Ismail Bin Haidar

Ismail Bin Haidar সর্বদা ভীষণ অপরাধবোধ হয়! সেই দিন রবের সামনে দাঁড়িয়ে কি জবাব দিবো।

29/10/2025

ই*স*ক*ন নামে সন্ত্রাসী উগ্র জ*ঙ্গি গোষ্ঠীকে বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ করা হোক ✊

হেফাজতে ইসলাম — একটি অরাজনৈতিক ও দীনি তাশকিল, যার জন্ম হয়েছিল ইসলামী আকীদা, দ্বীন, দারুল উলূম, মাদরাসা শিক্ষা এবং উলামায়...
29/10/2025

হেফাজতে ইসলাম — একটি অরাজনৈতিক ও দীনি তাশকিল, যার জন্ম হয়েছিল ইসলামী আকীদা, দ্বীন, দারুল উলূম, মাদরাসা শিক্ষা এবং উলামায়ে কেরামের সম্মান রক্ষার লক্ষ্যে। এই সংগঠনের মূল দায়িত্ব ছিল দ্বীন রক্ষা, শিক্ষা রক্ষা, তাগুতের বিরুদ্ধে কণ্ঠ উচ্চারণ, এবং সমাজকে নৈতিক ও ঈমানি দিক থেকে জাগ্রত করা।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে—কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই পবিত্র তাশকিলকে দলীয় রাজনীতির ঘেরাটোপে ঢুকিয়ে দিতে চাইছে। একদিকে তারা মুখে অরাজনৈতিক দাবী করে, অন্যদিকে গোপনে রাজনৈতিক দলের দফতরে যাতায়াত করছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে জোট করার গুঞ্জনও ছড়াচ্ছে। এটা শুধু হেফাজতের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করছে না, বরং দ্বীনকে রাজনীতির পণ্য বানানোর অপচেষ্টা।

হেফাজতের দায়িত্ব হলো কওমি মাদরাসার হিফাযত, উলামা-মাশায়েখদের মর্যাদা রক্ষা, ইসলামবিরোধী কার্যক্রমের প্রতিবাদ এবং সমাজে দ্বীন প্রচার করা। কিন্তু কেউ যদি এই মঞ্চকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে, তাহলে সে কেবল হেফাজতের বিশ্বাসঘাতক নয়, বরং গোটা উলামায়ে কেরাম সমাজের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

জাতিকে এখনই সজাগ হতে হবে—যাতে হেফাজত নামের পবিত্র এই সংগঠনটি কোনো রাজনৈতিক শক্তির “কলসি তো” না হয়ে পড়ে। উলামায়ে কেরামকে তাদের মৌলিক দায়িত্বের জায়গায় ফিরতে হবে, দীন ও দ্বীনের প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির খেলায় ব্যবহৃত হতে দেওয়া যাবে না।

কারণ, হেফাজত রাজনীতির জন্য নয় — বরং রাজনীতিকে দ্বীনের আওতায় রাখার জন্য জন্মেছিল। এই পরিচয় হারানো মানে হেফাজতের অস্তিত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা।

29/10/2025

আমীরে হেফাজত আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুরগরী দা.বা. এর কথা নবীর অনেক আলেমরা বুঝে না। ভ্রান্ত ভাবে নিজেদের আসলাফদের মনো চেতনা ও গবেষণাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
মওদুদী সা‌হেব‌কে নি‌য়ে এই আ‌লোচনা‌টি তরুন আ‌লেম‌দের শোনা খুব দরকার।

আ‌লোচক
মাওলানা যাইনুল আবেদিন হা‌ফিজাহুল্লাহ্

রাষ্ট্র কেবল একটি ভৌগোলিক সীমানা নয়; এটি ইতিহাসের নির্যাস, ত্যাগের প্রতিধ্বনি, এবং জাতির আত্মমর্যাদার দৃঢ় প্রতীক। যে মাট...
12/10/2025

রাষ্ট্র কেবল একটি ভৌগোলিক সীমানা নয়; এটি ইতিহাসের নির্যাস, ত্যাগের প্রতিধ্বনি, এবং জাতির আত্মমর্যাদার দৃঢ় প্রতীক। যে মাটিতে অগণিত শহীদের রক্তে স্বাধীনতার বৃক্ষ রোপিত হয়েছে, সে মাটি কখনো নিঃস্ব হতে পারে না—যদি তার সন্তানরা সতর্ক থাকে, ঐতিহ্য স্মরণে রাখে, আর ন্যায় ও প্রজ্ঞায় পথচলা শিখে নেয়।

আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ এমন এক রাষ্ট্র, যে তার জন্মলগ্ন থেকেই সংগ্রামের সন্তান। এই ভূমি বারবার দেখেছে কূটকৌশল, ষড়যন্ত্র, বৈদেশিক চাপ, এবং অভ্যন্তরীণ প্রলোভনের ভেতর দিয়ে নিজেকে টিকিয়ে রাখার লড়াই। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যে জাতির মানুষ বিশ্বাসে অবিচল, সে জাতিকে পরাভূত করা যায় না।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী এক অনন্য প্রতীক। তারা রাষ্ট্রের “অতন্দ্র প্রহরী”—জেগে থাকে, যেন আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। তাদের ত্যাগ, শৃঙ্খলা, এবং আত্মসমর্পণ আমাদের জাতিসত্তাকে বলীয়ান করে তোলে। তাই এই বাহিনীকে নিয়ে কূটকৌশল বা বিদ্বেষ ছড়ানো মানে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডে আঘাত করা। ইতিহাসের অন্ধকার অধ্যায়গুলো প্রমাণ করে—যে দেশ নিজের সেনাবাহিনীকে অবিশ্বাস করেছে, সে দেশ পরাশক্তির পদতলে নত হয়েছে।

তবে অন্যদিকে, সত্যিকারের দেশপ্রেমিক সমাজ কখনো অপরাধীকে রক্ষা করে না। অপরাধী সে সেনা, রাজনীতিক, বা সাধারণ নাগরিক—সবার জন্যই ন্যায়বিচার অপরিহার্য। কিন্তু ন্যায়ের নামে প্রতিহিংসা, কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ার আড়ালে সুযোগসন্ধানীদের প্রবেশ—এটাই রাষ্ট্রের সর্বনাশের সূচনা। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, রোমান সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগ, এমনকি আধুনিক পৃথিবীর শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকেও ভিতরে ভিতরে ধ্বংস করেছে তাদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও আত্মঅবমূল্যায়ন।

এই বাস্তবতায়, আজ আমাদের প্রয়োজন “জ্বলে ওঠা নয়, হুশে থাকা”—অর্থাৎ আবেগে নয়, বুদ্ধিতে কাজ করা। জাতিকে এখন যে শত্রুর মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা সবসময় সীমান্ত পেরিয়ে আসে না; অনেক সময় সে আসে কূটনৈতিক টেবিলের হাসিতে, মিডিয়ার ছদ্মবেশে, কিংবা রাজনীতির মঞ্চে দেশপ্রেমের মুখোশ পরে। তাই রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, বিশেষত সেনাবাহিনী, বিচারবিভাগ ও প্রশাসনকে হতে হবে ন্যায়, সততা ও দূরদর্শিতার অদ্বিতীয় প্রতীক।

আমরা ভুলে যেতে পারি না—এই রাষ্ট্র আমাদের, এর প্রতিটি ইট, প্রতিটি নদী, প্রতিটি পতাকা আমাদেরই উত্তরাধিকার। বাহ্যিক শক্তি আমাদের দেহে আঘাত করতে পারে, কিন্তু অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা যদি হৃদয়ে বাসা বাঁধে, তখন রাষ্ট্ররূপী দেহটি পঙ্গু হয়ে যায়। তাই আমাদের কর্তব্য, আমাদের সামর্থ্য, আমাদের প্রহরীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে—এই রাষ্ট্রকে রক্ষা করা, সাজানো, এবং ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য নিরাপদ করে যাওয়া।

ইতিহাস সাক্ষী, যে জাতি নিজের প্রহরীকে দুর্বল করে, সে জাতি একদিন শত্রুর পদতলে ধূলিসাৎ হয়। আর যে জাতি ন্যায়, প্রজ্ঞা ও ঐক্যের পতাকা উঁচু রাখে—আল্লাহর সাহায্যে তার পতাকা কখনো নামতে দেয় না।

শেষ পঙক্তি:

> “রাষ্ট্র আমাদের আশ্রয়, আর সেনাবাহিনী তার প্রহরী।
ন্যায়ের পথে সতর্ক পদক্ষেপই আমাদের অস্তিত্বের প্রতিরোধক ঢাল।”

11/10/2025

বট বাহিনীর রিপোর্টের কারনে Ismail Bin Haidar মূল আইডিতে পোস্ট করতে পারছি না।
ঠিক হওয়া পর্যন্ত পেইজে থাকবো।

11/10/2025

আজ বিশ্ব ডিম দিবস!
প্রশ্ন হলো;
ডিম আগে নাকি মুরগী আছে?

Address

Thakurgaon
5100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ismail Bin Haidar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ismail Bin Haidar:

Share