09/07/2026
সৌদি গ্রান্ড মুফতি শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন:
সংস্কৃতি এটা নয় যে, তুমি জানবে—
বিশ্বের অবস্থা,
বিভিন্ন সরকার সম্পর্কে,
কিংবা রাজনৈতিক বিষয়াবলি।
এ ধরনের সংস্কৃতি প্রকৃত উপকার বয়ে আনে না।
যে সংস্কৃতি সত্যিই উপকারী, তা হলো—
তাওহীদ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা,
তাওহীদের বিপরীত বিষয় অর্থাৎ শিরক সম্পর্কে জানা,
এবং যেসব বিদআত ও নবউদ্ভাবিত বিষয় তাওহীদকে ক্ষুণ্ণ করে, সেগুলো সম্পর্কে জানা।
এটাই হলো সঠিক ও প্রকৃত সংস্কৃতি।
আর একজন মুসলিম ও জ্ঞান অন্বেষণকারীর কাছে এটাই কাম্য—সে যেন তাওহীদ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে এবং মানুষকে তার দাওয়াত দেয়।
- শারহু কাশফিশ শুবুহাত, পৃষ্ঠা ৩৩।
উল্লেখ্য, এখানে শাইখ বিশ্ব সম্পর্কে জানা বা বিশ্বের কোথায় কী হচ্ছে জানা বা বিশ্বের তাবৎ শয়তানদের অপকর্ম সম্পর্কে জানা, এ ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করতে নিষেধ করেননি,
তিনি তো নিষেধ করছেন এগুলোকে ঈমান, তাওহীদ, কুফর, শিরক ও বিদআত জানা ও সেগুলো থেকে বিরত থাকা, বিরত রাখা, সাবধান করার যেন কোনো কিছুকেই অগ্রাধিকার না দেওয়া হয়।
বস্তুত ঈমানদার ব্যক্তির সর্বোচ্চ প্রায়োরিটিমূলক কাজ হবে ঈমান ও তাওহীদের সঠিক জ্ঞান লাভ করা, সেটার রক্ষণাবেক্ষণ করা, সেটার জন্য জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা। যা বাংলাদেশের যুবকদের মধ্যে দুর্লভ।
বস্তুত আমরা উপকার আর অপকারের সংজ্ঞায় যেমন ভুল করে বসে আছি তেমনি ভুল করে যাচ্ছি উপকারী জ্ঞান ও অপকারী জ্ঞান নির্বাচন করতে। দুনিয়ার সাময়িক উপকারকেই সত্যিকারের উপকার ধরে নিয়েছে।
যুবকরা আজ এমনসব বিষয়ে পড়ালেখা করে থাকে যেগুলো তার জন্য দুনিয়াতে কোনো কাজে লাগলেও আখেরাতে বিপদের কারণ হবে।