ছয়টি বিষয়ের একত্রিত সমাবেশ হলো তাওবা:
যা নিম্নরূপ-

(১) অতীত মন্দ কর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া।

২) যে সব ফরয ও ওয়াজিব কর্ম তরক করা হয়েছে সে গুলোর কাযা করা।

(৩) কারও ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করে থাকলে তা প্রত্যার্পন করা।

(৪) হাতে অথবা মুখে অন্য কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার জন্য তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।

(৫) ভবিষ্যতে সেই গোনাহের কাছে না যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প হওয়া।

(৬) নিজেকে যেমন আল্লাহ্ তায়ালার নাফরমানী করতে দেখেছিলে তেমনি এখন আনুগত্য করতে দেখা।
[হাওয়ালা: তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন]

বইঃ হারানো মুক্তা।
লেখকঃ মুক্তী জালালুদ্দিন মিয়াজি।

পরবর্তী পর্ব খুব শীঘ্রই আসবে | ধন্যবাদ...!---

Musafir Banda

গায়র-মাহরামে ভরসা, নারীর সম্মানের নীরব ধ্বংস!দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আত্মপ্রবঞ্চনা হলো, একজন নারী যখন নিজের দুঃখ, কষ্ট, এক...
02/01/2026

গায়র-মাহরামে ভরসা, নারীর সম্মানের নীরব ধ্বংস!

দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আত্মপ্রবঞ্চনা হলো, একজন নারী যখন নিজের দুঃখ, কষ্ট, একাকিত্ব আর দুর্বল মুহূর্তগুলো কোনো গায়র-মাহরাম পুরুষের সামনে খুলে ধরে, তার সহানুভূতিকে আপনজনের ভালোবাসা ভেবে বসে।

ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে, একজন গায়র-মাহরাম পুরুষ কখনোই কোনো নারীর প্রকৃত অভিভাবক, আশ্রয় বা আপনজন হতে পারে না। সে যতই ধার্মিক, ভদ্র বা সহানুভূতিশীল হোক না কেন, মানুষের নফস দুর্বল, আর শয়তান সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।

প্রথমে শুরু হয় সহানুভূতি দিয়ে, আমি আছি, তোমাকে বুঝি, তোমার কষ্টটা কেউ বোঝে না, এরপর ধীরে ধীরে কথা গভীর হয়, সীমা ঝাপসা হয়ে যায়, আর অজান্তেই হৃদয়ের দরজায় ফিতনার প্রবেশ ঘটে।

গায়র-মাহরামের উপর ভরসা করা ঠিক তেমনই, যেমন একটি ভেড়া নেকড়েকে বন্ধু মনে করে। নেকড়ে কখনো ভেড়ার বন্ধু হয় না, সে অপেক্ষা করে সুযোগের, আর সুযোগ পেলেই আঘাত হানে। এই বন্ধুত্বে ক্ষতি কখনো নেকড়ের হয় না, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভেড়াটাই।

অসংখ্য নারীর জীবনে দেখা যায়, গায়র-মাহরামের উপর ভরসা করে তারা হারিয়েছে নিজের সম্মান, শান্তি ও আত্মমর্যাদা। শেষ পর্যন্ত যখন সম্পর্ক ভেঙে যায়, তখন সমাজ আঙুল তোলে নারীর দিকেই, পুরুষটি থেকে যায় প্রশ্নহীন। একজন মুমিন নারীর দুঃখের কথা বলার জায়গা
গায়র-মাহরাম নয়, বরং তার রব, তার সিজদা, তার দোয়া।
আল্লাহ সেই সত্তা, যিনি কোনো গোপন কথা ফাঁস করেন না, কোনো দুর্বলতার সুযোগ নেন না, বরং কষ্টের বদলে দেন সান্ত্বনা ও সম্মান।

পর্দা শুধু পোশাক নয়, পর্দা হলো সম্পর্কের সীমা, কথার সংযম, হৃদয়ের হিফাজত। এই সীমা ভাঙলেই সবচেয়ে আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারীর ঈমান ও ইজ্জত।

মনে রাখবেন, মানুষের উপর ভরসা ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহর উপর ভরসা কখনো ভাঙে না। দুঃখের সময় মানুষ নয়, আল্লাহই হোক একজন নারীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। আমিন!!

