10/07/2024
সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা! কয়েক বছর আগের কথা।তখন সাল ২০১৪ ছিল।আমার মেজো কাকি এবং তার দুই ছেলে সহ আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আশে।আমিও আমার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাই।তখনই এই ঘটনাটি আমার শোনা। আমার মেজো কাকি ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় থাকে।তাদের কিছু দিন যাবত পরিবারের প্রত্যেকের কোন না কোন সমস্যা হচ্ছিলো।আমার কাকির সব সময় মাথা ব্যাথা থাকতো।সাথে আমার চাচাতো ভাইদেরও।তাই অনেক ডাক্তার দেখান।কিন্তু কিছুতেই মাথা ব্যাথা কমে না।তখন একজন বললেন আপনারা কোনো কবিরাজের কাছে আপনাদের সমস্যাটা বলেন।তখন আমার কাকি আমাদের বাড়িতে আসেন।আমাদের বাড়ির পাশে মসজিদে একজন হুজুর ছিলেন। তিনি এসব বিষয়ে কিছু চিকিৎসা করে থাকেন।ওনাকে জানানোর পর উনি বললেন তিনি বিষয়টা দেখবেন।কিছুক্ষণ পর উনি আমার বড় ভাই এবং চাচাতো ভাইকে ডাকলেন!বললেন তোমরা রাতে ১২টার পর আমার সাথে দেখা করবা।আমার ভাইয়া হুজুরের কথা মত রাত ১২ টা বাজে আমার চাচাতো ভাই সহ হুজুরের কাছে যায়।তখন হুজুর বলেন যে উনি যখন চোখ বন্ধ করবেন তখন কিছু পড়বেন। পড়ার পর যখন তার পড়া থেমে যাবে তখন ভাইয়ারা তাদের সমস্যার কথা হুজুরকে বলার পর হুজুর তার উত্তর দিবে।ভাইয়া হুজুরের কথা মত তাই করলো।এবং জানতে পারলো যে আমার কাকি এবং তার দুই ছেলের মাথার চুল, হাতের নখ দিয়ে কেউ কালো যাদু করছে।এই সমস্যা থেকে উদ্ধার হওয়ার জন্য একটা মাটির হাড়ি ও কিছু কাদা মাটি নিয়ে রাতে আবার আসার জন্য। তখন আমার ভাই ও চাচাতো ভাই হুজুরের কাছে যায়। গেলে উনি আবার সবার সামনেই মাটির হাড়ির নিচে একটু ফুটো করে তার মধ্যে কাদা মাটি রাখেন।আর আগের মতন কিছু পড়তে থাকেন।পড়া শেষ হওয়ার পর হাড়ির মধ্যে হাত দিয়ে মাটির ভেতর থেকে চুল ও নখ বের করেন এবং ভাইয়াকে দেখান।হুজুর বললেন এই গুলার মাধ্যমে তাদেরকে কালো যাদু করা হইছে।তখন হুজুর তাবিজ দেয় এবং বলে এগুলো হাতে বাধার জন্য আর সাবধানে রাখার জন্য। কিন্তু আমার চাচাতো ভাই তার তাবিজটা সাবধানে না রাখার কারণে হারিয়ে যায় আর ওর আবার মাথা ব্যাথা শুরু হয়।তখন আমার চাচাতো ভাই আবার হুজুরের স্মরনাপর্ন হয় এবং তার চিকিৎসায় তারা ভালো হয়ে ওঠে। ........ লেখায় কোন ভুল-ত্রুটি থাকলে ক্ষমার দ্রষ্টিতে দেখবেন............ ভালো লাগলে পেইজটি ফলো করবেন।