UV Digital EnteRPrisE

UV Digital EnteRPrisE If You Think, Think You Can; This is the GouL.

16/03/2024
03/01/2023
19/08/2019

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের উদ্যোক্তারা এই কোম্পানি হতে কোনো জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত পেত.....

স্টার্টআপ তৈরিতে সহায়তা করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ : পলক
23/07/2019

স্টার্টআপ তৈরিতে সহায়তা করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, একজন উদ্যোক্তা সফল হলে কর্মসংস্....

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড বা বিটিসিএল বাংলাদেশের সরকারি টেলিফোন সংস্থা ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযো...
18/07/2019

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড বা বিটিসিএল বাংলাদেশের সরকারি টেলিফোন সংস্থা ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযোগ কোম্পানী।

উচ্চশিক্ষা এখন আর কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার বাড়ছে। মাত্র সাত বছরে এ...
16/07/2019

উচ্চশিক্ষা এখন আর কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।


বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার বাড়ছে। মাত্র সাত বছরে এ হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আইএলও’র প্রতিবেদন অনুযায়ী উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশি। ২০০০ সালে বাংলাদেশে সার্বিক বেকারত্বের হার ছিল ৩.৩ শতাংশ। ২০১০ সালে তা ৩.৪ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে এই হার হয় ৪.৪ শতাংশ। বাংলাদেশে পুরুষ বেকারের হার ৩.৩ ও নারী বেকারের হার ১২.৮ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় বিষয় হল, উচ্চশিক্ষা এখন আর কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বাংলাদেশে ১০.৭ শতাংশ, পাকিস্তানে ১৬.৮ শতাংশ, ভারতে ৮.৪ শতাংশ, মিয়ানমারে ২.৭ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ৪.১ শতাংশ এবং ভিয়েতনামে ৪ শতাংশ।
প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, তরুণরা যত বেশি পড়ালেখা করছে তাদের তত বেশি বেকার থাকার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দেশে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। এশিয়া-প্যাসিফিক এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক-২০১৮ শীর্ষক প্রতিবেদনে ২০০০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলের ২৮টি দেশের বেকারত্ব, তরুণদের কর্মসংস্থান, নিষ্ক্রিয় তরুণের হার, আনুষ্ঠানিক অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান, কর্মসন্তুষ্টি ইত্যাদির তুলনামূলক চিত্র পাওয়া গেছে।


