Abir Faruk

Abir Faruk সব দুঃখের মূল এ দুনিয়ায় প্রতি অত্যাদিক আকর্ষণ।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয় ও সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিলের দখলে ছিল।
10/06/2026

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয় ও সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিলের দখলে ছিল।

মক্তবগুলো আবারও চালু করা হোক।আমাদের সময় আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে মক্তবে যেতাম। মক্তবে গিয়ে শুধু কুরআন পড়তাম না, সেখানে...
10/06/2026

মক্তবগুলো আবারও চালু করা হোক।

আমাদের সময় আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে মক্তবে যেতাম। মক্তবে গিয়ে শুধু কুরআন পড়তাম না, সেখানে আমরা আদব কায়দা শিখতাম, ভদ্রতা শিখতাম, বড়দের সম্মান করতে শিখতাম, ছোটদের স্নেহ করতে শিখতাম। মা বাবার সাথে কীভাবে কথা বলতে হবে, শিক্ষকের সাথে কীভাবে আচরণ করতে হবে, মানুষের সাথে কীভাবে চলতে হবে, এই শিক্ষাগুলোও আমরা মক্তব থেকেই পেতাম।

মক্তব শেষ করে আমরা স্কুলে যেতাম। তখন পরিবার ছিল, মক্তব ছিল, স্কুল ছিল, সমাজ ছিল, সবাই মিলে একটা শিশুকে মানুষ বানানোর চেষ্টা করত। আজকে একটু চারপাশে তাকিয়ে দেখুন তো, আমরা সেই জায়গা থেকে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি?

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো একসময় গ্রামের মানুষের ভরসার জায়গা ছিল। কিন্তু আজ আমরা নিজেরাই আমাদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে দিতে আগ্রহী নই। আমরা ভোরে ঘুম থেকে তুলে তাদের কিন্ডারগার্টেনে পাঠিয়ে দিচ্ছি। যত্রতত্র কিন্ডারগার্টেন গড়ে উঠেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি শুধু পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া সন্তান চাই, নাকি একজন ভালো মানুষও চাই?

আগে পাড়ার চাচা, কাকা, বড় ভাই, মুরুব্বিরা কোনো ছেলেকে খারাপ কিছু করতে দেখলে বকা দিতেন, শাসন করতেন। অনেক সময় কানের কাছে ডেকে বলতেন, এই কাজটা করিস না। সেই শাসনের মধ্যে ভালোবাসা ছিল, দায়িত্ববোধ ছিল। আজকে সেই পরিবেশ কোথায়?

এখন যদি কোনো চাচা বা মুরুব্বি কোনো ছেলেকে শাসন করেন, অনেক সময় সেই ছেলে বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ করে। এরপর অভিভাবক এসে ওই মানুষটাকেই অপমান করেন। ফলে সমাজের মানুষও এখন অন্যের সন্তানকে নিয়ে কিছু বলতে চায় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু নিজের সন্তান না, সমাজের সন্তানদের প্রতিও কি আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই?

আমরা ছোটবেলায় মুরুব্বিদের সামনে পড়লে নিজেদের আচরণ সংযত করতাম। চাচার সামনে সিগারেট খাওয়া তো দূরের কথা, ঠিকমতো দাঁড়াতেও সংকোচ বোধ করতাম। আজকে অনেক জায়গায় দেখা যায়, বড়দের সামনে বসে মোবাইল টিপছে, সিগারেট খাচ্ছে, অশালীন ভাষায় কথা বলছে। শিক্ষক, বড় মানুষ, মুরুব্বি, কাউকে নিয়ে ভয় নেই, সংকোচ নেই, সম্মানও নেই।

আমি বলছি না যে সব ছেলে মেয়ে খারাপ। অবশ্যই অনেক ভালো সন্তান আছে। কিন্তু আমরা কি অস্বীকার করতে পারি যে দিন দিন কিশোর অপরাধ বাড়ছে? কিশোর গ্যাং বাড়ছে? মাদকাসক্তি বাড়ছে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কিশোর এমন সব ছবি, ভাষা ও আচরণ প্রকাশ করছে, যা তাদের বয়সের সঙ্গে যায় না।

আরেকটা বিষয় নিয়ে আমাদের খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। আমরা অনেক সময় ছোট ছোট বাচ্চার হাতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন তুলে দিচ্ছি। কিন্তু আমরা কি জানি, এই ফোনটা সে কী কাজে ব্যবহার করছে? এই ফোন যেমন জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম হতে পারে, তেমনি ভুল পথে যাওয়ারও মাধ্যম হতে পারে। অভিভাবক হিসেবে আমরা কি সত্যিই খোঁজ রাখছি, আমাদের সন্তান অনলাইনে কী দেখছে, কার সঙ্গে কথা বলছে, কী শিখছে?