Musafir Banda

মানব রচিত আইনে কোন সমাধান নেই! [পর্ব: ৭৬]এই কথা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, ইসলামী আইন-ই হল সব সমস্যার সমাধান। মানব রচিত ...
01/01/2026

মানব রচিত আইনে কোন সমাধান নেই! [পর্ব: ৭৬]

এই কথা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, ইসলামী আইন-ই হল সব সমস্যার সমাধান। মানব রচিত আইনে কোন সমস্যার সমাধান নেই। তাই তো দেখা যায় যে, মানব রচিত আইন দ্বারা সমস্যা সমাধাণ হওয়া তো দূরের কথা; বরং তাতে আরো নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয়। মানুষ তার ন্যায্য অধিকার বিচার হতে বঞ্চিত হয়। তার একটি জ্বলন্ত প্রমাণ হলো এই। একবার এক বাস যাত্রী সীটে বসে মনের আনন্দে ধুম পান করছিল এবং তার নাক মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছড়াচ্ছিল। তার ছিগারেটের ধোঁয়ার দুর্গন্ধে অন্যান্য যাত্রীদের অবস্থা দুর্বিসহ হয়ে উঠল। অথচ তার সীটের উপরে লিখা ছিল গাড়িতে ধূমপান করা নিষেধ। তাই একজন যাত্রী তাকে এ কথাটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেনঃ হ্যালো ভাই, দেখেন না আপনার মাথার উপরে লেখা আছে ধূমপান করা নিষেধ। অতএব, আপনি ধূমপান বর্জন করুন এবং আমাদেরকে মুক্তি দিন। প্রতি উত্তরে ধূমপায়ী যাত্রী বলল, হ্যালো ভাই, দেখেন না আপনার মাথার উপর লিখা আছে কোন অভিযোগ থাকলে চালককে জানান। অতএব, আপনার অভিযোগ আমাকে না বলে চালককে বলুন। বেচারা যখন নিরুপায় হয়ে চালকের দিকে রওনা হলেন, তখন কন্টেকটার তার হাত চেপে ধরে বলেন- এই যে ভাই, আপনি সীটে বসুন। চলন্ত অবস্থায় ড্রাইভারের সাথে কথা বলা নিষেধ।

বেচারা নিরুপায় হয়ে সীটে বসে রইলেন। কিন্তু তিনি সমস্যার কোন সমাধান পেলেন না। পাঠকগণ বুঝতে পারলেন যে, এটি হল মানব রচিত আইনের কুফল। যার দ্বারা কোন সমস্যার সমাধান হয় না। তাই আসুন, মানব রচিত আইন বর্জন করি। শরীয়তের আইন গ্রহণ করি।

বইঃ হারানো মুক্তা।
লেখকঃ মুক্তী জালালুদ্দিন মিয়াজি।

পরবর্তী পর্ব খুব শীঘ্রই আসবে | ধন্যবাদ...!---

Musafir Banda

বিদায় ২০২৫, স্বাগত আত্মশুদ্ধির নতুন বছর ২০২৬!হে মুসলিম ভাই-বোনেরা, চোখের পলকে ২০২৫ সাল আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিয়েছে। এর...
01/01/2026

বিদায় ২০২৫, স্বাগত আত্মশুদ্ধির নতুন বছর ২০২৬!

হে মুসলিম ভাই-বোনেরা, চোখের পলকে ২০২৫ সাল আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিয়েছে। এর মানে, আমাদের হায়াত থেকেও একটি মূল্যবান বছর কমে গেল। যে সময় আর কখনো ফিরে আসবে না, যার প্রতিটি মুহূর্তের হিসাব আমাদের দিতে হবে রবের দরবারে।

রাত পোহালেই শুরু ২০২৬ সাল। নতুন বছরে পা রাখার আগে একবার থেমে নিজেকে প্রশ্ন করা জরুরি, বিগত বছরে আমি কতটুকু সাওয়াব অর্জন করেছি? আর কতটুকু গুনাহ নিজের আমলনামায় জমা করেছি?