প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব ২০১০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে ২০১৭ সালে ১২.৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্ব ১০.৭ শতাংশ যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ২৮টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশে তরুণদের বড় অংশ নিষ্ক্রিয়।
তারা কোনো ধরনের শিক্ষায় যুক্ত নন, প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না, আবার কাজও খুঁজছেন না, দেশে এমন তরুণের হার ২৭.৪ শতাংশ। মেয়েদের এই হার ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে বেকার ছিল ২৬ লাখ ৭৭ হাজার, যা এর আগের বছরের চেয়ে ৮৭ হাজার বেশি। আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে কিন্তু কর্মসংস্থান বাড়ছে না।
২০১৫ সালের পত্রিকায় প্রকাশিত আইএলও’র তথ্যমতে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা সে সময় ছিল প্রায় ৩ কোটি এবং এতে বলা হয়েছিল বেকারত্বের এ ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ৬ কোটিতে। বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার অভাব। দেশে শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে শ্রেণীবিন্যাস এবং বিরাট বৈষম্য।
আমাদের সংবিধানের ১৭(ক) ধারায় বলা আছে, রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সব বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর নেই। আমাদের দেশে বর্তমানে মোটা দাগে তিন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু আছে। সাধারণ শিক্ষা, ইংলিশ মিডিয়াম এবং মাদ্রাসা শিক্ষা। সাধারণ স্কুল বা কলেজে নিুমধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে বিত্তবানদের এবং মাদ্রাসায় গরিব ঘরের ছেলেমেয়েরা পড়ে। ইংলিশ মিডিয়াম ও মাদ্রাসায় বাংলাকে প্রায় অবজ্ঞা করা হয় বলা যায়। এখানে শিক্ষার্থীদের দেশাত্মবোধ বা মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে, যা আমাদের সংবিধান পরিপন্থী। ২০১৪ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার বেড়েই চলেছে।
প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে বেকারের হার ১৪.২ শতাংশ। প্রতিবছর ১৩ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। দেশে কর্মসংস্থানের হার ২ শতাংশ বাড়ানো গেলে প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশে উন্নীত হবে এবং ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের ইনটেলিজেন্স ইউনিটের এক বিশেষ প্রতিবেদনে সে সময় বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার সবচেয়ে বেশি।
প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারী তরুণ-তরুণীর মধ্যে ৪৭ শতাংশই বেকার। ভারত ও পাকিস্তানে প্রতি ১০ জন শিক্ষিত তরুণের ৩ জন বেকার।বেকারত্ব যে আমাদের প্রধান সমস্যা তা আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বের নামকরা অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন কর্মসংস্থানের অভাবকে। আমাদের প্রবৃদ্ধির হারের সঙ্গে কর্মসংস্থানের বৈপরীত্য রয়েছে।
বিগত এক দশক ধরে আমাদের জিডিপি ৬ শতাংশের উপরে এবং বিগত ৩ থেকে ৪ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের উপরে উন্নীত হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, বাংলাদেশে কাজ করেন এমন মানুষের সংখ্যা ৫ কোটি ৯৫ লাখ; কিন্তু জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটির ওপরে।
এ পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই। আমরা যারা অভিভাবক রয়েছি, তারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সন্তানদের পেছনে একটা বিরাট অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছি, যাতে করে তারা পড়ালেখা শিখে আয়-রোজগার করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু মানসম্পন্ন বাস্তবমুখী কারিগরি শিক্ষা ও যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাবে তাদের এ শিক্ষা আদতে কোনো কাজে লাগছে না, ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দিকে মনোযোগী হতে হবে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং শিক্ষকদের গুণগতমান, নীতি, নৈতিকতার অভাব শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
শুধু তাই নয়, বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাপ্ত এক তথ্য থেকে দেখা যায়, দেশের ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৭৭ শতাংশ শিক্ষকের পদ খালি। ৫৫৮২টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১৩০৩ শিক্ষক।
এ তো গেল একটিমাত্র পেশাগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র। এ রকম বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেধাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাবে জোড়াতালি দিয়ে চলছে। তাই শিক্ষাকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করে এ খাতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে হবে এবং বরাদ্দকৃত অর্থ যাতে দুর্নীতিগ্রস্তদের পকেটে না গিয়ে যথাযথভাবে প্রকৃত খাতে ব্যয় হয় সেদিকে প্রখর দৃষ্টি রাখতে হবে। সার্টিফিকেটসর্বস্ব শিক্ষার দিকে না ঝুঁকে মানসম্পন্ন শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোনো জাতিকে ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক হামলা কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দরকার নেই।
শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি, মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাব, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় প্রতারণা করার সুযোগ ইত্যাদিই একটা জাতিকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মানে হল একটি জাতির অবলুপ্তি। আর দেরি না করে উন্নয়নের পাশাপাশি মানসম্পন্ন শিক্ষার ক্ষেত্র এবং শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার জন্য বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবে- এটাই সবার প্রত্যাশা ও কাম্য।

মনজু আরা বেগম: লেখক ও গবেষক, তথ্যসূত্র: যুগান্তর।

ব্যবসা বাণিজ্যসহজেই বিলিয়নেয়ার হতে এই ৪ ব্যবসা করুন!বিলিয়নেয়ার বা শতকোটি ডলারের মালিক হওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। কারো কারো ক...
16/07/2019

