04/10/2022
শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে। তাদের অব্যাহত সুখ শান্তি ও কল্যাণ কামনা করি।
আবহমানকাল ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাণের উৎসব। যুগ যুগ ধরে এই ধর্মীয় উৎসবটি সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসাহ-উদ্দীপনা সহকারে পালিত হয়।
যে কোন উৎসবই মানুষের আনন্দময় সত্তার জাগরণ ঘটনায়। সকল ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানব কল্যাণ, মানুষের আত্মাকে সকলের প্রতি শুভেচ্ছাবোধে উদ্দীপ্ত করে, মানুষে মানুষে হিংসা-বিদ্বেষ ও রক্তারক্তির অবসান হয় এবং সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা লাভ করে। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে-হিংসা, লোভ ও ক্রোধরুপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যেখানে ন্যায় ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। নির্যাতন, নিপীড়ণ, অবিচার ও প্রতিহিংসার অভিঘাতে যারা রাষ্ট্র ও সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে, প্রতিষ্ঠিত করতে চায় দুঃশাসন তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানুষের সার্বিক স্বাধীনতা ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার মূল লক্ষ্য। সেই বাণীকে হৃদয়ঙ্গম করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সকলে মিলে ভাগ করে নিতে হবে। উৎসবের প্রাঙ্গনে সবাইকে নিয়ে আমাদের যে সমাবেশ তা আবহমান সৌহার্দের শাশ্বত চিত্র।
বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। যেকোন ধরণের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এ দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাসী নই। আমরা সবাই বাংলাদেশী- এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়।
আমি এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।
জনাব তারেক রহমান
চেয়ারম্যান - বিএনপি