যদি দেখি গুনাহের পাল্লা ভারী, তবে বুঝে নিতে হবে, আমরা আমাদের রবকে অসন্তুষ্ট করেছি। কিন্তু হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ মুমিন সে-ই, যে গুনাহ করে আবার রবের দিকে ফিরে আসে তাওবার অশ্রু নিয়ে। আল্লাহ তাওবার দরজা বন্ধ করেন না, বন্ধ হয় শুধু আমাদের ফিরে আসার ইচ্ছা।

আসুন, এই নতুন বছর থেকে নিজেকে ভালো করার চিন্তা করি, নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করি, আর রবের সন্তুষ্টিকে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য বানাই।

-নতুন বছরের প্রথম দিনের জন্য একজন মুমিনের করণীয়!

নতুন বছর মানে শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদল নয়, এটি হলো আত্মসমালোচনা, তাওবা এবং দৃঢ় নিয়তের নতুন সূচনা।

- ফজরের সালাত দিয়ে বছরের শুরু:
নতুন বছরের প্রথম সকাল শুরু হোক ফজরের সালাত দিয়ে। কারণ যে দিন আল্লাহ দিয়ে শুরু হয়, সে দিন ও সে বছর কখনো বরকতশূন্য হয় না।

- খাঁটি অন্তরে তাওবা ও ইস্তেগফার:
বিগত বছরের জানা-অজানা সব গুনাহ, রবের সামনে স্বীকার করে নাও। আজই হোক গুনাহ ছাড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

- নফল সালাত ও অন্তরের কান্না:
দুই রাকাআত নফল সালাতে নিজের দুর্বলতা তুলে ধরো রবের কাছে। যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে,
সে চোখ জাহান্নামের আগুন দেখবে না,"ইনশাআল্লাহ।"

" কুরআনের সাথে নতুন সম্পর্ক:
নতুন বছরের প্রথম দিনেই কুরআন খুলে বসো। এক পৃষ্ঠা হোক বা কয়েকটি আয়াত, এই কুরআনই হবে তোমার জীবনের পথনির্দেশক।

- দরুদ ও জিকির দিয়ে দিন সাজানো:
বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করো। কারণ দরুদ দোয়া কবুলের অছিলা, আর অন্তরের প্রশান্তির চাবিকাঠি।

- সদকা ও দোয়ার মাধ্যমে সূচনা:
নতুন বছরের শুরু হোক একটি সদকার মাধ্যমে। অল্প হলেও দাও, কারণ সদকা বিপদ দূর করে এবং রহমত টেনে আনে। নিজের জন্য, বাবা-মায়ের জন্য, রিবার ও সমগ্র উম্মাহর জন্য দোয়া করো।

- গুনাহ থেকে দূরে থাকার দৃঢ় নিয়ত:
যে গুনাহগুলো তোমাকে আল্লাহ থেকে দূরে রাখে, আজই সেগুলো ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নাও। কারণ নিয়তই হলো পরিবর্তনের প্রথম ধাপ।

- হে ২০২৬—আমাদের হৃদয়ের আহ্বান:

হে ২০২৬,
তুমি এসো পরিবর্তনের বছর হয়ে।
তুমি এসো রবকে সন্তুষ্ট করার বছর হয়ে।
তুমি এসো কলুষিত আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার বছর হয়ে।
তুমি এসো পাপ ছেড়ে রবের দিকে ফিরে আসার বছর হয়ে।
তুমি এসো বসন্তের মতো, আমাদের জীবনকে আল্লাহর রঙে রঙিন করার বছর হয়ে।

"ইয়া আল্লাহ, এই নতুন বছরটিকে আমাদের জন্য হিদায়াত, তাওফিক, বরকত ও জান্নাতের পথে চলার সহযাত্রী বানিয়ে দাও। আমিন।"

-[শুভ হোক আত্মশুদ্ধির নতুন বছর ২০২৬]-

Musafir Banda

রিজিক বৃদ্ধির জন্য ৩টি শক্তিশালী দোয়া!আল্লাহ তাআলাই রিজিকের মালিক। হালাল, বরকতময় ও প্রশান্তিময় রিজিকের জন্য এই দোয়াগ...
31/12/2025

রিজিক বৃদ্ধির জন্য ৩টি শক্তিশালী দোয়া!