ব্যবসা বাণিজ্য
সহজেই বিলিয়নেয়ার হতে এই ৪ ব্যবসা করুন!
বিলিয়নেয়ার বা শতকোটি ডলারের মালিক হওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। কারো কারো কাছে এটি ধরা দেয় অল্প বয়সেই।
অনেকে আবার সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেও বিলিয়নেয়ার হওয়া তো দূরের কথা উল্টো ঋণে জর্জরিত হয়ে জীবন কাটায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকটি ব্যবসায় আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার বিলিয়নেয়ার হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যবসাগুলোর কথাই তুলে ধরা হলো এ লেখায়-
৪. তথ্য-প্রযুক্তি: ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ যেমন তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় নেমে ৩০ বছরের আগেই যথেষ্ট ধন-সম্পদ কামিয়েছেন, তেমন বিল গেটসও এই ব্যবসাতেই দীর্ঘদিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ছিলেন। তারা যে সময়ে এ সম্পদ কামিয়েছেন, তা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এখনও প্রতিবছর তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবসা করে বহু মানুষ বিলিয়নেয়ার হয়ে উঠছেন।
ফোর্বস ম্যাগাজিন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় ১৮৩ জন বিলিয়নেয়ার হয়েছেন, যা গত বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি।
৩. গৃহায়ন ব্যবসা: রিয়েল এস্টেট ব্যবসা অতীতে যেমন রমরমা ছিল এখনও তা রয়েছে। তবে আপনাকে এ ব্যবসায় সাফল্য পেতে হলে বেশ কিছু অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। সাধারণত পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে এমন ব্যক্তিরা এ ব্যবসায় অন্যদের তুলনায় সুবিধা পান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ব্যবসার সফল ব্যক্তিদের একটি উদাহরণ। ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.১ বিলিয়ন ডলার। চীন ও হং কংয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীরাও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের অন্যতম। বিশ্বে গৃহায়ণ ব্যবসা করে বিলিয়নেয়ার হয়েছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা দুই শতাধিক।
২. ফ্যাশন ও খুচরা পণ্য: এ ব্যবসাকে অনেকেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বের ২৩৭ জন বিলিয়নেয়ার ফ্যাশন ও খুচরা পণ্যের ব্যবসায় বিলিয়নেয়ার হয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড তারা নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১. ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ: ফোর্বস বিশ্বের যত বিলিয়নেয়ারের তালিকা করেছে তাদের মধ্যে ৩০০ জনই ফ্যাইন্যান্স ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে ব্যবসা করে সাফল্য পেয়েছেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রবাদপুরুষ ওয়ারেন বাফেটের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৮.১ বিলিয়ন ডলার। তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি।
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সঠিকভাবে বিনিয়োগ করা সম্ভব হলে এখান থেকেই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া সম্ভব।

১০ হাজার টাকার ব্যবসা থেকে শিল্পপতি!     কিছু করার তাগিদ থাকলে একজন কোন উচ্চতায় পৌঁছতে পারেন তার সার্থক উদাহরণ কুনবের সচ...
22/06/2019

১০ হাজার টাকার ব্যবসা থেকে শিল্পপতি!



কিছু করার তাগিদ থাকলে একজন কোন উচ্চতায় পৌঁছতে পারেন তার সার্থক উদাহরণ কুনবের সচদেবা। বিশ্ব জুড়ে আজ তাঁর নামডাক। তাঁর নামের আগে বসে গিয়েছে ‘ইনভার্টার ম্যান অব ইন্ডিয়া’ শব্দটা। একসময় পেট চালাতে কলম আর স্টেশনারি আইটেম বিক্রি করতেন। কিছুদিন একটা কমিউনিকেশনস কোম্পানিতে সেলস ডিপার্টমেন্টেও কাজ করেছেন। জীবনে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বারবার পথ বদলেছেন। অবশেষে পেয়েছেন ভাগ্যদেবীর আশীর্বাদ। ইয়োর স্টোরিতে আজ সেই কুনবেরের উত্থান কাহিনি।


▪দিল্লির বুকে শুরুর শুরু

দিল্লির এক মধ্যবিত্ত পাঞ্জাবি পরিবার থেকে উঠে আসা কুনবেরের ছেলেবেলা কেটেছে সাধারণভাবেই। বাবা-মা আর তাঁরা তিনভাই। ভারতীয় রেলে কেরাণির চাকরি করতেন বাবা, মা গৃহবধূ। কুনবেরের প্রাথমিক পড়াশোনা একটি প্রাইভেট স্কুলে শুরু হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পরে ভর্তি হতে হয় একটি সরকারি স্কুলে। পড়াশোনায় খারাপ ছিলেন না। কিন্তু দু’দুবার চেষ্টা করেও মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষায় আটকে যান। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় পড়ার সুযোগ এসেছিল। কুনবের আবার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আগ্রহী ছিলেন না। শেষপর্যন্ত হিন্দু কলেজে স্ট্যাটিক্সটিক্স অনার্স নিয়ে ব্যাপারটা মিটেছিল।

