Dr. Mimi

Dr. Mimi Dr. Mushtary Mimi, MBBS, MPH
McMaster University, Canada.

03/12/2026

হ্ঠাৎ বুকে ব্যথা! -গ্যাস/ অ্যাসিডিটি নাকি হার্ট এটাকের লক্ষণ?
হঠাৎ বুকের ব্যথা হলে আমরা অনেকেই ভাবি এটা হয়তো গ্যাস বা অ্যাসিডিটি। কিন্তু সব বুকের ব্যথা গ্যাস কিংবা এসিডটি নয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি হার্টের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, এমনকি হার্ট অ্যাটাকেরও লক্ষণ হতে পারে।

হার্টের কারণে যে বুকের ব্যথা হয়, তা সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ বা ভারী অনুভূতির মতো হয়।মনে হয় বুকের উপর ভারী কিছু বসে আছে বা কিছু চেপে ধরে আছে এই ব্যথা অনেক সময় ছড়িয়ে যেতে পারে বাম হাতে ,ঘাড়ে, চোয়ালে বা পিঠে। এর সাথে থাকতে পারে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম,মাথা, ঘোরা, বমি ভাব ,অস্বাভাবিক দুর্বল লাগা।অন্যদিকে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির কারণে যে বুকের ব্যথা হয়, সেটি সাধারণত জ্বালাপোড়ার মতো হয়।
ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরে এই ব্যথা বাড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ঢেঁকুর উঠলে বা গ্যাসের ওষুদ খেলে ব্যথা কিছুটা কমে যায়। তবে শুধু এই লক্ষণ দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় না যে এটি হার্টের সমস্যা নয়।
কিছু বুকের ব্যথা হয় মাংসপেশীর কারণে।
এই ব্যথা সাধারণত নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে এবং চাপ দিলে বাড়ে।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মেয়েদের এবং ডায়াবটিস রোগীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক সময় একটু ভিন্ন হতে পারে।মেয়েদের সবসময় তীব্র বুকের ব্যথা নাও হতে পারে। শুধু অস্বাভাবিক ক্লান্তি,শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব ,ঘাড় বা পিঠে ব্যথা, হালকা বুকের অস্বস্তি থাকাও অনেক সময় মেয়েদের হার্ট এটাকের লক্ষণ হতে পারে।এই কারণে অনেক সময় মেয়েরা এটিকে গ্যাস ভেবে ভুল করেন।
ডায়াবেটিস আছে এমন মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও একটু ভিন্ন হতে পারে।ডায়াবেটিসের কারণে অনেক সময় স্নায়ুর অনুভূতি কমে যায়। তাই কিছু ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক হলেও তীব্র বুকের ব্যথা নাও হতে পারে।শুধু শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, ঘাম, বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের বুকের যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া খুব জরুরি।

কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন-
যদি বুকের ব্যথা কয়েক মিনিটের বেশি থাকে, বারবার ফিরে আসে, অথবা সাথে শ্বাসকষ্ট, ঘাম, মাথা ঘোরা বা বমি ভাব থাকে তাহলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যান।

হার্টের সমস্যায় সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

02/12/2026

ভাতের সাথে ওজন বৃদ্ধির সম্পর্ক!

অনেকেই মনে করেন,ওজন কমাতে হলে প্রথমেই ভাত বাদ দিতে হবে।আসুন, এই ধারণার সত্যতা জানা যাক।আমাদের শরীরের প্রধান শক্তি আসে গ্লুকোজ থেকে।আর এই গ্লুকোজের প্রধান উৎস হলো কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার।ভাত হলো এক ধরনের কার্বোহাইড্রেট।আমরা ভাত খাওয়ার পর,এই কার্বোহাইড্রেট শরীরে গিয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়।কার্বোহাইড্রেট একদম বাদ দিলে অনেক সময় দুর্বল লাগা,মাথা ঝিমানো,কাজে এনার্জি না থাকার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।তাহলে ভাত খেলে ওজন বাড়ে কেন? আসলে সমস্যা ভাত না,সমস্যা হলো ভাতের পরিমাণে।
আমরা বাঙালীরা সাধারণত ভাত বেশি খাই,কিন্তু ভাতের সাথে শাক-সবজি আর প্রোটিন মানে মাছ, মাংস বা ডিমএইগুলো তুলনামূলক কম খাই। ফলে শরীরে প্রয়োজনের চেয়েবেশি ক্যালরি ঢুকে যায়,আর তখনই ওজন বাড়ে।ভাত বাদ দেওয়াই সমাধান নয়।ভাত খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব যদি পরিমাণটা ঠিক রাখা যায়।সহজভাবে বললে,আপনার প্লেটেরঅর্ধেক হওয়া উচিত শাক–সবজি,এক চতুর্থাংশ প্রোটিন,আর বাকি এক চতুর্থাংশ ভাত।ভাত শত্রু না।পরিমাণ আর ভারসাম্যই আসল!

02/10/2026

প্রতিদিন কতটুকু পানি খাওয়া উচিত?

সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি খেতেই হবে। এই কথা কি আসলেই সত্য? উত্তর হলো না! পানির চাহিদা সবার জন্য এক নয়।কার কতটুকু পানি দরকার সেটা নির্ভর করে শরীরের ওজন, আবহাওয়া , শারীরিক পরিশ্রমের পরিমান, এবং খাবারের ধরনের উপর।প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি খেলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া (হাইপোনাট্রিমিয়া), মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, শরীর ফোলা এবং কিডনি ও হৃদপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
তাহলে বুঝবেন কীভাবে শরীর কখন পানি চাইছে আর কখন চাইছে না? খুব সহজ।। পিপাসা লাগলে, প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হলে, বা মুখ শুকিয়ে যেতে থাকলে বুঝতে হবে শরীরে পানি দরকার। আর এসব কিছু না থাকলে, জোর করে পানি খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
গ্লাস গুনে নয়, শরীরের প্রয়োজন বুঝে পানি পান করু ন। সুস্থ থাকুন।

Address

Toronto, ON
M1L4R3

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mimi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Mimi:

Share