আল্লাহ তাআলাই রিজিকের মালিক। হালাল, বরকতময় ও প্রশান্তিময় রিজিকের জন্য এই দোয়াগুলো আমাদের জীবনে বিশেষ রহমত নিয়ে আসে।"ইনশাআল্লাহ।"

১। রিজিক লাভ ও প্রয়োজন পূরণের দোয়া:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।

অর্থ: ইয়া আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।

[সূরা আল-কাসাস: ২৪]
- এই দোয়ার পরেই নবী মূসা (আ.)-এর জীবনে রিজিক, বিয়ে ও বাসস্থানের ব্যবস্থা হয়েছিল।

২। রিজিক লাভ ও ঋণমুক্তির দোয়া:

اللهم اكفني بحلالك عن حرامك، وأغنني بفضلك عمّن سواك

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আঘনিনি বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক।

অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আপনার হালাল রিজিক দিয়ে আমাকে হারাম থেকে বাঁচান এবং আপনার অনুগ্রহে এমন স্বয়ংসম্পূর্ণ করুন, যেন আমি অন্য কারো মুখাপেক্ষী না হই।

[তিরমিজি: ৩৫৬৩]

৩। বরকতময় রিজিকের দোয়া:

اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي رِزْقًا حَلَالًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মারযুকনি রিযকান হালালান তইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি।

অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আমাকে হালাল, পবিত্র ও বরকতময় রিজিক দান করুন, যাতে আপনার সন্তুষ্টি থাকে।

দোয়ার পাশাপাশি হালাল চেষ্টা, তাকওয়া ও কৃতজ্ঞতা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম চাবিকাঠি।

"ইয়া আল্লাহ, আমাদের সবাইকে অফুরন্ত হালাল ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমিন।।"

Musafir Banda

প্রতিদিনের সহজ ৬টি আমল, জান্নাতের পথে নীরব যাত্রা!এমন কিছু আমল আছে, যা করতে সময় লাগে না, কিন্তু সওয়াবের পাল্লা ভারী হয়ে ...
31/12/2025

প্রতিদিনের সহজ ৬টি আমল, জান্নাতের পথে নীরব যাত্রা!

এমন কিছু আমল আছে, যা করতে সময় লাগে না, কিন্তু সওয়াবের পাল্লা ভারী হয়ে যায়। ইচ্ছা থাকলেই আমরা প্রতিদিন এই আমলগুলো করতে পারি, ইনশাআল্লাহ। আমল করুন, ফলাফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।

-সহজ কিন্তু মহামূল্যবান ৬টি আমল।

১- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করা:
যে ব্যক্তি বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করে, আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর দায়িত্ব নেন।
(সহি ফাযায়েলে আমল ১৪১, সহি তারগিব ৩১৬)

২- মনোযোগের সাথে আযানের উত্তর দেওয়া:
যে ব্যক্তি মনোযোগ সহকারে আযানের জবাব দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
(আবু দাউদ ৫২৭)

৩- সঠিক হয়েও ঝগড়া পরিহার করা:
নিজে হক্বে থেকেও যে ঝগড়া ছেড়ে দেয়, রাসূল (ﷺ) তার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের জিম্মাদার হন।
(আবু দাউদ ৪৮০০)

৪- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ
খাঁটি নিয়তে এই কালিমা পাঠ করলে—জাহান্নাম তার জন্য হারাম হয়ে যায়।
(সহি বুখারী ৬৪২৩)

৫- অযুর পর কালিমা শাহাদাত পাঠ:
অযুর পর কালিমা শাহাদাত পাঠকারী জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৭০)

৬- সূরা ইখলাস পাঠ:
যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ইখলাস পাঠ করে, তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত।
(মিশকাতুল মাসাবিহ ২১৬০)

অল্প আমল, কিন্তু প্রতিদান বিশাল। চলুন, প্রতিদিনের জীবনে এই সহজ আমলগুলোকে অভ্যাসে পরিণত করি।

"আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এসব আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।"

Musafir Banda

জাহান্নামের আগুন, মানুষ ও পাথরের ভয়াবহ সতর্কতা!আল্লাহ তাআলা মানুষকে শুধু সৃষ্টি করেই ছেড়ে দেননি, তিনি পথ দেখিয়েছেন, স...
30/12/2025

জাহান্নামের আগুন, মানুষ ও পাথরের ভয়াবহ সতর্কতা!