▪কেবল টিভির ব্যবসা

বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে বরাবরই উৎসুক ছিলেন কুনবের। কলেজে পড়ার সময় তাঁর সেই আগ্রহ বহুগুণ বাড়ে। যা কিছু একটা পেলেই হল। গোগ্রাসে পড়ে ফেলতেন কুনবের। পরে এই পড়াশোনা তাঁর খুবই কাজে এসেছিল। বিশেষ করে যখন তিনি ইনভার্টার ব্যবসায় পা রাখেন। এইসময় বই-খাতা-পেনের একটা ব্যবসা শুরু করেন কুনবেরের ভাই। সংসার চালাতে তাতে হাত লাগান কুনবেরও। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন পাশ করার পরে জীবনের প্রথম তথা শেষবার একটি চাকরিতে যোগ দেন কুনবের।
একটি কমিউনিকেশনস কোম্পানির সেলস ডিপার্টমেন্টে কাজ। সেখানে কাজ করতে গিয়েই এই ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উপলব্ধি করেন কুনবের। ১৯৮৮ সালে সেই চাকরি ছেড়ে দিয়েই দিল্লিতে নিজেই খুলে ফেললেন কেবল বিজনেস। নাম দিলেন সু-কম কমিউনিকেশন সিস্টেমস (Su-Kam Communication Systems). সেলসে পারদর্শিতা থাকলেও কেবল ব্যবসার প্রযুক্তি বিষয়ে সড়গড় ছিলেন না কুনবের। কিন্তু বাধাবিপত্তির মধ্য দিয়েই ব্যাপারটা বুঝে নেন তিনি। যন্ত্র বসাতে তিনি নিজেই চলে যেতেন গ্রাহকের বাড়িতে। হাতেকলমে সেই অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও বদলে দেয়। পেয়ে যান প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস।

কুনবেরের কপালও চওড়া ছিল। সেই সময় ঘরে-ঘরে কেবল টিভি বসানোর ধুম। কাজ সামলে ওঠাই দায়। নিজের পড়াশোনাকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিগত দিকটা আরও ভালোভাবে বুঝে নেন কুনবের। নিজেই ট্রেনিং দিতে শুরু করেন তাঁর কর্মীদের। একইসঙ্গে শুরু করেন কেবল টিভির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের উৎপাদন। তৈরি করতে শুরু করেন ডিরেকশনাল কাপলার, অ্যাম্পলিফায়ার, মডুলেটরস। বিশেষ জোর দেওয়া হয় স্পেকট্রাম অ্যানালাইজার তৈরিতে।

▪ইনভার্টারের দুনিয়ায়

কেবল ব্যবসা খুবই ভালো চলছিল। কিন্তু সেই কেবল ব্যবসাও একদিন ছেড়ে দিলেন কুনবের। সেও এক চমকপ্রদ গল্প। কুনবেরের বাড়ির ইনভার্টার মাঝেমধ্যেই গণ্ডগোল করত আর ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে আনা হত। আসলে সেই সময়ে ইনভার্টারের মান ভালো ছিল না। গোড়ায় গণ্ডগোলের সেই ব্যাপারটা মাথায় নেন কুনবের। একদিন নিজেই খুলে ফেললেন একটা ইনভার্টার। দেখলেন সেখানে লাগানো রয়েছে নিম্নমানের পিসিবি বোর্ড। নব্বইয়ের দশকে সেই সময় বাজার চলতি যে সব ইনভার্টার মিলত, তা একে-একে পরীক্ষা করে দেখতে লাগল সু-কমের কেবল টিম। সবেতে একই রোগ। খারাপ মানের যন্ত্রাংশ।
ভালো জিনিস কেমন হয় তা বুঝতে কানাডা থেকে আনা হল অত্যাধুনিক ইনভার্টার। বোঝা গেল ফারাকটা। বেশকিছু পরীক্ষানিরীক্ষার পরে ইনভার্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন কুনবের। ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করল তাঁর Su-Kam Power Systems. কিন্তু কী হবে তাঁর কেবল টিভির যন্ত্রাংশ তৈরির ব্যবসার? ইনভার্টারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বুঝতে পেরে সেই ব্যবসায় ইতি টানলেন কুনবের। কেবল টিভির ব্যবসা থেকে পুরো টিমটাকেই সরিয়ে আনলেন সু-কম পাওয়ার সিস্টেমসে। শুরু হল ইনভার্টার, ইউপিএস তৈরির কাজ। প্রথম দিকে সেইসব জিনিস সরাসরি বিক্রি করা হত। কিন্তু এই পথে খুব বেশিদূর এগনো সম্ভব নয় বুঝে ডিলার-ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত নেন কুনবের। যে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তাঁর ব্যবসায়িক বুদ্ধিরই পরিচয় দিয়েছিল।