আজকে আমরা উন্নয়নের কথা বলি, আধুনিকতার কথা বলি। রাস্তা ঘাট হচ্ছে, বড় বড় ভবন হচ্ছে, প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে যদি আমাদের মূল্যবোধ, নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও সামাজিক দায়িত্ববোধ পিছিয়ে যায়, তাহলে এই উন্নয়নের প্রকৃত সুফল আমরা কতটুকু পাব?

আমার পাশের গ্রাম শিকারপুরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত।এখানে একটি মাসুম এতিম শিশুকে গরম রড দিয়ে ছ্যাকা ...
07/06/2026

আমার পাশের গ্রাম শিকারপুরে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত।
এখানে একটি মাসুম এতিম শিশুকে গরম রড দিয়ে ছ্যাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা যে কোনো বিবেকবান মানুষের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
শিকারপুর গ্রামের ঐএতিম শিশু বুড়িচং বাজারের একটি দোকানে কাজ করত।
যে বয়সে তার মায়ের স্নেহে থাকা, পরিবারে নিরাপত্তা পাওয়া এবং স্কুলে পড়াশোনা করার কথা, সেই বয়সে অভাবের তাগিদে সে জীবিকার জন্য কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।

একজন এতিম ও অসহায় শিশু হিসেবে তার জীবন ছিল কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ের, এবং এমন অভিযোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বেদনাদায়ক।

05/06/2026
একটা জাতিকে ধ্বংস করতে যুদ্ধ সবসময় প্রয়োজন হয় না। একটি জাতিকে পিছিয়ে দিতে হলে শুধু তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করলেই যথ...
04/06/2026

একটা জাতিকে ধ্বংস করতে যুদ্ধ সবসময় প্রয়োজন হয় না। একটি জাতিকে পিছিয়ে দিতে হলে শুধু তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করলেই যথেষ্ট। হানাহানি, মারামারি, সংঘাত, ষড়যন্ত্র, দলাদলি ও অশিক্ষা একটি জাতির সবচেয়ে বড় শত্রু। আর একটি জাতিকে উন্নত করতে হলে দরকার শিক্ষা, জ্ঞান, শৃঙ্খলা, বিজ্ঞানচর্চা, গবেষণা, মানবিকতা ও কঠোর পরিশ্রম।

আজ পৃথিবীর যেসব দেশ উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত, তারা রাতারাতি উন্নত হয়নি। চীন কয়েক দশক আগেও ছিল একটি দরিদ্র কৃষিনির্ভর দেশ। কিন্তু তারা নিজেদেরকে উৎপাদন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও শিল্পে এত বেশি মনোযোগ দিয়েছে যে আজ তারা বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক হামলার পর জাপান প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু সেই জাপানই তাদের শৃঙ্খলা, মেধা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আজ তারা বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও সম্মানিত জাতি।

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কেন পারবে না?
এই দেশের মাটিতে কী নেই? এ দেশের উর্বর জমিতে যা বপন করা হয় তাই জন্মায়। নদী আছে, সাগর আছে, মাছ আছে, কৃষি আছে, প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, শ্রমশক্তি আছে, তরুণ জনগোষ্ঠী আছে। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ অঞ্চল এই বাংলাদেশ। আমাদের আছে বিশাল সমুদ্রসীমা, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, পোশাক শিল্প, প্রবাসী আয়, প্রাকৃতিক গ্যাস, পর্যটনের সম্ভাবনা এবং কোটি কোটি পরিশ্রমী মানুষ।

তারপরও কেন এ দেশের বহু মানুষ এখনও তিনবেলা খাবারের নিশ্চয়তা পায় না?
কেন এখনও মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যায়?
কেন এখনও টাকার অভাবে অসংখ্য শিক্ষার্থী পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়?
কেন এখনও অনেক মা-বাবা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে থাকে?
কেন এখনও এই দেশে অনাহার, বেকারত্ব ও হতাশা মানুষের জীবনকে গ্রাস করে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের নিজেদের কাছেই খুঁজতে হবে।
আমরা যদি জাতিগতভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে না পারি, যদি জ্ঞানচর্চার পরিবর্তে বিভেদে জড়িয়ে পড়ি, যদি বিজ্ঞান ও শিক্ষার চেয়ে হিংসা ও বিদ্বেষকে বড় করি, তাহলে কোনো উন্নয়নই স্থায়ী হবে না। উন্নত রাষ্ট্র গড়তে হলে শুধু রাস্তা বা বড় বড় ভবন তৈরি করলেই হবে না, মানুষের মানসিকতা, শিক্ষা ও নৈতিকতারও উন্নতি করতে হবে।

একসময় বাংলা, বিহার ও ওড়িশা ছিল উপমহাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর একটি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার জন্য আসতো। নালন্দার মতো বিশ্ববিদ্যালয় হাজার বছর আগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছিল এই ভূখণ্ডে। কিন্তু দীর্ঘ উপনিবেশিক শাসন, শোষণ ও বিভক্তির কারণে আমরা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়েছি।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসার নামে এই অঞ্চলে এসে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক শক্তি দখল করে। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার স্বাধীনতার পতন শুরু হয় এবং পরে পুরো ভারতবর্ষ দীর্ঘদিন ব্রিটিশ শাসনের অধীনে চলে যায়। তারা শুধু সম্পদ লুট করেনি, এমন একটি প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করে গেছে যার প্রভাব আজও আমাদের সমাজে রয়ে গেছে।