আল্লাহ তাআলা মানুষকে শুধু সৃষ্টি করেই ছেড়ে দেননি, তিনি পথ দেখিয়েছেন, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য স্পষ্ট করেছেন। কুরআন নাজিল করেছেন হিদায়াত হিসেবে, আর সেই কুরআনের মাধ্যমেই আমাদের সামনে রেখেছেন
চূড়ান্ত সতর্কবার্তা।

আল্লাহ বলেন:
যদি তোমরা এই কুরআনের মতো কিছু আনতে না পারো, আর কখনোই পারবে না, তবে সেই আগুন থেকে নিজেদের রক্ষা করো, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।

এই আগুন দুনিয়ার আগুনের মতো নয়।
এ আগুন নিভে যাবে না,
এর তাপ কমবে না।
এর শাস্তি মুহূর্তের জন্যও থামবে না।
যে মানুষ আল্লাহকে অস্বীকার করেছে,
যে ইমানের আহ্বানকে তুচ্ছ করেছে।
যে অহংকারে সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তার পরিণতি হবে এই ভয়াবহ আগুন।

মানুষ, যে ছিল শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, আজ সেই মানুষই হবে আগুনের জ্বালানি। পাথর যাকে কেউ কেউ ইলাহ বানিয়েছিল, যাকে পূজা করে নিরাপত্তা খুঁজেছিল, সেই পাথরও হবে আগুনের খাদ্য। এটাই কুফরের নির্মম পরিণতি।

কিন্তু আল্লাহ আজও আমাদের ডাকছেন,“হে বান্দা! ফিরে এসো। আগুনের পথে নয়, জান্নাতের পথে এসো।”আজ তাওবার দরজা খোলা, আজ চোখের পানি কবুল হয়, আজ সিজদার আর্তনাদ শোনা হয়। কাল যখন হিসাবের ময়দান বসবে, সেদিন না থাকবে সময়, না থাকবে সুযোগ, না থাকবে দ্বিতীয় কোনো চান্স।

"তাই আসুন, ভয়কে অন্তরে জাগিয়ে তুলি। ইমানকে শক্ত করি, আমলকে সুন্দর করি। আল্লাহর অবাধ্যতা ছেড়ে তাঁর আনুগত্যকে বেছে নিই। নিজেদের, পরিবারকে, প্রিয়জনদের
সেই আগুন থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করি।"

"[সূরা আল-বাকারা: ২৪]"

Musafir Banda

সিজদা, যেখানে অশ্রু কথা বলে, আর রব উত্তর দেন!মাঝে মাঝে সিজদায় যাওয়া উচিত, কোনো অভিযোগ নিয়ে নয়, কোনো চাওয়ার তালিকা হাতে ন...
30/12/2025

সিজদা, যেখানে অশ্রু কথা বলে, আর রব উত্তর দেন!

মাঝে মাঝে সিজদায় যাওয়া উচিত, কোনো অভিযোগ নিয়ে নয়, কোনো চাওয়ার তালিকা হাতে নিয়ে নয়, বরং নিখাদ কৃতজ্ঞতা নিয়ে।

এই ভেবে যে, এই বিশাল দুনিয়ায় আমি একা নই, আমার একজন রব আছেন, যিনি আমার না বলা কষ্টও জানেন,
আমার চাপা কান্নার শব্দও শোনেন, আর আমার ভাঙা হৃদয়টাকে সবচেয়ে বেশি যত্নে আগলে রাখেন।

সিজদা এমন এক জায়গা, যেখানে মুখের ভাষা থেমে গেলেও
চোখের অশ্রু কথা বলে। যেখানে নিজেকে শক্ত প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, অসহায় হওয়াটাই সেখানে ইবাদত। চরম ক্লান্ত মুহূর্তে, যখন পৃথিবীর সব দরজা বন্ধ মনে হয়, ঠিক তখনই আকাশের দিকে তাকিয়ে একটা “আল্লাহ”আর এই এক শব্দেই যেন হালকা হয়ে আসে পুরো হৃদয়।

যে মানুষটি সিজদায় গিয়ে নিজের সব কষ্ট নিংড়ে দিতে জানে, সে কখনো একা থাকে না। কারণ সে জানে তার রব তাকে দেখছেন, শুনছেন, এবং সঠিক সময়ের জন্য সবকিছু সাজিয়ে রাখছেন। এই বিশ্বাস একবার যার হৃদয়ে ঢুকে যায়,
তার জীবনে “হতাশা” শব্দটি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।