▪ব্যবসার মারপ্যাঁচ

সে সময় বাজার চলতি যে সব ইনভার্টার মিলত আকারে বেশ বড়সড় ছিল। সেই তুলনায় সু-কমের ইনভার্টার ছিল এর এক-চতুর্থাংশ। ফলে ডিস্ট্রিবিউটরদের এর কার্যকারিতা বোঝাতে কালঘাম ছুটতে লাগল কুনবেরের। প্রযুক্তির দিক থেকেও সু-কমের ইনভার্টার ছিল বেশ এগিয়ে। দেখতেও সুন্দর। একসময় ডিস্ট্রিবিউটররা বুঝতে পারলেন এর কার্যকারিতা। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে জেনারেটর, এয়ার কন্ডিশনারের জন্যও ইনভার্টার বানাতে শুরু করেন কুনবের। ২০০০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রথম সংস্থা হিসাবে প্লাস্টিক বডির ইনভার্টার তৈরি করে সু-কম। ইলেকট্রিক শক থেকে মানুষকে বাঁচাতেই এমন উদ্যোগ। প্রথম প্লাস্টিক বডির ইনভার্টার ‘চিক’ (Chic) সেইসময় দশকের সেরা আবিস্কারের শিরোপা পায়।

▪কুনবেরের চ্যালেঞ্জ

নব্বইয়ের দশকে ভারতে স্টার্টআপ ব্যাপারটাই অজানা ছিল। বড়-বড় কোম্পানির সুরক্ষিত চাকরি ছেড়ে প্রায় কেউই শুরুয়াতি সংস্থার অনিশ্চিত নৌকায় উঠতে রাজি ছিলেন না। কাজের জন্য দক্ষ কর্মী পাওয়া এক বড় সমস্যা। তবে হাল ছাড়েননি কুনবের। কর্মীদের নিজের উদ্যোগেই প্রশিক্ষিত করেছেন, তাদের উৎসাহিত করেছেন এবং নিজের সংস্থায় ধরে রেখেছেন। আসলে নতুন কিছু তৈরি করা মানেই ধারাবাহিক পরীক্ষানিরাক্ষা আর ব্যর্থতার মধ্যে দিয়ে যাওয়া। সেইসময় কর্মীদের মনোবল ধরে রাখাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এর ওপর ছিল লগ্নির সমস্যা।
আনকোরা একটা সংস্থায় টাকা ঢালতে কেউই রাজি ছিলেন না। এমন কোনও বিরাট সম্পত্তিও কুনবেরের হাতে ছিল না যা বন্ধক দিয়ে টাকা আনতে পারতেন। এইসময় বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়দের কাছেই ধারের জন্য হাত পাততে হয়েছিল তাঁকে। কুনবের বললেন,” একটা সময় ছিল যখন ঋণদাতাদের সময়ে টাকা শোধ দিতে পারতাম না। কিন্তু পালিয়ে যেতাম না। তাদের মুখোমুখি হয়ে সময় আর একটু বাড়ানোর অনুরোধ করতাম। আসলে এটা খুবই জরুরি”। পরে অবশ্য এর দাম পান কুনবের। ২০০৬ সালে তাঁর কোম্পানিতে লগ্নি করতে এগিয়ে আসে রিলায়েন্স পাওয়ার ফান্ড।

▪সূর্যের হাতছানি

একসময় চিকিৎসক হতে চেয়েছিলেন। এখন কিন্তু কুনবের মনে করেন উদ্যোগপতি হওয়াটাই সম্ভবত তাঁর জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত ছিল।তা তিনি বলতেই পারেন। বিশ্বের ৯০টি দেশে এখন ছড়িয়ে গিয়েছে সু-কম। প্রত্যেকটা দিনই নতুন-নতুন চ্যালেঞ্জ। অসংখ্য কর্মচারী। বিশাল অঙ্কের টার্নওভার। তবে এখানেই শেষ নয়। আগামীদিনে ভারতে সৌর বিপ্লব ঘটাতে চান তিনি। যেখানে প্রত্যেকটি বাড়িতে সৌরশক্তির ব্যবহার হবে। ভারতে এর একটা বিশাল বাজার দেখতে পাচ্ছেন কুনবের। আর তরুণ উদ্যোগপতি? হ্যাঁ, তাদের দিকেও হাত বাড়াতে চান। ইতিমধ্যেই সোলার এলইডি লাইট নিয়ে কাজ করা হায়দরাবাদের একটি স্টার্টআপকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে তাঁর সংস্থা।

লেখক: রাজদুলাল মুখার্জী
তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট।

04/06/2019

🕍 ঈদ মোবারক 🕍

অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম ♥♥🇧🇩♥♥
02/06/2019

অভিনন্দন
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম ♥♥🇧🇩♥♥

Address

Jadurani Bazar, Haripur
Thakurgaon
5130

Telephone

8801750750750

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UV Digital EnteRPrisE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category