কিন্তু ইতিহাস আমাদের আরেকটি শিক্ষাও দেয় , কোনো জাতি চিরদিন পিছিয়ে থাকে না, যদি সেই জাতি নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং জ্ঞান ও পরিশ্রমের পথে ফিরে আসে।

আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো জাতীয় ঐক্য, দক্ষতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবিক নেতৃত্ব। তরুণ সমাজকে শুধু চাকরির পেছনে নয়, নতুন কিছু সৃষ্টি করার দিকেও এগিয়ে যেতে হবে। কারণ পৃথিবী এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের যুগে প্রবেশ করেছে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি দেশের প্রকৃত শক্তি শুধু তার প্রাকৃতিক সম্পদে নয়, সেই দেশের মানুষের চিন্তা, শিক্ষা, সততা ও কর্মে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনা অসীম। প্রয়োজন শুধু সঠিক দিকনির্দেশনা, সুশিক্ষা, সততা, ন্যায়বিচার এবং নিজেদের দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসার মানসিকতা।

বিভেদ নয়, জ্ঞান হোক আমাদের শক্তি। হিংসা নয়, মানবিকতা হোক আমাদের পরিচয়। অলসতা নয়, পরিশ্রম হোক আমাদের ভবিষ্যৎ।

মানুষ নিজের শক্তি সম্পর্কে নিজেই পুরোপুরি জানে না। আল্লাহ তায়ালা প্রতিটি মানুষকে অসাধারণ মেধা, চিন্তাশক্তি ও কর্মক্ষমতা ...
03/06/2026

মানুষ নিজের শক্তি সম্পর্কে নিজেই পুরোপুরি জানে না। আল্লাহ তায়ালা প্রতিটি মানুষকে অসাধারণ মেধা, চিন্তাশক্তি ও কর্মক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। মানুষের মস্তিষ্ক কত কিছু চিন্তা করতে পারে, কত কিছু সৃষ্টি করতে পারে, মানবজাতির কল্যাণে কত অবদান রাখতে পারে, তার সামান্য অংশও আমরা এখনো ব্যবহার করতে পারিনি।

আমরা যাদের জ্ঞানী, গুণী বা মনীষী বলে সম্মান করি, তারাও হয়তো আল্লাহ প্রদত্ত বিশাল ক্ষমতার অতি সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পেরেছেন। অথচ একজন মানুষের ভেতরে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সম্ভাবনা, অসংখ্য ভালো কাজ করার শক্তি, পৃথিবী বদলে দেওয়ার ক্ষমতা।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকের অনেক মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, নিজেদের মূল্যবান সময় ও মেধাকে সঠিক পথে ব্যবহার না করে মোবাইল, ডিভাইস, অপ্রয়োজনীয় আসক্তি কিংবা মানুষের পিছনে অন্ধভাবে ঘুরে নষ্ট করে ফেলছে। অথচ এই সময়টুকু যদি নিজেকে গড়তে, জ্ঞান অর্জন করতে, দক্ষতা বাড়াতে ও ভালো কাজে ব্যয় করা হতো, তাহলে শুধু নিজের জীবন নয়, পরিবার, সমাজ, দেশ ও পুরো মানবজাতির জন্য অসাধারণ কিছু করা সম্ভব হতো।

একজন মানুষ চাইলে অনেক কিছু করতে পারে। আল্লাহ যেহেতু তাকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই পাঠিয়েছেন। মানুষ যতদিন বাঁচে, সেই সময়ের মধ্যেই সে সুন্দর চিন্তা, জ্ঞান, সেবা ও কর্মের মাধ্যমে পৃথিবীতে এমন কিছু রেখে যেতে পারে, যা মৃত্যুর পরও মানুষ মনে রাখবে।

03/06/2026

গ্রামের বাড়িতে মরিচ গাছ থেকে মরিচ সংগ্রহ।

জীবন কখনোই সরল পথে চলে না।পথে আসে বাধা, ব্যর্থতা, হতাশা আর অসংখ্য পরীক্ষা।তবুও যারা থেমে না গিয়ে সাহস নিয়ে নিজের স্বপ্নে...
01/06/2026

জীবন কখনোই সরল পথে চলে না।
পথে আসে বাধা, ব্যর্থতা, হতাশা আর অসংখ্য পরীক্ষা।
তবুও যারা থেমে না গিয়ে সাহস নিয়ে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে চলে, দিন শেষে তারাই একদিন নিজের অবস্থান তৈরি করে নেয়।

পতেঙ্গা সী বিচ
17/03/2025

পতেঙ্গা সী বিচ

13/02/2025

চট্টগ্রাম পাহাড়ি রাস্তায়

Address

Wari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abir Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share