যে একবার শিখে যায় রবের কাছ থেকে চেয়ে নিতে, মানুষের দরজায় বারবার দাঁড়াতে হয় না তার। তার চোখে তখন দুনিয়ার অভাবগুলো আর অভিশাপ মনে হয় না, বরং পরীক্ষার মতো লাগে। কারণ সে বুঝে যায়, রিজিক শুধু হাতে যা আছে তা নয়, রিজিক হলো তৃপ্ত হৃদয়, শান্ত মন আর আল্লাহর ওপর ভরসা।

আমার পরিকল্পনা সীমিত, আমার দেখা খুব ছোট। কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা সবসময় পূর্ণ, নিখুঁত ও কল্যাণে ভরা। যে মানুষটি একবার মন থেকে মেনে নেয়,“আমার চেয়ে আমার রব আমাকে বেশি ভালো জানেন”সে শত কষ্টের মাঝেও ভেঙে পড়ে না। চোখে পানি থাকলেও ঠোঁটে তখনো একটি হাসি থাকে, আর হৃদয়ের গভীর থেকে বেরিয়ে আসে।

"আলহামদুলিল্লাহ্" কারণ আমার রব আছেন, আর তাঁর পরিকল্পনাই আমার জন্য সবচেয়ে সুন্দর।।

Musafir Banda

যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়, আসমানের দরজা খুলে দেয় যে জিকির!কখনো কখনো জীবনে এমন সময় আসে, চারপাশে শুধু অচলাবস্থা, সব পথ যে...
29/12/2025

যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়, আসমানের দরজা খুলে দেয় যে জিকির!

কখনো কখনো জীবনে এমন সময় আসে, চারপাশে শুধু অচলাবস্থা, সব পথ যেন বন্ধ, মন ভরে যায় হতাশায়, চোখ ভরে আসে নীরব দোয়ায়।

ঠিক সেই মুহূর্তে, আল্লাহ তাআলার দরবারে আশ্রয় নিন এই বরকতময় জিকিরে।

আমলটি হবে এভাবে:
- ১১ বার দুরুদ শরীফ,
- ১১১ বার “ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যুম”
- এরপর নিজের ভাষায়, হৃদয়ের সব কথা নিয়ে দোয়া,
- শেষে আবার ১১ বার দুরুদ শরীফ,

টানা ১১ দিন এই আমলটি করুন,"ইনশাআল্লাহ" এটি হবে দোয়া কবুলের এক শক্তিশালী অছিলা।

হতাশ হবেন না, কারণ মানুষের দরজা বন্ধ হলেও, আল্লাহর আসমানের দরজা কখনো বন্ধ হয় না।
তিনি আল-হাইয়্যু, চিরঞ্জীব;
তিনি আল-ক্বাইয়্যুম, সবকিছুর ধারক ও সহায়।

হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)

"ভরসা রাখুন আল্লাহর উপর, নীরব দোয়াও তিনি শুনেন।"

"ইয়া আল্লাহ, আপনি আমার এবং পৃথিবীর সকল মানুষের, সকল প্রকার ভালো আশা গুলো পূরণ করুন। আমিন!!"

Musafir Banda

গর্ভে সন্তান আসার পর করণীয় আমল!মা হওয়া শুধু একটি শারীরিক পরিবর্তন নয়, এটি একটি আমানত, একটি ইবাদত। গর্ভে সন্তান আসার পর থ...
28/12/2025

গর্ভে সন্তান আসার পর করণীয় আমল!

মা হওয়া শুধু একটি শারীরিক পরিবর্তন নয়, এটি একটি আমানত, একটি ইবাদত। গর্ভে সন্তান আসার পর থেকেই মায়ের আমল, দোয়া ও কুরআনের সংস্পর্শ সন্তানের উপর গভীর প্রভাব ফেলে, ইনশাআল্লাহ। তাই গর্ভকালীন সময়কে কুরআনের আলোয় আলোকিত করা কতই না সুন্দর! 🤍

- মাসভিত্তিক আমলের তালিকা:

