The Daily AUST

The Daily AUST This page has been created to provide quality entertainment and stories of students. Mail : [email protected]
(3)

আমরা চিকিৎসকদের উপর আরোপিত অযৌক্তিক ও অমানবিক শর্তসমূহের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান জানাচ্ছি।
03/06/2026

আমরা চিকিৎসকদের উপর আরোপিত অযৌক্তিক ও অমানবিক শর্তসমূহের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান জানাচ্ছি।

Be connected with The Daily AUST
01/06/2026

Be connected with The Daily AUST

তখন আমি ৫.১। গ্রুপ প্রোজেক্ট চলে।ঠিকমত ক্লাস না করে বাসায় বসে ডিজাইন করতাম।ভাবতাম বাসায় বসে ডিজাইন করলে বেশি ভাল হবে।হটা...
31/05/2026

তখন আমি ৫.১। গ্রুপ প্রোজেক্ট চলে।
ঠিকমত ক্লাস না করে বাসায় বসে ডিজাইন করতাম।ভাবতাম বাসায় বসে ডিজাইন করলে বেশি ভাল হবে।

হটাৎ যশোর থেকে আব্বু ফোন দিয়ে বলে।
ভার্সিটি না যেয়ে ফিল্ডিং মেরে বেড়াচ্ছিস?

আমি আমার দুই গ্রুপমেট তোফায়েল আর তাসদিক এর দিকে তাকায়ে বললাম,"আব্বা জানলো কিভাবে?"

তারপর কিছুক্ষন ঝাড়ি খালাম।আর আমার গ্রুপমেট দুইজন মহাখুশি।কারন তাদের দুইজনের বাসায় তখনও এ্যাটেন্ডেন্স শিট যায়নি।কিছুক্ষন পর দেখলাম তাদের দুইজনের বাসা থেকেও ফোন আসলো।তাদের হাসিও থেমে গেল।আমিও একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেল্লাম।

আব্বু এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন ছেলের এ্যাচিভমেন্ট।

- Rezwan

30/05/2026

গণঅভ্যুত্থানের পর যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ভাগাভাগিতে ব্যস্ত। তখন অন্যতম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, আহছানউল্লার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রত্যাশা ছিলো :

30/05/2026

পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে এক ঢাবি সিন্ডিকেট। বছরের পর বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন এই দেশ চালানোর একমাত্র লাইসেন্স তাদের হাতেই। অথচ বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় চলা এই প্রতিষ্ঠান থেকেই বারবার জন্ম নিয়েছে ক্ষমতালোভী আমলা, দুর্নীতিবাজ প্রশাসক আর সুবিধাবাদী রাজনৈতিক গোষ্ঠী।

জুলাই আন্দোলনের সময় সত্যটা পুরো জাতি দেখেছে।
১৭ জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী হল ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গিয়েছিল, তখন রাজপথে বুক পেতে দাঁড়িয়ে ছিল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা। টিয়ারগ্যাস, গুলি, হামলা সবকিছুর সামনে দাঁড়িয়ে আন্দোলনের আগুন জিইয়ে রেখেছিল তারাই। রক্ত দিয়েছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, শহীদ হয়েছে সাধারণ পরিবারের সন্তানরা।

কিন্তু স্বৈরাচার পতনের পর কী হলো?

ক্ষমতার চেয়ার দখল করলো আবার সেই পুরোনো ঢাবি সিন্ডিকেট। মন্ত্রী হলো তারা, দল গঠন করলো তারা, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো ভাগাভাগি করলো তারাই। আর যারা জীবন দিল, যারা রাজপথে লড়লো, সেই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঠাঁই হলো কবরস্থানে আর স্মৃতিফলকে।

এটাই বাংলাদেশের নির্মম বাস্তবতা।রক্ত দেয় এক শ্রেণি, ক্ষমতা ভোগ করে আরেক শ্রেণি।শহীদ হয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, আর মন্ত্রী হয় ঢাবির সুবিধাবাদীরা।

দেশের মানুষকে এখন বুঝতে হবে, যোগ্যতা কোনো একক বিশ্ববিদ্যালয়ের পৈতৃক সম্পত্তি না। এই “ঢাবি শ্রেষ্ঠত্ব” নামের অহংকারকে ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে রাষ্ট্র, প্রশাসন আর রাজনীতিতে একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি করা হয়েছে। আর এই আধিপত্যই আজ বৈষম্য, দুর্নীতি আর ক্ষমতার দম্ভকে টিকিয়ে রেখেছে।

30/05/2026

🗿 : ঢাবি শিক্ষার্থীর দাবী

30/05/2026
🗿 : অমুক-তমুককে বিশ্ববিদ্যালয় মনে করি না
30/05/2026

🗿 : অমুক-তমুককে বিশ্ববিদ্যালয় মনে করি না

Address

141 &142 Love Road, Dhaka 1208
Tejgaon Farm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Daily AUST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Daily AUST:

Share