11/10/2026
প্রশাসনকে ভয় পায়না কচ্ছপিয়ার ইলিয়াস বুইজ্জা ।
বিশেষ প্রতিবেদক,টেকনাফ।
টেকনাফের কচ্ছপিয়া এলাকার ইলিয়াস বুইজ্জা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সামুদ্রিক শামুক বিক্রি করে এখন কোটিপতি। আলিশান বাড়ি,গাড়ি ও কোটি টাকার জায়গা জমির মালিক এই ইলিয়াস বুইজ্জা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, রাতের আধারে কচ্ছপিয়া এলাকার প্রায় দশ কিলোমিটার সমুদ্র তীর থেকে শত শত বস্তা শামুক তুলে অবৈধভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করে আসছে।
বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী বাংলাদেশে শামুক-ঝিনুক শিকার, পরিবহন ও বাণিজ্যিকভাবে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করলেও তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে শামুকের ব্যবসা। এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশের ভারসাম্য।
পুরো কক্সবাজার জেলা জুড়ে তার একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট,সিন্ডিকেটে রয়েছে শতাধিক লোক।তারা টেকনাফ সাবরাং বাহারছড়ার সহ শামুক ধরে বস্তা ভরে রেখে দেয় এবং পরবর্তীতে এই ইলিয়াস বুইজ্জাকে বিক্রি করে দেয়।
জানা যায়, গতকাল শনিবার ৯ অক্টোবর প্রশাসনের অগোছরে টেকনাফের শাহ্পরীর দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০ বস্তা এবং সাবরাং আদর্শগাম থেকে ৬০ বস্তা মোট ১০০ বস্তা সামুদ্রিক শামুক পিকআপে লোড করে কচ্ছপিয়া এলাকার তার গোপন ডেরায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়ভাবে টাকাওয়ালা ও উশৃঙ্খল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের বন্ধি করে অপহরণকারীদের তুলে দিয়ে মোটা টাকা মুক্তিপণ নেয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান।
তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার গোপন আস্তানায় অনেক টন শামুক পাওয়া যাবে বলে ইলিয়াসের এক প্রতিবেশী জানান।
স্থানীয়রা জানান, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টামূলক শাস্তি না দিলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি প্রশাসনকে এবং সাংবাদিককে ভয় পাইনা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এটি আমার দীর্ঘদিনের ব্যবসা। আমার ব্যবসায় কেউ ক্ষতি করতে চাইলে কাউকে ছাড়বনা।
পর্ব -২ আসবে আরও বিস্তারিত।