- ১ম মাসে সূরা আলে ইমরান পড়লে, সন্তান দানশীল ও মর্যাদাবান হয়।
- ২য় মাসে সূরা ইউসুফ পড়লে, সন্তান সুন্দর চেহারা ও চরিত্রের অধিকারী হয়।
- ৩য় মাসে সূরা মারিয়াম পড়লে, সন্তান হবে ধৈর্যশীল ও সহনশীল।
- ৪র্থ মাসে সূরা লোকমান পড়লে, সন্তান হবে হিকমতওয়ালা ও প্রজ্ঞাবান।
- ৫ম মাসে সূরা মুহাম্মদ পড়লে, সন্তান হবে উত্তম চরিত্রের অধিকারী।
- ৬ষ্ঠ মাসে সূরা ইউসুফ পড়লে, সন্তান হবে জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান।
- ৭ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম মাসে, সূরা ইউসুফ, সূরা মুহাম্মদ ও সূরা ইব্রাহিম নিয়মিত পড়া উত্তম।

একজন মা যখন কুরআনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন, তখন তার গর্ভের সন্তানও আল্লাহর কালামের নূরে আলোকিত হয়, ইনশাআল্লাহ।
আসুন, এই সুন্দর আমলগুলো নিজেরা করি এবং অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দিই।

"আল্লাহ তাআলা, আমাদের সন্তানদের নেককার ও দ্বীনের আলোয় গড়া মানুষ হিসেবে কবুল করুন। আমিন।"

শেয়ার করুন, একজন মায়ের ইবাদত আরেকজন মায়ের উপকারে আসুক।

Musafir Banda

ইস্তেগফার: দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার ২০টি উপকারিতা !ইস্তেগফার কোনো সাধারণ আমল নয়, এটা একজন বান্দার জন্য আল্লাহর নিকট ফি...
27/12/2025

ইস্তেগফার: দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার ২০টি উপকারিতা !

ইস্তেগফার কোনো সাধারণ আমল নয়, এটা একজন বান্দার জন্য আল্লাহর নিকট ফিরে যাওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। নিচে ইস্তেগফারের উপকারিতাগুলো সুন্দরভাবে নাম্বার দিয়ে সারিবদ্ধ করা হলো:-

১) ইস্তেগফার আল্লাহ তা‘আলার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।
২) এটি রসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর অত্যন্ত প্রিয় আমল।
৩) গুনাহ মাফ হওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।
৪) জান্নাত লাভের পথে সহায়ক আমল।
৫) অন্তরের অন্ধকার ও পাপের কালিমা দূর করে।
৬) আত্মিক প্রশান্তি ও হৃদয়ের শান্তি দান করে।
৭) আল্লাহ তা‘আলার রহমত নাজিল হওয়ার কারণ হয়।
৮) কবরের উত্তম ও নিরাপদ সঙ্গী হিসেবে কাজ করে।
৯) এর মাধ্যমে শারীরিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ হয়।
১০) হালাল রিজিক বৃদ্ধি পাওয়ার বিশাল আমল।
১১) নফসকে দুশ্চিন্তা, হতাশা, পেরেশানি, কুমন্ত্রণা ও অবৈধ প্রবৃত্তি থেকে পবিত্র করে।
১২) নেক ও সৎ সন্তান লাভের মাধ্যম হয়।
১৩) নানা রোগ-ব্যাধির জন্য কার্যকর চিকিৎসাস্বরূপ।
১৪) দুনিয়াতে উত্তম ও বরকতময় জীবন লাভ হয়।
১৫) আমল কবুল হওয়ার নিরাপত্তা সৃষ্টি করে।
১৬) বিপদাপদ, মুসিবত ও অকল্যাণ দূর করে।
১৭) মানুষের প্রকৃত মর্যাদা ও ফজিলত বৃদ্ধি করে।
১৮) আল্লাহর পক্ষ থেকে উপকারী বৃষ্টি ও বরকত নাজিল হয়।
১৯) অন্তরের চোখ খুলে যায়, হক ও বাতিল চেনার শক্তি আসে।
২০) সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, আল্লাহ তা‘আলার সাথে বান্দার সম্পর্ককে সুন্দর ও মজবুত করে।

- আসুন, প্রতিদিনের জীবনে ইস্তেগফারকে সঙ্গী বানাই।
ভাঙা মন, ভুল পথে চলা জীবন সব কিছু নিয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে যাই।
নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু ও বান্দার প্রতি অশেষ মেহেরবান।

Musafir Banda

Address

Tangail

Telephone

+8801725913671

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Musafir Banda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Musafir Banda:

Share